Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ৭ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ২৫ মে, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ৭ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ২৫ মে, ২০২৬ ঈসায়ী

    বুরকিনায় বিভিন্ন রণাঙ্গনে জান্তা এবং খারিজি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জেএনআইএম-এর ১৪টি অভিযান



    আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদিনরা সম্প্রতি বুরকিনা ফাসোর বিভিন্ন রণাঙ্গনে জান্তা বাহিনী এবং খারিজি গোষ্ঠী আইএস সদস্যদের বিরুদ্ধে অন্তত ১৪টি পৃথক সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। এসময় মুজাহিদিনরা ৫টি শত্রু সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    আঞ্চলিক সংবাদ প্রচার চ্যানেল আয-যাল্লাকা মিডিয়া গত ১৭মে থেকে ২২মে পর্যন্ত ৭টি ফটো কার্ড রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা উক্ত সময়ের মধ্যে বুরকিনা ফাসোর ৮টি রাজ্যে অন্তত ১৪টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। এরমধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫টি অভিযান চালানো হয় কায়া রাজ্যে এবং ৩টি উয়াহিগুয়া রাজ্যে, এছাড়া অন্য অভিযানগুলো ১টি করে সোম, লোরম, বানফুরা, ফাদানগোরমা, তিতাও এবং ওয়াদালা রাজ্য চালানো হয়েছে।

    সূত্রমতে, উক্ত দিনগুলোতে মুজাহিদিনরা বুরকিনান জান্তা বাহিনীকে হটিয়ে ৫টি সামরিক ঘাঁটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছেন এবং অন্য সামরিক অবস্থানগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছেন।

    জেএনআইএম মুজাহিদদের পরিচালিত বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযানের ৫টিতেই জান্তা বাহিনীর অন্তত ১২ সদস্য এবং খারেজি গোষ্ঠী আইএসের ২ সদস্য নিহত হয়। মুজাহিদদের অন্য ৯টি অভিযানেও আরও অসংখ্য শত্রু সৈন্য হতাহতের শিকার হয়েছে। বীরত্বপূর্ণ এসকল অভিযান শেষে মুজাহিদিনরা বহু সংখ্যক অস্ত্র শস্ত্র গনিমত হিসাবে অর্জন করেন। অর্জিত এসব গনিমতের মধ্যে রয়েছে ক্লাশিনকোভ, মেশিনগান, আরপিজি, রকেট লঞ্চার, মর্টার, শেল, গোলাবারুদ এবং মোটরসাইকেল।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/ypj9x29p
    https://tinyurl.com/4myv7mns
    https://tinyurl.com/mr4c377h
    https://tinyurl.com/3axzmt3z
    https://tinyurl.com/4cx6tp89
    https://tinyurl.com/3292vp67
    https://tinyurl.com/4hy3uww3
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    হেরাত প্রদেশে ৪০ হাজারেরও বেশি মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সম্পন্ন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া



    হেরাত পুলিশ কমান্ডের মাদকবিরোধী বিভাগ জানিয়েছে, ইমারাতে ইসলামিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর গত প্রায় পাঁচ বছরে হেরাত প্রদেশে ৪০ হাজারেরও বেশি মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সম্পন্ন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে চলমান এই কার্যক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে।

    দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে হেরাতের একটি বিশেষ পুনর্বাসন হাসপাতালে প্রায় ৪ হাজার মাদকাসক্ত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিদিন শহর ও বিভিন্ন জেলা থেকে নতুন আসক্তদের সংগ্রহ করে চিকিৎসার আওতায় আনা হচ্ছে।

    হেরাত পুলিশ কমান্ডের মাদকবিরোধী বিভাগের প্রধান হায়াতুল্লাহ রুহানি হাফিযাহুল্লাহ বলেন, “আমাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইমারাতে ইসলামিয়ার পুনরাগমনের পর থেকে হেরাতে ৪০ হাজার মাদকাসক্তের চিকিৎসা সম্পন্ন হয়েছে।”

    সম্প্রতি চিকিৎসা শেষে আরও ২৫০ জন সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছেন এবং নিজেদের পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হয়েছেন। সুস্থ হওয়া ব্যক্তিরা জানান, তারা এখন মাদককে ঘৃণা করেন এবং আর কখনো সেই অন্ধকার জীবনে ফিরে যেতে চান না।

    মাদকমুক্ত হওয়া এক ব্যক্তি ফারহাদ বলেন, “অনেক হয়েছে। যৌবন থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত আর কত? আমার সন্তান রয়েছে, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর কখনো মাদকের দিকে ফিরব না।”
    এদিকে হেরাতের মাদকবিরোধী বিভাগ ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যৌথভাবে ভিক্ষাবৃত্তির ওপর নির্ভরশীল ৭০০-র বেশি দরিদ্র পরিবারকে নগদ সহায়তা প্রদান করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদে সহায়তার আওতায় রাখা হবে, যাতে তারা পুনরায় ভিক্ষাবৃত্তিতে ফিরে না যায়।

    রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধি আব্দুল মাজিদ খাদেমি বলেন, “এসব মানুষকে ধারাবাহিক সরকারি সহায়তার আওতায় রাখা হবে, যাতে তারা পুনরায় ভিক্ষাবৃত্তি বা জনদুর্ভোগের কারণ না হয়।”

    বিশ্লেষকদের মতে, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং দরিদ্র পরিবারগুলোর সহায়তায় গৃহীত এসব পদক্ষেপ সামাজিক স্থিতিশীলতা ও অপরাধ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পুনর্বাসনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা আরও শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র
    1. More Than 40,000 Addicts Treated in Herat Over Five Years
    https://tinyurl.com/2hetn6as
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      নানগারহারে পাকিস্তান থেকে চোরাচালানকৃত অস্ত্র জব্দ করল ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী



      আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশে পাকিস্তান থেকে পাচার করে আনা একাধিক অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম জব্দ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। পূর্বাঞ্চলীয় ২০১ খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) কর্পস জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে পরিচালিত এক অভিযানে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

      কর্পসের মুখপাত্র মৌলভী ওয়াহিদুল্লাহ মোহাম্মদী হাফিযাহুল্লাহ জানান, নানগারহার প্রদেশের লালপুরি জেলার “বাগ নও” এলাকায় পরিচালিত অভিযানে বাহিনীর সদস্যরা ১১টি পিস্তল এবং “এম-৪” রাইফেলের বেশ কয়েকটি খুচরা যন্ত্রাংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তিনি বলেন, এই অভিযান পরিচালনা করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার সীমান্ত ব্রিগেডের দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

      কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে অস্ত্র প্রবেশ ঠেকাতে নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এর আগেও একাধিকবার সীমান্তপথে পাচারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী।

      সংশ্লিষ্টদের মতে, সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের অভিযান দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একইসঙ্গে অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান প্রতিরোধে ইমারাতে ইসলামিয়ার কঠোর অবস্থানেরও প্রতিফলন ঘটছে।


      তথ্যসূত্র
      1. Khalid Bin Walid Corps Seizes Pakistani-Smuggled Weapons in Nangarhar
      https://tinyurl.com/mvfn9hrd
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মালির রাজধানী বামাকোতে জেএনআইএম-এর অবরোধ অব্যাহত: কেন্দ্রীয় অঞ্চলে এক সপ্তাহে ১৫ অভিযান



        ​পশ্চিম আফ্রিকা ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। দলটির মুজাহিদিনরা গত ১৭মে থেকে ২২মে পর্যন্ত, মালিতে জান্তা বাহিনী এবং তাদের মিত্র মিলিশিয়া ও রাশিয়ার ভাড়াটে বাহিনীর বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি পৃথক সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন।

        আঞ্চলিক সংবাদ প্রচার চ্যানেল আয-যাল্লাকার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযানগুলোর সিংহভাগই মধ্য মালির মোপ্তি এবং দক্ষিণের সেগু রাজ্যে চালানো হয়েছে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ে পরিচালিত উক্ত ১৫টি অভিযানের ৬টি মধ্য মালির মোপ্তি রাজ্যে এবং ৭টি দক্ষিণের সেগু রাজ্যে চালানো হয়েছে। অন্য ২টি অভিযানও দক্ষিণের আজলাহুক এবং সিকাসো রাজ্য চালানো হয়েছে।

        সূত্রমতে, মুজাহিদদের পরিচালিত এসকল অভিযানের ৬টিতেই মালিয়ান জান্তা বাহিনীর অন্তত ৪০ সদস্য নিহত হয়েছে। সেই সাথে মুজাহিদিনরা মোপ্তি রাজ্যে অবস্থিত জান্তা বাহিনীর ৩টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। উক্ত দিনগুলোতে মুজাহিদদের পরিচালিত অন্য ৯টি অভিযানেও অসংখ্য জান্তা সদস্য, রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পসের সদস্য এবং মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সদস্য নিহত ও হয়েছে।

        স্থানীয় সূত্রমতে, উপরোক্ত অভিযানগুলো ছাড়াও অবরুদ্ধ রাজধানী বামাকোর দিকে যাওয়া কয়েকটি জ্বালানি সরবরাহ কনভয়েও উক্ত দিনগুলোতে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন মুজাহিদিনরা। এতে অর্ধশতাধিক জ্বালানি ট্যাঙ্কার ও সামরিক সরবরাহ যান ধ্বংস হয়েছে। ফলশ্রুতিতে আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মালির জান্তা প্রশাসন।


        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/52k58uvd
        https://tinyurl.com/ms5edbv7
        https://tinyurl.com/nhjdvbud
        https://tinyurl.com/26ymuvtb
        https://tinyurl.com/mv6f2peb
        https://tinyurl.com/ykxmcv5t
        https://tinyurl.com/4ynkm52a
        https://tinyurl.com/3rynrst9
        https://tinyurl.com/4d22zbtv
        https://tinyurl.com/ckhnn4f3
        https://tinyurl.com/4mkazh9e
        https://tinyurl.com/mpmzdc84
        https://tinyurl.com/yry3hejj
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর ভূমির উপর জেএনআইএম মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রণের ম্যাপ



          এই অঞ্চলের আনুমানিক বর্তমান পরিস্থিতির উপর একটি মানচিত্র:

          ‎- ম্যাপের গাঢ় সবুজ এলাকা সম্পূর্ণ জেএনআইএম নিয়ন্ত্রিত
          ‎- ম্যাপের হালকা সবুজ এলাকার সিংহভাগ জেএনআইএম নিয়ন্ত্রিত এবং কিছু এলাকার গোত্রের সাথে চুক্তিবদ্ধ
          ‎- ম্যাপের নীল ডোরাকাটা অংশ আজওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট এবং জেএনআইএম নিয়ন্ত্রিত
          ‎- ম্যাপের লাল ডোরাকাটা অংশ জেএনআইএম এবং জান্তার বিতর্কিত অঞ্চল, যেখানে উভয় পক্ষ যুদ্ধরত রয়েছে
          ‎- ম্যাপের সম্পূর্ণ লাল অংশ মালির জান্তা নিয়ন্ত্রিত
          ‎- ম্যাপের বেগুনি ডোরাকাটা অংশ জেএনআইএম এবং বুরকিনান জান্তার বিতর্কিত এলাকা, যেখানে উভয় পক্ষ যুদ্ধরত
          ‎- ম্যাপের সম্পূর্ণ বেগুনি অংশ বুরকিনান জান্তা নিয়ন্ত্রিত
          ‎- ম্যাপের কালো অংশে খারিজি গোষ্ঠীর সদস্যরা সক্রিয়


          ‎পশ্চিম আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের দেশ মালি, বুরকিনা ফাসো, নাইজার, বেনিন, টোগো এবং নাইজেরিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। অঞ্চলটিতে জেএনআইএম এর সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় এই অঞ্চলের জান্তা বাহিনীগুলোর দীর্ঘদিনের সামরিক শাসন দিন দিন দূর্বল হয়ে আসছে এবং নিরাপত্তা সংকট প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে।

          ‎চলতি ২০২৬ সালের ২৫শে এপ্রিল, জেএনআইএম এর সমন্বিত আক্রমণ শুরুর ফলে এই অঞ্চলটি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। যেদিন জেএনআইএম একযোগে মালির উত্তরাঞ্চলের পাশাপাশি মধ্য মালি এবং দেশের কেন্দ্রস্থল বামাকো সহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে একযোগে বৃহৎ পরিসরে সমন্বিত সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন। এই অভিযানের ফলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং গোয়েন্দা প্রধান সহ শীর্ষস্থানীয় ৩৯ জন জান্তা অফিসার নিহত হয়েছিল। এছাড়াও আরও শত শত জান্তা ও মিলিশিয়া সদস্য নিহত এবং আহত হয়েছে, বন্দি হয়েছে ৬ শতাধিক জান্তা সদস্য।

          ‎পশ্চিম আফ্রিকার সংঘাতময় পরিস্থিতিতে তিনটি প্রধান দেশ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য: মালি, বুরকিনা ফাসো এবং নাইজার। তবে বর্তমানে মালি এই অঞ্চলের সংঘাতময় পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি কেন্দ্রীয় শহর ব্যতীত পুরো অঞ্চলই জেএনআইএম এবং তাদের মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।

          ‎একই অবস্থা বিরাজ করছে মধ্যাঞ্চলেও, কেননা মধ্য মালির মোপ্তি রাজ্য, মাসিনা এবং সেগু রাজ্যের সিংহভাগ এলাকায় জেএনআইএম এর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। এরমধ্যে মোপ্তি রাজ্যের কেন্দ্রীয় ২টি শহর ছাড়া সম্পূর্ণ এলাকা জেএনআইএম এর নিয়ন্ত্রণে, আর শহর ২টিও জেএনআইএম কর্তৃক বর্তমানে অবরুদ্ধ রয়েছে। উত্তর ও মধ্য মালি ছাড়াও জেএনআইএম মুজাহিদিনরা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব মালির বেশ কিছু এলাকাও নিয়ন্ত্রণ করছেন। আর রাজধানী বামাকো ও তার আশপাশের এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জেএনআইএম মুজাহিদিনরা মালির জান্তার সাথে বর্তমানে তীব্র লড়াইয়ে লিপ্ত। একই সাথে রাজধানী বামাকো এবং দেশের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর কাইসের আশেপাশে জেএনআইএম তার প্রভাব বাড়িয়ে চলছে। সেই সাথে রাজধানী বামাকোর উপর অবরোধ দীর্ঘায়িত করছে।

          ‎এদিকে মালির উত্তর ও পশ্চিম সীমান্তবর্তী মৌরিতানিয়া এবং আলজেরিয়ার মরু অঞ্চলেও জেএনআইএম মুজাহিদিনরা সক্রিয় রয়েছেন। এপ্রিলে জেএনআইএম এর সমন্বিত অভিযানের পর রাশিয়া-সমর্থিত মালির জান্তা দেশের উত্তরে তার প্রভাব প্রায় সম্পূর্ণরূপে হারিয়েছে। এই অঞ্চলে জেএনআইএম-এর সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অভিযানে অংশগ্রহণকারী আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ) সক্রিয় রয়েছে। দলটি শরিয়াহ্ শাসন ফিরিয়ে আনা সহ কয়েকটি শর্তে জেএনআইএম এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

          ‎অপরদিকে মালির পূর্বাঞ্চল বিশেষ ত্রিভূজ সীমান্তবর্তী নাইজারে খারেজি গোষ্ঠী আইএসআইএস সক্রিয় রয়েছে। এই অঞ্চলে জেএনআইএম মুজাহিদিনরা তাদের নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত এলাকাগুলো নিরাপদ রাখতে গিয়ে বিভিন্ন সময় খারেজি গোষ্ঠীটির সাথে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হতে বাধ্য হন।


          ‎পশ্চিম আফ্রিকায় জেএনআইএম এর প্রভাবাধীন দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ দেশ বুরকিনা ফাসো:

          ‎মালির প্রতিবেশি দেশ বুরকিনা ফাসো বর্তমানে প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএম মুজাহিদিন এবং দেশটির জান্তা প্রশাসনের মধ্যে বিভক্ত।

          ‎দেশের গ্রামীণ এলাকা এবং সীমান্ত এলাকাগুলোর সিংহভাগই জেএনআইএম-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, নিয়ন্ত্রণের বাহিরের এলাকাগুলোও দলটির প্রভাবাধীন। আর রাজধানী এবং এর আশেপাশের শহরগুলোতে সেনাবাহিনী (জান্তা) সক্রিয় রয়েছে।

          ‎জেএনআইএম মুজাহিদিনরা বুরকিনা ফাসোর উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম এবং দক্ষিণের ঘানা সীমান্ত ছাড়া সমস্ত গ্রামীণ এলাকাগুলোতে সক্রিয় রয়েছেন। এই ধারাবাহিকতায় দলটির মুজাহিদিনরা ধীরে ধীরে দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন এবং অবরোধের কৌশল অবলম্বন করছেন। এদিকে বুরকিনান সীমান্ত অঞ্চলগুলো ব্যবহার করে জেএনআইএম মুজাহিদিনরা আইভরি কোস্ট, ঘানা, টোগো, বেনিনে তাদের প্রভাব বিস্তার করেছেন। আর বেনিন সীমান্ত হয়ে নাইজেরিয়ার ভূখণ্ড পর্যন্ত জেএনআইএম মুজাহিদিনরা তাদের উপস্থিতি শক্তিশালী করছেন।​
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            পাকিস্তানের বান্নুতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও নিরাপত্তা কমিটির বিরুদ্ধে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিনের রক্তক্ষয়ী লড়াই: হতাহত ২০ এরও বেশি শত্রুসেনা



            পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তবর্তী বান্নু জেলায় দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং কথিত শান্তি কমিটির অবস্থান লক্ষ্য করে বৃহৎ পরিসরে একটি ভারী সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তানের (আইএমপি) মুজাহিদিনরা।

            আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত ২৩মে শনিবার সকাল ৮টায়, পাকিস্তানের বান্নু জেলার অন্তর্গত আখন্দখেইল গ্রামে বৃহৎ পরিসরে একটি সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন মুজাহিদিনরা। উক্ত এলাকায় দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী, পুলিশ ও কথিত শান্তি (নিরাপত্তা) কমিটির সদস্যদের ঘিরে ঘন্টার পর ঘন্টা এই অভিযানটি চলান মুজাহিদিনরা। এই অভিযানে আইএমপির সশস্ত্র মুজাহিদিনরা সামরিক বাহিনীর সন্ত্রাসী সদস্যদের নিষ্ক্রিয় করতে ক্লাশিনকোভ রাইফেল, মেশিনগান, M24 SWS স্নাইপার রাইফেল, M4A1 কারবাইন, থার্মাল স্কোপ ও ACOG স্কোপও সংযুক্ত অস্ত্র ব্যাবহার করেন।

            কয়েক ঘন্টার তীব্র এই লড়াইয়ে শত্রু বাহিনীর কয়েক ডজন সদস্য হতাহতের শিকার হয়। স্থানীয় সূত্রগুলোর দেওয়া প্রাথমিক তথ্যমতে, মুজাহিদদের এই অভিযানে উচ্চপদস্থ ৩ কমকর্তা সহ সন্ত্রাসী বাহিনীর অন্তত ২০ সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে। এছাড়াও মুজাহিদিনরা ৬ এরও বেশি পুলিশ সদস্যকে বন্দী করে নিয়ে গেছেন। বিপরীতে এই যুদ্ধে শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত অবস্থায় শাহাদাত বরণ করেছেন আইএমপির শীর্ষ আলেম মাওলানা আব্দুল্লাহ সাঈদ হাসান (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)।

            গণমাধ্যমে প্রচারিত কয়েকটি ভিডিওতে সন্ত্রাসী বাহিনীর বিভিন্ন ধরনের ৩টি সামরিক যান ধ্বংস ও পুড়ে যেতে দেখা গেছে। একই সাথে শত্রু বাহিনীর বেশ কিছু অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জামও মুজাহিদদের হস্তগত হয়েছে।


            তথ্যসূত্র:
            https://tinyurl.com/3kbr663e
            https://tinyurl.com/msynvrvy
            https://tinyurl.com/mttm3ena
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X