Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১১ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১১ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    পাঞ্জশির প্রদেশে মূল্যবান খনিজ পাথরের ৪২টি নতুন খনি আবিষ্কার করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া



    ​আফগানিস্তানের পাঞ্জশির প্রদেশে মূল্যবান পাথরের খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে নতুন সাফল্য অর্জন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। বিশেষ কারিগরি ও ভূতাত্ত্বিক জরিপের মাধ্যমে প্রদেশটির বিভিন্ন এলাকায় টুরমালিন, সবুজ গার্নেট ও পান্নার মোট ৪২টি নতুন খনি আবিষ্কার ও নিবন্ধিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর এসব খনি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হবে।

    পাঞ্জশির প্রদেশের পেট্রোলিয়াম ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাদেশিক দপ্তরের প্রধান মৌলভী মোহাম্মদ কাসিম আমিরি হাফিযাহুল্লাহ রবিবার, ২৬ জুলাই জানান, আনাবা ও হিসা-ই-আওয়াল জেলায় টুরমালিনের দুটি নতুন খনি, আনাবা জেলায় সবুজ গার্নেটের ১২টি খনি এবং হিসা-ই-আওয়াল ও পারিয়ান জেলায় পান্নার ২৮টি নতুন খনি আবিষ্কার ও নিবন্ধিত হয়েছে।

    তিনি বলেন, পাঞ্জশিরের পেট্রোলিয়াম ও খনিজ দপ্তরের প্রকৌশলী দল ও খনিজ বিশেষজ্ঞদের বিশেষ জরিপ ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের ফলেই এসব নতুন খনি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। দপ্তরের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের পরিচালক হাফিজ নকিবুল্লাহ সুলতানি জানান, কারিগরি ও ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সম্পন্ন করার পর বিশেষজ্ঞ দল এসব খনির অবস্থান নির্ধারণ ও নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে খনি উত্তোলনের অনুমোদন ও লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনগত সব ধাপ শেষ হলে অদূর ভবিষ্যতে এসব খনি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খনিজ উত্তোলন শুরু হবে।

    অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এসব খনি থেকে উত্তোলন শুরু হলে পাঞ্জশির প্রদেশে খনিজ খাতে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় বহু মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাঞ্জশির প্রদেশ আফগানিস্তানের মূল্যবান ও অর্ধমূল্যবান পাথরের অন্যতম সমৃদ্ধ অঞ্চল। বর্তমানে এখান থেকে পান্না, টুরমালিন, সবুজ গার্নেট ও ফিরোজা উত্তোলন করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন নতুন খনি জরিপ, আবিষ্কার ও নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রদেশটির খনিজ কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।


    তথ্যসূত্র
    1. پنجشېر کې د ۴۲ نویو تورمالین، ګرین ګارنټ او زمرد کانونو کشف
    https://tinyurl.com/46cecrd4
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পাকিস্তানের বান্নুতে ১০ দিন ধরে চলছে সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী এবং প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি লড়াই: হতাহত শতাধিক সন্ত্রাসী সেনা



    পাকিস্তানের বান্নু জেলায় সম্প্রতি নিরাপত্তার অযুহাতে সামরিক আগ্রাসন শুরু করেছে দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী। এসময় সেনা সদস্যরা অনেক নিরপরাধ বন্দী ও এলাকাবাসীকে শহীদ করছে। সেই সাথে সেনা সদস্যরা মানুষের ঘরে ঢুকে তল্লাশির নামে মূল্যবান সম্পদ চুরি করছে।

    আঞ্চলিক গণমাধ্যম সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের বান্নুতে গত ১০ দিন ধরে অভিযানের নামে দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী নিপীড়নের এক নতুন অধ্যায় খুলেছে। নিপীড়িত মানুষের বাড়িতে ঢুকে তাদের সম্পত্তি ধ্বংস করা হচ্ছে। অনেক নিপীড়িত ও নিরপরাধ বন্দীকে জেল থেকে বের করে এনে সন্ত্রাসী তকমা দিয়ে শহীদ করা হয়েছে। নিরপরাধ ও ধার্মিক মুসলিমদের বাড়িগুলোতে অভিযান চালিয়ে তাদের ঘর থেকে সোনা ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর অভিযোগ করা হচ্ছে যে, তারা প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সহায়তাকারী ছিল।

    আর নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর যেনো জনগণের কাছে পৌঁছাতে না পারে, সেজন্য জেলাটির সব ধরনের যোগাযোগ সংকেত জ্যাম করে দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সাথে চলমান সংঘর্ষে দেশটির সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর অবস্থা এমন যে, তারা মাত্র ২০ জন মুজাহিদের মোকাবেলা করতে হাজার হাজার সেনা সদস্যের একটি বাহিনী নিয়ে আসে। কিন্তু তারপরেও ব্যর্থ হয় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের নিহত সদস্য ও ধ্বংসপ্রাপ্ত যানবাহন ফেলে রেখেই পালিয়ে যায়।

    এই ধারাবাহিকতায় বান্নুতে চলমান অভিযান চলাকালে, প্রতিরোধ যোদ্ধারা জেলাটির তালগি এলাকায় সন্ত্রাসী সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথ গাড়িবহরে অতর্কিত আক্রমণ চালান। মুজাহিদদের অতর্কিত এই আক্রমণের ফলে সন্ত্রাসী সেনা ও পুলিশ বাহিনীতে ব্যাপক হতাহত ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    এছাড়াও জেলার মেরিয়ান ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতেও প্রতিরোধ যোদ্ধা, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে তিন দিন ধরে রক্তক্ষয়ী লড়াই চলছে। ফলশ্রুতিতে বহু সংখ্যক সন্ত্রাসী সেনা ও পুলিশ সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে।

    এই যুদ্ধকালে আইএমপি সংশ্লিষ্ট প্রতিরোধ যোদ্ধারা মাইন দিয়ে সেনাবাহিনীর দুটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস করেছেন। ফলশ্রুতিতে সামরিক যান দুটি সম্পূর্ণরূপে আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায় এবং সেগুলোতে থাকা সন্ত্রাসী সেনা সদস্যরা নিহত হয়।

    এদিকে, জেলাটির তালগি ও হানিকালি এলাকায় গত ১০ দিনের লড়াইয়ে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে অন্তত ৩০ সন্ত্রাসী সেনা ও পুলিশ সদস্য হাতাহত হয়েছে। জেলার অন্যান্য এলাকাগুলোতেও আরও কয়েকগুণ বেশি সন্ত্রাসী সেনা ও পুলিশ সদস্য হাতাহত শিকার হয়েছে এবং ব্যাপক বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে। সামরিক বাহিনী কর্তৃক জেলার যোগাযোগ সংকেত জ্যাম করে দেওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এখনও পাওয়া যায়নি।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/3ptw98ef
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে কাউকে সুযোগ দেওয়া হবে না: বালখ প্রদেশের গভর্নর মৌলভী মুহাম্মদ ইসমাইল গজনভী হাফিযাহুল্লাহ


      ​আফগানিস্তানের বালখ প্রদেশের গভর্নর মৌলভী মুহাম্মদ ইসমাইল গজনভী হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকেই দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি বিরোধীদের সংঘাত ও অস্থিতিশীলতা পরিহার করে শান্তির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান।

      একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মৌলভী মুহাম্মদ ইসমাইল গজনভী হাফিযাহুল্লাহ বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, গত বিশ বছর ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পেয়েও তারা কোনো সফলতা অর্জন করতে পারেনি। তিনি বলেন, তাদের মোকাবিলা ও দমন করার অভিজ্ঞতা ইমারাতে ইসলামিয়ার রয়েছে এবং আফগানিস্তানের ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন কখনোই বাস্তবায়িত হবে না।

      তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা এখনো বিরোধিতার পথ বেছে নিয়েছে, তাদের বুঝিয়ে বলতে হবে যেন তারা দেশের জনগণের নিরাপত্তা বিপন্ন না করে এবং বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির মূল্যায়ন করে। তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তানের প্রয়োজন শান্তি ও সমৃদ্ধি, যুদ্ধ নয়। কারও কোনো সমস্যা থাকলে তিনি যেন আলোচনার মাধ্যমে তা উপস্থাপন করেন। এ ক্ষেত্রে ইমারাতে ইসলামিয়ার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

      বক্তব্যের শেষাংশে বালখের গভর্নর বলেন, ইসলামী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে অস্থিরতা সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নেই। দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা রক্ষায় ইমারাতে ইসলামিয়া দৃঢ় অবস্থানে থাকবে।


      তথ্যসূত্র
      1. Balkh Governor: We will not allow any group to threaten Afghanistan’s security
      https://tinyurl.com/396kwsd4
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সরবরাহ লাইন ও পদাতিক দলের উপর আইএমপি মুজাহিদদের সফল হামলা



        পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে দেশটির সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক কনভয় ও একটি পানি সরবরাহ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে ২টি অভিযান চালিয়েছে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি)।

        প্রতিরোধ বাহিনী আইএমপি মুখপাত্রের জারি করা এক বিবৃতি থেকে জানা যায়, মুজাহিদরা ২৫ জুলাই শনিবার, পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানের দাতা খেইল সীমান্তে একটি সফল অভিযান চালিয়েছেন। সীমান্ত অঞ্চলের স্পিন ওয়াম এলাকায় সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর পদাতিক দলকে টার্গেট করে একটি মাইন বিস্ফোরণের মাধ্যমে অভিযানটি চালানো হয়েছে। উক্ত মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর ২ সদস্য নিহত হয় এবং অপর ১ সৈন্য আহত হয়।

        এদিকে গত ২৩ জুলাই সকাল ১০টার দিকে মুজাহিদরা উত্তর ওয়াজিরিস্তানের গোলাম খান সীমান্তে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইসের বিস্ফোরণ ঘটান। এই বিস্ফোরণের মাধ্যমে সীমান্ত অঞ্চলের দো-ইগার এলাকায় অবস্থিত সন্ত্রাসী সেনা চৌকিগুলোর পানি সরবরাহ ব্যবস্থা দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন মুজাহিদগণ। বিস্ফোরণ শেষে মুজাহিদরা নিরাপদে নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে যেতে সক্ষম হন।


        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/mvh8xcn4
        https://tinyurl.com/daujs5kw
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কেনিয়ায় শত্রু সামরিক ঘাঁটি ও কনভয়ে আশ-শাবাব মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণ: হতাহত এক ডজনেরও বেশি সৈন্য





          কেনিয়ার ঔপনিবেশিক শাসনাধীন মান্দিরা রাজ্যে একটি সফল অভিযান চালিয়েছেন আশ-শাবাব মুজাহিদরা। কেনিয়ান সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটি ও সেনাদের সহায়তায় এগিয়ে আসা একটি কনভয় লক্ষ্য করে মুজাহিদরা এই অভিযানটি চালিয়েছেন।

          শাহাদাহ এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার ২৪শে জুলাই, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদরা কেনিয়ার মান্দিরা রাজ্যের লাফি জেলার শেখ ব্যারো এলাকায় একটি ভারী সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন। উক্ত এলাকায় অবস্থিত কেনিয়ান সেনাবাহিনীর একটি সামরিক ক্যাম্প লক্ষ্য করে মুজাহিদরা ভারী ও মাঝারি অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে তীব্র এই আক্রমণটি পরিচালনা করেন। এতে ক্যাম্পে অবস্থান নেওয়া কেনিয়ান সৈন্যরা ব্যাপক হতাহত ও ভারী বস্তুগত ক্ষতির শিকার হয়।

          এসময় ঘাঁটিতে বিপজ্জনক পরিস্থিতির শিকার সৈন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সাহায্যকারী দল অগ্রসর সামনে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। এসময় এই দলটির সেনাদের বহনকারী একটি গাড়ি মুজাহিদদের পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইনের উপর পড়লে মূহুর্তেই গাড়িটি উল্টে যায়। এসময় গাড়িতে আরোহী অন্তত ৫ কেনিয়ান সৈন্য নিহত এবং আরও অন্তত ৩ সৈন্য আহত হয়েছে।

          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            বুরকিনায় জেএনআইএম-এর ধারাবাহিক আক্রমণে অন্তত ৩৮ জান্তা সদস্য নিহত: ৯টি সামরিক ঘাঁটি বিজয়



            পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) এর সামরিক অপারেশন অব্যহত রয়েছে। গত ১৯শে জুলাই থেকে ২৩শে জুলাই পর্যন্ত দলটির প্রতিরোধ যোদ্ধারা দেশটিতে জান্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে অন্তত ১৫টি সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন।

            আঞ্চলিক সংবাদ প্রচার চ্যানেল আয-যাল্লাকা রিপোর্ট অনুযায়ী, জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা উক্ত ধারাবাহিক অভিযানগুলো বুরকিনা ফাসোর ৯টি রাজ্যের ১৩টি শহরে পরিচালনা করেছেন। এরমধ্যে প্রতিরোধ যোদ্ধারা সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪টি অভিযান চালিয়েছেন ফাদানগোরমা রাজ্যে এবং ২টি করে মোট ৬টি অভিযান চালানো হয়েছে উয়াহিগুয়া, তেনকোডোগো ও গাওয়া রাজ্যে। এছাড়া বাকি ৫টি অভিযান চালানো হয়েছে বুরকিনা ফাসোর কায়া, বাম, লোরুম, গাওয়া এবং দেদুগু রাজ্যে।

            জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা এসকল অভিযানের মাধ্যমে ৬টি সামরিক চৌকি এবং ৩টি সামরিক ব্যারাকের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছেন। এসময় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ৭টি তীব্র আক্রমণে জান্তা বাহিনীর অন্তত ৩৮ সৈন্য নিহত হয়েছে এবং আরও অসংখ্য সৈন্য আহত হয়েছে। মুজাহিদদের অন্য ৬টি অভিযানেও অসংখ্য শত্রু সৈন্য হতাহতের শিকার হয়েছে। এসকল অভিযান শেষে প্রতিরোধ যোদ্ধারা বেশ কিছু মোটরসাইকেল, অসংখ্য ক্লাশিনকোভ, মেশিনগান, আরপিজি, রকেট লঞ্চার, ম্যাগাজিন, বুলেট বাক্স, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X