Page 1 of 2 12 LastLast
Results 1 to 10 of 13
  1. #1
    Senior Member
    Join Date
    Feb 2019
    Posts
    247
    جزاك الله خيرا
    279
    757 Times جزاك الله خيرا in 209 Posts

    একটি প্রশ্নের উত্তর:- নারীদের জন্য পুরুষদের ছবি-ভিডিও দেখার বিধান

    একটি প্রশ্নের উত্তর:- নারীদের জন্য পুরুষদের ছবি-ভিডিও দেখার বিধান

    কিছুদিন আগে এক বোন প্রশ্ন করেছিলেন, আমাদের বিভিন্ন প্রকাশনা ও ভিডিওতে নারীদের যে ছবি আসে সেগুলো ঢেকে অস্পষ্ট করে দেয়া হয়, কিন্তু পুরুষের ছবি ঢাকা হয় না। অথচ ভিডিও তো নারীরাও দেখেন, তাহলে কি তাদের গুনাহ হবে না?

    তো এর উত্তর হলো:- নারীদের জন্য পুরুষদের দেখার ব্যাপারে আলেমদের দুটি মত রয়েছে,
    ১. নারীদের জন্য পুরুষকে দেখা হারাম, যেমনিভাবে পুরুষদের জন্য নারীদের দেখা হারাম।
    ২. যদি ফেতনার আশংকা না থাকে তাহলে নারীদের জন্য পুরুষদের দেখা বৈধ।

    যেহেতু উভয় মতের স্বপক্ষেই দলিল রয়েছে তাই সাধারণ অবস্থায় নারীদের জন্য সতর্কতার ভিত্তিতে পুরুষদের থেকে দৃষ্টি অবনত রাখাই বাঞ্ছনীয়। তবে আমরা পুরুষদের যে ছবি-ভিডিও প্রচার করি তা জিহাদের প্রয়োজনেই করে থাকি। এক্ষেত্রে পুরুষদের ছবিও ঢেকে দিলে ছবি-ভিডিওর কোন আবেদন বাকী থাকবে না। আর এসব ছবি-ভিডিওতে সাধারণত আকর্ষণীয় কোন পুরুষের দৃশ্যও না থাকায় ফিতনার আশংকা থাকে না। তাই আশা করি আমাদের বোনেরা শুধু জিহাদের প্রয়োজনে এসব ভিডিও দেখলে কোন সমস্যা নেই। তবে যদি কারো ক্ষেত্রে এসব ভিডিও দেখলেও ফিতনার আশংকা থাকে তবে তার জন্য তা দেখা বৈধ হবে না। আর বিনা প্রয়োজনে এমনিতেই পুরুষদের ছবি-ভিডিও দেখা থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

    এবার মূল মাসয়ালা উভয় পক্ষের দলিল সহ পেশ করছি:-

    সহিহ মুসলিমের এক হাদিসে এসেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমা বিনতে কয়েস রাযি. কে অন্ধ সাহাবী আব্দুল্লাহ বিন উম্মে মাকতুম রাযি. এর ঘরে ইদ্দত পালন করতে বলেন। -সহিহ মুসলিম, ১৪৮০

    এ হাদিসের ব্যাখ্যায় আল্লামা তাকী উসমানী দা.বা. বলেন,

    قوله: فإنه رجل أعمى قال النووي: احتج بعض الناس بهذا على جواز نظر المرأة إلى الأجنبي، بخلاف نظره إليها، وهذا قول ضعيف، بل الصحيح الذي عليه جمهور العلماء وأكثر الصحابة أنه يحرم على المرأة النظر إلى الأجنبي كما يحرم عليه النظر إليها لقوله تعالى: {قل للمؤمنين يغضوا من أبصارهم} {وقل للمؤمنات يغضضن من أبصارهن} ولأن الفتنة مشتركة وكما يخاف الافتتان بها، تخاف الافتتان به
    ثم احتج النووي بقوله عليه السلام لأم سلمة وميمونة: أفعمياوان أنتما؟. ثم قال: وأما حديث فاطمة بنت قيس مع ابن أم مكتوم فليس فيه إذن لها في النظر إليه بل فيه أنها تأمن عنده من نظر غيرها وهي مأمورة بغض بصرها فيمكنها الاحتراز من النظر بلا مشقة بخلاف بيت أم شريك.
    قال العبد الضعيف عفا الله عنه : وأما من قال بجواز نظر المرأة إلى الرجل فاستدل بما أخرجه البخاري في باب نظر المرأة إلى الحبش ونحوهم عن عائشة قالت: "رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يسترني بردائه، وأنا أنظر إلى الحبشة يلعبون في المسجد، حتى أكون أنا التي أسأم". وقال الحافظ تحته: وظاهر الترجمة أن المصنف كان يذهب إلى جواز نظر المرأة إلى الأجنبي، بخلاف عكسه، وهي مسألة شهيرة، واختلف الترجيح فيها عند الشافعية، وحديث الباب يساعد من أجاز، وقد تقدم في أبواب العيدين جواب النووي عن ذلك، بأن عائشة كانت صغيرة السن دون البلوغ، أو كان قبل الحجاب ...... ولكن تقدم ما يعكر عليه، وأن في بعض طرقه أن ذلك كان بعد قدوم وفد الحبشة، وأن قدومهم كان سنة سبع، ولعائشة يومئذ ست عشرة سنة فكانت بالغة، وكان ذلك بعد الحجاب.
    وحجة من منع حديث أم سلمة المشهور: أفعمياوان أنتما؟ وهو حديث أخرجه أصحاب السنن، وإسناده قوي. والجمع بين الحديثين احتمال تقدم الواقعة، أو أن يكون في قصة الحديث الذي ذكره نبهان (مولى أم سلمة) شيء يمنع النساء من رؤيته، لكون ابن أم مكتوم أعمى، فلعله كان منه شيء ينكشف ولا يشعر به.
    ثم قال الحافظ: ويقوي الجواز استمرار العمل على جواز خروج النساء إلى المساجد والأسواق والأسفار منتقبات، لئلا يراهن الرجال، ولم يؤمر الرجال قط بالانتقاب لئلا يراهم النساء، فدل على تغاير الحكم بين الطائفتين. وبهذا احتج الغزالي على الجواز، فقال: لسنا نقول إن وجه الرجل في حقها عورة كوجه المرأة في حقه، بل هو كوجه الأمرد في حق الرجل، فيحرم النظر عنه خوف الفتنة فقط، وإن لم تكن فتنة فلا راجع فتح الباري تكملة فتح الملهم بشرح صحيح الإمام مسلم - المجلد الأول (ص: 137)

    ইমাম নববী রহ. বলেন, কেউ কেউ এ হাদিস দিয়ে মহিলাদের জন্য বেগানা পুরুষের দিকে তাকানো বৈধ হওয়ার পক্ষে দলিল দিয়েছেন। এ মতটি দূর্বল। বরং সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেম ও অধিকাংশ সাহাবীর মতে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য একে অপরের দিকে তাকানো হারাম। কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, (হে নবী!) আপনি মুমিনদের বলে দিন তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি অবনত রাখে, . এবং মুমিন নারীদের বলে দিন, তারাও যেন নিজেদের দৃষ্টি অবনত রাখে। (সুরা নূর, ২৯-৩০) তাছাড়া ফিতনার আশংকা তো উভয় পক্ষেই রয়েছে।

    এরপর ইমাম নববী রহ. তার বক্তব্যের স্বপক্ষে উম্মে সালামা ও মাইমুনাহ রাযি. এর হাদিস দিয়ে দলিল দেন, তারা একদিন রাসূলের কাছে বসা ছিলেন। তখন অন্ধ সাহাবী আব্দুল্লাহ বিন উম্মে মাকতুম রাযি. রাসূলের নিকট আসলে রাসূল তাদেরকে ভিতরে যেতে বলেন। তারা বললেন, তিনি তো অন্ধ, আমাদের দেখবেন না? রাসূল বললেন, তোমরাও কি অন্ধ? তোমরা কি তাকে দেখতে পাবে না? (সুনানে তিরমিযি, ২৭৭৮ ইমাম তিরমিযি রহ. সহিহ বলেছেন)

    আর যারা জায়েয হওয়ার মত অবলম্বন করেছেন, তারা সহিহ বুখারীতে বর্ণিত আয়েশা রাযি. এর হাদিস দিয়ে দলিল দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি একদিন হাবশীদের খেলা দেখছিলাম। তারা মসজিদের আঙ্গিনায় খেলছিল। আমি খেলা দেখে বিরক্ত না হওয়া পর্যন্ত দেখছিলাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তাঁর চাদর দিয়ে আড়াল করে রেখেছিলেন। )সহিহ বুখারী, ৫২৩৬)

    হাদিসের ব্যাখ্যায় হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন, ইমাম বুখারী হাদিসের যে শিরোনাম দিয়েছেন তা থেকে বুঝে আসে, তিনি মহিলাদের জন্য বেগানা পুরুষকে দেখা জায়েয হওয়ার পক্ষে। এটি একটি প্রসিদ্ধ মাসয়ালা। এ ব্যাপারে শাফেয়ী মাযহাবের আলেমদের মধ্যে কোন মতটি অগ্রগণ্য তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। উল্লিখিত হাদিসটি বৈধতাকে প্রমাণ করে। ইমাম নববী রহ. এর উত্তরে বলেছেন, আয়েশা তখন ছোট ছিলেন, কিংবা তখনোও পর্দার বিধান অবতীর্ণ হয়নি। কিন্তু হাদিসটির কোন কোন বর্ণনায় এসেছে, এ ঘটনাটি ঘটেছে হাবশার লোকেরা রাসূলের নিকট প্রতিনিধিরূপে আসার সময়ে। আর তারা এসেছিলেন নবম হিজরীতে। তখন আয়েশা রাযি. এর বয়স ছিল ষোল বছর, সুতরাং তিনি বালেগাই ছিলেন। আর তখন পর্দার বিধানও অবতীর্ণ হয়ে গিয়েছিল।

    এরপর হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন, মুসলমানদের নিরবিচ্ছিন আমল হলো, মহিলারা নেকাব পড়ে মসজিদ, বাজার ও সফরে বের হয়, যেন পুরুষরা তাদের দেখতে না পায়। কিন্তু মহিলারা যেন পুরুষদের দেখতে না পায় এজন্য পুরুষদের কখনো নেকাব পড়ার নির্দেশ দেয়া হয়নি। এটা পুরুষ-মহিলা দুই শ্রেণীর হুকুম ভিন্ন হওয়ার দলিল। এর আলোকেই ইমাম গাযালী রহ. জায়েয হওয়ার মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মহিলার জন্য পুরুষের চেহারা দেখা পুরুষের জন্য দাড়িবিহীন বালকের চেহারা দেখার মতো। যদি ফিতনার আশংকা থাকে তবে দেখা হারাম হবে। আর যদি ফিতনার আশংকা না থাকে তাহলে বৈধ হবে। -তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম, ১/১৩৭

    উল্লেখ্য, এ মাসয়ালা ব্যাপকভাবে প্রচার করা কাম্য নয়, কেননা বর্তমান যমানা হিসেবে মহিলারাও পুরুষকে দেখতে পারবে না- এ ফতোয়াই মুনাসিব। শরিয়তের সব মাসয়ালা সবসময় প্রকাশ করা ঠিক না। অনেক সময় জাহেল সুবিধাবাদীরা কিছু কিছু মাসয়ালার অপব্যবহার করে থাকে। তাই ফতোয়া দেয়ার ক্ষেত্রে সমাজের প্রচলন, প্রশ্নকারীর অবস্থা ইত্যাদি বিষয়ের বিবেচনা করা জরুরী। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এক বৃদ্ধ এসে রোযা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে স্ত্রীসুলভ আচরণ করার ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন? রাসূল তাকে অনুমতি দিলেন। এরপর এক যুবক এসে হুবহু একই প্রশ্ন করলে, তিনি তাকে নিষেধ করে দিলেন। সুনানে আবু দাউদ, ২৩৮৭

    অথচ একাধিক সহিহ হাদিসে খোদ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক রোযা অবস্থায় স্ত্রীদের চুমো দেওয়ার বিষয়টি সুপ্রমানিত। -সহিহ বুখারী, ১৯২৭-১৯২৯ সহিহ মুসলিম, ১১০৬-১১০৮ কিন্তু যেহেতু যুবক স্ত্রীসুলভ আচরণ শুরু করলে নিজেকে এর উপরই সীমাবদ্ধ রাখতে পারবে না। সে আরো আগে বেড়ে যাবে, যা তার রোযা ভাঙ্গার কারণ হতে পারে, কিন্তু বৃদ্ধের অবস্থা ভিন্ন। তাই রাসূল দুজনকে ভিন্ন ভিন্ন ফতোয়া দিয়েছেন।

    তো ফিতনা-ফাসাদের বর্তমান যুগে পর্দার ব্যাপারে শিথিলতামূলক কোন ফতোয়া প্রচার করা উচিত নয়। মিযানুর রহমান আযহারী নারীদের চেহারায় নেকাব ব্যবহারের ব্যাপারে দলিলের আলোকে যে মতভেদ উল্লেখ করেছেন তা সঠিক হলেও এর প্রচার করাটা ঠিক হয়নি। কারণ এখন এমনিতেই নারীরা নেকাব পড়তে চায় না। আবার যদি তারা শুনে যে এ ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে এবং চেহারা খোলা রাখার পক্ষেও দলিল রয়েছে, তো যারা এখন নেকার পড়ে না তারা তো কখনো নেকাব পড়তে চাইবেই না, বরং যারা নেকাব পড়ে তাদের অনেকেই হয়তো নেকাব খুলে ফেলবে। আযহারী সাহেব যতই বলেন, চেহারা সৌন্দর্যের রাজধানী, তাই আমার নিকট চেহারা ঢেকে রাখার মতটিই রাজেহ-অগ্রগণ্য- এতে হয়তো খুব বেশি কাজ হবে না।

    যেহেতু প্রশ্ন এসেই গেছে, তাই বাধ্য হয়ে উত্তর দিতে হলো। তাছাড়া আশা করি জিহাদের প্রতি আগ্রহী বোনেরা এ ফতোয়ার অপব্যবহারও করবেন না।
    আল্লাহ আমাদেরকে দ্বীনের ব্যাপারে সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন।
    الجهاد محك الإيمان

    জিহাদ ইমানের কষ্টিপাথর

  2. The Following 10 Users Say جزاك الله خيرا to আদনানমারুফ For This Useful Post:

    আলোকিত হৃদয় (3 Weeks Ago),কালো পতাকাবাহী (2 Weeks Ago),তাহমিদ হাসান (2 Weeks Ago),মারজান (2 Weeks Ago),Abdur Rahman Al Ansari (2 Weeks Ago),Abu Abdullah Barayah (2 Weeks Ago),abu mosa (2 Weeks Ago),diner pothik (2 Weeks Ago),Masum Shariar (2 Weeks Ago),Munshi Abdur Rahman (3 Weeks Ago)

  3. #2
    Moderator
    Join Date
    Jul 2019
    Posts
    1,097
    جزاك الله خيرا
    3,116
    2,468 Times جزاك الله خيرا in 797 Posts
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এক বৃদ্ধ এসে রোযা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে স্ত্রীসুলভ আচরণ করার ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন? রাসূল তাকে নিষেধ করলেন। এরপর এক যুবক এসে হুবহু একই প্রশ্ন করলে, তিনি তাকে নিষেধ করে দিলেন। সুনানে আবু দাউদ, ২৩৮৭
    এখানে মনে হয়, এমন হবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এক বৃদ্ধ এসে রোযা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে স্ত্রীসুলভ আচরণ করার ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন? রাসূল তাকে অনুমতি দিলেন।

    হাফেয ইবনে হাযার বলেন
    হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন এমন করে লিখলে সুন্দর হয় মনে হয়।
    Last edited by Munshi Abdur Rahman; 3 Weeks Ago at 09:47 PM.
    ধৈর্যশীল সতর্ক ব্যক্তিরাই লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত।-শাইখ উসামা বিন লাদেন রহ.

  4. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to Munshi Abdur Rahman For This Useful Post:


  5. #3
    Member
    Join Date
    Feb 2020
    Posts
    222
    جزاك الله خيرا
    1
    413 Times جزاك الله خيرا in 159 Posts
    জাযাকাআল্লাহ্ আখি অন্তরের চাওয়া পুরন হলো, আল্লাহ্ আপনার মেহনত কবুল করুন,, মিডিয়ার ভাইদের কবুল করুন আমিন।

  6. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to Rumman Al Hind For This Useful Post:


  7. #4
    Senior Member
    Join Date
    Feb 2019
    Posts
    247
    جزاك الله خيرا
    279
    757 Times جزاك الله خيرا in 209 Posts
    Quote Originally Posted by Munshi Abdur Rahman View Post
    এখানে মনে হয়, এমন হবে “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এক বৃদ্ধ এসে রোযা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে স্ত্রীসুলভ আচরণ করার ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন? রাসূল তাকে অনুমতি দিলেন।”

    “হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন” এমন করে লিখলে সুন্দর হয় মনে হয়।
    জাযাকাল্লাহ আখি, ঠিক করে দিয়েছি।

  8. The Following 4 Users Say جزاك الله خيرا to আদনানমারুফ For This Useful Post:

    কালো পতাকাবাহী (2 Weeks Ago),abu mosa (2 Weeks Ago),mohammod bin maslama (2 Weeks Ago),Munshi Abdur Rahman (2 Weeks Ago)

  9. #5
    Moderator
    Join Date
    Jul 2019
    Posts
    1,097
    جزاك الله خيرا
    3,116
    2,468 Times جزاك الله خيرا in 797 Posts
    Quote Originally Posted by আদনানমারুফ View Post
    জাযাকাল্লাহ আখি, ঠিক করে দিয়েছি।
    “হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন” এক জায়গার কথা বললাম, তাই এক জায়গাতেই ঠিক করলেন!
    আসলে আমার উদ্দেশ্য হলো: এমন সব জাগয়াতেই ঠিক করা।
    এমনিভাবে ‘ইমাম নববী বলেন’ এখানেও একই কথা।
    মোটকথা: পূর্ববর্তী উলামা-ফুকাহা, মুহাদ্দিসীন, মুফাসসিরীন (রাহিমাহুল্লাহ)দের নামের শেষে রহ. যোগ করা উচিত। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেহনতের বদৌলতে কুরআন হাদীসের ইলম আমাদের কাছে এসেছে। যারা ইলমের সংরক্ষণ করেছেন ও উম্মাহর কল্যাণে নিবেদিত ছিলেন। তাদের নাম উচ্চারণ ও লেখার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভক্তি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা উচিত। বরং তা কাম্য।
    আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সকলকে সহীহ বুঝ দান করুন ও তাদের সকলের উপর তাঁর রহমতের বারিধার বর্ষণ করুন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।
    ধৈর্যশীল সতর্ক ব্যক্তিরাই লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত।-শাইখ উসামা বিন লাদেন রহ.

  10. The Following 4 Users Say جزاك الله خيرا to Munshi Abdur Rahman For This Useful Post:


  11. #6
    Senior Member কালো পতাকাবাহী's Avatar
    Join Date
    Dec 2018
    Location
    تحت السماء
    Posts
    633
    جزاك الله خيرا
    5,624
    1,413 Times جزاك الله خيرا in 513 Posts
    মাশাআল্লাহ। অনেকদিন ধরেই এমন একটি পোষ্ট আশা করছিলাম। আল্লাহ সুবঃ আপনার মেহনত কবুল করুন,আমীন।
    বিবেক দিয়ে কোরআনকে নয়,
    কোরআন দিয়ে বিবেক চালাতে চাই।

  12. The Following 4 Users Say جزاك الله خيرا to কালো পতাকাবাহী For This Useful Post:

    আদনানমারুফ (2 Weeks Ago),abu mosa (2 Weeks Ago),mohammod bin maslama (2 Weeks Ago),mrhfaruke (2 Weeks Ago)

  13. #7
    Senior Member
    Join Date
    Feb 2019
    Posts
    247
    جزاك الله خيرا
    279
    757 Times جزاك الله خيرا in 209 Posts
    Quote Originally Posted by Munshi Abdur Rahman View Post
    “হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন” এক জায়গার কথা বললাম, তাই এক জায়গাতেই ঠিক করলেন!
    আসলে আমার উদ্দেশ্য হলো: এমন সব জাগয়াতেই ঠিক করা। ....

    আফওয়ান, আখি, বিষয়টি খেয়াল করিনি। এবার সব জায়গাতেই ঠিক করে দিয়েছি।

  14. The Following 4 Users Say جزاك الله خيرا to আদনানমারুফ For This Useful Post:

    abu mosa (2 Weeks Ago),Masum Shariar (2 Weeks Ago),mohammod bin maslama (2 Weeks Ago),Munshi Abdur Rahman (2 Weeks Ago)

  15. #8
    Junior Member Abdur Rahman Al Ansari's Avatar
    Join Date
    Jan 2020
    Location
    فوق الارض
    Posts
    34
    جزاك الله خيرا
    212
    69 Times جزاك الله خيرا in 25 Posts
    মাশাআল্লাহ আল্লাহ তায়ালা আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!!! কারণ আনেক লোক এ বিষয় নিয়ে ভ্রান্তিতে নিপতিত আছেন।।।

  16. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to Abdur Rahman Al Ansari For This Useful Post:

    আদনানমারুফ (2 Weeks Ago),abu mosa (2 Weeks Ago)

  17. #9
    Senior Member উম্মে আয়শা's Avatar
    Join Date
    Jul 2018
    Posts
    114
    جزاك الله خيرا
    40
    172 Times جزاك الله خيرا in 71 Posts
    তবে আমরা পুরুষদের যে ছবি-ভিডিও প্রচার করি তা জিহাদের প্রয়োজনেই করে থাকি। এক্ষেত্রে পুরুষদের ছবিও ঢেকে দিলে ছবি-ভিডিওর কোন আবেদন বাকী থাকবে না।
    তাহলে কি আপনি মনে করেন, যে ছবির কারণে মানুষ একদিকে ফিতনাগ্রস্তও হতে থাকবে, আবার* এদিকে আমরা লড়ে যাচ্ছি ফিতনা নির্মূল করার জন্য। এমতবস্থায় দুনিয়া থেকে চিরতরে ফিতনা নির্মূল হয়ে যাবে? ? একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ছবি ভিডিওর কারণে কোন মানুষকে ফিতনায় ফেলানো কতটুকু সঠিক?

    তবে যদি কারো ক্ষেত্রে এসব ভিডিও দেখলেও ফিতনার আশংকা থাকে তবে তার জন্য তা দেখা বৈধ হবে না। আর বিনা প্রয়োজনে এমনিতেই পুরুষদের ছবি-ভিডিও দেখা থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
    মনে করুন যেন সকল বোনের পক্ষেই এটা পরুষদের মতই ফিতনার আশংখা রয়েছে । তাহলে কি উম্মাহর বোনদের উপদেশের প্রয়োজন নেই? এমতবস্থায় আমার বুঝে আসে যে, হয়ত ছবি আকারে বা ছবির সাথে যত নসীহাত করা হচ্ছে, এগুলো মূলত উম্মাহর ভাইদের জন্য । বোনদের জন্য নয়, তাইতো?
    কিন্তু আমাদের ফোরাম কিংবা সকল সাইট এমন নয়, কারণ এসবগুলোই তৈরী হয়েছিলো মূলত মুসলমান সকল ভাই-বোনের দাওয়াতী মেহনত ও উম্মাহর খেদমতের জন্য । এগুলো কারো মনের খাহেশ পূরা করার জন্য নয়! যাতে সকল মুসলিমের জীবন বাঁচবে ও আল্লাহর দ্বীন বিজয়ী হবে, এজন্যই এগুলোর ইনতেজাম।

    কেননা বর্তমান যমানা হিসেবে মহিলারাও পুরুষকে দেখতে পারবে না- এ ফতোয়াই মুনাসিব।
    আমার মতে এটা শুধু এখনের সাময়িক সময়ের জন্য নয়, বরং সর্বদা এমন হলেই আশা করি স্ত্রী-পুরুষ সকলের জন্যই ফিতনা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব হবে, ফলে খুব দ্রুতই আমাদের হাতে দুনিয়ার সকল ফিতনা নির্মূল হয়ে পুনরায় আল্লাহর খিলাফাত কায়েম হবে ইনশাআল্লাহ ।

    তাছাড়া আশা করি জিহাদের প্রতি আগ্রহী বোনেরা এ ফতোয়ার অপব্যবহারও করবেন না।
    সম্মানীত আলেম ভাই! অপব্যবহার দ্বারা আপনি কী বুঝায়তে চান?

    এব্যাপারে হানাফী মাযহাব কী বলেন??????

    নোট: ১.যদি পুরুষদের ক্ষেত্রে নারীদের ছবি দেখা ফিতনার কারণ হয়, তাহলে কোন বোধসম্পন্ন মানুষ এটা অস্বীকার করতে পারবে না যে, তখন নারীদের জন্য সেটা ফিতনার কারণ হবেনা।
    ২. আমার প্রশ্ন জন্ম নিলো ও বুঝতে সমস্যা হলো, তাই দ্বিতীয়বার প্রশ্ন করলাম। আশাকরি উম্মাহর খেদমতার্থে মুহতারাম ভাইয়েরা আবারো এগিয়ে আসবেন।

    আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ও আপনাদেরকে সকল কথায়, কাজে উত্তম প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ গ্রহণের তাওফীক দিন আমীন ।
    হক্বের মাধ্যমে ব্যক্তি চিনো,
    ব্যক্তির মাধ্যমে হক্ব চিনো না।

  18. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to উম্মে আয়শা For This Useful Post:

    বদর মানসুর (2 Weeks Ago),abu mosa (2 Weeks Ago)

  19. #10
    Senior Member
    Join Date
    Feb 2019
    Posts
    247
    جزاك الله خيرا
    279
    757 Times جزاك الله خيرا in 209 Posts
    Quote Originally Posted by উম্মে আয়শা View Post
    তাহলে কি আপনি মনে করেন, যে ছবির কারণে মানুষ একদিকে ফিতনাগ্রস্তও হতে থাকবে, আবার এদিকে আমরা লড়ে যাচ্ছি ফিতনা নির্মূল করার জন্য। এমতবস্থায় দুনিয়া থেকে চিরতরে ফিতনা নির্মূল হয়ে যাবে? ? একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ছবি ভিডিওর কারণে কোন মানুষকে ফিতনায় ফেলানো কতটুকু সঠিক?
    ফিতনা দ্বারা আমার উদ্দেশ্য হলো, শাহওয়াত বা কামনা-বাসনা জাগ্রত হওয়া। সংগত কারণেই এ শব্দটি আমি বারবার বলতে চাচ্ছি না। তবে সবজাগাতে এটাই উদ্দেশ্য। আর আমি বলেছি, “এসব ছবি-ভিডিওতে সাধারণত আকর্ষণীয় কোন পুরুষের দৃশ্য না থাকায় ফিতনার আশংকা থাকে না।” অর্থাৎ এসব ছবি-ভিডিও দেখে কোন নারীর শাহওয়াত আসে না। আমি উল্লেখ করেছি, আলেমদের এক মতানুযায়ী মহিলাদের জন্য ফিতনার আশংকা না থাকলে পুরুষের ছবি-ভিডিও দেখা জায়েয।

    মনে করুন যেন সকল বোনের পক্ষেই এটা পুরুষদের মতই ফিতনার আশংকা রয়েছে। তাহলে কি উম্মাহর বোনদের উপদেশের প্রয়োজন নেই? এমতবস্থায় আমার বুঝে আসে যে, হয়ত ছবি আকারে বা ছবির সাথে যত নসীহাত করা হচ্ছে, এগুলো মূলত উম্মাহর ভাইদের জন্য। বোনদের জন্য নয়, তাইতো? কিন্তু আমাদের ফোরাম কিংবা সকল সাইট এমন নয়, কারণ এসবগুলোই তৈরী হয়েছিলো মূলত মুসলমান সকল ভাই-বোনের দাওয়াতী মেহনত ও উম্মাহর খেদমতের জন্য। এগুলো কারো মনের খাহেশ পূরা করার জন্য নয়! যাতে সকল মুসলিমের জীবন বাঁচবে ও আল্লাহর দ্বীন বিজয়ী হবে, এজন্যই এগুলোর ইনতেজাম।
    যদি আমি মনে করতাম, এসব জিহাদি ভিডিও দেখলে বোনদের ফিতনার আশংকা রয়েছে তাহলে তো মাসয়ালার হুকুম ভিন্ন হতো। কিন্তু আমি তো বলেছিই, আমার মতে এসব ভিডিও দেখলে বোনদের ফিতনার আশংকা নেই। যদি কারো নিকট মনে হয় এসব ভিডিও দেখলেও বোনদের ফিতনার আশংকা রয়েছে তবে তার নিকট মাসয়ালার হুকুম ভিন্ন হবে, এটাই স্বাভাবিক।


    আমার মতে এটা শুধু এখনের সাময়িক সময়ের জন্য নয়, বরং সর্বদা এমন হলেই আশা করি স্ত্রী-পুরুষ সকলের জন্যই ফিতনা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব হবে, ফলে খুব দ্রুতই আমাদের হাতে দুনিয়ার সকল ফিতনা নির্মূল হয়ে পুনরায় আল্লাহর খিলাফাত কায়েম হবে ইনশাআল্লাহ ।
    এটা আপনার মত হতে পারে, কিন্তু হানাফী, শাফেয়ী ও হান্বলী মাযহাব অনুযায়ী ফিতনার আশংকা না থাকলে পুরুষকে দেখা জায়েয। তো এত শক্তিশালী একটি মতকে তো আর একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না। বিশেষকরে যখন তাদের স্বপক্ষেও সহিহ হাদিস রয়েছে। -দেখুন, মওসুয়্যাহ ফিকহিয়্যাহ, ৪০/৩৫৫

    সম্মানীত আলেম ভাই! অপব্যবহার দ্বারা আপনি কী বুঝাতে চান?
    অপব্যবহার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, জিহাদি ভিডিওতে পুরুষের ছবি দেখা বৈধ বলার কারণে সবসময়ই বিনাপ্রয়োজনে পুরুষের ছবি দেখতে থাকা।

    এ ব্যাপারে হানাফী মাযহাব কী বলে?
    হানাফী মাযহাব হলো ফিতনার আশংকা না থাকলে মহিলাদের জন্য পুরুষকে দেখা জায়েয। ‘হেদায়া’ কিতাবে বলা হয়েছে,


    ويجوز للمرأة أن تنظر من الرجل إلى ما ينظر الرجل إليه منه إذا أمنت الشهوة. (الهداية: 4/369 دار احياء التراث العربي - بيروت - لبنان).

    “যদি মহিলার শাহওয়াত জাগ্রত হওয়ার আশংকা না থাকে তাহলে একজন পুরুষের জন্য অপর পুরুষের যেসব অঙ্গ দেখা জায়েয, মহিলার জন্যও পুরুষের সেসব অঙ্গ দেখা জায়েয। -হেদায়া, ৪/৩৬৯

    ফতোয়ায়ে শামীতে এসেছে,

    قال في الدر المختار: (6/371 ط. دار الفكر المطبوع مع رد المحتار)
    (وكذا) تنظر المرأة (من الرجل) كنظر الرجل للرجل (إن أمنت شهوتها) فلو لم تأمن أو خافت أو شكت حرم كالرجل، هو الصحيح في الفصلين. تتارخانية معزيا للمضمرات
    وقال الشامي تحته:
    (قوله وكذا تنظر المرأة إلخ) وفي كتاب الخنثى من الأصل: أن نظر المرأة من الرجل الأجنبي بمنزلة نظر الرجل إلى محارمه، لأن النظر إلى خلاف الجنس أغلظ. هداية. والمتون على الأول، فعليه المعول (قوله حرم استحسانا إلخ) أقول: الذي في التتارخانية عن المضمرات: فأما إذا علمت أنه يقع في قلبها شهوة أو شكت، ومعنى الشك: استواء الظنين، فأحب إلي أن تغض بصرها، هكذا ذكر محمد في الأصل، فقد ذكر الاستحباب في نظر المرأة إلى الرجل الأجنبي، وفي عكسه قال: فليجتنب، وهو دليل الحرمة، وهو الصحيح في الفصلين جميعا اهـ ملخصا. ومثله في الذخيرة، ونقله ط عن الهندية. اه
    ـ

    নোট: ১. যদি পুরুষদের ক্ষেত্রে নারীদের ছবি দেখা ফিতনার কারণ হয়, তাহলে কোন বোধসম্পন্ন মানুষ এটা অস্বীকার করতে পারবে না যে, তখন নারীদের জন্য সেটা ফিতনার কারণ হবেনা।
    বড়ই আশ্চর্যজনক কথা, তাহলে যে আলেমগণ বলেছেন, ফিতনার আশংকা না থাকলে নারীদের জন্য পুরুষকে দেখা বৈধ তারা কি বোধসম্পন্ন নন ?!!! আসলে ফিতনার আশংকা থাকুক বা না থাকুক, সর্বাবস্থায় পুরুষের জন্য নারীকে দেখা হারাম। এ ব্যাপারে কোন মতভেদ নেই। কিন্তু নারীদের জন্য পুরুষকে দেখার ব্যাপারে আলেমদের দুটি মত রয়েছে। কেউ বলেছেন, সর্বাবস্থায় দেখা হারাম। কেউ বলেছেন, ফিতনার আশংকা না থাকলে দেখা বৈধ। উভয়পক্ষেরই দলিল রয়েছে যা আমি উল্লেখ করেছি। আর এ ধরণের ইখতেলাফী মাসয়ালায় প্রয়োজনে (বিশেষ করে জিহাদের মত দ্বীনী প্রয়োজনে) যে কোন একটি মত গ্রহণ করার অবকাশ রয়েছে। এ কারণেই তো আলেমদের ইখতেলাফকে রহমত বলা হয়। উমর বিন আব্দুল আযীয রহ. বলেন, “সাহাবায়ে কেরামের মতভেদ না করা আমার নিকট পছন্দনীয় নয়। কারণ যদি তারা মতভেদ না করতেন তাহলে (একাধিক বিষয়ের) রুখসত-অনুমতি হতো না।” ইমাম মালিকের উস্তায বিখ্যাত তাবেয়ী ইয়াহয়া বিন সাইদ আনসারী রহ. বলেন, “ أهل العلم أهل توسعةআহলে ইলমগণ (ইখতেলাফের মাধ্যমে) মানুষের জন্য একাধিক বিষয় গ্রহণের সুযোগ করে দেন।” -কাশফুল খফা, ১/৬৫

    ২. আমার প্রশ্ন জন্ম নিলো ও বুঝতে সমস্যা হলো, তাই দ্বিতীয়বার প্রশ্ন করলাম। আশাকরি উম্মাহর খেদমতার্থে মুহতারাম ভাইয়েরা আবারো এগিয়ে আসবেন।
    আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ও আপনাদেরকে সকল কথায়, কাজে উত্তম প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ গ্রহণের তাওফীক দিন আমীন ।
    আপনি কোনটা চাচ্ছেন? একেবারেই ছবি-ভিডিও বন্ধ করে দেয়া, না নারীদের মত পুরুষদের চেহারাও ঢেকে দেয়া- এ বিষয়টি পরিস্কার করে বললে ভালো হয়।

    যাই হোক, আমি যথাসম্ভব কঠোর ভাষা ব্যবহার না করার চেষ্টা করেছি, এরপরও আমার কোন কথা কঠোর ও মনোকষ্টের কারণ হলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আবেদন করছি। জিহাদপ্রেমী ভাই-বোনদের সাথে ঝগড়াঝাটি করা আমার উদ্দেশ্য নয়। আল্লাহ আমাদের তার পথে সীসাঢালা প্রাচীরের মতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করার তাওফীক দান করুন। আমাদেরকে সেই কাফের-মুনাফিকদের মতো না বানান যাদের ব্যাপারে তিনি বলেছেন, “তাদের আপসের মধ্যে বিরোধ প্রচন্ড, তুমি তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ মনে করবে, কিন্তু তাদের অন্তর বহুধা বিভক্ত।”

  20. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to আদনানমারুফ For This Useful Post:

    তাহমিদ হাসান (2 Weeks Ago),বদর মানসুর (2 Weeks Ago),মারজান (2 Weeks Ago),abu mosa (2 Weeks Ago),Munshi Abdur Rahman (2 Weeks Ago)

Similar Threads

  1. Replies: 7
    Last Post: 11-17-2019, 07:03 AM
  2. Replies: 7
    Last Post: 05-30-2019, 11:53 PM
  3. Replies: 3
    Last Post: 07-23-2018, 07:31 AM
  4. Replies: 5
    Last Post: 04-11-2017, 09:44 AM
  5. Replies: 2
    Last Post: 04-05-2017, 12:36 PM

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •