Announcement

Collapse
No announcement yet.

​ভিডিও || জনগণের সাথে ইমারাতে ইসলামিয়ার সেনাবাহিনীর মার্কিন দখলদারিত্ব থেকে স্বাধীনতার গৌরবময় দিবস উদযাপন

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • ​ভিডিও || জনগণের সাথে ইমারাতে ইসলামিয়ার সেনাবাহিনীর মার্কিন দখলদারিত্ব থেকে স্বাধীনতার গৌরবময় দিবস উদযাপন

    ​ভিডিও || জনগণের সাথে ইমারাতে ইসলামিয়ার সেনাবাহিনীর মার্কিন দখলদারিত্ব থেকে স্বাধীনতার গৌরবময় দিবস উদযাপন

    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীর তিনটি শাখা (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং গোয়েন্দা সাধারণ অধিদপ্তর) বাহিনী কাবুলে জনগণের সাথে মার্কিন দখলদারিত্ব থেকে স্বাধীনতার গৌরবময় দিনটি উদযাপন করছে।
    আর্কাইভ থেকে দেখুন:

    HQ ভিডিও
    MQ ভিডিও
    LQ ভিডিও

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    দিবস উদযাপন বা দিন নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে কেউ কেউ অভিযোগ আনতে পারে। কারও পক্ষে কিছু ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব হলে উপকার হবে ইনশাআল্লাহ।

    Comment


    • #3
      Originally posted by Al khattabi View Post
      দিবস উদযাপন বা দিন নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে কেউ কেউ অভিযোগ আনতে পারে। কারও পক্ষে কিছু ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব হলে উপকার হবে ইনশাআল্লাহ।
      শরয়ী ব্যাখ্যা এই বিষয়ে অভিজ্ঞ কেউ দিবেন, তবে আমি রাজনৈতিক কিছু প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করি-

      - যখন প্রায় পুরো বিশ্ব জুড়ে মিডিয়া প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে যে- আফগানিস্তানে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল, জনগণ খাবার পাচ্ছে না, নারীরা ঘর থেকে বের হতে পারছে না, ইত্যাদি এমন হাজারো। তখন ইমারতের এই আয়োজন পুরো বিশ্বের সামনে সেই সকল প্রোপাগান্ডা কে মিথ্যে প্রমাণিত করে দিলো।

      - দিবসগুলো পালনের আরেকটা উদ্দেশ্য হচ্ছে জাতিকে তাদের গৌরবান্বিত ইতিহাস জানানো, যাতে তাদের হীনমন্যতা দূর হয়, এবং তাদের যুবকেরা ক্বওমের জন্য কুরবানী করতে উৎসাহিত হয়, যা সেনা ভর্তিতে ব্যাপক কাজে আসে। সবাই তো আর শুরুতেই জিহাদ ও শাহাদাতের এবং দ্বীন কায়েমের তাৎপর্য বুঝতে পারে না। ট্রেনিংয়ের সিলসিলায় আস্তে আস্তে বুঝতে শিখে।

      - তারপর, আজ যদি ইমারত নিজেদের সম্প্রসারণবাদী আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, তাহলে বাকি সকল দেশ তাদের উপর আন্তর্জাতিক ভাবে অবরোধ আরোপ করে দিবে, যা তাদের শুধু বিপর্যস্তই করবে। অথচ এই সময়ে ইমারতের জন্য জরুরী হচ্ছে একটা শক্তিশালী সেনাবাহিনী ও সমৃদ্ধ আত্মনির্ভর অর্থনীতি প্রস্তুত করা, যেন আন্তর্জাতিক যেকোন প্রকারের চাপ তারা উপেক্ষা করে যেতে পারেন। আর এর জন্য প্রয়োজন সময়, অর্থ এবং এমন নীতি- যা আশপাশের শত্রুদেরকে আপাতত চুপ করিয়ে রাখে। আর এটার জন্য বর্তমান জাতিরাষ্ট্রের যে বিদ্যমান কাঠামো আছে, তার পোশাক পরে চলা অনেকাংশে ঝুকিমুক্ত। কারণ এই জাতিরাষ্ট্রের কৃত্তিম সীমারেখা কেউ যখন মেনে চলে, তখন অন্য দেশ বা জাতিগোষ্ঠী আন্তর্জাতিক চাপের ভয়ে সে রাষ্ট্রের উপর আক্রমণ করার বা দখল অভিযান পরিচালনা করার সাহস করে না সাধারণত। আর তাই এই জাতিরাষ্ট্রের পোশাক পরিহিত অবস্থায় তাদের এই দিবসগুলো লোক দেখানোর স্বার্থেও পালন করে যেতে হয়।

      - তাছাড়া এবার মার্কিন আগ্রাসন থেকে বিজয়ের ৫ম বার্ষিকী উদযাপন করে ইমারত নানা দিক থেকে লাভবান হয়েছে। যেমন- পাকিস্তান, ভারত, চীন, রাশিয়া সহ বহু দেশে তারা সে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের এই দিবস উপলক্ষে জমকালো আয়োজন করে তাদের দাওয়াত দিয়ে ইমারতের বর্তমান হাল-হাকিকত তুলে ধরেছেন, তাদের আফগানিস্তানে ব্যবসা ও বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করেছেন। পাশাপাশি ইমারতের প্রতিনিধিরা সেই সকল দেশে নিজেদের সোশাল সার্কেল বৃদ্ধি করেছেন ও মজবুত করেছেন। দিবস আয়োজনের এই উপলক্ষ্য না থাকলে হয়ত সেটা সম্ভব হতো না।

      - আর এই দিবসগুলোর আয়োজন অবশ্যই আগ্রাসী আমেরিকা, রাশিয়া ও ব্রিটেনের গালে শক্ত চপেটাঘাত, পাশাপাশি আগামীতে যারা আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালাতে আসবে, তাদের প্রতিও আগাম সতর্কতাবার্তা দেয় যে- আমরা পরাজিত হই না, বরং আগ্রাসন পরিচালনাকারীদের কবর রচনা করি, তাই ভুলেও আফগানের দিকে চোখ তুলে তাকিও না। এই মেসেজ বিজয় দিবস পালন ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভাবে আর কিভাবে দেয়া সম্ভব?
      বছর ফুরিয়ে যাবে এতো রিসোর্স আছে gazwah.net সাইটে

      Comment

      Working...
      X