মালি: মুজাহিদদের রুখতে রাশিয়ার ভাড়াটে সৈন্যদের পিছনে ৫ বছরে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়

আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট প্রতিরোধ বাহিনীর তীব্র আক্রমণ আর আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি ছেড়ে যায় ক্রুসেডার ফ্রান্স এবং এর মিত্র পশ্চিমা দেশগুলো। এরপর ২০২১ সালে এই শূণ্যতা পূরণে মালির জান্তা সরকার দেশটিতে নিয়ে আসে রাশিয়ান ভাড়াটে সৈন্যদের।
জিউন আফ্রিকার উদ্ধৃত প্রতিবেদন অনুসারে, দেশটিতে জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মুজাহিদদের অগ্রগতি রুখতে, মালির জান্তা সরকার এই ৫ বছরে রাশিয়ার ভাড়াটেদের পিছনে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এই খরচ ২০২১ সালে ওয়াগনার উপস্থিতি থেকে শুরু করে নতুন করে মোতায়েন করা আফ্রিকান কর্পস পর্যন্ত।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাশিয়ান ভাড়াটে সৈন্যদের সহযোগিতায় “রাজধানী বামাকোর দিকে অগ্রসরমান সশস্ত্র প্রতিরোধ বাহিনী ‘জেএনআইএম’ বিরুদ্ধে সীমিত ফলাফল দিয়েছে।” বিপরীতে দলটি আগের চাইতে এখন আরও শক্তিশালী এবং সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, মালিতে নিযুক্ত প্রতিটি রাশিয়ান সৈন্যের গড় মাসিক খরচ ১০,০০০ ডলার। মালিতে বর্তমানে প্রায় ২,৫০০ রাশিয়ান সেনা মোতায়েন রয়েছে। এই সামরিক উপস্থিতির সর্বোচ্চ খরচ প্রতি মাসে ২৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বলে জানা গেছে।
ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা এবং বাজেটের চাপ সত্ত্বেও, মালির জান্তা (সামরিক) সরকার রাশিয়ান সৈন্যদের সাথে তাদের চুক্তি নবায়ন করছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য যে, রাশিয়ান ভাড়াটে সৈন্যরা মালিতে বিভিন্ন গণহত্যা চালিয়ে আসছে, যেখানেই কিছু সময়ের জন্য এই সামরিক উপস্থিতি ছিল, সেখানেই গণহত্যা চালিয়েছে। আর এসকল গণহত্যার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় তীব্র আক্রমণ চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ‘জেএনআইএম’ মুজাহিদিনরা। ফলে স্থলভাগে সংঘটিত সংঘর্ষে রাশিয়ান বাহিনী এখনো ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
তথ্যসূত্র:
– https://www.mepanews.com/mali-5-yild...adi-76487h.htm









Comment