Page 1 of 2 12 LastLast
Results 1 to 10 of 13
  1. #1
    Senior Member
    Join Date
    Feb 2019
    Posts
    243
    جزاك الله خيرا
    247
    737 Times جزاك الله خيرا in 206 Posts

    আহলে হাদিসদের সংশয়; হাদিসে বর্ণিত গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে!

    আহলে হাদিসদের সংশয়; গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে!

    গাযওয়াতুল হিন্দ নিয়ে বর্তমান সমাজে একটি অনর্থক বিতর্ক রয়েছে। জিহাদ সমর্থক অনেক ভাই মনে করেন, হাদিসে বর্ণিত প্রতিশ্রুত গাযওয়ায়ে হিন্দ এখনো হয়নি, ভবিষ্যতে হবে। আর একে খণ্ডন করার জন্য হাদিস অনুসরণের দাবীদার কিছু লোক দাবী করে, গাযওয়ায়ে হিন্দ হয়ে গেছে। এটাই নাকি সত্যনিষ্ঠ আলেমদের মত। (লিংক কমেন্টে) এমনকি বর্তমান আহলে হাদিসদের অন্যতম ‘মান্যবর’ ডক্টর মঞ্জুরে ইলাহি একধাপ আগে বেড়ে দাবী করে বসেছে, “গাযওয়ায়ে হিন্দের ব্যাপারে কোনো সহিহ হাদিস নেই, এ ব্যাপারে কিছু যয়ীফ হাদিসের সমাহার দেখা যায়। সুতরাং এ নিয়ে কনফিউজড হওয়ার কিছু নেই।” এই ধরণের ব্যক্তির ব্যাপারে কি-ইবা করা যাবে? এই লোক তো সার্থসিদ্ধির জন্য দীনের স্বতঃসিদ্ধ ইজমায়ী সিদ্ধান্তকেও পাল্টে ফেলতে দ্বিধা করছে না। তাগুত হাসিনা যখন পর্দা নিয়ে ব্যাঙ্গ করে বলে, “এ কেমন জীবন্ত ট্যান্ট (তাঁবু) হয়ে ঘুরে বেড়ানো!” তখন মঞ্জুরে ইলাহি শেখ হাসিনাকে কুফরী থেকে বাঁচানোর জন্য বলে উঠে, “শরিয়তের কোনো বিধান নিয়ে উপহাস করা কবিরা গুনাহ, কুফর নয়। কুফর হলো, শরিয়তের কোনো বিধান অস্বীকার করা।” অথচ কুরআন সুস্পষ্ট ভাষায় বলছে, শরিয়তের কোনো বিধান নিয়ে ঠাট্টা করা কুফরি। ইরশাদ হয়েছে,
    وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ (65) لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ

    “তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, তবে তারা অবশ্যই বলবে, আমরা তো হাসি-তামাশা ও ফূর্তি করছিলাম। বলো, তোমরা কি আল্লাহ, আল্লাহর আয়াত ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে ফূর্তি করছিলে? অজুহাত দেখিও না। তোমরা ইমান আনার পর কুফরীতে লিপ্ত হয়েছো।” -সূরা তাওবা, ৬৫-৬৬

    শুধু তাই নয়, উলামায়ে কেরামের এ ব্যাপারে ঐকমত্যও রয়েছে যে, কেউ শরিয়তের কোনো বিধান নিয়ে ঠাট্টা-উপহাস করলে সে মুরতাদ হয়ে যাবে। ‘মওসুয়্যাহ ফিকহিয়্যাহ’য় চারো মাযহাবের প্রসিদ্ধ কিতাবাদীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে,

    أجمع أهل العلم على كفر من أنكر نبوة نبي من الأنبياء، أو رسالة أحد من الرسل عليهم الصلاة والسلام، أو كذبه، أو سبه، أو استخف به، أو سخر منه، أو استهزأ بسنة رسولنا عليه الصلاة والسلام (الموسوعة الفقهية الكويتية 22/210 ط. وزارة الأوقاف والشئون الإسلامية - الكويت)

    “আলেমগণ এ ব্যাপারে একমত যে, কোন ব্যক্তি কোন একজন নবীর নবুওয়্যাতকে অস্বীকার করলে, তাকে মিথ্যাবাদী বললে, গালি দিলে, উপহাস করলে কিংবা আমাদের রাসূলের সুন্নাহ নিয়ে ঠাট্টা করলে সে কাফের হয়ে যাবে।” -মওসুয়্যাহ ফিকহিয়্যাহ, ২২/২১০

    ভাবার বিষয় হলো, ইসলামী শরিয়তের এরকম সুস্পষ্ট বক্তব্য থাকার পরও কেন তারা মুরতাদ শাসকদের বাঁচানোর জন্য দীনের অকাট্য বিধান পরিবর্তন করার পাঁয়তারা করে? এর উত্তর সেটাই যা আলোচ্য বক্তা মুজাহিদদের বিরুদ্ধে আরোপ করেছে। সে বলেছে, “কিছু মানুষ শাসকদের তাকফির করে থাকে, তাদেরকে কাফের প্রমাণ করার চেষ্টা করে, যেন এর মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা লাভ করা যায়।” অথচ, বাহ্যত জ্ঞানী সেজে থাকা এই বোকা লোকটিও ভালো করেই জানে, শাসকদের কাফের বলে কেউ কোনো সুযোগ-সুবিধা পায় না। বরং শাসকদের কাফের বললে তো ওদের রোষানলে পড়তে হয়। হাদিসের সুস্পষ্টভাষ্য অনুযায়ী মুরতাদ হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের বিপক্ষে যুদ্ধ করা ওয়াজিব হয়ে যায়। সুযোগ-সুবিধা কিছু পেলে তো এই নামস্বর্বস্ব ডক্টর ও শায়খরাই লাভ করে। অন্যথায় শাসকদের হাজারো কুফরী প্রকাশ পাওয়ার পরও তারা কোনো অবস্থাতেই ওদের তাকফীর করতে চায় না কেন? কারণ তো এটাই, যেন ওদের রোষানলে পুড়ে মরতে না হয়। রুটি-রোজগারের কোনো অভাব না হয়। শায়খ হামদ বিন নাসের আলফাহাদ ফাক্কাল্লাহু আসরাহু কতই না সুন্দর বলেছেন,

    “শুনে রাখুন আমার মুসলিম ভাইয়েরা, অধিকাংশ আলিমরা দুঃখজনকভাবে তাকফিরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে মূলনীতি এতোদিন জানতেন না, তা হল যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা তাকে ইসলামের গণ্ডী থেকে বের করে দেয় – সে কখনো শাসকদের একজন হতে পারে না। কারণ শাসকরা যে কুফর বা শিরকই করুক না কেন, তাদের তাকফির করা হলে আকাশ ভেঙ্গে পড়া এবং পর্বতমালা ধ্বসে পড়ার মতো অবস্থা হবে।



    যাই হোক, গাযওয়ায়ে হিন্দের হাদিসের তাহকীক পূর্বেও পেশ করা হয়েছে, আর সব আহলে হাদিস মঞ্জুরে ইলাহির মত বেপরোয়াও না। অধিকাংশ আহলে হাদিস আলেমরাই বলেন, গাযওয়ায়ে হিন্দের হাদিস সহিহ, তবে তা হয়ে গেছে। তাই আজকে এ ব্যাপারটাই সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরতে চাচ্ছি ইনশাআল্লাহ।

    আসলে যারা মনে করেন গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে আর যারা মনে করেন তা এখনো হয়নি, এই দুই শ্রেণীই ভুল ধারণার শিকার। কারণ, হাদিসের শব্দ থেকে এটাই স্পষ্ট যে, হিন্দের কাফের-মুশরিকদের সাথে যত যুদ্ধ হবে সবই গাযওয়ায়ে হিন্দের অন্তর্ভুক্ত। হাদিসের শব্দ লক্ষ্য করুন,

    عن ثوبان مولى رسول الله، صلى الله عليه وسلم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: عصابتان من أمتي أحرزهما الله من النار: عصابة تغزو الهند، وعصابة تكون مع عيسى ابن مريم عليهما السلام. أخرجه النسائي: (3175) وأحمد: (22396)

    ছাওবান রাযি. হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আমার উম্মতের দুটি দলকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নাম হতে মুক্তিদান করেছেন। তাদের একটি দল হিন্দুস্তানের অধিবাসীদের সাথে যুদ্ধ করবে। অপর দল ঈসা আলাইহিস সালামের সাথে যুদ্ধ করবে।” -সুনানে নাসায়ী, ৩১৭৫ মুসনাদে আহমদ, ২২৩৯৬

    عن أبي هريرة، قال: وعدنا رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة الهند، فإن أدركتها أنفق فيها نفسي ومالي، وإن قتلت كنت أفضل الشهداء، وإن رجعت فأنا أبو هريرة المحرر. رواه النسائي: (3174) وأحمد (7128)

    আবু হুরাইরা বলেন, “রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হিন্দুস্তানের যুদ্ধের ওয়াদা করেছেন, যদি আমি (সেই যুদ্ধে) শহিদ হই তাহলে আমি হবো সর্বোত্তম শহিদদের একজন। আর যদি আমি (সেই যুদ্ধ থেকে জীবিত অবস্থায়) ফিরে আসতে পারি তাহলে আমি হবো (জাহান্নাম থেকে) মুক্তিপ্রাপ্ত।” -মুসনাদে আহমদ: ৭১২৮ সুনানে নাসায়ী, ৩১৭৪)

    দেখুন, হাদিসের সব আম বা ব্যাপক। সুতরাং তাকে নির্দিষ্ট কোনো দলের সাথে খাস করার কোনই যুক্তি নেই। পূর্ববর্তী আলেমগণও হাদিসের এই ব্যাপক অর্থই বুঝেছেন। তাদের বুঝ নিশ্চয়ই আমাদের বুঝের চেয়ে উত্তম। ইমাম বাইহাকী ‘আসসুনানুল কুবরা’য় আবু হুরাইরা রাযি. এর হাদিসটি বর্ণনা করার পরে ইমাম আবু ইসহাক ফাযারীর বক্তব্য নকল করেছেন। আবু ইসহাক ফাযারী বলেন,

    وددت أني شهدت ما ربد بكل غزوة غزوتها في بلاد الروم. (السنن الكبرى للبيهقي: 9 : 297 ط. دار الكتب العلمية: 1424 هـ).

    “আমার আকাঙ্ক্ষা জাগে, আমি রোমে যত যুদ্ধ করেছি এর পরিবর্তে যদি (হিন্দুস্তানের) মারবাদে যুদ্ধ করতাম।” -আসসুনানুল কুবরা, বাইহাকী, ৯/২৯৭

    আবু ইসহাক ফাযারী (মৃ: ১৮৬ হি.) হলেন ইমাম আওযায়ীর খাস শাগরেদ, তিনি ইমাম আওযায়ী থেকে বর্ণিত জিহাদের বিধিবিধান সংকলন করেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর প্রশংসা করে বলেছেন,

    لم يصنف أحد في السير مثل كتاب أبي إسحاق. وقال أبو حاتم: اتفق العلماء على أن أبا إسحاق الفزاري إمام يقتدى به، بلا مدافعة (سير أعلام النبلاء 16/ 69)

    “জিহাদের বিধিবিধানের ব্যাপারে আবু ইসহাক ফাযারীর কিতাবের মত কোন কিতাব কেউ সংকলন করতে পারেনি। আবু হাতেম রাযী. রহ. বলেন, আলেমগণ এ ব্যাপারে একমত যে, আবু ইসহাক ফাযারী অনুসরণীয় ইমাম।” –সিয়ারু আলামিন নুবালা, ১৬/৬৯

    লক্ষ করুন, আবু ইসহাক ফাযারী রহ এই হাদিসের কারণে রুমে যত যুদ্ধ করেছেন সেগুলোর পরিবর্তে হিন্দুস্তানে যুদ্ধ করার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, যা থেকে বুঝা যায়; তিনি হিন্দুস্তানের কাফেরদের সাথে সংঘটিত সব যুদ্ধকেই এই হাদিসের মেসদাক-উদ্দেশ্য মনে করছেন। কেননা এই হাদিসের উদ্দেশ্য যদি শুধু সাহাবীদের যমানায় সংঘটিত প্রথম যুদ্ধই হতো, তবে তার এই আকাঙ্ক্ষার কোন অর্থই হতো না।

    ইমাম ইবনে কাসীর রহ. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াতের দলিলস্বরুপে সেসকল হাদিস একত্রিত করেছেন যে হাদিসগুলোতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো বিষয়ে ভবিষ্যৎবাণী করেছেন এবং তা অক্ষরে অক্ষরে প্রতিফলিত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় তিনি গাযওয়াতুল হিন্দের হাদিসও উল্লেখ করেছেন, এরপর গাযওয়াতুল হিন্দের ব্যাপারে ভবিষ্যৎবাণী কিভাবে সত্য হয়েছে তার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন,

    وقد غزا المسلمون الهند في سنة أربع وأربعين في إمارة معاوية بن أبي سفيان رضي الله عنه فجرت هناك أمور فذكرناها مبسوطة، وقد غزاها الملك الكبير السعيد المحمود بن سبكتكين صاحب بلاد غزنة وما والاها في حدود أربعمائة ففعل هنالك أفعالا مشهورة وأمورا مشكورة وكسر الصنم الأعظم المسمى بسومنات وأخذ قلائده وسيوفه ورجع إلى بلاده سالما غانما (النهاية في الفتن: 1/18 دار الجيل، 1408 ه)

    “মুসলমানরা মুয়াবিয়া রাযি. এর শাসনামলে তেতাল্লিশ হিজরিতে হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। এরপর গজনীর অধিপতি মহান বাদশাহ মাহমুদ বিন সবুক্তগীন চারশো হিজরির দিকে হিন্দুস্তান ও তার পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। তিনি সেখানে মহান কারনামা আঞ্জাম দিয়েছেন, প্রশংসাযোগ্য অনেক কাজ করেছেন। সোমনাথ মন্দিরের সবচেয়ে বড় মূর্তি ভেঙ্গেছেন এবং তার ভিতরে রক্ষিত হিরা-জহরত নিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন।” -আননিহায়া ফিল ফিতান, ১/১৮

    এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো, ইবনে কাসীর রহ. মুয়াবিয়া রাযি. এর আমলে সংঘটিত যুদ্ধ এবং মাহমুদ গজনবীর ভারত অভিযান সবগুলোকেই গাযওয়াতুল হিন্দের ব্যাপারে বর্ণিত হাদিসের মেসদাক ধরছেন। এ থেকে প্রমাণ হয়, তিনি গাযওয়াতুল হিন্দকে নির্দিষ্ট কোনো যুদ্ধ মনে করতেন না।
    চলবে ইনশাআল্লাহ

    الجهاد محك الإيمان

    জিহাদ ইমানের কষ্টিপাথর

  2. The Following 9 Users Say جزاك الله خيرا to আদনানমারুফ For This Useful Post:

    আহমাদ সালাবা (3 Weeks Ago),খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),নিশানে হক (3 Weeks Ago),মারজান (3 Weeks Ago),abu mosa (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago),Bara ibn Malik (3 Weeks Ago),basir (3 Weeks Ago),Haydar Ali (3 Weeks Ago)

  3. #2
    Senior Member
    Join Date
    Feb 2019
    Posts
    243
    جزاك الله خيرا
    247
    737 Times جزاك الله خيرا in 206 Posts
    আবু বকর যাকারিয়ার বক্তব্যের ভিডিও লিংক:-
    https://www.youtube.com/watch?v=1v_kos3qjxU

    গাযওয়াতুল হিন্দের সব হাদিস দূর্বল, মঞ্জুরে ইলাহী,
    https://www.youtube.com/watch?v=cJKIcnwHfQA


    গাযওয়ায়ে হিন্দের হাদিসের তাহকিক
    https://dawahilallah.com/showthread....%26%232475%3B)

  4. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to আদনানমারুফ For This Useful Post:

    আহমাদ সালাবা (3 Weeks Ago),খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),abu mosa (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago),Bara ibn Malik (3 Weeks Ago)

  5. #3
    Member
    Join Date
    Feb 2020
    Posts
    218
    جزاك الله خيرا
    1
    409 Times جزاك الله خيرا in 157 Posts
    প্রিয় আখি খুবই গুরুত্বপুর্ণ বিষয় এনেছেন, এমন বিষয় আমাদের বার বার অধ্যায়ন প্রয়োজন,বর্তমান সময় মুর্জিয়া আলিম আমাদের অন্তরে আঘাত করে রক্তাত্ত করছে, হে আমাদের রব্ব আমাদের আলিম ভাইদের হক বলার তৌফিক দিন,দিন বিরধি ফতুয়া থেকে তাদের নির্বিত রাখুন আমিন,
    হে আল্লাহ্ জিহাদি মিডিয়ার ভাইদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখুন আমিন।

  6. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to Rumman Al Hind For This Useful Post:

    আদনানমারুফ (3 Weeks Ago),খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),abu mosa (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago),Bara ibn Malik (3 Weeks Ago)

  7. #4
    Member আলী ইবনুল মাদীনী's Avatar
    Join Date
    Jul 2019
    Location
    Pakistan
    Posts
    471
    جزاك الله خيرا
    136
    1,042 Times جزاك الله خيرا in 390 Posts
    Quote Originally Posted by আদনানমারুফ View Post
    দেখুন, হাদিসের সব আম বা ব্যাপক। সুতরাং তাকে নির্দিষ্ট কোনো দলের সাথে খাস করার কোনই যুক্তি নেই।
    এটা পাকিস্তানের শফি সাহেবের ফতোয়া ৷ (হাতের নাগালে কিতাব না থাকাতে ভালভাবে প্রমাণ পেশ করতে পারতেছি না)
    "জিহাদ ঈমানের একটি অংশ ৷"-ইমাম বোখারী রহিমাহুল্লাহ

  8. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to আলী ইবনুল মাদীনী For This Useful Post:

    আদনানমারুফ (3 Weeks Ago),খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),abu mosa (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago),Bara ibn Malik (3 Weeks Ago)

  9. #5
    Senior Member abu mosa's Avatar
    Join Date
    May 2018
    Posts
    1,573
    جزاك الله خيرا
    9,112
    2,235 Times جزاك الله خيرا in 1,084 Posts
    মাশাআল্লাহ।
    আনেক সুন্দর আলোচনা করেছেন।
    আল্লাহ কবুল করুন,আমিন।
    Last edited by Munshi Abdur Rahman; 3 Weeks Ago at 06:11 AM.
    হয়তো শরিয়াহ, নয়তো শাহাদাহ,,

  10. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to abu mosa For This Useful Post:

    আদনানমারুফ (3 Weeks Ago),খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),মারজান (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago),Bara ibn Malik (3 Weeks Ago)

  11. #6
    Senior Member salman rumi's Avatar
    Join Date
    Feb 2018
    Posts
    228
    جزاك الله خيرا
    90
    456 Times جزاك الله خيرا in 180 Posts
    জাযাকুমুল্লাহ ভাই!
    আমি আসলে কল্পনাও করিনি তাহকীকে এমন কিছু উঠে আসতে পারে। এ বিষয়টা কখনোই কল্পনা করিনি যে, গাজওয়াতুল হিন্দ এখনো সংঘটিত হয়নিএই ধারণা পোষণকারীদের ধারণাও ভুল। মানহাজের অধিকাংশ ভাই মনে হয় এ বিষয়টা জানেন না। আমি নিজেও তো আপনার এই লেখা পাঠ করার পূর্বে ধোঁয়াশার মধ্যে ছিলাম। একটা বিষয় খারাপ লাগছে, দুর্বল সূত্রে বর্ণিত যে হাদীসটিতে গাজওয়াতুল হিন্দ বিজয়ের সুসংবাদ এবং মুশরেকদেরকে শিকল পরিয়ে টেনে নেয়ার সুসংবাদ রয়েছে, সেটা কি তাহলে ভুলে যেতে হবে?
    যাই হোক আশা করি সাময়িক এই মন খারাপ ভাব চলে যাবে ইনশাআল্লাহ! তবে এটা তো অবশ্যই খুশির সংবাদ যে, এই ভূভাগে আমরা মুশরিকদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হলে সেটা গজোয়াতুল হিন্দের শামিল হবে আলহামদুলিল্লাহ! মানুষকে একথা বোঝাতে হবে, সম্মান নিয়ে শাহাদাত বরণ করার মধ্যে কখনই পরাজয় নেই। আসল পরাজয় তো হচ্ছে, মুমিনরা নিজেদের আদর্শ বিস্মৃত হয়ে যাওয়া। নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক!

  12. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to salman rumi For This Useful Post:

    আদনানমারুফ (3 Weeks Ago),আহমাদ সালাবা (3 Weeks Ago),খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),মারজান (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago)

  13. #7
    Senior Member Bara ibn Malik's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Location
    asia
    Posts
    1,815
    جزاك الله خيرا
    7,758
    4,664 Times جزاك الله خيرا in 1,606 Posts
    আলহামদুলিল্লাহ, অনেক অনেক উপকৃত হয়েছি। আমরা মাজলুম মুসলিমদের জন্ত যুদ্ধহ৷ করি
    ولو ارادوا الخروج لاعدواله عدةولکن کره الله انبعاثهم فثبطهم وقیل اقعدوا مع القعدین.

  14. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to Bara ibn Malik For This Useful Post:


  15. #8
    Senior Member আহমাদ সালাবা's Avatar
    Join Date
    Dec 2019
    Location
    হিন্দুস্তান
    Posts
    295
    جزاك الله خيرا
    962
    803 Times جزاك الله خيرا in 264 Posts
    মাশা আল্লাহ। শুকরান প্রিয় ভাই, অনেক সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। জাযাকাল্লাহু খাইরান।
    আর তোমরা হতাশ হয়োনা এবং দুঃখ করো না, তোমরাই জয়ী হবে, যদি তোমরা মুমিন হও। আলে ইমরান [৩:১৩৯]

  16. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to আহমাদ সালাবা For This Useful Post:

    খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago)

  17. #9
    Senior Member salahuddin aiubi's Avatar
    Join Date
    Oct 2015
    Posts
    824
    جزاك الله خيرا
    0
    1,432 Times جزاك الله خيرا in 554 Posts
    মাশাআল্লাহ। জাযাাকাল্লাহ। বাকি এ ব্যাপারে আরো ইমামগণের মতামতও নিয়ে আসা যেতে পারে। কারণ এ রকম অনেকগুলো ভবিষ্যদ্বাণীর ব্যাপারেই তো আলেমগণের মতভেদ রয়েছে। কেউ বলেছেন: ইতিমধ্যে হয়ে গেছে। কেউ বলেছেন: এখনো হয়নি, সামনে হবে। যারা বলেছেন, সামনে হবে তাদের দলিল ও যুক্তিগুলোও এখানে আলোচনা করলে বিষয়টা ভালোভাবে বুঝা যেত।

    আর যে কটি যয়ীফ হাদিস আছে, সেগুলোর মান নিয়েও একটু বিশ্লেষণ করলে ভালো হয়। যাতে ওই হাদিসগুলো কি একেবারে বলার অযোগ্য, নাকি কম শক্তিশালী হলেও বলা যায় কিংবা অন্যান্য শাহিদ (সমর্থক) হাদিসের কারণে মোটামোটি গ্রহণযোগ্য হয় সেটা জানা যায়।

    আশা করি, ভাই এ বিষয়গুলো খেয়াল করবেন ইনশাআল্লাহ।

  18. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to salahuddin aiubi For This Useful Post:

    খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago)

  19. #10
    Senior Member
    Join Date
    Feb 2019
    Posts
    243
    جزاك الله خيرا
    247
    737 Times جزاك الله خيرا in 206 Posts
    Quote Originally Posted by salman rumi View Post
    জাযাকুমুল্লাহ ভাই!
    একটা বিষয় খারাপ লাগছে, দুর্বল সূত্রে বর্ণিত যে হাদীসটিতে গাজওয়াতুল হিন্দ বিজয়ের সুসংবাদ এবং মুশরেকদেরকে শিকল পরিয়ে টেনে নেয়ার সুসংবাদ রয়েছে, সেটা কি তাহলে ভুলে যেতে হবে?
    একেবারে ভুলে যেতে হবে এমন নয়, বরং নিশ্চিত বিশ্বাস রাখা যাবে না যে, এমনটাই ঘটবে। বরং সম্ভাবনার পর্যায়ে রাখতে হবে, হলে হতেও পারে, না ও হতে পারে। কারণ, হাদিসটা যয়ীফ হলেও মওযু বা জাল নয়। কারণ হাদিসের মধ্যে কোন কাজ্জাব বা মিথ্যাবাদী নেই। শুধু একজন রাবীর নাম মুবহাম বা অজ্ঞাত। বাকীরা ছিকাহ-নির্ভরযোগ্য। আহলে হাদিসদের সমস্যা হলো, ওরা যয়ীফ ও মওযুর মধ্য পার্খক্য বুঝে না, বা বুঝলেও নিজেদের মতলব হাসিলের জন্য মানতে চায় না। এ কারণেই আবু বকর যাকারিয়া দুটি হাদিস ব্যতীত বাকী সবগুলোকে বানোয়াট বলে দিয়েছে। এটাও ওর মূর্থতার একটা প্রমাণ। আসলে এগুলো রাসূলের ভবিষ্যৎবাণী “কিয়ামতের পূর্বে মূর্খরাই নেতা বনে যাবে, তারা নিজেদের মনগড়া ফতোয়া দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবে, ইসলামকে ধ্বংস করবে” এর প্রতিফলন। আল্লাহ আমাদের এদের থেকে সতর্ক থাকার তাওফিক দান করুন।

  20. The Following 3 Users Say جزاك الله خيرا to আদনানমারুফ For This Useful Post:

    খুররাম আশিক (3 Weeks Ago),মারজান (3 Weeks Ago),ALQALAM (3 Weeks Ago)

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •