Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ৩রা যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ২১মে, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ৩রা যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ২১মে, ২০২৬ ঈসায়ী

    মালির মতো নাইজারেও জান্তার শক্তি ক্ষয়কারী যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি করছে আল-কায়েদা



    পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজার, প্রতিবেশী মালির মতো এখানেও সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে আল-কায়েদা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। দেশটির জান্তা বাহিনীর নিরাপত্তার দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে সীমান্ত অঞ্চলগুলোর দিকে অগ্রসর এবং এর উপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করছেন জেএনআইএম মুজাহিদিনরা।

    জেএনআইএম মুজাহিদিনরা বর্তমানে নাইজারের জান্তা বাহিনীর সামরিক ব্যারাক নিয়ন্ত্রণ, গ্রামীণ এলাকা ঘিরে ফেলা এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার মতো কৌশল বাস্তবায়ন করছেন। আঞ্চলিক সংবাদ প্রচার চ্যানেল আয-যাল্লাকা সম্প্রতি নাইজারের টিলাবেরি রাজ্যের জেএনআইএম এর ৩টি অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই অভিযানগুলোর একটি গত ১৪মে বৃহস্পতিবার, নাইজারের টিলাবেরি রাজ্যের গারমুয়া শহরে চালানো। অভিযানে অংশ নেন জেএনআইএম এর কাতিবা হানিফা (ব্রিগেডের) মুজাহিদিনরা, যারা ভারী অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে নাইজেরীয় জান্তার একটি সামরিক প্রকৌশল ইউনিটের ব্যারাক লক্ষ্য করে তীব্র আক্রমণ চালান।

    মালির সীমান্তবর্তি গারমুয়ায় জান্তার সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে মুজাহিদদের পরিচালিত এই অভিযানে অন্তত ৬৭ জান্তা ও ভিডিপি সদস্য নিহত হয়। এসময় মুজাহিদিনরা সামরিক ব্যারাকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি বহু অস্ত্র শস্ত্র গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।

    স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্রের দেওয়া তথ্যমতে, গত ২০মে বুধবার, ফের টিলাবেরি রাজ্যে আরও ২টি সামরিক অপারেশন চালান জেএনআইএম মুজাহিদিনরা। প্রথমটি রাজ্যের গারমুয়া শহরে অবস্থিত জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক ব্যারাক লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি মর্টার শেল নিক্ষেপের মাধ্যমে চালানো হয়েছে। দ্বিতীয়টি রাজ্যের পূর্ব করাসি/কারতাসি এলাকায় জান্তা বাহিনীর আরও একটি সামরিক ব্যারাক লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। মুজাহিদদের এই হামলায় সার্জেন্ট মেজর ইউসুফ হামেদিন বুজুসহ ১২ জান্তা সদস্য নিহত এবং ৫ জান্তা সদস্য আহত হয়েছে, সেই সাথে মুজাহিদিনরা আরও ৫ জান্তা সদস্যকে বন্দী করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বন্দী জান্তা সদস্যদেরকে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যেতে দেখেছেন।

    সূত্রমতে, মুজাহিদিনরা এই অভিযানের মাধ্যমে সামরিক ঘাঁটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছেন। এসময় মুজাহিদিনরা বেশ কয়েকটি সামরিক যান ধ্বংস ও আরও কয়েকটি গনিমত হিসাবে জব্দ করেছেন। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ মুজাহিদিনরা সামরিক ঘাঁটি থেকে উদ্ধার করেছেন।

    এই সপ্তাহে জেএনআইএম এর ৩টি হামলাই তৃসীমান্ত অঞ্চল ডোরি, টেরা এবং গোথেয়ে অঞ্চলের মধ্যবর্তি এলাকাগুলোতে সংঘটিত হয়েছে, যেখানে পূর্ব থেকেই খারেজি গোষ্ঠী আইএসের সক্রিয় অবস্থান রয়েছে। অপর দিকে জেএনআইএম এই সীমান্ত অঞ্চলগুলো থেকে অনেকটা দূরে দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থান করছিল। আঞ্চলিক বিশ্লেষকরা মনে করেন যে, নাইজার, মালি এবং বুরকিনা ফাসোর মধ্যকার অস্থিতিশীল ত্রিভুজ সীমান্তে হামলা বৃদ্ধির মাধ্যমে মূলত, জেএনআইএম মালি এবং বুরকিনা ফাসোতে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত অঞ্চলগুলোকে আইএসের হামলা থেকে নিরাপদ করার কৌশল অবলম্বন করছে।

    মাঠ পর্যায়ে জেএনআইএম এর এই কৌশলগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, দলটি বর্তমানে অতর্কিত হামলা ও পিছু হটার কৌশল থেকে সরে এসে একটি পরিকল্পিত ক্ষয়কারী যুদ্ধের দিকে ঝুঁকছে, যার লক্ষ্য জান্তার থেকে স্থানীয় প্রশাসনকে বিচ্ছিন্ন করা, ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্য পথ ধ্বংস করা এবং ধীরে ধীরে প্রান্তিক অঞ্চলগুলোকে জান্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়া। এর ফলে নাইজেরীয় জান্তা বাহিনী এখন একটি জটিল নিরাপত্তা ফাঁদে আটকা পড়েছে। কেননা পূর্বে আইএস ধ্বংসাত্মক হামলা চালালেও তা ছিলো জনবিচ্ছিন্ন, কিন্তু জেএনআইএম তাদের বিপরীতে শরিয়াহ ও সামাজিক অনুপ্রবেশের উপর ভিত্তি করে একটি ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে অগ্রসর হচ্ছে। এতে করে জেএনআইএম শুধু এলাকা আর সামরিক ঘাঁটিই নিয়ন্ত্রণ করছে না বরং তারা মানুষের হৃদয়ও জয় করে নিচ্ছেন।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/ycy4dcsn
    https://tinyurl.com/uzw46jsy
    https://tinyurl.com/mr3zjms2
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    দুর্যোগপ্রবণ ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ৩১.৩ মিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে ইমারাতে ইসলামিয়া




    ​দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার এবং দুর্যোগপ্রবণ ও অসহায় জনগোষ্ঠীর জরুরি প্রয়োজন পূরণের লক্ষ্যে ইমারাতে ইসলামিয়া গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইমারাতে ইসলামিয়ার দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মোকাবিলা অধিদপ্তরের প্রধান মোল্লা নূরুদ্দিন তুরাবি আগা খান ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ৩১.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে বৈঠক করেছেন।

    ২০ মে, বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আগা খান ফাউন্ডেশনের উপপ্রধান আবদুল জিয়া নুরি, প্রকল্প কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ৩১,৩৩৪,৩২০ মার্কিন ডলার ব্যয়ে বাস্তবায়িতব্য প্রকল্পের বিস্তারিত, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে আলোচনা হয়।

    মোল্লা নূরুদ্দিন তুরাবি আগা খান ফাউন্ডেশনের পূর্ববর্তী সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, এত বড় একটি প্রকল্প দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এটি যেন স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়িত হয়, সে বিষয়ে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন প্রদেশে যেসব এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্পের প্রয়োজন রয়েছে, সেসব এলাকার তালিকা, জরিপ এবং নকশা ইতোমধ্যে প্রস্তুত রয়েছে, যা প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

    অপরদিকে, আগা খান ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদল একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জানায় যে, তারা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থায়ন পেয়েছে। এর মধ্যে ৩১ মিলিয়নেরও বেশি ডলার কমিউনিটি অংশগ্রহণভিত্তিক দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে, যার মূল দায়িত্ব পালন করবে দুর্যোগ মোকাবিলা প্রস্তুতি দপ্তর।

    প্রকল্পটি কাবুল, পারওয়ান, ময়দান ওয়ারদাক, লগর, গজনি, হেরাত, কুন্দুজ, তাখার, বাদাখশান, কুনার এবং নুরিস্তানসহ ১১টি প্রদেশের ৮০টি জেলায় বাস্তবায়িত হবে।

    কর্মসূচির আওতায় ৫১৫টি এলাকায় বাঁধ নির্মাণ, জমি পুনরুদ্ধার, খাল খননসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে “কাজের বিনিময়ে নগদ অর্থ” কর্মসূচির মাধ্যমে বহু মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

    এছাড়াও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ২৪৪টি গুদাম নির্মাণ, ৫২৮টি জরুরি সাড়া প্রদানকারী দল গঠন ও প্রশিক্ষণ, ৪৮৮টি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা স্থাপন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে ৪৯৪টি বিশেষ দল ও ৪৯৬টি প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা গ্রুপ গঠন করা হবে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


    তথ্যসূত্র
    1. The Head of the Disaster Management and Preparedness Agency Met with the Aga Khan Foundation
    https://tinyurl.com/ct2v9827

    2. Mullah Nooruddin Turabi held talks with a delegation from the Aga Khan Foundation
    https://tinyurl.com/2fpx6x68
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের একটি বিধানও ইসলাম পরিপন্থী নয়: মৌলভী জাবিউল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ




      ইমারাতে ইসলামিয়ায় এমন কোনো আইন বা বিধান নেই যা ইসলামী শরিয়তের পরিপন্থী— পারিবারিক আইন ও অভিভাবকত্বকে কেন্দ্র করে কিছু মহলের সৃষ্ট বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের মুখপাত্র মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ।

      তিনি বলেন, ইসলামের বিধান ও শরিয়াহভিত্তিক নীতিমালার বিরোধিতা নতুন কোনো বিষয় নয়; বরং ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই ইসলামবিদ্বেষী গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন অজুহাতে আপত্তি তুলে এসেছে। তবে ইতিহাস সাক্ষী, এসব অপপ্রচার ও বিদ্বেষপূর্ণ প্রচেষ্টা কখনোই ইসলামের অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারেনি।

      মৌলভী মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, যেসব গোষ্ঠী ইসলাম, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী নীতিমালার বিরোধিতা করে, তাদের বক্তব্যকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ তাদের আপত্তির মূল ভিত্তিই ইসলামের অস্তিত্ব ও ইসলামি শিক্ষার বিরোধিতা করা।

      তিনি মুসলিম জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার এমন কোনো নিয়ম নেই যা ইসলামের বিরুদ্ধে যায়, এবং এমন কোনো সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয় না, দেশের উলামায়ে কেরাম যার বিরোধিতা করেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, ইসলামী শরিয়াহ ও হানাফি ফিকহ অনুযায়ী পিতা ও পিতামহের অভিভাবকত্ব একটি স্বীকৃত নীতি।

      তবে এই অভিভাবকত্ব কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেমন—অভিভাবককে ধার্মিক, দয়ালু, মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে; সন্তানের প্রতি নির্যাতনের ইতিহাস থাকা যাবে না এবং দারিদ্র্য বা অন্য কোনো অযৌক্তিক কারণে সন্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যাবে না। মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, আদালতের কার্যক্রম সহজ ও সুস্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে এসব বিষয় বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে বিচারকরা শরিয়তের আলোকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এটি কোনো সাধারণ অনুমতি নয় যে, সবাই ইচ্ছামতো নাবালিকা মেয়েদের বিয়ে দিতে পারবে। বরং এটি নির্দিষ্ট কিছু পুরোনো বা বিশেষ ধরনের মামলার শরিয়তসম্মত সমাধানের জন্য উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, আমীরুল মু’মিনীন হাফিযাহুল্লাহর পৃথক নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—কোনো মেয়েকে তার সম্মতি ছাড়া বিয়ে দেওয়া যাবে না। একজন মেয়েকে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক ও নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্য হতে হবে। এর আগেও এই ঘোষণাটি প্রচার করা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিই মেয়ের অনুমতি ছাড়া তার বিয়ের ব্যবস্থা করতে পারবে না। মৌলভী মুজাহিদ বলেন, ইসলামী ইমারাতের সকল আইন ও নীতিমালা শরিয়তের আলোকে প্রণীত এবং জনগণের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য। তিনি মুসলিম সমাজকে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, ইসলামী বিধানকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে যারা বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়, তাদের উদ্দেশ্য কখনোই কল্যাণকর নয়।

      তথ্যসূত্র
      1.Zabiullah Mujahid said criticism of the Principles of Separation of Couples
      https://tinyurl.com/2fpx6x68

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        সোমালিয়ায় দখলদার উগান্ডান এবং মোগাদিশু বাহিনীর বিরুদ্ধে শাবাব মুজাহিদদের ভারী আক্রমণ



        ​আল-কায়েদা পূর্ব আফ্রিকা শাখা হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন, সোমালিয়ার বে এবং নিম্ন শাবেলি রাজ্যে গত ১৯শে মে মঙ্গলবার ৩টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। মুজাহিদদের এসকল হামলার সফল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে দখলদার উগান্ডান বাহিনী এবং মোগাদিশু বাহিনীর পাশাপাশি তাদের সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সদস্যরা।

        আঞ্চলিক গণমাধ্যম সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯শে মে মঙ্গলবার, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা বে রাজ্যের রাজধানী বাইদোয়া শহরে একটি সফল হামলা চালিয়েছেন। প্রাদেশিক রাজধানীর মায়া ফুলকা এলাকায় অবস্থিত দখলদার উগান্ডান ও মোগাদিশু বাহিনীর যৌথ পরিচালনায় পরিচালিত একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে কয়েকটি কামান নিক্ষেপের মাধ্যমে মুজাহিদিনরা এই অভিযানটি চালিয়েছেন। মুজাহিদদের পরিকল্পিত এই কামান হামলায় উগান্ডান ও মোগাদিশু বাহিনীতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে মোগাদিশু বাহিনীর ৩ সদস্য নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

        এই অভিযানটি সোমালিয়ায় হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিন নিয়ন্ত্রিত ইসলামী প্রদেশগুলোতে শুরু হওয়া, ক্রুসেডার এবং তাদের মিত্র মোগাদিশু বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের একটি অংশ।

        এদিন হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা নিম্ন শাবেলি রাজ্যের বারাওয়ে জেলায় একটি সফল গেরিলা আক্রমণ চালান। মুজাহিদদের এই অভিযানে মোগাদিশু প্রশানের গোয়েন্দা সংস্থার (NISA) সাথে যুক্ত সাঈদ আহমেদ নামের এক সৈন্য নিহত হয়েছে। একই রাজ্যের জান্নালে জেলায় মোগাদিশু বাহিনীর দ্বারা সমর্থিত মিলিশিয়াদের একটি অবস্থানস্থলকে লক্ষ্য করে একটি বিস্ফোরক অভিযান চালান মুজাহিদিনরা। এতে ১ মিলিশিয়া সদস্য ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

        একইভাবে রাজ্যটির বুলা-নাগি এলাকার ৬০-নম্বর এলাকায় একটি অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন মুজাহিদিনরা। ক্রুসেডার আফ্রিকান ইউনিয়নের অংশীদার উগান্ডান বাহিনীর একটি শিবির লক্ষ্য করে এদিন মুজাহিদিনরা সরাসরি তীব্র সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এসময় মুজাহিদিনরা বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে প্রচণ্ড আক্রমণ চালান এবং শত্রু বাহিনীতে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেন।



        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/2s9fnb8a

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X