Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৪ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ২০ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৪ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ২০ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    আবাসন সংকট মোকাবিলায় কাবুলে ৪১টি আবাসিক টাউনশিপ নির্মাণের উদ্যোগ ইমারাতে ইসলামিয়ার



    আফগানিস্তানে ক্রমবর্ধমান আবাসন সংকট মোকাবিলায় নতুন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এ লক্ষ্যে কাবুলসহ দেশের বিভিন্ন প্রদেশে আবাসন খাত সম্প্রসারণ করার লক্ষ্য নির্ধারণে ও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানী কাবুলে নতুন আবাসিক টাউনশিপ নির্মাণের জন্য ৪১টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নগর উন্নয়ন ও আবাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবাসনের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে এই সংকট নিরসনের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কাবুল শহরে ৪১টি পৃথক স্থানে আবাসিক টাউনশিপ নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আর এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বৃহত্তর নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় আবাসন খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং তা নগরায়ণের চাহিদা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

    বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা আবাসন খাতে বিনিয়োগকে অন্যতম অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতার কারণে আফগানিস্তানে আবাসন ও রিয়েল এস্টেট উন্নয়নের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরাও দেশটিকে আবাসন বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশসম্পন্ন বলে অভিহিত করেছেন। তারা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও প্রণোদনা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, প্রয়োজনীয় সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে আবাসন খাতে শত শত মিলিয়ন ডলারের নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট হতে পারে। একই সঙ্গে এই খাতের বিকাশ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। সেই সাথে জাতীয় অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এই আবাসন খাত।


    তথ্যসূত্র
    1. Afghanistan moves to tackle housing shortage with new projects in Kabul
    https://tinyurl.com/yn2harwy
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভিডিও || আফগানিস্তানের গজনি প্রদেশে একটি নতুন মসজিদ আনুষ্ঠানিকভাবে মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া



    ​আফগানিস্তানের গজনি প্রদেশে ৩ কোটি ১০ লাখ আফগানি ব্যয়ে নির্মিত একটি নতুন মসজিদ আনুষ্ঠানিকভাবে মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া।

    ভিডিও দেখুন:



    https://archive.org/details/emirate-...or-worshippers
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      নাইজারের রাজধানী নিয়ামে বিমানঘাঁটিতে জেএনআইএম এর কমান্ডো অপারেশন: নিহত ৪৪ এরও অধিক জান্তা সদস্য



      পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের রাজধানী নিয়ামে, গত ১৮ জুন বৃহস্পতিবার সকালে জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিনের এক অভিযানে কেঁপে উঠেছে নিয়ামে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এখানে অবস্থিত জান্তার বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি।

      সূত্রমতে, গত ১৮ জুন বৃহস্পতিবার সকালে নাইজারের রাজধানী নিয়ামে শহরে একটি বৃহৎ পরিসরে সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) এর মুজাহিদিনরা। অভিযানটি বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে নিয়ামে শহরে দেশটির রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দিওরি-হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে, এতে অংশ নেন জেএনআইএম এর সশস্ত্র কমান্ডো ইউনিটের একদল বীর মুজাহিদ, যারা টানা সাড়ে ৩ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বিমানঘাঁটিতে জান্তার অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে তীব্র আক্রমণ চালাতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে সামরিক জান্তা ও তাদের সহায়তাকারীদের মধ্যে অন্তত ৪৪ সদস্য নিহত হয়েছে এবং আরও অসংখ্য সদস্য আহত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বিভিন্ন বেশ কিছু সামরিক অবকাঠামো, বিমান, ড্রোন এবং অন্যান্য সরঞ্জাম।

      রাজধানী নিয়ামের দিওরি-হামানি বিমানবন্দরটি নাইজারের সবচেয়ে স্পর্শকাতর নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর একটি। এটিকে জান্তা তাদের সর্বশেষ ও সবচেয়ে শক্তিশালী আশ্রয়স্থল হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। কেননা বেসামরিক হলেও এই বিমানবন্দরে নাইজার সেনাবাহিনীর সর্ববৃহৎ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এছাড়াও এই বিমানবন্দরে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলভুক্ত দেশগুলোর (মালি, বুরকিনা ফাসো ও নাইজার) জোট অ্যালায়েন্স অব সাহেল স্টেটস এর স্থাপনাও রয়েছে, একারণে বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কড়া। বিমানবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ৩৫০টিরও বেশি নজরদারি ক্যামেরা এবং সামরিক বাহিনীর কয়েক ডজন চেকপয়েন্ট রয়েছে আছে। আর জান্তার এই কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীকে ফাঁকি দিয়েই বৃহস্পতিবার ভোরে বিমানঘাঁটিতে প্রবেশ করেন মুজাহিদিনরা।

      নাইজারের জান্তা প্রশাসন প্রাথমিকভাবে দাবি করেছিল যে, মুজাহিদদের বীরত্বপূর্ণ এই অভিযানে ১১ সেনা সদস্য এবং ২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় সূত্রগুলো ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত মৃতের সংখ্যা দেখে দাবি করেছে যে, হতাহতের সংখ্যা সরকারি বিবৃতিতে উল্লিখিত সংখ্যার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসে বানিবাঙ্গু অপারেশনের পর যখন ঘটনাপ্রবাহ সরকারি বিবৃতির বিপরীত তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে শুরু করে, তখন জান্তা সরকারের ঘোষিত ৩৪ সেনার মৃত্যুর সংখ্যা এক সপ্তাহ পরেই বাড়িয়ে ৭১ সেনা দেখানো হয়েছিল। অর্থাৎ নাইজারের সামরিক সরকার, সবসময় হতাহতের সঠিক পরিসংখ্যান লুকানোর চেষ্টা করে এবং তা নিজেদের অনুকূলে প্রচার করে থাকে।


      তথ্যসূত্র:
      https://tinyurl.com/3nzp8pek
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment

      Working...
      X