Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৫ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ২রা জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৫ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ২রা জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক-কারিগরি সহযোগিতা চুক্তি; আফগানিস্তানের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন অধ্যায়


    বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাষ্ট্রগুলোর স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ক্রমবর্ধমানভাবে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কৌশলগত সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। বিশ্বের প্রতিটি দেশই নির্ভরশীলতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে নিজেদের সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে সচেষ্ট। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনও শক্তির রাজনীতি প্রভাব বিস্তার করে চলেছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই দেশগুলোর প্রভাব ও অবস্থান নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। এ কারণেই সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি আজও প্রতিটি রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য প্রয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    জাতীয় অস্তিত্ব ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা রক্ষার অন্যতম মৌলিক শর্ত হলো প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি। যে দেশগুলো এ ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়ে, তারা অবধারিতভাবে বহিরাগত চাপ ও রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হয়। এমন প্রেক্ষাপটে আফগানিস্তান বর্তমানে একটি নতুন রাজনৈতিক পর্যায়ে প্রবেশ করছে। রাশিয়ার সঙ্গে ইমারাতে ইসলামিয়ার সাম্প্রতিক সামরিক-কারিগরি সহযোগিতা চুক্তিকে এই রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিরই বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই চুক্তি প্রমাণ করে যে, ইমারাতে ইসলামিয়া দীর্ঘদিনের বিচ্ছিন্নতা থেকে আফগানিস্তানকে বের করে এনে আঞ্চলিক সহযোগিতার একটি সক্রিয় অংশে পরিণত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

    একই সঙ্গে ইমারাতে ইসলামিয়া তার বৈদেশিক নীতিতে ভারসাম্য আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সক্রিয় ও উদ্দেশ্যমূলক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার সঙ্গে সম্পাদিত এই চুক্তিকে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা সক্ষমতা শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি এটিকে বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার একটি পরিমিত ও দূরদর্শী প্রচেষ্টা হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে।

    দীর্ঘ সময় ধরে অস্ত্র, প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি সহায়তার ক্ষেত্রে আফগানিস্তান নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি ছিল। এ ধরনের সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে দেশটি তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার সুযোগ পাবে এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিকল্প ও আনুষ্ঠানিক পথ উন্মুক্ত হবে। এর ফলে দেশের বর্তমান অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আফগানিস্তান ও রাশিয়ার মধ্যকার সামরিক-কারিগরি সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কারণ এ ধরনের সম্পর্ক নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা আরও গভীর করে।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, ইমারাতে ইসলামিয়া সীমিত সম্পদ ব্যবহার করেই সমগ্র আফগানিস্তানকে একটি একক নেতৃত্বের অধীনে নিরাপদ রাখতে সক্ষম হয়েছে। দেশের কোথাও নিরাপত্তাহীনতা বা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ রাখা হয়নি। বিশেষ করে সীমিত সম্পদ নিয়েই উগ্রপন্থী দাঈশ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সফল অভিযান পরিচালনা করে তাদের উপস্থিতি ও তৎপরতা থেকে আফগানিস্তানকে মুক্ত করা হয়েছে। বিদ্যমান সম্পদের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি হ্রাস করা বর্তমান ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক ও কারিগরি সহযোগিতা সম্প্রসারিত হলে ইমারাতে ইসলামিয়ার নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাঠামোর সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো অধিকতর সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও কার্যকর হয়ে উঠবে।

    এছাড়া ইমারাতে ইসলামিয়ার সঙ্গে সম্পদ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে। আফগানিস্তানের যে কোনো অঞ্চল থেকে উদ্ভূত সম্ভাব্য হুমকি আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত উপায়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এর ইতিবাচক প্রভাব সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও পড়বে। ফলে আঞ্চলিক দেশগুলো যেসব নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে উদ্বিগ্ন, সেগুলো প্রতিরোধে আফগানিস্তান আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের সক্ষমতা অর্জন করবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তানের সঙ্গে রাশিয়ার সামরিক ও কারিগরি সহযোগিতা সম্প্রসারণ তাদের প্রতিও একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে, যারা দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানকে নিজেদের প্রক্সি যুদ্ধ এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। বিশেষত পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী, যারা বিভিন্ন সময় বিদেশি স্বার্থ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ উত্থাপন করে থাকে, তাদের জন্যও এই সহযোগিতা নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত বহন করছে। সামগ্রিকভাবে, রাশিয়া ও আফগানিস্তানের মধ্যকার এই সহযোগিতা চুক্তিকে দেশের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আফগানিস্তানের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তথ্যসূত্র
    1. The Necessity of the Current Military-Technical Cooperation Agreement Between the Islamic Emirate and Russia
    https://tinyurl.com/466bweyp
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মাতৃমৃত্যু বিষয়ে OCHA প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করল ইমারাতে ইসলামিয়ার জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়


    আফগানিস্তানে মাতৃমৃত্যুর হার সংক্রান্ত জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দপ্তরের (OCHA) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিবেদনে উল্লেখিত পরিসংখ্যান অনুমানভিত্তিক এবং তা মন্ত্রণালয়ের সরকারি তথ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

    টোলোনিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শরাফাত জামান বলেন, OCHA প্রকাশিত তথ্য মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি জানান, গত বছরে আফগানিস্তানে মাত্র ২০০ জন মায়ের মৃত্যু হয়েছে, এই সংখ্যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় কম, যা ইঙ্গিত করে যে মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস পাচ্ছে। তিনি বলেন, সরকারি তথ্য অনুযায়ী মাতৃস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে এবং বর্তমান পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সংস্থাটির প্রতিবেদনে উপস্থাপিত চিত্রের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।

    এর আগে OCHA এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল যে, আফগানিস্তানে প্রতি এক লাখ জীবিত শিশুজন্মের বিপরীতে ৬০০ জন মায়ের মৃত্যু ঘটে। তবে জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই পরিসংখ্যানকে অনুমাননির্ভর বলে উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং নিজেদের সরকারি তথ্যকেই প্রকৃত পরিস্থিতির প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেছে।

    মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, মাতৃমৃত্যু সংক্রান্ত সরকারি পরিসংখ্যান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, OCHA প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ অনুমানভিত্তিক এবং প্রকৃত পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সরকারি তথ্যই অধিক নির্ভরযোগ্য।

    তথ্যসূত্র
    1. The Ministry of Public Health of the Islamic Emirate has rejected an OCHA report
    https://tinyurl.com/mry3ntew
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে ২,৫০০ হেক্টর জমিতে পেস্তা গাছ রোপণ


      আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে পেস্তা চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২,৫০০ হেক্টর জমিতে পেস্তা গাছ রোপণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হেরাত প্রাদেশিক বিভাগ। স্থানীয় কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় এই বাগানগুলো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

      হেরাতের কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এসব পেস্তা বাগান প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বা বন্য পেস্তা বন নয়; বরং নিয়মিত সেচ ব্যবস্থার আওতায় পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। তারা বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রদেশজুড়ে এ ধরনের বাগানের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কৃষকদের আগ্রহও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

      প্রাদেশিক কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পেস্তা একটি উচ্চমূল্যের কৃষিপণ্য। পেস্তা চাষের জন্য তুলনামূলকভাবে কম পানির প্রয়োজন হয়। হেরাতের জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় এই ফসলকে সবচেয়ে উপযোগী বিকল্পগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে সীমিত পানিসম্পদের মধ্যেও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

      কৃষি কর্মকর্তারা আরও বলেন, পেস্তা বাগানে বিনিয়োগ স্থানীয় বাগান মালিক ও কৃষকদের জন্য টেকসই লাভের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পেস্তা চাষের সম্প্রসারণ শুধু কৃষি খাতের উন্নয়নই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

      তথ্যসূত্র
      1. Herat Plants Pistachio Trees on 2,500 Hectares
      https://tinyurl.com/5ccczyjz
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        সোমালিয়ার দুটি অঞ্চলে মোগাদিশু বাহিনীকে লক্ষ্য করে শাবাব মুজাহিদিনের সফল অভিযান


        হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা সোমালিয়ার মধ্য শাবেলি এবং হিরান রাজ্যে মোগাদিশু বাহিনীর বিরুদ্ধে কয়েকটি সফল অভিযান চালিয়েছে। এতে শত্রু বাহিনীতে ব্যাপক হাতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।

        আঞ্চলিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০শে মে রবিবার, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা মধ্য শাবেলি রাজ্যের জাওহার শহরে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। বিস্ফোরণটি এমন একটি স্থানে ঘটানো হয়েছে, যেখানে রাজ্য প্রশাসনের প্রধান আলি গুডলাওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সৈন্যরা উপস্থিত ছিল।

        গণমাধ্যম সূত্রের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মুজাহিদদের এই শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে শত্রু বাহিনীর অন্তত ৪ সৈন্য আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন কর্মকর্তাও রয়েছে। আহত সৈন্যদের মধ্যে কয়েকজনের নাম হলো: মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদি হামুদ, আলি গুডলাওয়ের বিশেষ কর্মী ইউসুফ বাধার এবং ইদ্রিস আলি গিদি।

        এদিন হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা হিরান রাজ্যের বালদাউইন শহরে অন্তত দুটি শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। এই বিস্ফোরণগুলো বিশেষভাবে হিরান অঞ্চলের প্রাদেশিক রাজধানীতে অবস্থিত কালুল-উস্তু মিলিশিয়ার অবস্থানগুলোকে লক্ষ্য করে ঘটানো হয়েছিল। মুজাহিদদের এই বিস্ফোরণগুলোর ফলে কালুল-উস্তু মিলিশিয়াদের মধ্যে বিভিন্ন হতাহতের ঘটনা ঘটে।

        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/mrx7355z
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কেনিয়ায় শত্রুর ৪টি ঘাঁটি এবং ১টি কনভয়ে হারাকাতুশ শাবাবের ভারী আক্রমণ: হতাহত কয়েক ডজন


          হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা কেনিয়ার গারিসা এবং মান্দিরা রাজ্যে সম্প্রতি ৫টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। দেশটির ক্রুসেডার বাহিনীর ৪টি সামরিক ঘাঁটি এবং একটি কনভয় লক্ষ্য করে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

          শাহাদাহ এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০শে মে রবিবার, কেনিয়ার ঔপনিবেশিক শাসনাধীন গারিসা রাজ্যে ২টি পৃথক সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন আশ-শাবাব মুজাহিদিনরা। অভিযানগুলো রাজ্যের ইজারা জেলার অন্তর্গত বোদায় সোমালি এবং বোদায় জাকশান এলাকায় ক্রুসেডার কেনিয়ান সৈন্যদের দুটি শিবিরকে লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হয়েছে। এসময় সামরিক ঘাঁটিগুলো এবং এর আশপাশের এলাকায় হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিন ও কেনিয়ান বাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়।

          সূত্র জানায়, মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণে শত্রু বাহিনীতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আর লড়াই চলাকালে ক্রুসেডার বাহিনীর শিবিরগুলোতে ভয়াবহ আগুনও লেগে যায়। এতে ভেতরের তাঁবুগুলো পুড়ে যায় এবং অনেক আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে যায়।

          এই হামলাগুলোর কয়েকদিন আগে, অর্থাৎ গত ২৬শে মে, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা কেনিয়ার গারিসা এবং মান্দিরা রাজ্যে আরও ৩টি পৃথক সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন। অভিযানগুলোর ২টি গারিসা রাজ্যের দাদাব শহরের উপকণ্ঠে এবং দায়ো এলাকায় চালানো হয়েছে। এরমধ্যে দাদাব শহরের উপকণ্ঠে শত্রু বাহিনীর একটি কনভয় লক্ষ্য করে মুজাহিদিনরা ভারী বিস্ফোরণ ঘটান। এতে ক্রুসেডার বাহিনীর সদস্যদের বহনকারী একটি সামরিক যান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং তাতে থাকা ৪ ক্রুসেডার সৈন্য নিহত হয়। এছাড়াও আরও ১১ এরও বেশি ক্রুসেডার সৈন্য আহত হয়।

          এদিন রাজ্যের দায়ো এলাকায় মুজাহিদিনরা তাদের দ্বিতীয় সফল অভিযানটি পরিচালনা করেন, যা উক্ত এলাকায় অবস্থিত শত্রু বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। ফলশ্রুতিতে শত্রু বাহিনীর একটি সামরিক ট্রাক ধ্বংস হয়ে যায় এবং বেশ কিছু ক্রুসেডার সৈন্য হতাহতের শিকার হয়।

          মুজাহিদিনরা তাদের তৃতীয় সফল অভিযানটি পরিচালনা করেন কেনিয়া-অধিকৃত মান্দেরা জেলার শেখ ব্যারো এলাকায়। এই অভিযানটিও ক্রুসেডার কেনিয়ান বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়। অভিযানে হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করে কেনিয়ান সৈন্যদের উপর তীব্র আক্রমণ চালান। এতে কেনিয়ান বাহিনীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/5n6wrvfc
          https://tinyurl.com/3bjxn5k3
          https://tinyurl.com/bden6tt5

          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X