Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৫ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ২১ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৫ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ২১ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    পাকিস্তানে সন্ত্রাসী সেনা ও এফসি ফোর্সের ২টি চৌকিতে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিনের স্নাইপার হামলা: নিহত ২ সন্ত্রাসী সেনা



    পাকিস্তানের ওরাকজাই এজেন্সিতে একটি এফসি পোস্ট এবং খাইবার এজেন্সিতে একটি সেনা চৌকিতে পৃথক হামলা চালিয়েছেন ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তানের (আইএমপি) মুজাহিদিনরা। এতে দেশটির সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর ২ সেনা সদস্য নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

    প্রতিরোধ বাহিনী আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) কর্তৃক জারি করা এক বিবৃতি থেকে জানা যায়, মুজাহিদিনরা ওরাকজাই এজেন্সির “শিরিন দাররা” এলাকায় একটি সফল স্নাইপার হামলা চালিয়েছেন। উক্ত এলাকায় অবস্থিত দেশটির সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর একটি এফসি পোস্ট লক্ষ্য করে গত ২০শে জুন শনিবার সকাল ৯:১৫ মিনিটের সময় হামলাটি চালানো হয়েছে। আইএমপি মুজাহিদদের এই স্নাইপার হামলার ফলে ঘটনাস্থলেই এক এফসি সদস্য নিহত হয়।

    এমনিভাবে খাইবার এজেন্সির তিরাহ উপত্যকার খায়েরপুর এলাকায় গত ১৯শে জুন শুক্রবার বিকালে আরও একটি সফল স্নাইপার হামলা চালান আইএমপি মুজাহিদিনরা। উক্ত এলাকায় অবস্থিত দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর একটি চৌকি লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়, এতে সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/3j2ue4e3
    https://tinyurl.com/2r6pzt7w
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    আন্তর্জাতিক বাজারে আরও শক্ত অবস্থানে আফগান জাফরান



    ​ইমারাতে ইসলামিয়ার শাসনামলে আফগানিস্তানের জাফরান খাত আন্তর্জাতিক বাজারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। উন্নত মান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্মত প্যাকেজিং এবং সরাসরি বৈদেশিক বাজারে প্রবেশের ফলে আফগান জাফরানের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, চীন এবং বিভিন্ন আরব দেশে সরাসরি আফগান জাফরান রপ্তানি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তান জাফরান কনসোর্টিয়াম।

    আফগানিস্তান জাফরান কনসোর্টিয়ামের প্রধান আব্দুল খালিক খোদাদাদি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে জাফরান রপ্তানিতে সন্তোষজনক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে এবং বিশ্বের বহু বাজারে আফগান জাফরানের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান, আফগান জাফরান উচ্চমানসম্পন্ন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করে এবং পরীক্ষাগারে মান যাচাইয়ের পরই ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হয়। এ কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে আফগান জাফরান বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে।

    হেরাত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ আমিন জানান, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে প্রায় ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের জাফরান বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কেজি জাফরান আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়।

    আফগানিস্তান জাফরান অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে ৪০ টনেরও বেশি জাফরান উৎপাদিত হয়েছে। বর্তমানে আফগানিস্তানের ১২ হাজার হেক্টর (প্রায় ২৯,৬৫০ একর) জমিতে জাফরান চাষ হচ্ছে এবং এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চাষাবাদ ও সংগ্রহ কার্যক্রমে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রপ্তানি বাজারের সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক চাহিদা বৃদ্ধির ফলে ভবিষ্যতে আফগানিস্তানের জাফরান খাত জাতীয় অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।


    তথ্যসূত্র
    1. Afghan Saffron Exports to Global Markets Increase
    https://tinyurl.com/yd4u985t
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আফগানিস্তানের কাপিসা প্রদেশে গম উৎপাদন বৃদ্ধি; স্থানীয় চাহিদার ৪০ শতাংশ পূরণে সক্ষমতা অর্জন



      ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের কাপিসা প্রদেশে চলতি বছর গম উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে স্থানীয় উৎপাদনের মাধ্যমে প্রদেশটির মোট গম ও খাদ্যের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। কৃষি খাতে উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি, প্রত্যয়নকৃত বীজের ব্যবহার এবং কৃষকদের জন্য সম্প্রসারিত সহায়তা কার্যক্রম এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছে কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাদেশিক কর্মকর্তারা।

      কাপিসা প্রদেশের কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যানতত্ত্ব বিষয়ক প্রধান মোহাম্মদ শফি সিদ্দিকি জানান, চলতি মৌসুমে প্রদেশটির কৃষি পরিস্থিতি ইতিবাচক রয়েছে এবং গত বছরের তুলনায় গমের উৎপাদন প্রায় ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, এ বছরের ফসলের মাধ্যমে কাপিসা প্রদেশের প্রায় ৪০ শতাংশ জনগণের গমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

      বিভাগটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে কাপিসা প্রদেশে ১২ হাজার ৩৫৩ হেক্টর (প্রায় ৩০,৫২৭ একর) জমিতে গম চাষ করা হয়েছে। এসকল জমিতে মোট ৩৪ হাজার ৫৫৮ মেট্রিক টন গম উৎপাদিত হয়েছে, যা প্রদেশটির খাদ্য উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

      সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উন্নত কৃষি পদ্ধতির বিস্তার এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকলে কাপিসা প্রদেশে গম উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


      তথ্যসূত্র
      1. Kapisa Wheat Harvest Meets 40% of Province’s Needs
      https://tinyurl.com/y4fpyen3

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ইমারাতে ইসলামিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোনকে এআই ম্যানিপুলেটেড ইমেজ দ্বারা ইসরায়েলের তৈরিকৃত বলে প্রোপাগান্ডা



        সম্প্রতি পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়া অঞ্চলে আইএসআইএস (দায়েশ)-সংশ্লিষ্ট একাধিক আস্তানায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। গত ১৮ জুন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইমারাতে ইসলামিয়ার নিখুঁত অভিযানের শিকার ঐ ঘাঁটিগুলো মূলত আফগান ভূখণ্ডে হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের কাজে ব্যবহৃত হতো। নিজস্ব প্রযুক্তিতে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বারা উদ্ভাবিত ড্রোন দিয়ে সফলভাবে এই হামলাগুলো চালানো হয়।

        ইমারাতে ইসলামিয়ার এমন সাফল্য স্বভাবতই পাকিস্তানী সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর ব্যর্থতা ও অযোগ্যতাকে উন্মোচিত করে দিয়েছে। আর তাই সোশাল মিডিয়ায় হামলায় ব্যবহৃত আফগান ড্রোনের পাশাপাশি কিছু এআই ম্যানিপুলেটেড ইমেজ যুক্ত করে ড্রোনগুলোকে ইসরায়েলের তৈরিকৃত বলে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনী সংশ্লিষ্ট সোশাল একাউন্টগুলো।



        পাকিস্তানী প্রোপাগান্ডা চ্যানেলগুলো থেকে প্রচারিত ইমেজের কোনায় এআই এজেন্টের মনোগ্রাম তথা লোগো ওই সকল ইমেজের বানোয়াট হওয়ার প্রমাণ বহন করে। যদিও অনেকে সেই ছবি ক্রপ করে এআই মনোগ্রাম মুছে দিয়ে প্রচারের ব্যর্থ প্রচেষ্টাও চালিয়েছে।



        এছাড়া ইমারাতে ইসলামিয়ার বলে প্রচারিত ড্রোন স্টিকারের ইমেজটিতে ইসরায়েলি এরোস্পেস ইনডাস্ট্রিজ লিখা স্টিকারটির মাঝে ইনডাস্ট্রিজ (INDUSTRIES) এর বানান নিডাসট্রিজ (NIDUSTRIES) লিখা হয়েছে, ম্যানুফ্যাকচারার এর জায়গায় নানুফ্যাইচারাস এর মত অর্থহীন শব্দ লিখা হয়েছে। একই সাথে উক্ত ম্যানিপুলেটেড স্টিকারের অক্ষরগুলো পর্যন্ত অগোছালো এসেছে, যা স্পষ্টতই প্রমাণ করে যে, উক্ত ইমেজগুলো এআই দ্বারা ম্যানিপুলেটেড। এবং ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতি মানুষের সংশয় সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রচারিত।



        প্রোপাগান্ডা চালাতে প্রচারিত ইমেজগুলোর একটিতে এআই দ্বারা আলাদাভাবে স্টিকারের ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে আগুনে পোড়া ইফেক্ট দেয়ার কারণে ডানের লিখা বামে চলে গেছে, সিরিয়াল নাম্বার এসেছে এক থেকে সাত, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) পর্যন্ত উক্ত ইমেজগুলোর নিচে ‘এআই জেনারেটেড’ তথা ‘এআই দিয়ে তৈরি’ বলে ফ্ল্যাগড করে দিয়েছে।

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          মধ্য মালিতে জান্তার অবস্থানগুলোতে জেএনআইএম এর ৪টি সফল অভিযান: ২টি সামরিক চৌকি বিজয়



          আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদিনরা গত ১৫ এবং ১৮ জুন মালির ৩টি রাজ্যে অন্তত ৪টি পৃথক সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন।

          আয-যাল্লাকা মিডিয়ায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১৫ জুন, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা মধ্য মালির মোপ্তি এবং কায়েস রাজ্যে ৩টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। এরমধ্যে কায়েস রাজ্যে পরিচালিত অভিযানটি তোরোদো ও গোমারা এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে মালির জান্তা সদস্যদের একটি সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। মুজাহিদিনরা একটি শক্তিশালী আইইডি বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই হামলাটি চালান, যার ফলশ্রুতিতে সাঁজোয়া যানটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।

          এমনিভাবে মোপ্তি রাজ্যের সোফারা শহরের কাছে এদিন আরও একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইসের বিস্ফোরণ ঘটান মুজাহিদিনরা। শহরের নিয়া এবং টিংগাম এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে মালির জান্তা (সেনাবাহিনী) এবং রাশিয়ান সৈন্যদের একটি সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্যবস্তু করে বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়। এতে লক্ষ্যবস্তু সাঁজোয়া যানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তার আরোহী জান্তা সেনা হতাহতের শিকার হয়।

          এদিন সন্ধ্যায়, মুজাহিদিনরা মোপ্তি রাজ্যের বোগুলা এলাকায় একটি সফল অতর্কিত আক্রমণ চালান। অভিযানটি উক্ত এলাকায় জান্তা সেনাদের অনুগত ডোজো মিলিশিয়াদের একটি সামরিক চৌকি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এতে বহু সংখ্যক মিলিশিয়া সদস্য হতাহতের শিকার হয় এবং অন্য সদস্যরা জীবন বাঁচাতে সামরিক অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়। মিলিশিয়া সদস্যদের এই পলায়নের পর মুজাহিদিনরা সামরিক অবস্থানের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেন।

          এদিকে গত ১৮ জুন রাতে, মুজাহিদিনরা সেগু রাজ্যের নিওনো শহরে একটি বৃহৎ পরিসরে সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেন। অভিযানটি শহরের প্রবেশপথে অবস্থিত মালির জান্তার (সেনাবাহিনীর) একটি চেকপয়েন্ট লক্ষ্য করে চালানো হয়। মুজাহিদদের অতর্কিত এই আক্রমণে জান্তা বাহিনীতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটলে জান্তা সেনারা তাদের অবস্থান ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়। জান্তার এই পরাজয়ের পর মুজাহিদিনরা সামরিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নেন।

          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/mrsnxhyw
          https://tinyurl.com/54mt4xmb
          https://tinyurl.com/9kpbw5c9
          https://tinyurl.com/z63htz49
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X