Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৫ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ০১লা জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৫ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ০১লা জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    ফিলিস্তিনের গণহত্যায় নীরব মানবাধিকার সংস্থাগুলো আফগানিস্তান নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে ব্যস্ত


    ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান নির্যাতন ও দমন-পীড়নের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নীরব ভূমিকার সমালোচনা করে ইমারাতে ইসলামিয়ার তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী শের আহমদ হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, এসব সংস্থা একদিকে ফিলিস্তিনের মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়ে নীরব থাকলেও অন্যদিকে আফগানিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভিত্তিহীন দাবি ও গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আফগানিস্তানে মানবাধিকার যথাযথভাবে সংরক্ষিত হচ্ছে। আর এসকল সংস্থার বাস্তবতার পরিবর্তে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বর্ণনা প্রচার করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    ১ জুলাই, বুধবার কাপিসা প্রদেশে সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত একদিনব্যাপী সক্ষমতা বৃদ্ধি সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে শের আহমদ হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ বলেন, যারা নিজেদের মানবাধিকারের রক্ষক বলে পরিচয় দেয়, তাদের অবস্থান হওয়া উচিত ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ফিলিস্তিনে চলমান বর্বরতা, নিরীহ নারী-শিশু হত্যা এবং মানবিক বিপর্যয়ের সময় এসব সংস্থা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে। অন্যদিকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ, অপপ্রচার ও গুজব ছড়াতে তারা বরাবরই সক্রিয়।

    তিনি বলেন, আফগানিস্তানে মানবাধিকার যথাযথভাবে রক্ষা করা হচ্ছে। বাস্তব পরিস্থিতি উপেক্ষা করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা সত্যের বিকৃতি ছাড়া আর কিছুই নয়।

    তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংবাদ প্রকাশে সততা, নির্ভুলতা ও দায়িত্বশীলতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি বলেন, গণমাধ্যম যেন অনৈতিক, বিভ্রান্তিকর ও মূল্যবোধবিরোধী বিষয়বস্তুর প্রচার থেকে বিরত থেকে ইসলামী মূল্যবোধ, জাতীয় স্বার্থ ও জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তিনি দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার জনগণের সামনে তুলে ধরতেও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

    সেমিনারে আফগান জাতির অদম্য মনোবলের কথাও তুলে ধরেন শের আহমদ হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা বোমা হামলা বা কষ্টের ভয়ে ভীত নই। যারা আমাদের চেয়ে বহু গুণ উন্নত প্রযুক্তি ও অস্ত্র নিয়ে এই ভূমিতে এসেছিল, তারাও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। আমরা কাউকে ভয় পাই না এবং কখনো পরাজয় মেনে নেব না।”

    সেমিনারে সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের আদর্শিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় শের আহমদ হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য তুলে ধরা এবং দেশ ও জাতির স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে আহ্বান জানান।

    তথ্যসূত্র
    1. Minister of Information and Culture Sher Ahmad Haqqani, speaking at a one-day journalists’
    https://tinyurl.com/p8vep92k
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    আফগানিস্তানের দিকে যারা কুদৃষ্টি দিয়েছে, ইতিহাসে তাদের সবাইকে পরাজিত হয়েই ফিরে যেতে হয়েছে: সীমান্ত বিষয়ক মন্ত্রী নূরুল্লাহ নূরী হাফিযাহুল্লাহ



    আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ইমারাতে ইসলামিয়ার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেছেন সীমান্ত ও উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নূরুল্লাহ নূরী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি বলেন, অতীতে যারা আফগানিস্তানের দিকে কুদৃষ্টি দিয়েছে, ইতিহাসে তাদের প্রত্যেককেই পরাজয়ের স্বাদ নিয়ে ফিরে যেতে হয়েছে।

    ‎রাজধানী কাবুলে শিয়া আলেমদের এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে নূরুল্লাহ নূরী হাফিযাহুল্লাহ বলেন, বর্তমানে আফগানিস্তানজুড়ে ইসলামী ঐক্য, স্বাধীনতা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে পারে—এমন কোনো শক্তিকে ইমারাতে ইসলামিয়া কখনোই সুযোগ দেবে না বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    ‎তিনি আরও বলেন, অতীতে যারা আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে এগিয়ে এসেছিল, শেষ পর্যন্ত তাদের সবাইকে পরাজিত হতে হয়েছে। ইতিহাসের এই শিক্ষা ভবিষ্যতে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বা আগ্রাসনের চিন্তা করা যেকোনো পক্ষের জন্য একটি সুস্পষ্ট সতর্কবার্তা।

    ‎বক্তব্যের শেষাংশে নূরুল্লাহ নূরী হাফিযাহুল্লাহ দেশবাসীর প্রতি জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় রাখার এবং ইসলামী শাসনব্যবস্থার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ইসলামি শাসনব্যবস্থা জনগণকে হেফাজত করবে, আর জনগণও ইসলামি শাসনব্যবস্থাকে হেফাজত করবে।”


    ‎তথ্যসূত্র
    ‎1. وزیر سرحدات: دیگر به هیچ‌کس فرصت خون‌ریزی در کشور داده نخواهد شد
    ‎- https://tinyurl.com/5e8p77tn


    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      সংঘাত নয়, পারস্পরিক সহযোগিতাই স্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধির ভিত্তি: আব্দুস সালাম হানাফি হাফিযাহুল্লাহ


      প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সংঘাত ও যুদ্ধ কোনো সমস্যার সমাধান নয়; বরং এতে উভয় পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ধ্বংসের পরিবর্তে উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানেপথেই এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রশাসনিক উপপ্রধান আব্দুস সালাম হানাফি হাফিযাহুল্লাহ। তিনি বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে জাতিগুলোর শক্তি যুদ্ধের পেছনে নয়, বরং উন্নয়ন ও অগ্রগতির কাজে ব্যয় হওয়া উচিত।

      পঞ্চম জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শিল্প ও খনিজ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কোনো প্রতিবেশী দেশ অন্য একটি প্রতিবেশী দেশকে ধ্বংস করতে পারে না। বিরোধ বা সংঘাত সৃষ্টি হলে শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষকেই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। তাই দেশগুলোর উচিত যুদ্ধের পরিবর্তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।

      তিনি বলেন, “আমরা যদি একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি, তবে আমাদের সমস্ত শক্তি একে অপরকে ধ্বংস করতেই ব্যয় হবে। অথচ এই শতাব্দীতে সেই শক্তিকে জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য ব্যবহার করা উচিত।”

      বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ তুলে আব্দুস সালাম হানাফি হাফিযাহুল্লাহ বলেন, যেসব দেশ একসময় রক্তক্ষয়ী সংঘাতে লিপ্ত ছিল, তারাও আজ উপলব্ধি করেছে যে যুদ্ধ কখনো স্থায়ী সমাধান এনে দিতে পারে না। বরং উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

      তিনি আরও বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। এই নীতির আলোকে আফগানিস্তানের ভূখণ্ড কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অন্য দেশের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। একইভাবে কোনো দেশেরও আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই।

      তথ্যসূত্র
      1. No neighboring country can destroy another.. Abdul Salam Hanafi
      https://tinyurl.com/35tu2kra
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় খারেজি আইএসআইএসের যৌথ ঘাঁটিতে সফল ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিমান বাহিনী



        আফগানিস্তানের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত দায়েশ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একাধিক ঘাঁটিতে সফল ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিমান বাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ার এসব ঘাঁটি থেকে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে নাশকতা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয় করা হতো। হামলায় দায়েশ সদস্য, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য এবং তাদের সহযোগীদের ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

        ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমান বাহিনী বেলুচিস্তানের পিশিন জেলার সারানান এলাকায় অবস্থিত দায়েশ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একটি যৌথ ঘাঁটিতে সফল ভাবে ড্রোন হামলা চালায়। মন্ত্রণালয় জানায়, এই ঘাঁটি থেকে আফগানিস্তানের ভেতরে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং হামলার পরিকল্পনা করা হতো। একই সঙ্গে আফগান বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হামলাগুলোর সমন্বয়ও এই কেন্দ্র থেকেই করা হতো।

        এছাড়া পৃথক অভিযানে খাইবার পাখতুনখোয়ার কাম্বার খেল এলাকায় অবস্থিত একটি দায়েশ ঘাঁটি এবং চিত্রালের শাহ সালিম উপত্যকার গরম চশমা এলাকায় অবস্থিত দায়েশ ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আরেকটি যৌথ কেন্দ্রেও সফল ড্রোন হামলা চালানো হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কেন্দ্রও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নাশকতা এবং বেসামরিক জনগণের ওপর হামলার পরিকল্পনায় ব্যবহৃত হচ্ছিল।

        প্রাথমিক তথ্যের বরাতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় দায়েশ সদস্য, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য এবং তাদের সহযোগীদের ব্যাপক প্রাণহানি ও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অভিযানগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিচালিত হওয়ায় কোনো বেসামরিক নাগরিক হতাহত হননি।

        প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, আল্লাহর ইচ্ছায় আফগানিস্তানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে ব্যবহৃত হবে—এমন যেকোনো স্থান বা ঘাঁটি ভবিষ্যতেও আফগান বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

        তথ্যসূত্র
        1. Airstrikes Carried Out on Joint ISIS and “Mischief and Corruption” Centers in Balochistan and Khyber Pakhtunkhwa
        https://tinyurl.com/2ey4masp
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X