Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৩ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ০২রা এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৩ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ০২রা এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

    ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ইসরায়েলি আইনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া


    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলি পার্লামেন্ট কর্তৃক গৃহীত একটি বিতর্কিত আইনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ চলমান নিপীড়নের ধারাবাহিকতায় ফিলিস্তিনি জনগণের মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ন্যায়বিচার ও মানবিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই আইনের মাধ্যমে একটি নির্যাতিত জাতিকে বৈষম্যমূলকভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই আইনের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনে ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে এবং সাজা ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এমনকি আদালত প্রসিকিউটরের আবেদন ছাড়াই সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ড দিতে পারবে।

    বিতর্কিত এই আইন প্রস্তাব করেছে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী দল ওৎজমা ইয়েহুদিত। এই দলেরই নেতৃত্বে আছেন ইসরায়েলের বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। প্রস্তাবটি সামনে আসার পর থেকেই দেশ-বিদেশে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

    ইমারাতে ইসলামিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে এই ধরনের পদক্ষেপ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ও জরুরি উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।


    তথ্যসূত্র
    1.Condemnation of the Zionist regime’s parliamentary decision in favor of Palestinian prisoners
    https://tinyurl.com/y6s9njpz

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মাজার-ই-শরীফে আফগান-উজবেক যৌথ বিনিয়োগে ৬০ মিলিয়ন ডলারের পোল্ট্রি প্রকল্পের কাজ শুরু



    আফগানিস্তানের বালখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরীফে আফগান ও উজবেক ব্যবসায়ীদের যৌথ বিনিয়োগে ৬০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে একটি বৃহৎ পোল্ট্রি উৎপাদন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের পোল্ট্রি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।

    কারখানাটি প্রায় ৪০০ জেরিব (প্রায় ১৯৭.৬ একর) জমির ওপর তিন ধাপে নির্মিত হবে এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণরূপে চালু হলে বার্ষিক ৩ কোটি মুরগি, ৩৩ কোটি ডিম, ৪৫ হাজার টন মুরগির মাংস ও ৩৩ হাজার টন পোল্ট্রি ফিড উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বালখের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই উদ্যোগকে দেশীয় উৎপাদনে অগ্রগতি ও পোল্ট্রি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অসংখ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পোল্ট্রি শিল্পকে শক্তিশালী করা, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানোই প্রধান লক্ষ্য।

    উল্লেখ্য, কাবুলে আফগান ও উজবেক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের বিভিন্ন চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র
    1.Work Begins on $60 Million Poultry Production Factory in Balkh
    https://tinyurl.com/ycrnpya4
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আফগানিস্তানে ১১টি ব্যাটারি উৎপাদন কারখানা কার্যক্রম শুরু, বাজারের ৮০ শতাংশ চাহিদা পূরণ



      আফগানিস্তানে ব্যাটারি উৎপাদন খাতে বর্তমানে ১১টি কারখানা সক্রিয় রয়েছে, যা দেশের মোট বাজার চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ পূরণ করছে। ব্যাটারি উৎপাদন কারখানা ইউনিয়নের তথ্যমতে, এই খাতে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা দেশীয় শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

      ইউনিয়নের উপদেষ্টা আবদুল নাসির রেশতিয়া হাফিযাহুল্লাহ জানান, শিগগিরই আরও দুটি কারখানা চালু হতে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশে আন্তর্জাতিক মানের সোলার, এমএফ(Maintenance-Free Battery) এবং রিচার্জেবলসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যাটারি উৎপাদিত হচ্ছে।

      এসব কারখানার মধ্যে কাবুলে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যাটারি উৎপাদন কারখানাটি প্রতিদিন ৩ হাজার পর্যন্ত ব্যাটারি উৎপাদন করে। এই কারখানায় প্রায় ২০০ জন শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন এবং তিনটি পৃথক লাইনে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

      উৎপাদনের পর প্রতিটি ব্যাটারি উন্নত মেশিন ও শ্রমিকদের মাধ্যমে সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হয় যাতে কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি না থাকে। কারখানা ব্যবস্থাপক জামশিদ মাহমুদী বলেন, “এই কারখানায় ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তিসহ মোট বিনিয়োগ প্রায় ২ কোটি মার্কিন ডলারের কাছাকাছি।”

      ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান দেশীয় শিল্পের প্রসার ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সম্প্রতি কান্দাহারের শিল্প পার্কে তুলাবীজ থেকে প্রতিদিন প্রায় ২০০ টন তেল উৎপাদন এবং দেশীয় ব্যাটারি শিল্পের এই অগ্রগতি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

      তথ্যসূত্র
      1.Afghanistan’s Battery Production Expands with $110M Investment
      https://tinyurl.com/2s2dpjyc
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        সোমালিয়ায় বিদেশি দখলদার বাহিনীর উপর আশ-শাবাবের হামলা: হতাহত ১৩ ক্রুসেডার



        সোমালিয়ায় মোতায়েন দখলদার উগান্ডান বাহিনীর ওপর দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ২টি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন আশ-শাবাব মুজাহিদিনরা। এতে দেশটির অন্তত ৬ ক্রুসেডার সৈন্য নিহত এবং আরও ৭ সৈন্য আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

        আঞ্চলিক সংবাদ মাধ্যম শাহাদাহ এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ মার্চ সকালে, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা দক্ষিণ সোমালিয়ার নিম্ন শাবেলি রাজ্যে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। অভিযানটি রাজ্যের মুবারক শহরে পুঁতে রাখা একটি আইইডি বিস্ফোরণের মাধ্যমে চালানো হয়, ফলশ্রুতিতে ক্রুসেডার উগান্ডান বাহিনীর ২ সৈন্য নিহত হয়।

        এদিন দুপুরের পর মুবারক শহরের উপকণ্ঠে উগান্ডান বাহিনীর উপর আরও একটি সফল হামলা চালান মুজাহিদিনরা। মুজাহিদিনরা উগান্ডান বাহিনীর একটি টহলদলকে টার্গেট করে অতর্কিত এই আক্রমণটি পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে অতর্কিত হামলার পর সৃষ্ট সংঘর্ষে দখলদার বাহিনীর অন্তত ৪ সৈন্য নিহত এবং আরও ৭ সৈন্য আহত হয়। আর দুটি অভিযান শেষে মুজাহিদিনরা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু মেশিনগান, আরপিজি এবং রকেট লঞ্চারসহ বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র গনিমত হিসাবে জব্দ করতে সক্ষম হয়েছেন।

        সম্প্রতি, এই অঞ্চলে আশ-শাবাব মুজাহিদদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালাতে আসা দখলদার উগান্ডার সেনাবাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এই ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধির ফলে, উগান্ডার সেনাবাহিনী সোমালিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা বিবেচনা করতে শুরু করেছে।

        উল্লেখ্য যে, সোমালিয়ায় ক্রুসেডার আফ্রিকান ইউনিয়ন মিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো উগান্ডান সেনারা। এই মিশনের অংশ হিসেবে উগান্ডা ২০০৭ সাল থেকে সোমালিয়ায় হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন করে রেখেছে। আফ্রিকান ইউনিয়ন, পশ্চিমা বিশ্ব এবং তাদের মদদপুষ্ট বিভিন্ন দেশ ও মোগাদিশু বাহিনীর হাজার হাজার সৈন্যের প্রায় ২০ বছরের সম্মেলিত আগ্রাসন সত্ত্বেও, এই বাহিনীগুলো আশ-শাবাব মুজাহিদদের দুর্বল করতে ব্যর্থ হয়েছে।
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          পাকিস্তানে সন্ত্রাসী সেনা পোস্টে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিনের স্নাইপার হামলা



          পাকিস্তানের খাইবার এজেন্সিতে সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর একটি সামরিক পোস্টে স্নাইপার হামলা চালিয়েছেন ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তানের (আইএমপি) মুজাহিদিনরা।

          প্রতিরোধ বাহিনী আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) জানান, গত ১লা মার্চ সোমবার বিকাল ৪:০০ টায়, মুজাহিদিনরা পাকিস্তানের খাইবার এজেন্সির তিরাহ উপত্যকায় একটি সফল আক্রমণ চালিয়েছেন। আক্রমণটি উপত্যকায় অবস্থিত সন্ত্রাসী বাহিনীর “নাজারা পোস্ট” লক্ষ্য করে স্নাইপার দ্বারা চালানো হয়। মুজাহিদদের এই হামলায় ঘটনাস্থলেই এক সন্ত্রাসী সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়।


          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/3j8wk2u3
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            কেনিয়ায় শত্রু সামরিক ঘাঁটি এবং কনভয়ে আশ-শাবাব মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণ: হতাহত অসংখ্য শত্রু সেনা


            আল-কায়েদা পূর্ব আফ্রিকা শাখা হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা কেনিয়ার গারিসা এবং মান্দিরা রাজ্যে ২টি পৃথক হামলা চালিয়েছেন। দেশটির ক্রুসেডার বাহিনীর একটি সামরিক কনভয় এবং ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলাগুলো চালানো হয়েছে।

            শাহাদাহ এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, কেনিয়া ও সোমালিয়ার কৃত্রিম সীমান্তে অবস্থিত গারিসা রাজ্যে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। রাজ্যের ফাফি জেলার উপকণ্ঠে কেনিয়ান ক্রুসেডার বাহিনীর একটি পদাতিক টহল দলকে টার্গেট করে মুজাহিদিনরা অতর্কিত এই হামলাটি চালান। এতে ক্রুসেডার বাহিনীতে ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি ঘটনা ঘটে। হতাহতের এই ঘটনার পর আহত ও নিহত সৈন্যদের সরিয়ে নিতে ঘটনাস্থলে একটি হেলিকপ্টার অবতরণ করে।

            এদিন কেনিয়ার মান্দিরা রাজ্যের এল গালো জেলাতেও একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেন মুজাহিদিনরা। অভিযানটি জেলার এল রামো এলাকায় অবস্থিত একটি কেনিয়ান সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়। এতে সামরিক ঘাঁটিতে থাকা শত্রু বাহিনীতে ব্যাপক হতাহত ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X