Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২৬সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১১ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী ||

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২৬সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১১ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী ||

    বনভূমি সংরক্ষণ ও কৃষি উৎপাদন বাড়াতে পাঁচ বছরে আফগানিস্তানে ১১ কোটি চারা রোপণ ও ৭১ হাজার গ্রিনহাউস স্থাপন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া



    গত পাঁচ বছরে দেশের বন ও কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এই সময়ে দেশের বনায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে সারাদেশে ১১ কোটি চারা রোপণ করা হয়েছে। আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক কৃষি ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আফগানিস্তানের কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মৌলভী আতাউল্লাহ ওমরী হাফিযাহুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

    কাবুলে আন্তর্জাতিক কৃষি ও পশুপালন প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মৌলভী আতাউল্লাহ ওমরী হাফিযাহুল্লাহ গত পাঁচ বছরে বন ও পরিবেশ সংরক্ষণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এ সময়ে আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় মোট ১১ কোটি চারা রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ইমারাতে ইসলামিয়া ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন প্রদেশে ৭১ হাজার নতুন গ্রিনহাউস স্থাপন করা হয়েছে, যা স্থানীয় শাকসবজি উৎপাদন বাড়িয়েছে এবং কোটি কোটি আফগানি মূল্যের আমদানি কমিয়েছে।

    তিনি বলেন, বনভূমি সংরক্ষণের পাশাপাশি দেশের কৃষি উৎপাদন বাড়াতেও বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইমারাতে ইসলামিয়ার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রদেশে ৭১ হাজার নতুন গ্রিনহাউস স্থাপন করা হয়েছে।

    এসব গ্রিনহাউস বা সবুজ ঘরের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সবজি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে স্থানীয় উৎপাদিত সবজির সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে বিদেশ থেকে সবজি আমদানির প্রয়োজনও কমেছে।

    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের এই অর্জন কৃষি খাতে আত্মনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বনায়ন ও গ্রিনহাউস স্থাপনের মাধ্যমে শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, বরং খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষিকে শক্তিশালী করে দেশের খাদ্য ও অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতার পথকে আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।


    তথ্যসূত্র

    1. Minister of Agriculture, Irrigation and Livestock Mawlawi Attaullah Omari says significant progress has been made
    https://tinyurl.com/mt7m4s5z
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পাঞ্জশিরে ১ কোটি ডলার ব্যয়ে ওষুধ ও পানীয় উৎপাদন কারখানার নির্মাণ শুরু



    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পাঞ্জশির প্রদেশে ১ কোটি ডলার বিনিয়োগে একটি বৃহৎ উৎপাদন কারখানার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। কারখানাটিতে ঔষধ, বিশুদ্ধ পানি এবং অ্যালকোহলমুক্ত বিভিন্ন পানীয় উৎপাদন করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রায় ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

    আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চারজন দেশীয় বিনিয়োগকারীর উদ্যোগে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ও শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। পাঞ্জশিরের গভর্নর হাফিজ মোহাম্মদ আগা হাকিম বিনিয়োগকারীদের সাথে এক বৈঠকে প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

    কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পটিতে প্রাথমিকভাবে ১ কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে এই বিনিয়োগের পরিমাণ ২ কোটি ৮০ লাখ ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    প্রথম পর্যায়ে এখানে বিশুদ্ধ খাবার পানি, অ্যালকোহলমুক্ত বিভিন্ন পানীয়, প্রাকৃতিক ফলের জুস এবং শিশুদের স্যালাইন উৎপাদন করা হবে। পাঞ্জশিরের স্থানীয় ফল ও পানি ব্যবহার করে এসব পণ্য তৈরি করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে দুধ পাস্তুরীকরণ এবং দুগ্ধজাত পণ্য যেমন- দুধ, দই, পনির, লাবন, মাখন ইত্যাদি উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকবে।

    ঔষধ উৎপাদন বিভাগে প্রতিদিন ২০০ হাজার ব্যাগ স্যালাইন উৎপাদনের সক্ষমতা থাকবে, যেখানে ১৮ ধরনের স্যালাইন তৈরি করা হবে। বিনিয়োগকারীরা জানিয়েছেন, কাবুলের কারখানাগুলোতে তারা প্রায় ৮০০ ধরনের ঔষধ উৎপাদন করছেন এবং সেই সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা পাঞ্জশিরে স্থানান্তর করতে চান।

    স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মাধ্যমে ঔষধ, খাবার পানি ও খাদ্যপণ্যের বাজারচাহিদার একটি অংশ পূরণ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রায় ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    বিনিয়োগকারীরা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে পাঞ্জশিরের উৎপাদনমুখী প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগ আরও বাড়বে এবং এই প্রদেশে উৎপাদিত পণ্য ‘পাঞ্জশির’ নামেই দেশের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করা হবে। পাঞ্জশিরে কারখানাভিত্তিক উৎপাদন খাতে এটিকে প্রথম বৃহৎ বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রদেশটিতে মাত্র একটি খাবার পানি উৎপাদন কারখানা চালু রয়েছে।


    ‎তথ্যসূত্র
    1. پنجشېر کې د ۱۰ میلیونه ډالرو په پانګونې سره د یوې تولیدي کارخونې د جوړولو چارې پیل شوې
    https://tinyurl.com/4twz2sa6
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      হেরাতে ৩ কোটি ডলার ব্যয়ে একটি বৃহৎ ঔষধ উৎপাদন কারখানা চালু, উৎপাদন হবে ৩০০ ধরনের ঔষধ



      ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশের শিল্পনগরীতে ‘ডিম ফার্মা’ নামে একটি বৃহৎ ঔষধ উৎপাদন কারখানার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ৩ কোটি ডলার বিনিয়োগে নির্মিত কারখানাটি চালু হওয়ার ফলে আফগানিস্তানের ঔষধ শিল্পে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

      কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৩ হাজার ৫০০ বর্গমিটার জমির ওপর নির্মিত এই কারখানায় কঠিন, তরল ও অর্ধতরল—এই তিন শ্রেণিতে ৩০০ ধরনের ঔষধ উৎপাদন করা হবে। আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্থাপিত কারখানাটি দেশের ঔষধের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

      কারখানাটি আধুনিক ব্যবস্থাপনায় সজ্জিত এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে নির্মাণ করা হয়েছে এবং কারখানাটির কার্যক্রমের মাধ্যমে সরাসরি ২০০ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি পরোক্ষভাবে আরও এক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

      হেরাতের শিল্পনগরীতে এই বৃহৎ ঔষধ কারখানার কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে আফগানিস্তানের ঔষধ শিল্পের বিকাশে একটি যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ঔষধ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে কারখানাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পের বিকাশ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।


      তথ্যসূত্র

      1. In Herat province, a large pharmaceutical factory was inaugurated with an investment of 30 million dollars.
      https://tinyurl.com/676w8pjz
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        কানওয়ার যাত্রার অজুহাতে উত্তরপ্রদেশে আমিষ বিক্রির বিরুদ্ধে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ-বজরং দলের অভিযান, ক্ষতির মুখে মুসলিম ব্যবসায়ীরা


        ভারতের উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলার রেস্তোরাঁয় আমিষ খাবার বিক্রির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে অভিযান পরিচালনা করছে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ ও বজরং দলের সদস্যরা। চলতি শ্রাবণ মাসে হিন্দুদের কানওয়ার তীর্থযাত্রার নির্ধারিত রুটগুলোতে আমিষ খাবার বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন, এই অজুহাতে মুসলিম দোকানিদের ওপর কঠোরতা আরোপ করছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সমর্থকরা।

        সোমবার (১০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দেওবন্দের ‘হায়দ্রাবাদ চিকেন পয়েন্ট’ নামে পরিচিত একটি রেস্তোরাঁয় হিন্দুত্ববাদী বজরং দলের সদস্য অজয় প্রজাপতি ও রুদ্র মিশ্র উপস্থিত রয়েছে। সেখানে উগ্র হিন্দুত্ববাদী কর্মীদের সাথে পুলিশ সদস্যরাও একজোট হয়েছে।

        তাদের অভিযোগ, তীর্থযাত্রার সময় আমিষ খাবার বিক্রির ওপর প্রশাসনিক বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও রেস্তোরাঁটি প্রকাশ্যে চিকেন বিক্রি করছে। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছে, এই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে প্রযোজ্য আইনি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

        এর আগে একই অভিযোগে একাধিক দোকান ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেরিলি জেলায় পৃথক একটি ঘটনায় ২ মুসলিম দোকানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঐসময় জেসিবি মেশিন দ্বারা দোকানটির ছাউনি ও কাউন্টার নির্মূল করে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। একই ধরনের অভিযোগে বেকারি এলাকা থেকেও ২ জনকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে।

        পক্ষান্তরে মুসলমান ও সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, দীর্ঘসময় ধরে আমিষ দোকানগুলো বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। হিন্দুত্ববাদী সরকার ধর্মীয় তীর্থযাত্রার অজুহাত দেখিয়ে আমিষ দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে, কিন্তু ভুক্তভোগীদের জন্য বিকল্প উপার্জনের ব্যবস্থা করেনি। ফলে একান্ত বাধ্য হয়ে অনেক দোকানি রুজি-রোজগারের আশায় তাদের ব্যবসা খোলা রাখছেন।


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/2j57vy9n

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          শহীদ পরিবার ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ ১১ বিলিয়ন আফগানির মধ্যে ইতোমধ্যে ৮ বিলিয়নের বেশি বিতরণ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া


          শহীদ পরিবার ও প্রতিবন্ধীদের আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমে চলতি সৌর বছরে বরাদ্দ ১১ বিলিয়ন আফগানির মধ্যে ইতোমধ্যে ৮ বিলিয়নের বেশি বিতরণ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার শহীদ ও প্রতিবন্ধী বিষয়ক মন্ত্রণালয়। অবশিষ্ট প্রায় ৩ বিলিয়ন আফগানি চলতি সৌর বছরের চতুর্থ দফার ভাতা বিতরণের সময় প্রদান করা হবে।

          মন্ত্রণালয়ের অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক কালিমুল্লাহ আফগান হাফিযাহুল্লাহ জানান, শহীদ পরিবার ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে। এর ফলে ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে আরও বেশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি প্রকৃত সুবিধাভোগী শনাক্তে ২০টি প্রদেশে শহীদ পরিবার ও প্রতিবন্ধীদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

          মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত চার বছরে সহায়তার তালিকা যাচাই করে ৩ লাখের বেশি ভুয়া ও অযোগ্য শহীদ পরিবার এবং প্রতিবন্ধী সুবিধাভোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মন্ত্রণালয়ের সহায়তার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

          কালিমুল্লাহ আফগান হাফিযাহুল্লাহ বলেন, মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী মাসিক আর্থিক সহায়তার তালিকা থেকে ৩ লাখ মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কারণ তারা ভুয়া ও অযোগ্য হিসেবে শনাক্ত হয়েছিল। তবে এসব সংখ্যা পরিবর্তনশীল এবং আগামী মাসগুলোতে আরও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকায় অতিরিক্ত পরিবর্তন আসতে পারে।

          এদিকে, কয়েকজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি তাদের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের কথা তুলে ধরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও শহীদ পরিবারগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

          মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছিল, শহীদ পরিবার ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মোট ৭ লাখ সদস্য তাদের তালিকায় নিবন্ধিত রয়েছেন। এসব সুবিধাভোগীকে বছরে চার দফায় আর্থিক ভাতা প্রদান করা হয়।

          ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের এই উদ্যোগ শহীদ পরিবার ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতারই প্রমাণ। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যা আফগান জনগণের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


          তথ্যসূত্র

          1. Islamic Emirate Allocates 11B Afghanis for Martyrs’ Families, Disabled
          https://tinyurl.com/4u68e5cc
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            উত্তর ও মধ্য মালিতে জেএনআইএম-এর ৪ অভিযান: ঘাঁটি বিজয় সহ অসংখ্য জান্তা সদস্য হতাহত



            মধ্য মালি থেকে শুরু করে উত্তর মালি পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে জেএনআইএম-এর সামরিক অপারেশন অব্যহত রয়েছে। এতে ব্যাপক সংখ্যক জান্তা ও রুশ সৈন্য হতাহতের পাশাপাশি বহু সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

            এই ধারাবাহিকতায় জেএনআইএম প্রতিরোধ যোদ্ধারা মালিতে তাদের সবচেয়ে সাম্প্রতিক অভিযানটি চালিয়েছেন গত ৯ই আগস্ট রবিবার ভোর ৫ টায়। অতর্কিত এই অভিযানটি মধ্য মালির সান শহরে অবস্থিত জান্তার একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। প্রথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই অভিযানে জান্তা বাহিনীর অন্তত ১২ সৈন্য নিহত হয়েছে এবং শতাধিক জান্তা সদস্য জীবন বাঁচাতে ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে গেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

            শত্রু বাহিনীর এই পলায়নের পর প্রতিরোধ যোদ্ধারা সামরিক ঘাঁটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। এসময় প্রতিরোধ যোদ্ধারা ৫টি সামরিক যানবাহন, এক ডজনেরও বেশি মোটরসাইকেল এবং অন্যান্য বহু সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেন।

            এদিকে গত ৮ই আগস্ট শনিবার সকালে, প্রতিরোধ যোদ্ধারা উত্তর মালির কিদাল রাজ্যের আনফিফ শহরের নিকটবর্তী ইনবোগুইতেনে একটি আইইডি বিস্ফোরণ ঘটান। এই বিস্ফোরণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় জান্তা ও রুশ বাহিনীর একটি সাঁজোয়া যান। এদিন গাও রাজ্যের বুরেম এলাকায় জান্তা ও রাশিয়ার আফ্রিকা কর্পসের একটি কনভয়কে লক্ষ্য করে হামলা চালান প্রতিরোধ যোদ্ধারা। এই অভিযানে প্রতিরোধ যোদ্ধারা একাধিক আইইডি বিস্ফোরণ ঘটান।

            এমনিভাবে গত ৭ আগস্ট শুক্রবার দুপুরবেলায় সেগু রাজ্যের মারকালা থেকে নিয়োনো পথে একটি হামলা চালান প্রতিরোধ যোদ্ধারা। অভিযানটি একটি রিমোট-নিয়ন্ত্রিত আইইডি-র মাধ্যমে মালিয়ান জান্তার একটি সামরিক যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।


            তথ্যসূত্র:
            https://t.co/2qghFOJVOH
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              পাকিস্তানে সামরিক বাহিনীর গাড়ি ও টহল দলের উপর আইএমপি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হামলা



              পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি এবং একটি টহল দলকে টার্গেট করে ২টি পৃথক অভিযান চালিয়েছে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি)।

              প্রতিরোধ বাহিনী আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল জানান, গত ৮ই আগস্ট দুপুর ২:৩০ মিনিটের সময়, মুজাহিদরা উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মীর আলী সীমান্তে একটি সফল হামলা চালিয়েছেন। সীমান্ত লাগোয়া ঈদাক এলাকায় শত্রুর সামরিক যানকে লক্ষ্য করে পুঁতে রাখা একটি মাইন বিস্ফোরণের মাধ্যমে হামলাটি চালানো হয়। এই মাইন বিস্ফোরণের ফলে সামরিক যানটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং তাতে থাকা সকল শত্রু সেনা সদস্য হতাহতের শিকার হয়।

              এমনিভাবে গত ৯ই আগস্ট রবিবার, মুজাহিদরা উত্তর ওয়াজিরিস্তানের দোসালি সীমান্তে আরও একটি মাইন হামলা চালান। হামলাটি সীমান্তবর্তী ইয়াত এলাকায় শত্রু বাহিনীর একটি টহল দলকে টার্গেট করে চালানো হয়েছে। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই হামলায় বেশ কিছু শত্রুসেনা হতাহত হয়।


              তথ্যসূত্র:
              https://tinyurl.com/m8zrt59a
              https://tinyurl.com/3dusr6vj
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment

              Working...
              X