Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৭ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৭ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

    মালিতে জেএনআইএম এর বিস্তৃত সমন্বিত আক্রমণ: ২টি রাজ্য বিজয় সহ প্রকম্পিত ৮টি শহর



    পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি, শনিবার ভোরে দেশজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে সমন্বিত সামরিক অপারেশন শুরু করে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠী আজওয়াদ। দল দুটির তীব্র আক্রমণে কেঁপে উঠেছে পুরো মালি, জান্তা বাহিনী নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ২টি প্রদেশ, কয়েকটি শহর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটির।

    আঞ্চলিক গণমাধ্যম এবং স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫শে এপ্রিল শনিবার ভোরে, আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) এবং আজওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ) যোদ্ধারা একযোগে বৃহৎ পরিসরে একটি সামরিক অপারেশন শুরু করে। তাদের সমন্বিত আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় মালিয়ান সশস্ত্র জান্তা বাহিনী (এফএএমএ) এবং আফ্রিকান কর্পস নামে পরিচিত রুশ ভাড়াটে আধাসামরিক বাহিনীর দখলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও প্রশাসনিক অবস্থানগুলো।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম ব্যাপক হামলা হিসেবে বর্ণিত এই অভিযানটি দেশটির উত্তরের শক্তিশালী ঘাঁটি কিদাল এবং রাজধানী বামাকোর নিকটবর্তী শহরগুলো উভয়কেই প্রভাবিত করেছে।

    সমন্বিত এই আক্রমণের অংশ হিসেবে জেএনআইএম মুজাহিদিনরা প্রথমেই তাদের টার্গেট হিসাবে চিহ্নিত করেন রাজধানী বামাকো থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কাটি শহর, যেখানে মালির অন্যতম বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বাসভবন রয়েছে। মুজাহিদিনরা হামলার প্রথমাংশেই জান্তা প্রশাসনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবন এবং কিটা সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থিত চিফ অফ স্টাফের (সেনা প্রধান) অবস্থান লক্ষ্য করে বিস্ফোরক বোঝাই দুটি শক্তিশালী ইস্তেশহাদী হামলা চালান। এতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনা প্রধানের অবস্থান সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়। গুঞ্জন উঠেছে মুজাহিদদের হামলায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাদিও কামরা, সেনাপ্রধান এবং তার ডেপুটি ওমর দিয়ারা সহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছে।

    এই ইস্তেশহাদী হামলার পর মুজাহিদিনরা রাজধানীর কাছে অবস্থিত কাটি শহর এবং এখানে অবস্থিত মালির অন্যতম বৃহৎ সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে তীব্র আক্রমণ শুরু করেন। সেই সাথে জান্তা প্রশাসনের প্রধান (রাষ্ট্রপতি) আসিমি গোয়িতার সদরদপ্তর লক্ষ্য করেও মুজাহিদিনরা তীব্র আক্রমণ চালিয়েছেন। ফলে রাজধানী জুড়ে বিকট বিস্ফোরণ এবং একটানা গোলাগুলির শব্দ শুনা গেছে।

    একই সাথে মুজাহিদিনরা বামাকোর মোদিবো কেইতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও আক্রমণ শুরু করেন। রাজধানীর উপকন্ঠে জেএনআইএম মুজাহিদদের এই হামলার ফলে আতঙ্কিত এবং অস্থির হয়ে পড়ে জান্তা বাহিনী। জান্তা এবং রাশিয়ান ভাড়াটে বাহিনী যখন রাজধানীর প্রতিরক্ষায় ক্লান্ত ও ব্যস্ত, ঠিক তখনই জেএনআইএম এবং এফএলএ বিদ্রোহীরা দেশের উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর কিদাল ও গাও রাজ্যে সমন্বিত আক্রমণ চালাতে শুরু করেন। এমন পরিস্থিতিতে আক্রান্ত রাজধানী থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয় উত্তরের শক্তিশালী ঘাঁটি ও শহরগুলোতে অবস্থানরত জান্তা বাহিনী এবং তাদের শরিক রাশিয়ান বাহিনী। সবমিলিয়ে মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনীকে দেশের কেন্দ্রে আটকে রেখে উত্তরে সমন্বিত আক্রমণ তীব্র থেকে আরও তীব্রতর করেন।

    ফলশ্রুতিতে জেএনআইএম মুজাহিদিনরা এবং এফএলএ বিদ্রোহীরা যৌথভাবে উত্তরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য কিদাল এবং মোপ্তি শহরের নিয়ন্ত্রণ নেন। সেই সাথে উত্তরের আরেক রাজ্য গাও-এর অধিকাংশ শহর ও সামরিক স্থাপনাগুলো ধারাবাহিক আক্রমণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হন। এমন পরিস্থিতিতে ৩টি রাজ্যের কয়েকটি পরিত্যক্ত সামরিক ঘাঁটিতে আশ্রয় নিয়েছে রাশিয়ান ভাড়াটে সৈন্যরা, আর জান্তা সদস্যদের বড় একটি অংশই পালিয়ে গেছে প্রতিবেশি দেশ নাইজারের দিকে। এদিকে আটকা পড়া সৈন্যদের ছাড়াতে জেএনআইএম এর সাথে আলোচনা শুরু করেছে রাশিয়া, আর জেএনআইএম পরামর্শ দিয়েছে রাশিয়া যেনো এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ থাকে, যাতে ভবিষ্যতে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়।

    এদিকে মুজাহিদদের অভিযান দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চল ও উত্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে নি। এই যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে মধ্য মালির তেসালিত, আনেফিস এবং সেভারের মতো শহরগুলোতেও। এই শহরগুলোতেও জেএনআইএম মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনীর সামরিক অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে তীব্র আক্রমণ চালাচ্ছেন।

    জেএনআইএম অফিসিয়ালি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে যে, আমরা এই বিজয় ঘোষণা করার সাথে সাথে নিশ্চিত করছি যে, এটি আকস্মিক কোন ঘটনা নয়; বরং এটি আন্তরিক ও নিরন্তর প্রচেষ্টার ফল, যার সর্বাগ্রে রয়েছে আল্লাহর অনুগ্রহ এবং তারপর আমাদের দ্বীন, জাতি ও তার জনগণের স্বার্থে পরিচালিত এক প্রকৃত রূপান্তর।
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    গুলবাহার আবাসিক ও বাণিজ্যিক নগরী নির্মানের পরিকল্পনা অনুমোদন ইমারাতে ইসলামিয়ার



    দেশের নগরায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে পরিকল্পিতভাবে নতুন নতুন অবকাঠামো প্রকল্প গ্রহণ করে যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহৎ বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে সামনে রেখে গুলবাহার আবাসিক ও বাণিজ্যিক নগরীর পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    অর্থনৈতিক বিষয়ক উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার আখুন্দ হাফিযাহুল্লাহর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে। উপ-প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির নির্মাণে বেসরকারি খাত প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

    নতুন এই নগরীটি প্রায় ১১ হাজার জেরিব জমির ওপর গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এতে হাজার হাজার মানুষের বসবাসের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং একই সঙ্গে সারা দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এ ধরনের বৃহৎ আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্প দেশের নগর ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র
    1.Plan for Gulbahar Residential, Commercial Town Approved
    https://tinyurl.com/yck73ec2
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানে ব্যাটারি শিল্প ক্রমশ প্রসার লাভ করছে




      বর্তমানে আফগানিস্তানে এই খাতে ১১টি প্লান্ট চালু রয়েছে। এই সকল প্লান্টে শত শত নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। উক্ত শিল্প খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ১২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

      স্বদেশে উৎপাদিত ব্যাটারি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদার ৮০ শতাংশ পূরণ করছে। মানের দিক থেকে আফগানিস্তানে তৈরিকৃত ব্যাটারি বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ব্যাটারির তুলনায় কয়েক গুণ উন্নত। ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সাথে সাথে বিভিন্ন দেশীয় শিল্প উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে আফগানিস্তান।

      ভিডিও দেখুন:



      https://archive.org/details/afghanistans-battery
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        আফগান যুদ্ধে মার্কিন পক্ষাবলম্বনকারী আফগান নাগরিকদের গ্রহণে অস্বীকৃতি আমেরিকা প্রশাসনের, স্বদেশে ফিরে আসতে ইমারাতে ইসলামিয়ার আহ্বান



        আফগান যুদ্ধে মার্কিন পক্ষাবলম্বনকারী এবং বর্তমানে কাতারে অবস্থানরত আফগান নাগরিকদের স্বদেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

        আফগান যুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন পক্ষাবলম্বনকারী প্রায় ১১০০ আফগান নাগরিক বর্তমানে কাতারে অবস্থান করছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর হওয়ার লক্ষ্যে মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য এতদিন অপেক্ষায় ছিল।

        কিন্তু সম্প্রতি এই আফগান নাগরিকদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষমাণ ভিসা আবেদন বাতিল করেছে মার্কিন প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই আফগানদের কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে স্থানান্তর হতে প্রস্তুত থাকতে হবে অথবা আফগানিস্তানে তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। বিগত আফগান যুদ্ধে এই আফগানরা মার্কিন বাহিনীকে নানাভাবে সহায়তা প্রদান করলেও এখন এই নাগরিকদের আর আমেরিকায় আশ্রয় দিতে সম্মত হচ্ছে না ট্রাম্প প্রশাসন।

        এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল এক বিবৃতিতে ইমারাতে ইসলামিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্দুল কাহার বালখি হাফিযাহুল্লাহ বলেন, বর্তমান আফগানিস্তানে কারও জন্য কোনও নিরাপত্তাজনিত হুমকি নেই, সকল পক্ষই এই দেশে পরিপূর্ণ আত্মবিশ্বাস ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারবেন।

        এছাড়া কেউ অন্য দেশে স্থানান্তর হতে চাইলে তারা উপযুক্ত আইনি ও সম্মানজনক চ্যানেলের মাধ্যমে এটি করতে পারবেন।

        এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের অধিকার রক্ষার্থে একটি কাঠামোগত প্রক্রিয়া ও দ্বিপক্ষীয় কনস্যুলার সম্পর্কের ভিত্তিতে সকল দেশের সাথে সমন্বয় করতে প্রস্তুত রয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার।


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/2km38k2p
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ইমারাতে ইসলামিয়াসহ মধ্য-এশিয়ার দেশসমূহের অংশগ্রহণে কাজাখস্তানে সম্পন্ন হলো পরিবেশ সংক্রান্ত আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলন




          ২২ এপ্রিল হতে ২৪ এপ্রিল কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় মধ্য এশিয়ার দেশসমূহ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের মধ্যে একটি আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

          এতে অংশগ্রহণ করেছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সির পরিচালক মৌলভী মতিউল হক খালিস হাফিযাহুল্লাহ ও তাঁর নেতৃত্বাধীন আফগান প্রতিনিধিগণ।

          সম্মেলনে তিনি বর্তমান আফগানিস্তানের পরিবেশগত পরিস্থিতি, জলবায়ু চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবেলায় আঞ্চলিক যৌথ প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

          ইমারাতে ইসলামিয়া সরকারের পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা ঘোষণা দেয় যে, শীর্ষ সম্মেলনে ২০২৬-২০৩০ সময়ব্যাপী যৌথ কর্মসূচী বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সমন্বয় বাড়াতে সম্মত হয়েছে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ।

          সম্মেলনে সম্পাদিত চুক্তির মূল বিষয়াবলীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আরাল সাগর রক্ষা, পানির ঘাটতি মোকাবেলা, বায়ু দূষণ রোধ এবং জলবায়ু পরিবর্তন থেকে উদ্ভূত ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য যৌথ পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, আরাল সাগর মধ্য এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম হ্রদ, প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট নানা কারণে বর্তমানে এই হ্রদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শুকিয়ে গেছে।


          তথ্যসূত্র:
          1. https://tinyurl.com/bde3ndut
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ইমারাতে ইসলামিয়ার কান্দাহারে ১৪৮ মিলিয়ন আফগানি ব্যয়ে ৪৪টি পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন



            দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জনগণের খাবার পানি সংকট মোকাবিলায় কান্দাহার প্রদেশের ১৮টি জেলায় গত বছর ৪৪টি বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক নির্মাণ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া প্রশাসন।

            কান্দাহারের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৪৮ মিলিয়ন আফগানির বেশি ব্যয়ে নির্মিত এসব প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১৩ হাজার ২০০ পরিবার নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পাচ্ছে। চলতি বছর অতিরিক্ত আরও ২০টি পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

            কান্দাহারের গ্রামীণ পুনর্বাসন ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান দোস্ত মোহাম্মদ সাঈদ জানান, ডুরান্ড কাল্পনিক রেখা সংলগ্ন স্পিন বোল্ডাক, রেজিস্থান, মিয়ানশিন ও শোরাবাক জেলাগুলো দীর্ঘদিন ধরে তীব্র পানিসংকটে ভুগছে। এসব এলাকায় বাঁধ নির্মাণ এবং পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পানি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

            উল্লেখ্য, ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান সম্প্রতি পানি সরবরাহ, সেচ ও কৃষি খাতে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সম্প্রতি কাবুলের শাহ ও আরুস বাঁধে পানির স্তর বৃদ্ধি, ফারিয়াবে পানীয় পানি নেটওয়ার্ক নির্মাণ এবং হেলমান্দে সেচ খাল পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কান্দাহারের এই বৃহৎ পানি প্রকল্প দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের পানি সংকট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


            তথ্যসূত্র
            1.Over 13,000 Kandahar Households Gain Access to Clean Water
            https://tinyurl.com/5232f9cx
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X