Results 1 to 4 of 4
  1. #1
    Junior Member
    Join Date
    Jan 2020
    Posts
    6
    جزاك الله خيرا
    0
    15 Times جزاك الله خيرا in 6 Posts

    আল বালাগ / সংখ্যা ৩ / দ্বীনের বিধানগুলো মানার ক্ষেত্রে কি আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করি?

    দ্বীনের বিধানগুলো মানার ক্ষেত্রে কি আমরা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করি?


    সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে যিনি আমাদের প্রতিপালক, আমাদের ভালো-মন্দের মালিক, যাঁর কাছে আমাদের সব চাওয়া, যাঁর জন্যে আমাদের ভালোবাসা, একমাত্র যাঁর ওপরই আমাদের ভরসা। শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর; তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবাগণ এবং যারা তাঁদের অনুসারী তাঁদের উপর।
    আমরা প্রত্যেকে অন্তরে ঈমান ধারণ করি। সে অর্থে আমরা সবাই আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করি। কারণ তাওয়াক্কুল ঈমানের একটি অপরিহার্য অংশ। তাওহীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। একমাত্র আল্লাহর ওপর ঈমান আনার মানে একমাত্র তাঁর ওপর ভরসা করা। ভরসা মানে এ নয় যে, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে তাঁকে মানি। কিন্তু যখন দুঃখ বা পরীক্ষা আসে; তখন দূরে সরে যাই। ভরসা মানে এই যে, সব সময়ই তাঁকে ভালোবাসা। তাঁকে ছাড়া অন্য কাউকে ভয় না করা। কারও রক্ত চক্ষুকে পরোয়া না করা।

    তাওয়াক্কুল কী?
    শাব্দিকভাবে তাওয়াক্কুল অর্থ ভরসা করা, নির্ভর করা। এ শব্দটি الوكالة থেকে নির্গত হয়েছে। অর্থাৎ সকল ব্যাপার আল্লাহর প্রতি ন্যস্ত করে তাঁর ওপর ভরসা করা। যে তাওয়াক্কুল করে তাকে বলা হয় মুতাওয়াক্কিল। সুতরাং মুতাওয়াক্কিল মুমিনের অপর আরেকটি নাম।
    মুমিন ব্যক্তি যখন কোন বিপদে আক্রান্ত হয়; তখন সে তার রবের আশ্রয় নিয়ে বিষয়টি তাঁর প্রতি ন্যস্ত করে। কারণ আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি অতিশয় দয়ালু। তাঁর রহমতের চেয়ে অধিক আর কারো রহমত হতে পারে না। তিনিই সব কিছু করতে সক্ষম। অন্য কেউ নয়। তিনিই হেদায়েত দাতা । আর বান্দা যখন বুঝবে এবং এই বিশ্বাস করবে যে, আল্লাহই হচ্ছেন একমাত্র স্রষ্টা। তিনিই সব কিছু পরিচালনা করেন। আর আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া মাখলুক কারো উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না, তখন তার অন্তর শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই নিবেদিত হবে। তার সকল কাজ আল্লাহর জন্যেই হবে। ফলে সে কোন মাখলুকের পরোয়া না করে একমাত্র আল্লাহর কাছেই আশ্রয় প্রার্থী হবে এবং তাঁকেই ভয় করবে। আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করবে না।

    কার ওপর তাওয়াক্কুল?
    পূর্ব যুগের মুশরিকদের যখন জিজ্ঞাসা করা হতো, এ আসমান জমিন কার বানানো? তারা বলতো, আল্লাহর বানানো। কিন্তু তাদের মুশরিক বলা হয় কেন? আসমান জমিনের সৃষ্টিকর্তা কে? এর জবাবে আল্লাহর নাম বললেও কেন তারা মুসলমান হিসেবে গণ্য হয়নি? কারণ তারা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করতো না। আর এই একত্ববাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল তাওয়াক্কুল। ঐ সব মুশরিকরা দেব-দেবীর ওপর ভরসা করতো। জ্ঞানের জন্যে এ দেবী, ধন-সম্পদের জন্যে এ দেবতা এমনই ছিল তাদের বিশ্বাস! এখনো আমাদের আশেপাশে এমন মানুষ কম নয়, যারা দেব-দেবীর পূজা করছে আর তাদের ওপরই আস্থা রাখছে। আবার কেউ মাজার-কবর, পীর পূজা করছে এবং তাদের ওপরই ভরসা করছে!
    আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে এ সম্পর্কে বলেন-
    وَتَوَكَّلْ عَلَى الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ
    আর তোমরা ভরসা করো পরাক্রমশালী করুণাময়ের ওপর। (সূরা শুআরা: ২১৭)

    وَتَوَكَّلْ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ
    ভরসা করো চিরঞ্জীবের ওপর; যার কোন মৃত্যু নাই। (সূরা ফুরকান ৫৮)

    আসবাব গ্রহণ তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়
    আসবাব গ্রহণ করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী নয়। প্রকৃত অর্থে, তাওয়াক্কুল হল অন্তরের কাজ। আর অন্তরের কাজ হল আল্লাহর ওপর নির্ভর করা, তাঁর ওপর ভরসা করা। এ কথার বিশ্বাস রাখা যে, আল্লাহ তাআলাই ক্ষতি ও উপকার করার মালিক।
    তাওয়াক্কুল করতে হবে আসবাব গ্রহণ করে। আসবাব গ্রহণ করা ব্যতীত নয়। আমরা নিজেদের মন-মেজাজ দ্বারা বুঝতে যাব না। বরং এ বোঝার ক্ষেত্রেও আল্লাহর ওপরই তাওয়াক্কুল করতে হবে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন -
    وَشَاوِرْهُمْ فِي الأَمْرِ فَإِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَى اللّهِ
    আপনি তাদের সাথে পরামর্শ করুন। আর যখন কোন কাজ করার সিদ্ধান্ত নিবেন; তখন আল্লাহর ওপর ভরসা করুন। (সূরা আলে ইমরান: ১৫৯)
    হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, একজন সাহাবী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এর কাছে জিজ্ঞাসা করলেন-
    يا رسول الله أعقلها -أي الناقة- وأتوكل، أو أطلقها وأتوكل؟!
    হে আল্লাহর রাসূল! আমি কী উটটি বেঁধে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করবো? না উটটা ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করবো?!
    قال: اعقلها وتوكل
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-আগে উট বাঁধো, তারপর আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করো।

    মুতাওয়াক্কিল আল্লাহর ভালোবাসার পাত্র
    যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে। সে আল্লাহর ভালোবাসার পাত্র হয়ে যায়।
    إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُتَوَكِّلِينَ
    যারা আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। (সূরা আলে ইমরান: ১৫৯)

    তাদের জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট
    আল্লাহর ওপর যারা তাওয়াক্কুল করে তাদের জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট হয়ে যান। আল্লাহ তাদের দায়িত্ব নিয়ে নেন। তাদেরকে গোমরাহী হতে রক্ষা করে সঠিক পথ দেখান।
    وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ
    আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহ তার জন্যে যথেষ্ট হয়ে যান। -সূরা তালাক: ০৩

    তাওয়াক্কুলের দাবীদার
    আমরা অনেকে তাওয়াক্কুল করার দাবী করি। অন্যকেও নসিহত করি। কিন্তু নিজের বেলায় তার আমল করি না। তাওয়াক্কুলের সাথে রয়েছে তাকওয়ার নিবিড় সম্পর্ক। কারণ কেউ যখন আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে; তখন তার অন্তরে আল্লাহর জন্যে তাকওয়া ও ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। আর আমি যদি সত্যিকারের মুত্তাকীই হয়ে থাকি; তবে কেন জেল-জরিমানা, মাদরাসা-মক্তব ও বেতন-ভাতা বন্ধের ভয় পাই?
    কেন মনে করি আল্লাহর দেয়া একটি ফরয বিধান পালন করলে আমাকে জেলে যেতে হবে? আমাকে বন্দী করা হবে? আমার মাদরাসা একেবারে তালাবন্ধ হয়ে যাবে? এ কাজে জড়ালে বন্ধ হয়ে যাবে আমার মাদরাসার পড়ালেখা? বন্ধ হয়ে যাবে আমার বেতন-ভাতা?
    আমরা যদি এসব চিন্তাই করে থাকি; তবে কি আমরা নিজের সংকীর্ণ আকল আর স্থূল বুদ্ধির ওপর ভরসা করছি না? আমরা কি নিজের কিঞ্চিৎ মানব জ্ঞান দ্বারা চিন্তা করছি না?
    আমি যদি মনে করে থাকি, তারা আমাকে জেলে দিবে। তাহলে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল কীভাবে হোল? আমি তো মনে করি, তাওয়াক্কুল হল পৃথিবীর সকলে মিলে আমার একটি ক্ষতি করতে চাইলে, যতক্ষণ না আল্লাহ তার ইচ্ছা করেন; ততক্ষণ তারা সে ক্ষতিটি করতে পারে না। তাহলে জেলকে ভয় পেয়ে কি আমি আমার ঈমান হারাবো?
    আমি যদি ভাবি জিহাদের কথা বললে তারা আমার মাদরাসা বন্ধ করে দিবে। আমার বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে। তাহলে তো ক্ষমতাবান হিসেবে আমি তাগুতকেই মানছি। অথচ সকল ক্ষমতা আল্লাহর। তিনি যা করেন তাই হয়। মাদরাসা, বেতন-ভাতা বন্ধের ভয় করে আমি কি ঈমান হারাবো?
    আমি জীবন গড়ার, ক্যারিয়ার গড়ার চিন্তা করছি; তো সে ক্ষেত্রে তাগুতকে সমীহ করেই চলছি; তাদেরকে ভয় করছি। তাহলে কার জন্যে আমার ইলম শেখা হচ্ছে? আর কার জন্যে আমার ক্যারিয়ার গড়া হচ্ছে? আমি সত্য প্রচার করলে, জিহাদের প্রস্তুতি নিলে তারা আমার মাদরাসা, আমার ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দিবে। আর এক্ষেত্রে আমি এই জ্বালানো-পূরানোর ভয়ে ফরয বিধান উপেক্ষা করছি। তাহলে কোথায় আমার ঈমান? কোথায় তাওহীদ? কোথায় গেল আমার তাকওয়া আর তাওয়াক্কুল?
    শুধু কি গুনাহ ত্যাগ করলেই তাওয়াক্কুল হয়? নাকি বিধানগুলো পালন করার ক্ষেত্রেও তাওয়াক্কুল প্রয়োজনীয়?

    (লেখাটি আল বালাগ ম্যাগাজিনের ৩য় সংখ্যা থেকে সংগৃহীত ও অনূদিত)

  2. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to কুড়ানো মুক্তো For This Useful Post:

    উম্মে আয়শা (3 Weeks Ago),musab bin sayf (3 Weeks Ago)

  3. #2
    Member আলী ইবনুল মাদীনী's Avatar
    Join Date
    Jul 2019
    Location
    Pakistan
    Posts
    270
    جزاك الله خيرا
    136
    560 Times جزاك الله خيرا in 222 Posts
    Quote Originally Posted by কুড়ানো মুক্তো View Post

    শুধু কি গুনাহ ত্যাগ করলেই তাওয়াক্কুল হয়? নাকি বিধানগুলো পালন করার ক্ষেত্রেও তাওয়াক্কুল প্রয়োজনীয়?
    মুহতারাম ভাই!অত্যন্ত হেকমত পূর্ণ কথা বলেছেন ৷
    "জিহাদ ঈমানের একটি অংশ ৷"-ইমাম বোখারী

  4. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to আলী ইবনুল মাদীনী For This Useful Post:

    Bara ibn Malik (3 Weeks Ago),musab bin sayf (3 Weeks Ago)

  5. #3
    Member উম্মে আয়শা's Avatar
    Join Date
    Jul 2018
    Posts
    91
    جزاك الله خيرا
    33
    128 Times جزاك الله خيرا in 51 Posts
    আলহামদুলিল্লাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও* হেকমাহপূর্ণ বাণী!
    আল্লাহ তাআলা আমাকে এর উপর ইস্তিকামাত থাকার তাওফীক দিন আমীন ইয়া রাব্বাল মুতাওয়াক্কিলীন!
    হক্বের মাধ্যমে ব্যক্তি চিনো,
    ব্যক্তির মাধ্যমে হক্ব চিনো না।

  6. The Following 3 Users Say جزاك الله خيرا to উম্মে আয়শা For This Useful Post:

    Bara ibn Malik (3 Weeks Ago),musab bin sayf (3 Weeks Ago),Secret Mujahid (3 Weeks Ago)

  7. #4
    Senior Member
    Join Date
    Sep 2018
    Location
    asia
    Posts
    1,694
    جزاك الله خيرا
    7,209
    4,360 Times جزاك الله خيرا in 1,500 Posts
    জিহাদী জীবনের বাস্তবতা নামে শাইখের একটি নতুন ভিডিও ইউটিউবে এসেছে, সব ভাই দেখে নিতে পারি।
    প্রিয় ভাই,আল্লাহ আপনার মেহনত কবুল করুন আমীন।
    পরিস্থিতি আমাদের আনুকুলে নেই। তারা আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আমাদের মুজাহিদ ভাইদের সংখ্যা খুবি কম, কাজেই আমাদেরকে শতভাগ সিকুরিটি বজায় রেখে সামনে অগ্রসর হতে হবে। তারা চতুর্থ দিক দিয়ে আমাদের বেষ্টন করার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। অধিক হারে বেতন বাড়িয়ে তারা আমাদের বিরুদ্ধে এদেশের সেনাদের উস্কে দিচ্ছে। সেনাদের শেখানো হচ্ছে আমরা হচ্ছে দেশদ্রোহী, আমরা হচ্ছে সন্ত্রাসী, আমরা এদেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু একটা। এই জন্য আমাদের কোন ভাইকে তারা গ্রেফতার করলে মিডিয়ার সামনে বড় করে প্রকাশ করে। আমাদের সাধারণ ভাইয়েরা( যারা আমাদের সমর্থক) তাদেরকেও তারা বিন্দুমাত্র ছাড় দিচ্ছে না। আমাদের সাধারণ ভাইদের গ্রেফতার করে, দুএকদিন পরে হাবিজাবি দিয়ে মিডিয়ার সামনে তুলে ধরছে। আর মিডিয়া তো তাদেরই। মিডিয়া আমাদের একজন সাধারণ ভাইকে অনেক বড় ধরণের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করছে। একবার মিছরে একটা ঘটনা ঘটল। একজন শাইখ জিহাদি বক্তব্য দিল মাত্র, কিন্তু পরের জুমায় তাকে গ্রেফতার করা হলো। এবং টিভিতে শাইখ উসামার সাথে বারবার দেখানো হলো। অথচ উক্ত ভাইটি শাইখ উসামাকে কোনদিন সরাসরি দেখেওনি!!! এ হলো তাদের কারসাজি। তারা তাদের মিশনকে টিকিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। স্কুল কলেজ, ভার্সিটিতে তাদের কর্মি গঠন করছে। প্রতিনিয়ত গঠন করছে। তাদের কর্মিদের মোঠা অংকের বেতন দিচ্ছে। মোঠা অংকের বেতনের লোভে বোকা মুসলিমরা ত্বাগুতের দলে যোগ দিয়ে নিজেদের আখিরাত ধংস করছে। আর আমরা কিছু ভাই মাত্র বাংলাতে কাজ শুরু করছি। এখন আমাদের ভাইদের মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে। তাহলে আমরা যাবো কোথায়?????
    ولو ارادوا الخروج لاعدواله عدةولکن کره الله انبعاثهم فثبطهم وقیل اقعدوا مع القعدین.

  8. The Following User Says جزاك الله خيرا to Bara ibn Malik For This Useful Post:

    Secret Mujahid (3 Weeks Ago)

Similar Threads

  1. জাগো মুজাহিদ || আগস্ট, ১৯৯৩ || একটি বিশেষ সংগ্রহ
    By আনওয়ার আল-হিন্দ in forum আল জিহাদ
    Replies: 1
    Last Post: 4 Weeks Ago, 02:32 PM
  2. Replies: 1
    Last Post: 11-12-2019, 01:05 PM
  3. Replies: 6
    Last Post: 10-12-2019, 09:21 AM
  4. যোগাযোগ মাধ্যমে ট্র্যাকিং ও নজরদারী
    By Safer net in forum তথ্য প্রযুক্তি
    Replies: 9
    Last Post: 06-10-2019, 11:13 PM
  5. Replies: 12
    Last Post: 02-14-2018, 12:20 PM

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •