Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৩রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৩রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    আফগানিস্তানে কার্পেট শিল্পে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ১০ লাখ মানুষের


    ​আফগানিস্তানে কার্পেট শিল্পে বর্তমানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক দপ্তর। একই সঙ্গে দেশীয় হস্তশিল্প ও কারুশিল্পের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে আফগান কার্পেটের রপ্তানিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ১০ লাখ মানুষ কার্পেট শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন। দপ্তরটি জানায়, ইমারাতে ইসলামিয়া দেশীয় হস্তশিল্প ও কারুশিল্পের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় আফগান কার্পেটের আন্তর্জাতিক চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে ৭ লাখ ৬০ হাজার বর্গমিটারেরও বেশি কার্পেট রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, কানাডাসহ একাধিক আরব ও আফ্রিকান দেশে রপ্তানি করা হয়েছে। এসব রপ্তানির মোট মূল্য ছিল প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

    এছাড়া দপ্তরটি জানিয়েছে, বর্তমানে আফগান কার্পেটের কেবল একটি ছোট অংশ দেশেই ব্যবহার করা হয়, আর অধিকাংশ কার্পেট বিদেশি বাজারে রপ্তানি করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও সম্প্রসারিত হচ্ছে।


    ‎তথ্যসূত্র
    1. one million Afghans are employed directly and indirectly in the carpet weaving industry.
    https://tinyurl.com/4x4yb34w
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইমারাতে ইসলামিয়ার নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের ভিত্তিহীন গুজব প্রত্যাখ্যান করলেন জুমা খান ফাতেহ হাফিযাহুল্লাহ



    ইমারাতে ইসলামিয়ার জাবুল প্রদেশের সাবেক ডেপুটি গভর্নর জুমা খান ফাতেহ হাফিযাহুল্লাহ সাম্প্রতিক সময়ে তাঁকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া মতবিরোধের ভিত্তিহীন গুজব প্রত্যাখ্যান করেছেন। কাবুলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর কোনো বিরোধ নেই এবং এ ধরনের খবর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার।

    বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুমা খান ফাতেহ হাফিযাহুল্লাহ জানান, কাবুলে তিনি ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিফ অব স্টাফ ফাসিহুদ্দিন ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ এবং অর্থনীতি মন্ত্রী দ্বীন মোহাম্মদ হানিফ হাফিযাহুল্লাহ সহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

    জাবুল প্রদেশের ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, প্রায় এক মাস ওই দায়িত্ব পালন করার পর ভাষাগত সমস্যা, পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি পদত্যাগ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি পশতু ভাষা জানতেন না, অন্যদিকে স্থানীয় অনেকেই দারি ভাষায় কথা বলতে পারতেন না। ফলে কার্যকর যোগাযোগ ও জনসেবা ব্যাহত হচ্ছিল। এছাড়া পূর্ববর্তী যুদ্ধের সময় আহত হওয়ায় তাঁর বাম হাত অকার্যকর হয়ে পড়েছে, যা দায়িত্ব পালনে অতিরিক্ত অসুবিধা সৃষ্টি করছিলো।

    তিনি আরও বলেন, দারি ভাষাভাষী কোনো এলাকায় দায়িত্ব চাওয়ার বিষয়টি মূল সমস্যা ছিল না; বরং স্বাস্থ্যগত কারণে কিছু সময় পরিবারের সঙ্গে থেকে সুস্থ হওয়ার প্রয়োজন ছিল। এরপর নেতৃত্ব যেখানে উপযুক্ত মনে করবে, সেখানেই তিনি দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রয়েছেন।

    সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ইমারাতে ইসলামিয়ার নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে তিনি সরকারের সঙ্গে আর কাজ করতে চান না। তবে জুমা খান ফাতেহ হাফিযাহুল্লাহ এসব দাবি দৃঢ়ভাবে নাকচ করে বলেন, কাবুলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং নেতৃত্বের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, বিপ্লবের শুরু থেকে বিজয়ের পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত মুজাহিদ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে বিদ্বেষী গণমাধ্যম। বর্তমানে তাঁর সম্পর্কে যে খবর প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলোও বাস্তবতা থেকে অনেক দূরের এবং তিনি সেগুলো সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।

    জুমা খান ফাতেহ অতীতে বিদেশি বাহিনী ও সাবেক আফগান সরকারের বিরুদ্ধে বাদাখশান প্রদেশে যুদ্ধ করেছেন। তাঁর সর্বশেষ সরকারি দায়িত্ব ছিল জাবুল প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে। ২২ জুন তিনি ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপরই বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হয়, তিনি ইমারাতে ইসলামিয়ার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আলাদা পথ বেছে নিতে চান। তবে কাবুলে তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।


    ‎তথ্যসূত্র
    1. جمعه خان فاتح وایي، په ارګ کې پر خبرو بوخت دی
    https://tinyurl.com/2am8bu78
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      বান্নুতে সামরিক হেডকোয়ার্টারে আইএমপি মুজাহিদদের ইস্তেশহাদী হামলা: হতাহত অন্তত ৩০ সন্ত্রাসী সেনা





      ​পাকিস্তানের বান্নু জেলায় পুলিশ স্টেশনে শক্তিশালী গাড়ি বোমা হামলা চালিয়েছে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি)। এতে পুলিশ স্টেশন ধ্বংসের পাশাপাশি সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর ৩০ এরও বেশি সেনা ও পুলিশ সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে।

      সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনীগুলোর সামরিক জোট ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তানের (আইএমপি) মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে, আইএমপি সংশ্লিষ্ট মুজাহিদরা গত ১৫ই জুলাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে, পাকিস্তানের বান্নু জেলায় একটি সফল ইস্তেশহাদী হামলা ও অ্যাম্বুশ করেছেন।

      বান্নু জেলায় অবস্থিত দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী, শান্তি কমিটি এবং পুলিশ বাহিনীর যৌথ সামরিক কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত “মিরিয়ান” পুলিশ স্টেশন লক্ষ্য করে মুজাহিদরা অভিযানটি পরিচালনা করেছেন। আইএমপির একজন ফিদায়ী মুজাহিদ মাহমুদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) প্রথমে আড়াই (২.৫) টন বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি ব্যবহার করে সামরিক কেন্দ্রেটিকে শক্তিশালী ইস্তেশহাদী হামলার সফল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। শক্তিশালী এই বিস্ফোরণের ফলে উক্ত কেন্দ্রের বেশিরভাগ অংশই ধ্বংস হয়ে যায় এবং এতে উপস্থিত অন্তত ৩০ সন্ত্রাসী সেনা ও পুলিশ সদস্য হতাহতের শিকার হয়।

      ইস্তেশহাদী হামলার পর আইএমপি মুজাহিদরা সামরিক কেন্দ্র এবং উক্ত এলাকাটি ঘিরে ফেলেন। এরপর সেখানে উভয় বাহিনীর মধ্যে কয়েক ঘন্টা যাবৎ পাল্টাপাল্টি তীব্র লড়াই চলতে থাকে। ফলশ্রুতিতে আরও অসংখ্য সন্ত্রাসী সেনা মুজাহিদদের হামলায় হতাহতের শিকার হয়। এসময় মুজাহিদদের উপর হামলা চালাতে আসা সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর দুটি কোয়াডকপ্টার ড্রোন অ্যান্টি-জ্যামার প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুজাহিদরা সফলভাবে ভূপাতিত করতে সক্ষম হন।

      এই অভিযানের পর পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্লজ্জভাবে সেনা সদস্যদের মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা গোপন করার চেষ্টা করে। এসময় মৃত ও আহত সেনা সদস্যদের সিএমএইচ-এ পাঠিয়ে দেয়।

      আইএমপি মুখপাত্র বিবৃতিতে আরও নিশ্চিত করেন যে, মুজাহিদদের দ্বারা পরিচালিত গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ কিংবা অ্যাম্বুশে কোনো বেসামরিক নাগরিক হতাহতের শিকার হননি। বরং অভিযানের সময় আতঙ্কিত পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের গুলিবর্ষণের ফলে কয়েকজন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।


      তথ্যসূত্র:
      https://tinyurl.com/2apzkyf6
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment

      Working...
      X