Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২৯শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২৯শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    মালি ও বুরকিনা ফাসোর ২২টি শহরে একযোগে জেএনআইএম-এর সমন্বিত সামরিক অপারেশন



    ​আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামায়াত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। দলটির অফিসিয়াল মিডিয়া শাখা আয-যাল্লাকা ৩ পৃষ্ঠার একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে মালি ও বুরকিনা ফাসোতে গত ৪ জুলাই জান্তা, রাশিয়ান বাহিনী এবং স্থানীয় মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে একযোগে শুরু হওয়া মুজাহিদদের সমন্বিত সামরিক অপারেশনের বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে ঘোষণা করা হয়েছে যে, জেএনআইএম মুজাহিদরা একযোগে পরিচালিত সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে মালি ও বুরকিনা ফাসোতে শত্রু বাহিনীর অসংখ্য সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছেন। এই যুদ্ধে জেএনআইএম মুজাহিদরা বীরত্ব, আত্মত্যাগ এবং বিজয়ের সবচেয়ে বিস্ময়কর মহাকাব্য রচনা করেছেন। ফলশ্রুতিতে শত্রুপক্ষের অসংখ্য সৈন্য হতাহত, ব্যাপক বস্তুগত ক্ষতি এবং বাহিনীতে অনৈক্য তৈরির পাশাপাশি বহু সংখ্যক সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছে।

    প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, গত ৪ জুলাই শুরু হওয়া এই অপারেশনের ধারাবাহিকতায় জেএনআইএম মুজাহিদরা মালির রাজধানী বামাকোর পশ্চিমে অবস্থিত সেভারে, সুফারা ও কেনিরুবা এবং মধ্য মালির কুয়াকুরু, কোনা, লেরে, কোনা, সুমাদুগু, কারাকানি, সেইনি কোরো ও গোরলে বগ শহর, সেই সাথে বুরকিনা ফাসোর ডিগনে, টিউ, স্ফেঙ্গা, টিয়েরা, ডেলফান, কুকারনি, তৌগুই ও তগুরিত শহরগুলোতে বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালিয়েছেন। উক্ত ১৯টি শহরে পরিচালিত এই অভিযানের মাধ্যমে মুজাহিদরা মালি ও বুরকিনা ফাসোর জান্তা বাহিনী এবং রাশিয়ার ভাড়াটে আফ্রিকান কর্পস বাহিনী ও স্থানীয় মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর অসংখ্য সামরিক ঘাঁটি, সদর দপ্তর, সামরিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন এবং আরও কতক সামরিক ঘাঁটি মুজাহিদের হামলায় ভারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    জেএনআইএম আরও জানিয়েছে যে, আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ)-এর সাথে যৌথভাবে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে মুজাহিদরা উত্তর মালিতেও বৃহৎ পরিসরে সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন।

    বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এফএলএ এর ভাইদের সাথে যৌথ এই সামরিক অপারেশনের অংশ হিসেবে, জেএনআইএম-এর বীর মুজাহিদরা মালির উত্তরাঞ্চলের আনফিফ, গাও এবং আগুয়েলহোক শহরে অবস্থিত শত্রু বাহিনীর সমস্ত সামরিক ঘাঁটি, বিমানবন্দর এবং সদর দপ্তরগুলো লক্ষ্য করে বৃহৎ পরিসরে ভারী আক্রমণ শুরু করেন। এই আক্রমণে শত্রু বাহিনীতে মুজাহিদদের অনুপ্রবেশ, ইস্তেশহাদী হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণ, আত্মঘাতী ড্রোন হামলা, নজরদারি ড্রোন, অ্যাম্বুশ এবং অতর্কিত আক্রমণ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    মুজাহিদদের এসকল বীরত্বপূর্ণ অভিযানের ফলে মালির জান্তা (সেনাবাহিনী) এবং রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পস বাহিনীর শত শত সৈন্য নিহত এবং আহত হয়েছে। এছাড়াও কয়েক ডজন সৈন্য মুজাহিদদের হাতে বন্দী হয় এবং অনেক সৈন্য যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে গেছে।

    শত্রু বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক হতাহত ও মুজাহিদদের হাতে বন্দী ছাড়াও, এই অভিযানগুলোতে শত্রুপক্ষের অসংখ্য সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। রাশিয়ার তৈরি একটি এমআই-২৪ হেলিকপ্টার গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে, ফলে এর সমস্ত ক্রু নিহত হয়েছে। সেই সাথে এই অঞ্চলে শত্রুপক্ষের অনেক চালকবিহীন আকাশযানও মুজাহিদদের হামলার সফল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

    জেএনআইএম বিবৃতিতে আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্ট (এফএলএ)-কে নিজেদের মিত্র এবং সৈন্যদের ভাই বলে সম্বোধন করে। এসময় যুদ্ধে এফএলএ যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ, বীরত্ব, সাহসিকতা এবং ভ্রাতৃত্বের নজির স্থাপন করার প্রশংসাও করে জেএনআইএম। একই সাথে মালি ও বুরকিনা ফাসোতে শরিয়াহ্ প্রতিষ্ঠার এই যুদ্ধে শত্রুর মোকাবেলায় যেসকল মুজাহিদরা নিজেদের জীবন দিয়েছেন, সেইসব নেককার ভাইদের জন্য মহান রবের দরবারে তাদের জিহাদ ও শাহাদাত কবুল করার জন্যও দোয়া করা হয়। তাদেরকে যেনো নবী, সালেহীন, শহীদ ও নেককারদের সান্নিধ্যে সমর্পণ করা হয়।

    এসময় সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়। আর যারা দুটি উত্তম জিনিসের একটির জন্য অপেক্ষা করছে — হয় বিজয় ও সাফল্য, নয় শাহাদাহ —তাদের জন্য দৃঢ়তা ও ধৈর্যের দোয়া করা হয়।

    জেএনআইএম তাদের বিবৃতির শেষে ঘোষণা করেছে যে, আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্টের সাথে যৌথভাবে পরিচালিত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং তারা এই অঞ্চলের শরিয়াহ্ ও মুসলিম বিরুদ্ধে সরকার ও রুশ উপস্থিতির বিরুদ্ধে তাদের জিহাদ চালিয়ে যাবেন।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/3v4c55fr
    https://tinyurl.com/4t323kpw
    https://tinyurl.com/6nj227y6
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    গণমাধ্যমকে তথ্যপ্রাপ্তিতে সহায়তা দিতে নতুন বিভাগ গঠন করল ইমারাতে ইসলামিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়



    গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং কার্যকরভাবে তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন একটি বিভাগ গঠন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। “তথ্য সহায়তা” নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিভাগের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    পাকতিয়া প্রদেশে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান আব্দুল হাকিম হেমত আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, নবগঠিত “তথ্য সহায়তা” বিভাগের মূল দায়িত্ব হবে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং সময়মতো তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা।

    তিনি আরও বলেন, এই বিভাগের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানো এবং তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।


    ‎তথ্যসূত্র
    1. The Head of Public Relations and Press of the Ministry of Interior announced the establishment of a new department
    https://tinyurl.com/mr6xpttx
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে সীমা লঙ্ঘনের কোনো স্থান ইসলামে নেই: আফগান প্রশাসনিক প্রধান শাইখ নূরুল হক হাফিযাহুল্লাহ



      ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রশাসনিক প্রধান শাইখ নূরুলহক আনোয়ার হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, ইসলামে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একটি স্বীকৃত অধিকার, তবে এই স্বাধীনতার সীমা অতিক্রম করে সরকারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, অপপ্রচার কিংবা মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করে কোনো বক্তব্য প্রদান করলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

      সাংবাদিকদের সক্ষমতা বাড়াতে ময়দান ওয়ার্দাক প্রদেশে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

      প্রায় ৪০০ সাংবাদিক, লেখক, যুবক ও উপজাতি প্রবীণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় তিনি বিশেষভাবে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সত্য ও ন্যায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাক্‌স্বাধীনতা সমাজের সংস্কার ও কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা উচিত। যে কথা বলে, তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সত্যবাদিতা। সত্য ও ন্যায় থেকে বিচ্যুত হয়ে মানুষের অধিকার লঙ্ঘন, মিথ্যা ব্যাখ্যা বা নেতিবাচক উদ্দেশ্যে অভিযোগ করার কোনো স্থান ইসলামে নেই।

      তিনি আরও আরও বলেন, ইসলামে বাক্‌স্বাধীনতা সমাজের কল্যাণ, সংশোধন ও সংস্কারের জন্য ব্যবহার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাই এই অধিকার এমনভাবে প্রয়োগ করতে হবে, যাতে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় এবং সমাজে বিভ্রান্তি বা অন্যায়ের প্রসার না ঘটে।


      ‎তথ্যসূত্র
      1. The Head of the Administrative Office, Sheikh Noor-ul-Haq Anwar, said
      https://tinyurl.com/2793swxj
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment

      Working...
      X