Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২৪ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৮ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী ||

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২৪ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৮ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী ||

    ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইসলামী মূল্যবোধ ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয়ে গড়ে তুলতে আমীরুল মু’মিনীন হাফিযাহুল্লাহর বিশেষ আহ্বান


    দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইসলামী মূল্যবোধ ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয়ে গড়ে তুলতে শিক্ষা খাতের দায়িত্বশীলদের আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার সর্বোচ্চ নেতা আমীরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদিস মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি মানসম্মত ও সমন্বিত শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে এ আহ্বান জানান।

    বৈঠকে আমীরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদিস মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ বলেন, আলেমরা দ্বীনের মর্যাদা রক্ষা, সমাজ সংস্কার ও জনগণকে ধর্মীয় দিকনির্দেশনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন এবং তাদের উচিত সমাজের সেবায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা প্রদানে ঔবিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।”

    আমীরুল মু’মিনীন হাফিযাহুল্লাহ আরও বলেন, “ ইসলামী শিক্ষা হলো জাতির মেরুদণ্ড। আমাদের উচিত এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা যা ইসলামী মূল্যবোধ ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয় ঘটায়।” তিনি কর্মকর্তাদের তাদের দায়িত্বে অবহেলা এড়িয়ে চলতে এবং ইসলামী ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ ও টেকসই উন্নয়নে সচেষ্ট থাকতে আহ্বান জানান।

    আমীরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদিস মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহর এই নির্দেশনা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগুলোতে ইসলামী শিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয় ঘটানোর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষিত ও নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।


    তথ্যসূত্র
    1. The Islamic Emirate’s leadership, in a meeting with officials from the Ministry of Higher Education

    https://tinyurl.com/8dt38upk
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    যুদ্ধ বন্ধে নাইজার রাষ্ট্রপ্রধানকে জেএনআইএম-এর শর্ত: মানব রচিত সংবিধান ছেড়ে শরিয়াহ্ প্রতিষ্ঠা করুন



    ​পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের জান্তা বাহিনীর গঠিত রাষ্ট্রপ্রধান আব্দুর রহমান তিয়ানির এক সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়ায় প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএম একটি ভিডিও বক্তব্য প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে উপস্থিত জেএনআইএম কমান্ডার শেখ আলবানি আল-আনসারি হাফিযাহুল্লাহ জান্তা প্রধান তিয়ানির সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়ায় বলেন:

    আমি আপনার সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারটি শুনেছি, যেখানে আপনি দাবি করেছেন যে, প্রতিরোধ যোদ্ধাদের উচিত নয় আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। শুধুমাত্র এই অজুহাতে যে আপনি একজন মুসলিম এবং এখানকার সিংহভাগ মানুষ মুসলিম।

    এখন আমার এই বার্তাটির উদ্দেশ্য হলো: মহান রব্বুল আলামীন কর্তৃক একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলাম, যাকে আপনি নিজের ধর্ম বলে দাবি করেন, সেই ধর্মের ঐসমস্ত বিধানগুলো তুলে ধরা, যা আপনি ও আপনার দ্বারা চালিত হুকুমতে পরিত্যক্ত। যদি আপনি ইসলামের এই বিধানগুলো আপনার শাসনের কেন্দ্রে পুনঃস্থাপন করেন, তাহলে জেএনআইএম আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করে দিবে।

    যদি আপনি মানব রচিত সংবিধান পরিত্যাগ করে কেবল শরিয়াহ অনুসারে শাসন করেন, তাহলে আপনার বিরুদ্ধে আমাদেরকে যুদ্ধ করতে উদ্বুদ্ধ করার মৌলিক কারণগুলো নির্মূল হয়ে যাবে। আপনি যদি সত্যিই এই যুদ্ধে বন্দুকের নল আপনার দিক থেকে ঘুরিয়ে দিতে চান, তাহলে ইসলামি শরিয়াহ্’র আইনগুলো প্রয়োগ করুন। আর তাতেই আমাদের মধ্যকার এই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে, অন্যথায় যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।

    অন্যদিকে, আপনি (তিয়ানি) দাবি করেন যে আমরা (মুজাহিদিন) ফ্রান্সের মিত্র। অথচ আমরা গতকালও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, যখন সে আপনার প্রকাশ্য মিত্র ছিলো। আজও আমরা তার বিরুদ্ধে লড়াই করছি এবং আগামীকালও তার বিরুদ্ধে লড়াই করব। আর আপনি খুব ভালোভাবে জানেন যে ফ্রান্স আমাদের শত্রু।

    হে আব্দুর রহমান তিয়ানি! বাস্তবে, আপনিই ফ্রান্সের মিত্র, আপনি যে মুদ্রা ব্যবহার করেন তা ফরাসি ব্যবস্থা থেকে আসে, আপনি যে ভাষায় কথা বলেন তাও ফরাসি, আপনার পতাকা ফ্রান্স দ্বারা নকশিত, আপনার শিক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রশাসন ফরাসি ভাষায় চলে। এমনকি আপনার জাতীয় নীতিবাক্য (National Motto) ফ্রান্স দ্বারা নির্ধারিত।


    তথ্যসূত্র:
    https://x.com/i/status/2085105413905641955
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      বুরকিনান জান্তা বাহিনীর ১২টি সামরিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে জেএনআইএম



      আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা সম্প্রতি বুরকিনা ফাসোর জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ১৪টি সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন। এসময় প্রতিরোধ যোদ্ধারা জান্তা বাহিনীর ১২টি সামরিক ঘাঁটি ও চৌকির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানা গেছে।

      প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএম ঘোষণা করেছে যে, দলটির প্রতিরোধ যোদ্ধারা গত ৫ আগস্ট বুধবার, বুরকিনা ফাসোর সেনো এবং সৌম প্রদেশে ৫টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। এই অভিযানগুলোর সময় জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা সৌম প্রদেশের জিবো শহরের উত্তরে বুরকিনান জান্তা বাহিনীর ৪ সামরিক পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নেন। এমনিভাবে সেনো প্রদেশের গর্গাডজি-তে বুর্কিনান বাহিনীর একটি সামরিক চৌকিরও নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হন প্রতিরোধ যোদ্ধারা।

      জেএনআইএম ঘোষণা করেছে যে, প্রতিরোধ যোদ্ধারা গত ৪ আগস্ট সন্ধ্যায়, কায়া প্রদেশের দারজা গ্রামে অবস্থিত জান্তার একটি অবস্থান লক্ষ্য করে অতর্কিত আক্রমণ চালান। এসময় জান্তা বাহিনীতে ভারী হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং সামরিক অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়।

      এদিন বুরকিনা ফাসোর বাম প্রদেশের বিটো এলাকা এবং কায়া প্রদেশের মারাঙ্গারি এলাকায় অবস্থিত জান্তা বাহিনীর ২টি অবস্থানে ভারী আক্রমণ চালান জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা। এতে জান্তা বাহিনীতে ব্যাপক হাতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটলে তারা সামরিক ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। পরে প্রতিরোধ যোদ্ধারা উভয় সামরিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং ঘটনাস্থল থেকে ভারী মেশিনগানসহ অন্যান্য বহু সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেন।

      এর আগে গত ৩রা আগস্ট সকালে, জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা বুরকিনা ফাসোর বাম প্রদেশের দার আল-বাইত এলাকায় ২টি অভিযান চালান। জান্তা সমর্থিত মিলিশিয়াদের দুটি সামরিক চৌকি লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা এই অভিযানগুলো পরিচালনা করেন। এতে মিলিশিয়া বাহিনীতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটলে তারা সামরিক অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিরোধ যোদ্ধারা সামরিক অবস্থানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেন।

      এদিন প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জেএনআইএম ঘোষণা করেছে যে, প্রতিরোধ যোদ্ধারা গত ৩০শে জুলাই বুর্কিনান জান্তা বাহিনীর তিনটি সামরিক অবস্থান এবং গভর্নমেন্ট মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে ৫টি সফল অভিযান চালিয়েছেন। অভিযানগুলো কায়া প্রদেশের তিয়ু, ইয়াতেঙ্গা প্রদেশের গামিরুল এবং উয়াহিগুয়া প্রদেশের ইয়াবুসগোতে চালানো হয়েছে। এসময় প্রতিরোধ যোদ্ধারা ৩টি সামরিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হন এবং অনেক জান্তা ও মিলিশিয়া সদস্যকে নিষ্ক্রিয় করেন। এই অভিযানগুলোর সময় প্রতিরোধ যোদ্ধারা কয়েকটি ভারী মেশিনগান, ক্লাশিনকোভ, আরপিজি, রকেট লঞ্চার, মোটরসাইকেল এবং অন্যান্য সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেন।
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মালিতে জান্তা ও রুশ বাহিনীর ৫টি কনভয়ে প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএম-এর সফল অভিযান



        পশ্চিম আফ্রিকা ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএম, সম্প্রতি মালির জান্তা বাহিনী এবং তাদের মিত্র রাশিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছেন। এই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ৪ আগস্ট থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত মালির ৩টি অঞ্চলে জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা ৫টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন।

        জেএনআইএম ঘোষণা করেছে যে, তারা গত বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট সকালে, সেগু রাজ্যের সান এবং জেনে-র মধ্যবর্তী এলাকায় একটি সফল অভিযান চালিয়েছেন। অভিযানটি জান্তা ও রুশ বাহিনীর একটি সরবরাহ একটি ট্যাঙ্কার ট্রাককে লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণের মাধ্যমে চালানো হয়েছে।

        জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা ৫ আগস্ট বুধবার মধ্য মালির মোপ্তি রাজ্যে ২টি অভিযান চালিয়েছেন। এরমধ্যে সন্ধ্যায় রাজ্যের বোরি এবং ডুয়েন্তজার মধ্যবর্তী এলাকায় দুটি বিস্ফোরক ডিভাইস ব্যবহার করে জান্তা এবং আফ্রিকান কর্পসের একটি কনভয়কে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। একই এলাকায় মধ্য রাতে শত্রু বাহিনীর উক্ত কনভয়টিকে টার্গেট করে আরও একবার দুটি আইইডি বিস্ফোরণ ঘটান প্রতিরোধ যোদ্ধারা।

        এদিকে গত ৪ আগস্ট সকালে, জান্তা এবং আফ্রিকা কর্পসের সদস্যরা সাথে গাও রাজ্যের বুরেম শহর থেকে তাঙ্গারা গ্রামের দিকে অগ্রসর হয়। এসময় তারা এলাকায় লুণ্ঠন, ধ্বংসযজ্ঞ এবং সিভিলিয়ানদের বিরুদ্ধে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে বিষয়টি জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবগত করা হলে তাঁরা দ্রুত পদক্ষেপ নেন এবং শত্রু কনভয়টি লক্ষ্য করে অতর্কিত আক্রমণ চালানো শুরু করেন। এসময় প্রতিরোধ যোদ্ধারা আক্রমণের পাশাপাশি একাধিক বিস্ফোরক ডিভাইসের বিস্ফোরণ ঘটান। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই পাল্টা আক্রমণে ব্যাপক হতাহতের শিকার হয় জান্তা ও রুশ সৈন্যরা, এবং কয়েকটি সামরিক যানবাহন ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের পাল্টা আক্রমণে বিপুল এই ক্ষয়ক্ষতির পর শত্রুরা উক্ত এলাকা থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

        উল্লেখ্য যে, মালির জান্তা বাহিনী তাদের মিত্র রুশ ভাড়াটে সৈন্যদের নিয়ে মালিতে বিভিন্ন গণহত্যা চালিয়ে আসছে। আর তাদের এসব গণহত্যার জবাবে, প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছেন, ফলে রুশ বাহিনী স্থলভাগের যুদ্ধে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে।
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X