Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৯ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৯ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

    আমু দরিয়া তেলক্ষেত্রে নতুন ৫টি কূপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তেল উত্তোলন শুরু করল ইমারাতে ইসলামিয়া



    দেশের জ্বালানি খাতে আত্মনির্ভরতা অর্জন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় আমু দরিয়া তেলক্ষেত্রে নতুন করে তেল উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হয়েছে যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    খনি ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুমায়ুন আফগান হাফিযাহুল্লাহ জানিয়েছেন, এলাকায় মোট ১২টি কূপ খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি কূপ আনুষ্ঠানিকভাবে সচল করা হয়েছে এবং এখন এসব কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৫০০ ঘনমিটার তেল উত্তোলন করা হচ্ছে। বাকি সাতটি কূপ সচল করার প্রচেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, সব কুপ সচল হলে দৈনিক তেল উৎপাদন প্রায় ১ হাজার ২০০ টনে পৌঁছার আশা করা হচ্ছে।

    প্রকল্পটির একজন প্রযুক্তিগত কর্মকর্তা প্রকৌশলী নাসিরুদ্দিন জানান, “১২টি কূপই আফগান বিশেষজ্ঞরা নিজেদের প্রচেষ্টা ও দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে খনন করেছেন। বিদেশি সাহায্য ছাড়াই আমরা উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি, যা দেশের জ্বালানি খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।” তিনি আরও জানান, কূপগুলো এখন উত্তোলনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং এসবের দৈনিক উৎদান সক্ষমতা প্রায় ৫০০ টন তেল। সব কাজ প্রযুক্তিগত মান ও নিরাপত্তা নীতি অনুসরণ করে সম্পন্ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ।


    তথ্যসূত্র
    1. Oil Extraction Begins from 5 New Wells in the Amu Darya Basin; Daily Production Capacity to Increase
    https://tinyurl.com/4rt72ber
    2. The Ministry of Mines and Petroleum (MoMP) says oil extraction has been launched
    https://tinyurl.com/5246phf6
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পাকিস্তানি সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর হামলায় ইমারাতে ইসলামিয়ার কুনারে শহীদের সংখ্যা বেড়ে ৭, আহত ৮৫




    যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর বর্বর হামলায় শহীদের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৭ জনে। ২৭ এপ্রিল, সোমবার কুনার বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বেসামরিক এলাকায় চালানো এ হামলায় শিক্ষার্থী, নারী ও শিশুসহ আরও অন্তত ৮৫ জন আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্র ও কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কুনার প্রদেশের কেন্দ্র আসাদাবাদসহ বিভিন্ন জেলায় পাকিস্তানি সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর বর্বর হামলায় এখন পর্যন্ত ৭ জন শহীদ এবং অন্তত ৮৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

    ইমারাতে ইসলামিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুনারের সাঈদ জামালউদ্দিন আফগান বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানি বর্বর হামলায় প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী ও অধ্যাপক আহত হয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন ও আশপাশের এলাকার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

    কুনার প্রদেশের স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, হামলায় তার পরিবারের একাধিক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তার এক কন্যা শহীদ হয়েছে। অপর এক বাসিন্দা বলেন, তার ছয় মাস বয়সী এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নানগারহার প্রদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘অমার্জনীয় যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। ইমারাতে ইসলামিয়ার উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ বলেন, বেসামরিক জনগণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর এ ধরনের হামলা বর্বরতা এবং উস্কানিমূলক কর্মকান্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    উল্লেখ্য, গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী কুনার প্রদেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলায় নির্বিচারে গোলাবর্ষণ চালিয়ে আসছে। এসব হামলায় ইতোমধ্যে বহু নিরীহ মানুষ শহীদ ও আহত হয়েছেন এবং শতাধিক বসতবাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।


    তথ্যসূত্র
    1. Seven Martyred in Pakistan Military Regime Strikes on Kunar
    https://tinyurl.com/yhbe4hyt
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      পাকিস্তানের ৫টি অঞ্চলে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিনের হামলায় অন্তত ৯০ শত্রু সেনা হতাহত




      ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি) এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদিনরা সম্প্রতি পাকিস্তানের ৫টি অঞ্চলে অন্তত ২৯টি পৃথক সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন। এতে দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর অন্তত ৯০ সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে।

      প্রতিরোধ বাহিনী আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) কর্তৃক সম্প্রতি একটি ইনফোগ্রাফি রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পাকিস্তান জুড়ে গত ১৬ই এপ্রিল থেকে ২৫শে এপ্রিল পর্যন্ত আইএমপি মুজাহিদদের পরিচালিত অভিযানে পাকিস্তান সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়েছে।

      ইনফোগ্রাফি রিপোর্ট অনুযায়ী, মুজাহিদিনরা উক্ত ১০ দিনে পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ১৪টি, বান্নুতে ৬টি, দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে ৪টি, ওয়ারাকজাই এজেন্সিতে ৩টি এবং খাইবার এজেন্সিতে ২টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। মুজাহিদদের বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযানের কয়েকটিতেই সন্ত্রাসী বাহিনীর অন্তত ৫৬ সেনা সদস্য নিহত এবং আরও ৩৪ সদস্য আহত হয়েছে। হতাহত সৈন্যদের মধ্যে ৩২ সেনা ই মুজাহিদদের মাত্র ৬টি পৃথক অভিযানে নিহত হয়েছে। এছাড়াও মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণে সন্ত্রাসী বাহিনীর ৮টি সামরিক যানবাহন, ১টি ট্যাংক, ১টি ট্রাক এবং ২টি নজরদারি ক্যামেরা ধ্বংস হয়েছে।

      মুজাহিদদের বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযানের সফল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় পাকিস্তান সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর ৬টি ঘাটি, ১টি পুলিশ স্টেশন, ৬টি কনভয়, ৬টি সামরিক পোস্ট, ৫টি চৌকি এবং ৩টি পদাতিক দল, এছাড়াও ৩টি টার্গেট কিলিং অপারেশনও রয়েছে। মুজাহিদিনরা সন্ত্রাসী বাহিনীকে টার্গেট করে এই অভিযানগুলোতে কয়েকটি অ্যাম্বুশ, স্নাইপার, মাইন, লেজার গান, BM ও GL ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করেন।


      তথ্যসূত্র:
      https://tinyurl.com/u74t6tb4
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        গত এক বছরে বিপুল পরিমাণ সামরিক যানবাহন ও অস্ত্র সফলভাবে মেরামত করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার সামরিক শাখা




        দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ এবং বিদ্যমান সামরিক সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এরই অংশ হিসেবে গোর প্রদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দক্ষ সেনারা বিপুল পরিমাণ সামরিক যানবাহন ও অস্ত্র সফলভাবে মেরামত করে পুনরায় সচল করাছেন।

        ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন আল-ফারুক ২০৭ কর্পসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত এক বছরে তাদের ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মাধ্যমে কয়েক ডজন সামরিক যানবাহন মেরামত ও পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৮টি সামরিক ট্রাক, ২২টি হামভি যান, ৪টি অ্যাম্বুলেন্স এবং ২০টি মোটরসাইকেল।

        এছাড়াও ২০৭ কর্পসের দক্ষ সেনারা ৬০টি হালকা ও ভারী অস্ত্র মেরামত করে পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের ফলে বিদ্যমান সামরিক সরঞ্জামের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে এবং নতুন সরঞ্জাম সংগ্রহের ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাচ্ছে।

        এই ধরনের কার্যক্রম শুধু প্রতিরক্ষা সক্ষমতাই বৃদ্ধি করছে না, বরং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

        সামগ্রিকভাবে, ইমারাতে ইসলামিয়ার এই উদ্যোগ দেশের প্রতিরক্ষা খাতে আত্মনির্ভরতা অর্জন এবং স্থিতিশীলতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

        তথ্যসূত্র
        1. Officials of the Al-Farooq 207 Corps of the Islamic Emirate of Afghanistan
        https://tinyurl.com/2wvamn9k
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          মালির প্রেসিডেন্ট কর্নেল আসিমি গোইতা জেএনআইএম এর হাতে বন্দী হওয়ার গুঞ্জন



          জেএনআইএম-এর কাতিবা ম্যাসিনা গ্রুপের মুজাহিদিনরা রাজধানী বামাকো থেকে মালির জান্তা প্রধান আসিমি গোইতাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে।

          সূত্রমতে, গত ২৫শে এপ্রিল ভোরে মুজাহিদিনরা রাজধানীর উপকন্ঠে কাতি শহর ও সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ চালানো শুরু করেন। এই অভিযানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং গোয়েন্দা প্রধান সহ এক ডজনেরও বেশি শীর্ষ জান্তা কর্মকর্তা নিহত এবং আরও ৩০ এরও বেশি কর্মকর্তা আহত হয়। এছাড়াও বহু সংখ্যক জান্তা সদস্য হতাহতের শিকার হয়। তবে এসময় জান্তা প্রধান আসিমি গোইতা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় এবং উচ্চ নিরাপত্তায় রাজধানী থেকে দূরে কোনো একটি সামরিক ঘাঁটিতে আশ্রয় নেয়, সেই সাথে সবধরনের প্রকাশ্য উপস্থিতি থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখে।

          কিন্তু কঠোর নিরাপত্তা আর গোপনীয়তা সত্ত্বেও জেএনআইএম মুজাহিদিনরা রাজধানীতে ছড়িয়ে থাকা তাদের গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গোইতার অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হন। অবশেষে এই তথ্যের ভিত্তিতে জেএনআইএম এর ম্যাসিনা ব্রিগেডের মুজাহিদিনরা ২৮শে এপ্রিল মধ্যরাতের পর থেকে বামাকোর উপকন্ঠে মাদিবো বিমানবন্দরে তীব্র আক্রমণ শুরু করেন। এসময় বিমানবন্দর এবং এর আশপাশের এলাকাগুলোতে ভারী গোলাগুলি শুরু হয়, জান্তার সামরিক হেলিকপ্টার এবং ড্রোনগুলোও বিমানবন্দরের আকাশে উড্ডয়ন করতে থাকে।

          জান্তা বাহিনীর স্থল ও আকাশ পথের কঠোর এই নিরাপত্তার মধ্যেও ম্যাসিনা ব্রিগেডের মুজাহিদিনরা বীরত্বের সাথে তাদের অভিযান চালিয়ে যান। অবশেষে মুজাহিদিনরা তাদের অভিযানের লক্ষ্য অর্জনে সফল হন এবং প্রেসিডেন্ট গোইতার টয়োটা হাইল্যাক্স গাড়িকে ম্যাসিনা ব্রিগেডের মুজাহিদিনরা ৬টি গাড়ি দিয়ে নিরাপত্তার মাধ্যমে বিমানবন্দর এলাকা থেকে বের করে নিয়ে যান। বের হওয়ার সময় গাড়িটিতে থাকা বন্দী লোকটির মুখ কালো মাস্ক দিয়ে ঢেকে দেন মুজাহিদিনরা।


          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/3r7d698x
          https://tinyurl.com/mr2ampnv
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X