Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৯ই মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ৫ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৯ই মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ৫ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    বুরকিনান জান্তার ৮টি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন জেএনআইএম মুজাহিদরা



    আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদরা সম্প্রতি বুরকিনা ফাসোর ৪টি রাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে জান্তা বাহিনীকে হটিয়ে ৮টি সামরিক ঘাঁটি ও পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।

    আয-যাল্লাকা মিডিয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪ জুলাই শনিবার, জেএনআইএম মুজাহিদরা বুরকিনা ফাসোর উয়াহিগুয়া, দেদুগু এবং গোয়া রাজ্যে অন্তত ৬টি পৃথক সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন। এরমধ্যে ৩টি অভিযান চালানো হয়েছে গোয়া রাজ্যের টিয়েরা, ডেলফান এবং ক্লোকার্নি অঞ্চলে, ২টি অভিযান উয়াহিগুয়া রাজ্যের টিওও ও টোঘি শহরে এবং একটি দিদুগু রাজ্যের ধীন শহরে চালানো হয়েছে। শহরগুলোতে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত এসকল অভিযানের মাধ্যমে মুজাহিদরা ৬টি সামরিক ঘাঁটি ও সেনা চৌকির নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হন।

    এদিকে গত ২ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে, বুরকিনা ফাসোর লোরোন রাজ্যে একযোগে ২টি অভিযান চালান জেএনআইএম মুজাহিদরা। অভিযান দুটো রাজ্যের তিতাও শহরে অবস্থিত বুরকিনান জান্তার ২টি সামরিক চৌকি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। দুটি অবস্থানেই মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণে জান্তা বাহিনী পরাজয়ের শিকার হয় এবং সামরিক অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়। জান্তা বাহিনীর এই পলায়নের পর জেএনআইএম মুজাহিদরা সামরিক চৌকির নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হন।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/mkem8p6u
    https://tinyurl.com/yrnhpc35
    https://tinyurl.com/4sp28au4
    https://tinyurl.com/4tfzbyrp
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মালিতে ২৫শে এপ্রিলের পুনরাবৃত্তি: ৫টি ফ্রন্টে একযোগে সমন্বিত আক্রমণ চালাচ্ছে জেএনআইএম এবং এফএলএ এর প্রতিরোধ যোদ্ধারা






    আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মুজাহিদিন এবং আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ), ৪ জুলাই সকাল থেকে মালির আনেফিস, আগুয়েলহক, গাও, সেভারে, কোনা এবং কেনিয়েরোবা শহরগুলো লক্ষ্য করে একযোগে সমন্বিত সামরিক অপারেশন শুরু করেছেন।

    আঞ্চলিক গণমাধ্যম সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতাকামী “এফএলএ” বিদ্রোহীরা যখন উত্তর মালিকে নাড়া দিচ্ছেন, তখন মধ্য ও দক্ষিণ মালিতে জান্তা বাহিনীকে ব্যস্ত রাখতে সামরিক অপারেশন জোরদার করেছে জেএনআইএম মুজাহিদরা। এই অপারেশন ২৫শে এপ্রিল সমগ্র দেশ জুড়ে শুরু হওয়া দু’টি দলের সমন্বিত অভিযানের কথা স্বরণ করিয়ে দিচ্ছে।

    শনিবার ৪ জুলাই দুপুর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর মালির কিদাল রাজ্যের অন্তর্গত আনেফিস শহরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছেন আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ) যোদ্ধারা। এসময় শহরটির প্রবেশ পথ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলিতে ভারী সাঁজোয়া যান নিয়ে টহল দিতে দেখা যাচ্ছে জেএনআইএম মুজাহিদদের। সেই সাথে উভয় দলের যোদ্ধারাই শহরের প্রাণকেন্দ্রে জান্তা ও রুশ বাহিনীর সর্বশেষ ঘাঁটির বিরুদ্ধে প্রবল আঘাত হানতে শক্তিবৃদ্ধি করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এফএলএ ও জেএনআইএম মুজাহিদদের হাতে মালিয়ান সশস্ত্র বাহিনী জান্তার (ফামা) অসংখ্য বন্দীদের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

    শহরটিতে পরিচালিত এই অভিযানে জেএনআইএম এবং এফএলএ যোদ্ধাদের কাছে এপিসি সহ একাধিক ভারী সামরিক যান ব্যবহার করতে দেখা গেছে, যা গত ২৫শে এপ্রিলের সমন্বিত অভিযানের সময় রাশিয়ান বাহিনী থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

    এদিকে গাও শহরে, বিশেষ করে শহরের বিমানবন্দরের আশেপাশে লড়াই তীব্র আকার ধারণ করেছে। শহরটি এখনো জান্তার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও জেএনআইএম মুজাহিদদের ভারী আক্রমণে ব্যাপক হাতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে জান্তা ও রাশিয়ান বাহিনী। সমন্বিত এই অভিযানের ফলে শহরটিতে রাশিয়ার একটি এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমানও বিধ্বস্ত হয়েছে।

    রাজধানী বামাকোর ৬০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত কেনিয়েরোবা শহর। এখানে ‘আফ্রিকান আলকাট্রাজ’ ডাকনামে পরিচিত একটি কারাগার লক্ষ্য করে ভারী আক্রমণ শুরু করেছেন জেএনআইএম মুজাহিদরা। কারাগারটিতে রাশিয়া ও জান্তা হাতে আড়াই হাজারেরও বেশি বন্দী রয়েছেন।

    মধ্য মালির মোপ্তি রাজ্যের সেভারে শহর। জেএনআইএম মুজাহিদরা শহরের দক্ষিণে অবস্থিত জান্তা বাহিনীর সোফারা ব্যারাক লক্ষ্য করে ভারী আক্রমণ চালিয়েছেন। এতে বহু সংখ্যক জান্তা ও রাশিয়ান সৈন্য হতাহতের শিকার হয়েছে। পরে জান্তা এই অভিযানটি প্রতিহত করার দাবি করেছে।

    একই রাজ্যের, সেভারে শহর থেকে ৬০ কিমি উত্তরে অবস্থিত কোনায় শহরেও সকালের দিকে তীব্র আক্রমণ চালাতে শুরু করেন মুজাহিদরা। এই অভিযানটি শহরের প্রবেশ পথ, বিভিন্ন সামরিক পোস্ট, ঘাঁটি এবং জান্তার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।

    আগেলহোক শহর, জেএনআইএম মুজাহিদিন এবং এফএলএ যোদ্ধারা এলাকাটিতে দিনভর ভারী বোমাবর্ষণ করে যাচ্ছেন। শহরটিতে গত ৩ জুলাই জেএনআইএম ২টি অভিযান চালিয়েছে। মুজাহিদদের এক অভিযানেই অন্তত ৪ রাশিয়ান সৈন্য নিহত এবং আরও ২ রাশিয়ান সৈন্য আহত হয়েছে। অন্য অভিযানটিতেও আরও কতক সৈন্য হতাহতের শিকার হয়েছে।

    উল্লেখ্য যে, পরিস্থিতি ২৫শে এপ্রিলের মতোই চলছে, যেখানে জান্তার সামরিক ঘাঁটিগুলো উৎখাত করার লক্ষ্যে উত্তর মালিতে যৌথভাবে মূল অভিযান চালাচ্ছে জেএনআইএম এবং এফএলএ যোদ্ধারা। একই সময়ে জান্তা ও রাশিয়ার মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর জন্য জেএনআইএম মুজাহিদরা দেশের দক্ষিণ ও মধ্যভাগের বেশ কয়েকটি কৌশলগত শহর ও সামরিক অবস্থানে ভারী হামলা চালাচ্ছেন।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/3j7wynj7
    https://tinyurl.com/nha23jrs
    https://tinyurl.com/mrtbbz22
    https://tinyurl.com/43wmps7a
    https://tinyurl.com/2tudsb24
    https://tinyurl.com/2edhdem6
    https://tinyurl.com/2etytcdy
    https://tinyurl.com/yc6ptrsj
    https://tinyurl.com/2rvp3fe7
    https://tinyurl.com/kf8zxpdn
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      মালিতে এফএলএ এবং জেএনআইএম যোদ্ধাদের সমন্বিত অপারেশনের দ্বিতীয় দিন



      পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে সন্ত্রাসী জান্তা ও তাদের মিত্র রাশিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে গত ৪ জুলাই শনিবার থেকে সমন্বিত অপারেশন শুরু করে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম এবং এফএলএ যোদ্ধারা। আজ ৫ জুলাই রবিবারও দেশের বিভিন্ন অংশে সমন্বিত এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

      আয-যাল্লাকা মিডিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জেএনআইএম নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদরা সমন্বিত এই অপারেশনের ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ ও মধ্য মালির বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ১০টি অভিযান পরিচালনা করেছেন।

      বীরত্বপূর্ণ এই অভিযানগুলোর মাধ্যমে মুজাহিদরা মালির জান্তা বাহিনী এবং তাদের মিত্র রাশিয়ান বাহিনীকে হটিয়ে কেনিয়েরোবা, কুয়াকুরু এবং টিও এলাকার আংশিক নিয়ন্ত্রণ নেন। এসময় উক্ত এলাকাগুলোতে অবস্থিত শত্রু বাহিনীর বেশ কিছু সামরিক ঘাঁটি ও অবস্থানের নিয়ন্ত্রণও গ্রহণ করেছেন মুজাহিদরা।

      একই ধারাবাহিকতায় জান্তা সমর্থিত ডোজো (Dozo) মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে হটিয়ে কোনা, সুমাদুগু, কারাকানি এবং সেনি কোরো এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেন জেএনআইএম মুজাহিদরা। সেই সাথে তাঁরা এসকল বিজিত এলাকায় অবস্থিত মিলিশিয়াদের সমস্ত সামরিক ঘাঁটি এবং অবস্থানেরও নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।

      এছাড়াও মালির গৌরি বুজি অঞ্চলে ডোজো মিলিশিয়াদের একাধিক সদর দপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছেন মুজাহিদরা। একইসাথে সোফারা এবং লেরে শহরেও জান্তা (ফামা)-র সাথে তীব্র লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন মুজাহিদগণ।

      অপরদিকে উত্তর মালিতে এফএলএ যোদ্ধাদের পাশাপাশি জেএনআইএম মুজাহিদরা আনেফিস, আগুয়েলহক এবং গাও শহরে চলমান লড়াইয়েও অংশ নিয়েছেন। জান্তা এবং রাশিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত এই অভিযানে জেএনআইএম মুজাহিদদেরকে ভারী অস্ত্র শস্ত্র এবং সামরিক যান ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

      উত্তর মালির কিদাল শহর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের আনেফিস শহরটির কেন্দ্রীয় অঞ্চল ব্যতিত সমস্ত এলাকাই জেএনআইএম এবং এফএলএ যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। রাশিয়ান বাহিনী এবং মালির সশস্ত্র জান্তা বাহিনী শহরের কেন্দ্রস্থলে তাদের শিবিরের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে সেখানে অবস্থান করছে। আনেফিসে আটকা পড়া রাশিয়ান এবং জান্তার সামরিক ইউনিটগুলোকে রসদ সরবরাহ করতে এবং আহতদের সরিয়ে আনতে গাও থেকে চারটি হেলিকপ্টার সেখানে অবতরণের চেষ্টা করে। কিন্তু প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হামলায় হেলিকপ্টারগুলোর মধ্যে দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার মধ্যে একটি আবার বিধ্বস্ত হয়; অন্য দুটি ফিরে যায়। এসময় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ড্রোন হামলায় বেশ কয়েকটি রুশ সাঁজোয়া যানও ধ্বংস হয়েছে।

      রবিবার সকাল থেকেই আনফিসে শত্রুর কেন্দ্রীয় শিবিরের আশেপাশে ভারী আক্রমণ চালাতে শুরু করেছেন প্রতিরোধ যোদ্ধারা। ফলে আটকা পড়া শত্রু সৈন্যদের সহায়তায় গাও শহর থেকে রাশিয়ান বাহিনী এবং জান্তা সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিবৃদ্ধিকারী কনভয় আনেফিসের পথে অগ্রসর হতে শুরু করেছে।

      আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ) জানিয়েছে যে, তারা আনেফিসের অভ্যন্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলো সুরক্ষিত করতে সক্ষম হয়েছেন এবং গাও থেকে আসা হেলিকপ্টারগুলোকে নিষ্ক্রিয় করেছেন।
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        বাদাখশান সফরে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী



        ​ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মৌলভী মুহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ সম্প্রতি বাদাখশান প্রদেশের কুরান ওয়া মুনজান, জেবাক, ওয়াখান ও পামির জেলা এবং সীমান্তবর্তী বেশ কয়েকটি ফাঁড়ি পরিদর্শন করেছেন। এ সময় মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

        প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সফরের সময় তিনি আফগানিস্তানের চীন, তাজিকিস্তান ও ডিউরান্ড লাইন সীমান্তবর্তী কৌশলগত এলাকাগুলোও পরিদর্শন করেন।

        প্রতিরক্ষামন্ত্রী সীমান্তরক্ষী সদস্যদের দায়িত্বনিষ্ঠা ও ত্যাগের প্রশংসা করে বলেন, দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, অউইমারাতে ইসলামিয়ার সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যের যৌথ দায়িত্ব।

        তিনি আরও বলেন, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় করা এবং দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ভবিষ্যতেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

        উল্লেখ্য, কুরান ওয়া মুনজান বাদাখশানের অন্যতম দুর্গম জেলা; জেবাক তাজিকিস্তান ও পাকিস্তানের সাথে সীমান্তবর্তী; পামির পর্বতমালা চীন, তাজিকিস্তান ও আফগানিস্তানের সংযোগস্থলে অবস্থিত। এই সফর ইমারাতে ইসলামিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বারোপেরই প্রতিফলন।


        তথ্যসূত্র
        1. Defense minister visits Badakhshan, emphasizes border security
        https://tinyurl.com/n2c8rtkz
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X