Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২৫ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৯ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী ||

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২৫ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৯ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী ||

    মাত্র পাঁচ বছরে বদলে গেছে আফগানিস্তান, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে ইমারাতে ইসলামিয়ার অগ্রযাত্রা



    আফগানিস্তানে ইমারাতে ইসলামিয়ার ক্ষমতায় ফেরার প্রায় পাঁচ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। দীর্ঘ সংঘাতের পর এই সময়ে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে শরিয়াহভিত্তিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কূটনৈতিক প্রতিবন্ধকতা, অর্থনৈতিক সংকট ও বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর প্রত্যাবর্তনের মতো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেও এখন নতুন সম্ভাবনা ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়া।

    ইমারাতে ইসলামিয়ার মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ টোলো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গত পাঁচ বছরের অগ্রগতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, দেশজুড়ে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা ইমারাতে ইসলামিয়ার অন্যতম বড় অর্জন। একই সঙ্গে দেশের আইন ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলো শরিয়াহর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার কাজও এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া গত পাঁচ বছরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। দেশজুড়ে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং শরিয়াহ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ছিল আফগান জনগণের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা। ইমারাতে ইসলামিয়ার গত পাঁচ বছরের শাসনে সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবে রূপ পেয়েছে।

    গত পাঁচ বছরে আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রনীতিতেও নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। কাবুল বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইমারাতে ইসলামিয়ার মুখপাত্র জানান, বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং ভবিষ্যতে এসব সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে।

    কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ফলে আফগানিস্তানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হচ্ছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে আফগান জনগণের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। অর্থনীতিকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতির আওতায় প্রতিবেশী, আঞ্চলিক ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রক্রিয়াও ক্রমেই জোরদার হচ্ছে।

    পাঁচ বছরের এই যাত্রায় ইমারাতে ইসলামিয়া প্রমাণ করেছে যে, তারা একটি স্থিতিশীল, নিরাপদ ও শরিয়াভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সক্ষম। নিরাপত্তা ও শরিয়াভিত্তিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আফগান জনগণের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক মন্দা এবং সর্বত্র যুদ্ধ-সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার মত বৈশ্বিক এই অস্থিতিশীল সময়ে ইমারতে ইসলামিয়া শরিয়াহ আইন দ্বারা শাসন করে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত ও বহু জাতি বহু ভাষায় বিভক্ত একটি জনপদকে ক্রমান্বয়ে আখিরাতের সফলতার সাথে সাথে দুনিয়াবি সফলতারও শিখরে নিয়ে যাচ্ছে যা প্রমাণ করে ইসলামী শরিয়াহ এবং এর ধারকবাহক আল্লাহ্‌ভীরু মুসলিমগণই বিশ্বকে নেতৃত্বদানের মাধ্যমে প্রকৃত শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার পথ দেখাতে সক্ষম।


    তথ্যসূত্র
    1. Islamic Emirate Marks Five Years: Achievements and Challenges
    https://tinyurl.com/2k6f4py2
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইমারাতে ইসলামিয়ার হেরাতে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ডলারের বৃহৎ সিমেন্ট কারখানা নির্মাণ শুরু: ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ


    দেশীয় শিল্প খাতকে শক্তিশালী এবং নির্মাণসামগ্রীর উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এরই অংশ হিসেবে
    আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিনিয়োগে একটি বৃহৎ সিমেন্ট উৎপাদন কারখানা নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে। এটি দেশের শিল্প খাতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা আফগানিস্তানকে সিমেন্ট উৎপাদনে আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    ইমারাতে ইসলামিয়ার পেট্রোলিয়াম ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুমায়ুন আফগান জানান, প্রকল্পটির জন্য একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্প বাস্তবায়নে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সিমেন্ট উত্তোলন ও উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। উৎপাদন শুরু হলে এর দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা হবে প্রায় ৩ হাজার টন সিমেন্ট।

    প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বিশাল প্রভাব ফেলবে। দীর্ঘদিন ধরে হেরাতের জনগণ সিমেন্ট খাতের এই উন্নয়নের অপেক্ষায় ছিল। হেরাত শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে জিন্দাজান জেলায় অবস্থিত এই কারখানা আফগানিস্তানের অন্যতম বৃহৎ শিল্প উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নানামুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। হেরাতের এই সিমেন্ট কারখানা শুধু সিমেন্টের চাহিদা পূরণ করবে না, বরং আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশকে অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র
    1. Construction of a Large Cement Production Factory in Herat Begins
    https://tinyurl.com/4xk7897b
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      পাকিস্তান থেকে চোরাচালানকৃত বিপুল অস্ত্র জব্দ করল ইমারাতে ইসলামিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী



      আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে ইমারাতে ইসলামিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী একটি সফল অভিযানে পাকিস্তান থেকে চোরাচালানের সময় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব অস্ত্র নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আফগানিস্তানে পাঠানো হয়েছিল।

      প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২০১তম খালিদ বিন ওয়ালিদ কোরের গোয়েন্দা ও অনুসন্ধানী ইউনিটের সদস্যরা পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসব অভিযানে অস্ত্রের চালানটি শনাক্ত ও জব্দ করা হয়।
      জব্দ করা অস্ত্রের মধ্যে মেশিনগান, কালাশনিকভ, এম১৬ রাইফেল, পিস্তল, মর্টার, আরপিজি ও দ্রাগুনভ রাইফেল রয়েছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ গুলি এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।

      ইমারাতে ইসলামিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় একের পর এক অস্ত্র জব্দের ঘটনা ঘটছে। এসকল ধারাবাহিক ঘটনা প্রমাণ করে যে, আফগানিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তার উদ্দেশ্যে সীমান্তপথে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ করানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এসব ঘটনা আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পাকিস্তানের ধারাবাহিক হস্তক্ষেপের আরেকটি প্রমাণ।

      সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও জননিরাপত্তার বিরুদ্ধে পরিচালিত যেকোনো ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। সেই সাথে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান রোধে ইমারাতে ইসলামিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে।


      তথ্যসূত্র
      1. Afghan forces confiscated 74 smuggled weapons from Pakistan
      https://tinyurl.com/rsynnwss
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কেনিয়ার অভ্যন্তরে শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে আশ-শাবাব মুজাহিদিনের ৯০টিরও বেশি সফল অভিযান



        সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী আশ-শাবাব যোদ্ধারা কেনিয়ার অভ্যন্তরে তাদের কার্যক্রম জোরদার করেছেন। কেনিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছে যে, তারা বর্ধিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এমনকি আশ-শাবাবের হামলা মোকাবেলায় কৌশল পর্যালোচনাতেও কেনিয়ার সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

        কেনিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী সংবাদপত্র “ডেইলি নেশন” এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, কেনিয়ার উপকূলীয় ২টি রাজ্য এবং লামু রাজ্যে আশ-শাবাবের গ্রীষ্মমণ্ডলীন সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেনিয়ার সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদপত্রটি উল্লেখ করেছে যে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আশ-শাবাব যোদ্ধারা সীমান্ত অঞ্চলে সৈন্য এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে সমন্বিত হামলা চালিয়েছেন।

        সংবাদপত্রটি বলেছে, “এই হামলাগুলো সোমালিয়া ও কেনিয়ার মধ্যকার দীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার চ্যালেঞ্জগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে, বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব এবং উপকূলীয় অঞ্চলে, যেখানে আশ-শাবাব বছরের পর বছর ধরে সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।”

        তথাকথিত সন্ত্রাসবাদ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডি ডেটা সেন্টার জানিয়েছে, তাদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আশ-শাবাব যোদ্ধারা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কেনিয়ার অভ্যন্তরে ৯০টিরও বেশি প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছেন।

        সর্বশেষ এবং সবচেয়ে সফল অভিযান টি পরিচালনা হয়েছিল গত ২৭শে জুলাই, যখন এই অভিযানে ১৩ কেনীয় সৈন্য নিহত এবং আরও ১২ সৈন্য আহত হয়েছে। প্রতিরোধ যোদ্ধারা এই অভিযানটি চালাতে মোটরসাইকেল ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেছিল।

        কেনিয়া ২০১১ সালে সোমালিয়ায় আশ-শাবাব প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধে সৈন্য পাঠিয়েছিল। এরপর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আফ্রিকান ইউনিয়নের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে সোমালিয়ায় চালানো সামরিক আগ্রাসনে যোগ দেয়।

        আশ-শাবাব প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হামলা নিয়ে কেনিয়ার সামরিক কর্মকর্তাদের এই উদ্বেগ এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন তাদের পৃষ্ঠপোষক ক্রুসেডার জোট “আফ্রিকান ইউনিয়ন” বাহিনী আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে, যার সদস্য দেশ কেনিয়া।


        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/mrxf2rrx
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X