Announcement

Collapse
No announcement yet.

আ.লীগকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থন করুন -বিজেপù

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • আ.লীগকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থন করুন -বিজেপù

    হিন্দুদের প্রতি বিজেপি; আ.লীগ সরকারকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থন করুন


    বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি ভারতের বর্তমান উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকারের সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তথাগত রায় জানিয়েছেন।
    তিনি এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে এ সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দেয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন।
    রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন হলঘরে বেদান্ত সংস্কৃতি মঞ্চ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই বিজেপি নেতা এসব কথা বলেন।
    আওয়ামী লীগ সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না।’
    পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সাবেক সভাপতি তথাগত রায় বলেন, ‘আমি আপনাদের জানাতে চাই- বিজেপি সরকার উপলব্ধি করেছে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারকে সমর্থন দেয়া উচিত এবং সেই কাজটি তারা করেছে। এটা আমি আপনাদের নিশ্চিত করেই বলতে পারি।’
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত হিন্দু নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি প্রকাশ্যে এই সরকারকে সমর্থন না করেন, তাহলে সরকার তো আপনাদের অবস্থা ভালোভাবে বুঝতে পারবে না।’
    ‘আপনারা ভাবুন- হিন্দুদের নিরাপত্তার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর কী ভরসা করা যায়? যদি তা না হয়, তাহলে হিন্দু সম্প্রদায়কে সর্বশক্তি দিয়ে পুরোপুরিভাবে এ সরকারকে সমর্থন দিতে হবে’ বলেন এই বিজেপি নেতা।
    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে যারা হিন্দু আছেন, তাদের রাজনৈতিকভাবে সচেতন হতে হবে এবং নিজেদের স্বার্থ বুঝতে হবে।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক দল বলে আমি মনে করি না। তারা যে হিন্দুত্ববাদে বিশ্বাস করে এটা তাদের রাজনৈতিক কৌশল।’
    তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। আশা করি, দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত ও তিস্তা চুক্তি হয়ে যাবে। বাংলাদেশের যা যা পাওনা সেটা পাব।’
    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিজেপির কেন্দ্রীয় গবেষণা শাখার সদস্য ধনঞ্জয় কুমার সিং, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সহসভাপতি সুভাষ সরকার, বাংলাদেশের সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ, সুকুমার রঞ্জন প্রমুখ।


  • #2
    ৭৪’র পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এখন সবচেয়ে ভালো -প্রণব মুখার্জি


    ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বলেছেন, আগামী দিনে অভিন্ন স্বার্থের অন্বেষণে অগ্রগতির ক্ষেত্রে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক একটি ভালো উদাহরণ। ‘১৯৭৪ সালের পর বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো এই সম্পর্কের ভিত্তি পারস্পরিক স্বার্থ, সমতা এবং স্বার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা’, নয়া দিল্লিতে বুধবার সন্ধ্যায় এক ভাষণে তিনি একথা বলেন। ভারতের রাজধানীতে ক্যাভালরি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘ক্যাভালরি মেমোরিয়াল লেকচার’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। প্রণব মুখার্জি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ কেবল প্রতিবেশী নয়, দুই দেশ ইতিহাস, ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা ও আত্মীয়তার সূত্রে আবদ্ধ। ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা হলো প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনের একটি চিত্র। তিনি বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে... আমরা সবসময়ই বিশ্বাস করি যে, শক্তিশালী, টেকসই ও সমৃদ্ধ প্রতিবেশীই আমাদের লক্ষ্য।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ভারতের প্রয়োজন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধার। ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি আস্থাশীল যে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সর্বদা বিশেষ এবং অনন্য ঘটনা বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক এখন ব্যাপক অগ্রগতির স্তরে রয়েছে।’ প্রণব মুখার্জি আশা করেন যে, আসছে দিনগুলোতে দারিদ্র্য দূরীকরণ, প্রবৃদ্ধি জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতার ব্যাপক অগ্রগতি দেখা যাবে। সার্ক প্রসঙ্গে প্রণব মুখার্জি বলেন, সার্ক গঠিত হয়েছে ১৯৮৫ সালের ৮ই ডিসেম্বর, তবে আট-জাতি আঞ্চলিক গ্রুপের সম্ভাবনা গত ৩০ বছরেও বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি বলেন, এই ফোরাম ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন মডেলে অনেক প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। যদিও এটি ব্যাপকভাবে গৃহীত, তবে গত ৩০ বছরেও ফোরামের পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি বলেন, আমরা আমাদের বন্ধু পরিবর্তন করতে পারি, তবে আমাদের প্রতিবেশী বদলাতে পারি না। আমরা স্থায়ী উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় থাকবো অথবা একত্রে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি করবো, এ ব্যাপারে যদি আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি তাহলে আমরা অবশ্যই অতীত বিভাজনকে পেছনে ফেলে অভিন্ন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবো। দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্পর্কে প্রণব মুখার্জি বলেন, বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রযুক্তি উন্নয়নে সহায়ক হবে। ‘এতে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো প্রতিযোগিতামূলক হবে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে।’ বাংলাদেশে একটি ভারতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক জোন স্থাপনের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐতিহাসিক সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে এটি একটি বিশাল পদক্ষেপ। এতে উভয়ের স্বার্থ নিহিত রয়েছে। প্রণব মুখার্জি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত একত্রে একটি বৃহৎ ভোক্তা বাজার হিসাবে উন্নত ও সস্তায় পণ্য ক্রয় এবং ক্লিন এনার্জির উন্নয়ন ঘটাতে পারে। এ ক্ষেত্রে সৌর ও বায়ুনির্ভর জ্বালানি উন্নয়নে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এতে আমাদের অর্থনীতি আরও সুসংহত হবে এবং আমাদের জনগণের মধ্যে আরও ভালো যোগাযোগ স্থাপিত হবে। আমাদের দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে। এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য নতুন অর্থনৈতিক দরোজা উন্মুক্ত করবে। ‘এরপর দক্ষিণ এশিয়াকে সমন্বিত করতে দুই দেশকে আরও সক্রিয় করবে এবং অগ্রসর পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, গভীরতর সম্পৃক্ততার জন্য যোগাযোগ সংযোগ একটি অনুঘটক। দুই দেশ তিনটি বাস সার্ভিস চালু করেছে, এতে দুই দেশের নাগরিকদের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। সড়ক, রেল, নদী, সমুদ্র, ট্রান্সমিশন লাইন, পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন সংযোগ এবং ডিজিটাল লিংক অবশ্য বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালের মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ ও সহযোগিতা অবশ্যই গভীরতর হবে। ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে ভারত হয়ে নেপাল ও ভুটানের এবং ভারতের মূল ভূখ- থেকে বাংলাদেশ হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ চলছে। তিনি বলেন, ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও দুই দেশের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে বারবার আলোচনার মাধ্যমে এটি অর্জিত হলে সেটি হবে বিরাট পদক্ষেপ।’ ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা অবশ্যই বৃহত্তর অর্থনৈতিক সমন্বয়ের দিকে এগিয়ে যাবো। দক্ষিণ এশিয়া হয়ে উঠবে সমন্বিত বাজার। প্রণব মুখার্জি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীরা তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, লেদারও ওষুধ শিল্পের মতো খাতে ইতিমধ্যে যৌথ উদ্যোগে কাজ করছে। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, শিপ বিল্ডিং ও অটো যন্ত্রপাতি শিল্পেও যৌথ উদ্যোগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।


    https://www.kalerkantho.com/online/w...5/11/19/292373
    Last edited by tariq; 05-01-2016, 01:00 AM.

    Comment

    Working...
    X