Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৬ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৬ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের হযরত আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করলেন ১১৯ জন সেনা সদস্য




    চার মাসব্যাপী বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১১৯ জন সেনা সদস্য সাফল্যের সঙ্গে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের যুদ্ধক্ষেত্রের দক্ষতার পাশাপাশি আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম করে তোলা হয়েছে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ইউনিট ও বিভিন্ন মাঠ পর্যায়ের ব্যাটালিয়নের এসব সদস্য হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ(রা.) যৌথ যুদ্ধ প্রশিক্ষণ কমান্ডে চার মাসের নিবিড় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ডি-৩০ হাউইটজার কামান পরিচালনা ও ব্যবহার বিষয়ে ব্যবহারিক অনুশীলনও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে ইমারাতে ইসলামিয়ার সামরিক কর্মকর্তারা নতুন সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, যুদ্ধকৌশলের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা অর্জনের ওপরও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ভবিষ্যতের যেকোনো দায়িত্ব পালনে এসব দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, সশস্ত্র বাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই ধারাবাহিক উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে পারদর্শী একটি প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।


    তথ্যসূত্র
    1. Afghanistan has announced the graduation of 119 servicemen from its central units and field battalions.
    https://tinyurl.com/5nf8f7an
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মালি || রুশ ও জান্তার সামরিক কনভয়ে জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ৫ অভিযান: হতাহত কয়েক ডজন শত্রু সৈন্য



    মধ্য মালি থেকে শুরু করে দেশটির উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল, সর্বত্র দখলদার রাশিয়ান বাহিনী এবং তাদের মিত্র জান্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে প্রতিনিয়ত হামলা চালিয়ে যাচ্ছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা। এতে ভারী হতাহতের পাশাপাশি ব্যাপক বস্তুগত ক্ষতির শিকার হচ্ছে মালির জান্তা এবং রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পস বাহিনী।

    আঞ্চলিক সংবাদ মাধ্যম আয-যাল্লাকা মিডিয়া কর্তৃক গত ২৯শে জুলাই প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা গত ২৬ ও ২৭শে জুলাই, মধ্য মালির সেগু এবং উত্তরের টিম্বুকটো রাজ্যে অন্তত টটি পৃথক সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন।

    এই ধারাবাহিকতায় জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা গত ২৬শে জুলাই রবিবার সন্ধ্যায়, টিম্বুকটু রাজ্যের টঙ্কা ও নিয়াফুঙ্কে শহরের মধ্যবর্তী এলাকায় মালিয়ান সেনাবাহিনী এবং মিত্র রুশ সৈন্যদলের একটি সামরিক কনভয়ে আক্রমণ চালান। এতে শত্রু সৈন্যদের বহনকারী রুশ বাহিনীর একটি সামরিক ট্রাক ধ্বংস হয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে লক্ষ্যবস্তু ট্রাকে থাকা ৩ সৈন্য নিহত এবং আরও ৪ সৈন্য আহত হয়।

    একইদিন মধ্য মালির সেগু রাজ্যের নিয়োনো শহরের নিকটবর্তী একটি গ্রামে ভারী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শহরের উত্তরে হাজি উইরি গ্রামে রুশ সৈন্যরা অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। ফলে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ভারী সংঘর্ষ শুরু হয় এবং কয়েক ঘন্টা ধরে চলতে থাকে।

    আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে, এই সংঘর্ষের সময় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে রুশ সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রুশ সেনাদের মৃতদেহগুলো টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ছবি ছড়িয়ে পড়ে। এসময় পাকা রাস্তায় এবং সড়কের দু’ধারে হাতাহত রুশ সৈন্যদের রক্তের দাগ এবং রক্তভেজা সামরিক পোশাকের বিভিন্ন অংশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেই সাথে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হামলায় ধ্বংস হওয়া রুশ বাহিনীর কয়েকটি মোটরসাইকেলও রাস্তার পাশের জলাশয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। আর অভিযানে রুশ সৈন্যদের থেকে জব্দকৃত ৫টি মোটরসাইকেলও মুজাহিদরা গনিমত হিসাবে অর্জন করেন।

    একই সন্ধ্যায় সেগু রাজ্যের জাবলে শহরে একটি অতর্কিত আক্রমণ চালান প্রতিরোধ যোদ্ধারা। শহরের দক্ষিণে গোনান্দো গ্রামের কাছে শত্রু বাহিনীর একটি অবস্থান লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা অতর্কিত এই আক্রমণটি চালান। ফলশ্রুতিতে বহু সংখ্যক শত্রু সৈন্য হতাহতের শিকার হয়।

    এদিকে গত ২৭শে জুলাই সোমবার বিকালে, মালির উত্তরাঞ্চলীয় টিম্বুকটো রাজ্যে জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা ২টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানগুলো রাজ্যের গোসি এবং হোমবোরির মধ্যবর্তী এলাকায় জান্তা ও তাদের মিত্র রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে চালানো হয়েছে। এতে শত্রু বাহিনীর একাধিক সামরিক যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বহু সংখ্যক সৈন্য হতাহতের শিকার হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/38nxu4ft
    https://tinyurl.com/4na6584s
    https://tinyurl.com/49jfhdmx
    https://tinyurl.com/z9bausha
    https://tinyurl.com/5awwhy4c
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      মধ্য মালি থেকে গাও অভিমুখী জান্তা ও রুশ বাহিনীর বিশাল কনভয়ে জেএনআইএম-এর ১৪টি হামলা: ১৯টি সামরিক যান ধ্বংস



      সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম), গত ১৯শে জুলাই থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে, মোপ্তি রাজ্যের সেভারে থেকে গাও-এর দিকে অগ্রসরমান একটি কনভয়ে ১১টি হামলা চালিয়েছেন। মালির জান্তা বাহিনী এবং রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পসের উক্ত কনভয়টি টার্গেট করে পথে পথে প্রতিরোধ যোদ্ধারা হাতে তৈরি বিস্ফোরক, গাইডেড মিসাইল এবং মর্টার ব্যবহার করে হামলাগুলো চালিয়েছেন। এতে শত্রু বাহিনীর ১৯টি সামরিক যানবাহন এবং কয়েক ডজন মোটরসাইকেল ধ্বংস হয়েছে। সেই সাথে অসংখ্য রুশ ও জান্তা সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে।

      আঞ্চলিক সংবাদ প্রচার চ্যানেল আয-যাল্লাকার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধাদের একাধিক অভিযানে শত্রু কনভয়টির অন্তত ১৯টি যুদ্ধযান, ট্রাক ও সামরিক যানবাহন ধ্বংস হয়েছে। এছাড়াও মালির সেনাবাহিনী (জান্তা) ও রুশ মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

      শত্রুর যৌথ সামরিক কনভয়টি লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই অভিযানটি শুরু হয় গত ১৯শে জুলাই। এদিন প্রতিরোধ যোদ্ধারা দৌয়েন্তজা ও বোনি-র মধ্যবর্তী সড়কে কনভয়টি লক্ষ্য পরপর পাঁচটি অভিযান চালান। এতে কনভয়টির সাথে যুক্ত শত্রু বাহিনীর একটি সামরিক যান, একটি ট্রাক ও বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়; এরপর প্রতিরোধ যোদ্ধারা ২০শে জুলাই, কনভয়টি লক্ষ্য করে দালা গ্রামের কাছে দুটি বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণ ঘটান এবং সবশেষে বুসুমার কাছে একই কনভয়ের ওপর ৭তম হামলা চালান।

      এমনিভাবে ২১শে জুলাই, মালিয়ান সেনাবাহিনীর এই কনভয়টি লক্ষ্য করে কোয়াকুরু এবং জেনে এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে একটি ভারী অতর্কিত আক্রমণ চালান প্রতিরোধ যোদ্ধারা। ফলশ্রুতিতে গাও-এর দিকে অগ্রসরমান এই বিশাল গাড়িবহরটির মোটরসাইকেল ও ট্রাকসহ প্রায় ১০টি যানবাহন ধ্বংস হয়েছে।

      ২২শে জুলাই, জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা সেম্বে এবং হোমবোরির মধ্যে হাতে তৈরি কয়েকটি বিস্ফোরক ডিভাইস দিয়ে কনভয়টিকে লক্ষ্যবস্তু করেন। এতে তিনটি সামরিক যান ধ্বংস ও বেশ কিছু মালিয়ান জান্তা সৈন্য এবং রুশ ভাড়াটে সৈন্য নিহত হয়।

      ২৫শে জুলাই হম্বুরির পূর্বে এবং ওয়ামের কাছে দুটি পৃথক অভিযানের মাধ্যমে কনভয়টির উপর প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হামলা অব্যাহত ছিল। এতে শত্রু বাহিনীর একটি সামরিক যান সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়। এসময় যানটির সকল শত্রু সৈন্য নিহত ও তাদের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।

      ২৬শে জুলাই, কনভয়টি যখন টিনি এবং ওয়ানের মধ্যবর্তি এলাকায় পৌঁছায় তখন আরও একটি সামরিক ট্রাককে প্রতিরোধ যোদ্ধারা আইইডি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। এতে শত্রু ট্রাকটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং তাদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটে। একই দিন, প্রতিরোধ যোদ্ধারা হোমবুরি এবং ওয়ামের মধ্যবর্তি এলাকায় অবিরাম মর্টার শেল বর্ষণের মাধ্যমে কনভয়টিতে গোলাবর্ষণ করেন। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই বোমা বর্ষণে শত্রুর ১টি সামরিক ট্রাক ধ্বংস হয়।

      এদিন রাতে কনভয়টি লক্ষ্য করে ওয়ামি এলাকায়, জেএনআইএম মুজাহিদরা একটি এফপিভি ড্রোন দ্বারা হামলা চালান। এতে শত্রু বাহিনীর আরও একটি সামরিক যান ধ্বংস হয় এবং বাহিনীতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

      মধ্য মালির মোপ্তি রাজ্যের সেভারে থেকে গাও এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার পর থেকে, কনভয়টি প্রতিটি পদক্ষেপেই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বিস্ফোরণ আর অতর্কিত আক্রমণের শিকার হচ্ছে। ফলে জান্তা ও রুশ বাহিনীর এই কনভয়টির জন্য গাওর পথ দীর্ঘ হয়ে উঠেছে। এছাড়া পিছনে ফিরে যাওয়ার পথগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, কেননা পথের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেতু এবং রাস্তা প্রতিরোধ যোদ্ধারা ধ্বংস করে দিয়েছেন।

      এই অভিযানগুলো সেভারে ও গাও-কে সংযোগকারী কৌশলগত অক্ষ বরাবর জেএনআইএম মুজাহিদদের ক্রমবর্ধমান আক্রমণের গতিকে প্রতিফলিত করে, যেখানে সামরিক কনভয়গুলোকে দুর্বল করতে এবং তাদের চলাচল ব্যাহত করার জন্য হাতে তৈরি বিস্ফোরক যন্ত্র ও পরোক্ষ গোলাবর্ষণ ব্যবহার করা হচ্ছে।
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        কাবুলের আন্তর্জাতিক আইসিটি মেলা: অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত



        বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনসেবার আধুনিকায়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। যে রাষ্ট্রগুলো টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায়, তারা তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। প্রযুক্তির বিকাশ যত দ্রুত হয়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তত গতিশীল হয় এবং জনগণের জন্য সেবা প্রদান তত সহজ ও কার্যকর হয়ে ওঠে।

        এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে কাবুলে পাঁচ দিনব্যাপী টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় দুই শতাধিক স্টলে দেশীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রযুক্তিপণ্য, উদ্ভাবন ও সেবা উপস্থাপন করেছে। এ ধরনের আয়োজন শুধু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা তুলে ধরার ক্ষেত্রই নয়, বরং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশের জন্যও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

        প্রযুক্তির বিস্তার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। সরকারি ও বেসরকারি সেবা ডিজিটাল হলে সময় ও ব্যয়ের সাশ্রয় হয়, প্রশাসনিক জটিলতা কমে এবং সেবার গতি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়। তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণকে আরও সহজ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী করে তোলে।

        একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের জন্যও প্রযুক্তি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। ডিজিটাল বিপণন, ই-কমার্স এবং আধুনিক তথ্যব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবসার পরিধি বিস্তৃত করা, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি দক্ষতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয়।

        তথ্যপ্রযুক্তি খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। সফটওয়্যার উন্নয়ন, টেলিযোগাযোগ, ডিজিটাল সেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন পেশায় দক্ষ জনশক্তির চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের তরুণরা শুধু অভ্যন্তরীণ বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিজেদের সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারেন। ফলে এই খাত বেকারত্ব হ্রাস এবং মানবসম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

        অন্যদিকে প্রযুক্তি খাতের বিকাশ বিনিয়োগ সম্প্রসারণেরও বড় সুযোগ সৃষ্টি করে। টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট অবকাঠামো, সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সেবায় বিনিয়োগ বাড়লে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

        সরকারি সেবার ডিজিটাল রূপান্তরও উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা চালু হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ, দ্রুত ও জবাবদিহিমূলক হয়। এতে জনগণের ভোগান্তি কমে এবং রাষ্ট্রীয় সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়।

        ইমারাতে ইসলামিয়া ক্ষমতায় আসার পর থেকে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। সরকারি সেবার ডিজিটাল রূপান্তর, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তোলা, দেশব্যাপী টেলিযোগাযোগ সেবা সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তি খাতে দেশীয় বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে ধারাবাহিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাবুলে আয়োজিত প্রথম টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আফগানিস্তানকে আঞ্চলিক তথ্য ও যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইমারাতে ইসলামিয়ার অঙ্গীকারকে আরও সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।


        তথ্যসূত্র
        1. Technology Expo in Kabul and the Development of Economic Opportunities
        https://tinyurl.com/y5463m83
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X