Results 1 to 9 of 9
  1. #1
    Media
    Join Date
    Apr 2017
    Location
    হিন্দুস্তান
    Posts
    128
    جزاك الله خيرا
    102
    623 Times جزاك الله خيرا in 124 Posts

    Al Quran আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী এবং শয়তানের পথে যুদ্ধকারীর মধ্যকার গুরুত্বপূর্ন পার্থক্য

    আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী এবং শয়তানের পথে যুদ্ধকারীর মধ্যকার গুরুত্বপূর্ন পার্থক্য

    আল্লাহর প্রশংসা এবং রাসূল সাঃ এর প্রতি সালাত ও সালামা আদায়ের পর।
    একদিকে মুজাহিদীনে কেরাম যারা ইলায়ে কালিমাতিল্লাহ এবং ইসলামী বিধান বাস্তবায়নের জন্য যুদ্ধ করছে। আল্লাহর জমীনে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা বা করা তাদের মিশন। এরাই يقاتلون في سبيل الله (আল্লাহর পথে তারা যুদ্ধ করে।) এর মেসদাক। এরাই মূর্তি চূর্ণ - বিচূর্ণকারী। এরা আওলাদে ইব্রাহীম আঃ।
    অপর দিকে নামধারী মুসলিম শাসকশ্রেণী এবং তাদের গোয়েন্দা ও সেনাবাহিনী যারা কুফরের ফ্রণ্ট লাইনে যুদ্ধ করছে। তাদের মিশন হচ্ছে মুসলিমদের পবিত্র ভুখন্ডে আমেরিকার সংবিধান কায়েম করা এবং এর প্রভাব প্রতিপত্তি বজায় রাখা। এরাই يُقاتِلُوْنَ في سبيل الطاغوت (যারা তাগুতের পথে যুদ্ধ করে) এর মেসদাকের অন্তর্ভূক্ত। এরা মূর্তির পূজারী এবং তার রক্ষক। এরা নমরুদের বংশধর।
    একদিকে মুজাহিদীনদের বিজয় বা গাজী হওয়া অথবা শহীদ হয়ে যাওয়া। যদিও মুজাহিদীনদের নিজেদের সাথীদের বিচ্ছেদ সহ্য করতে হয়। কিন্তু তারা সাথী ভাইদের শাহাদাত নিয়ে সর্বদা গর্ব অনুভব করে।কারণ সে তো কামিয়াব। যেমনটা মুয়াজ বিন জাবাল রাঃ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাঃ ইরশাদ করেনঃ
    শুনো! ইসলামের চাকা ঘুরতে থাকে। সুতরাং যেদিকে কুরআনের রোখ সেদিকে ঘুরে যাও! মনে রেখ! কুরআন এবং তার অনুসারীরা অচিরেই পৃথক হয়ে যাবে। খবরদার! তোমরা কুরআনের সঙ্গ ছাড়বে না। ভবিষ্যতে এমন শাসক আসবে যারা তোমাদের ব্যাপারে ফয়সালা করবে। যদি তোমরা তাদের অনুসরণ করো তাহলে তোমাদেরকে গোমরাহ করে ছাড়বে। আর যদি তোমরা তার অবাধ্য হও তাহলে তোমাদেরকে মৃত্যু দোয়ারে পৌঁছে দিবে।
    মুয়াজ বিন জাবাল রাঃ প্রশ্ন করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমরা তখন কী করবো? রাসূল সাঃ উত্তর দিলেন, তোমরা তাই করবে যা হযরত ঈসা আঃ এর সাথী হাওয়ারিয়্যীনরা করেছিল। তাদেরকে করাত দিয়ে ফাড়া হয়েছিল এবং শুলে চড়ানো হয়েছিল। (তাবরানী)
    হে আল্লাহর পথে যুদ্ধকারীরা! তোমরাইতো ঐ সকল মুজাহিদীন যারা নবী আঃ এবং সাহাবা রাঃ এর ইতিহাসকে যিন্দা করেছো। তাদের নারা সব সময়ই فزتُ و رب الكعبة ( কাবার রবের শপথ! আমি সফল হয়েছি।) ছিল।
    অপর দিকে এই শাসক শ্রেণী এবং তাদের বাহিনী নিজেদের উপর নমরুদ ও তার বাহিনীর মহর মেরে রেখেছে। যারা ইসলামের সাথে মহব্বত রাখার কারণে ইব্রাহীম আ: এর বংশধরদের আগুনে নিক্ষেপ করছে। ফেরআউনের মতো আল্লাহর নাম জপে এমন ব্যক্তিদের শুলে চড়াচ্ছে। এরা ঐ সকল নাপাক লোক যারা সামান্য ডলারের বিনিময় মুসলমানদের ইজ্জত আব্রুকে পদদলিত করছে। কিন্তু এরা যেহেতু বাতিল তাই এদের পরাজয় নির্ধারিত এবং লাঞ্ছনা অবধারিত। ইনশাআল্লাহ
    কিছুদিন পূর্বে পাকিস্তান সরকার কয়েকজন মুজাহিদের সাথে হাজার হাজার নিরিহ মুসলিমকে হত্যা করেছে। এইতো কয়েকদিন আগেও ২২ জন মুজাহিদকে ফাঁসির রায় শুনিয়েছে। যা সরকারের দূর্বলতার পরিচায়ক। আপনি যদি পাকিস্তানের কয়েকদিন আগের খবরগুলো পড়ে থাকেন তাহলে জানতে পারবেন যে, তালেবানরা হাজারও পাকিস্তানী সৈন্য বন্দী করে এবং পরবর্তীতে ছেড়ে দিয়েছে। যেমন পাকিস্তানের ওয়াজিরিস্তানের কমান্ডার বাইতুল্লাহ মেহসুদ আনুমানিক ৩০০ এবং সোয়াতে ফজলুল্লাহ খুরাসানীসহ অন্যান্য এলাকার মুজাহিদীনরা হাজারো সৈন্যকে গ্রেফতার করে সম্মানের সাথে মুক্তি দিয়েছে।
    কিন্তু বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের শাসকশ্রেণী মুজাহিদীনদের ক্ষমা করাতো দূরের কথা, এরাতো সাধারণ মানুষকেই ক্ষমা করে না। আর এটা কিভাবেই সম্ভব যখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিজেদের বোন আফিয়া সিদ্দিকাকে সামান্য ডলারের বিনিময় কুফ্ফারদের কাছে বিক্রি করে দেয়। তালেবান দূত মোল্লা আব্দুস সালাম যাঈফকে গ্রেফতার করে আমেরিকার হাওলা করে দেয়। শত শত মেহমান এবং মেজবান মুজাহিদকে জেলে ঢুকিয়েছে। আর এদের কতককে কাফেরদের হাওলা করেছে। পাকিস্তান সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর বোমা হামলা করার মতো ইতিহাস তৈরী করেছে। সর্বপ্রথম বাজোড়ে এক দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে। তারপর ইসলামাবাদের লাল মসজিদ এবং জামেয়া হাফসা ও জামিয়া ফরিদিয়ার উপর বিষাক্ত বোমা নিক্ষেপ করে। আমাদের সম্মানিত বোনদের শুধু ইসলামের সাথে মহব্বত করার কারণে শহীদ করা হয়, বন্দী করে কুফফারদের কাছে বিক্রি করা হয়।
    পাকিস্তানের তালেবানদের মুখপাত্র হাজী মুসলিম খানকে তার সকল সাথীকে সহ গায়েব করা হয়েছিল। কিন্তু এব্যাপারে কেউ একটু টু শব্দও করেনি। তাদের আইন কি দূত হত্যার বৈধতা দেয়? তাদের আকল কি এটা সমর্থন করে?
    এই হলো আমাদের মুসলিম দেশের শাসকদের অবস্থা। যারা শুধু শরীয়ত প্রতিষ্ঠার দাবী তোলার কারণে মুসলিমদের হত্যা করছে কিংবা বিক্রি করছে। তারা অস্ত্রের ভাষা ব্যতীত কিছুই বুঝেনা। তারা নিজেদের আকলকে ভারত এবং আমেরিকার কাছে সঁপে দিয়েছে।
    আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তাগুতদের বাস্তবতা বুঝার তাওফীক দিন। আমীন!

    ( উমার মিডিয়া)

  2. The Following 13 Users Say جزاك الله خيرا to তাহরীদ মিডিয়া For This Useful Post:

    আবু মুহাম্মাদ (08-08-2017),আল জিহাদ (05-01-2017),কাল পতাকা (05-14-2018),গাযওয়াতুল হিন্দ (04-16-2017),Abu Zannah (10-23-2018),bokhtiar (08-05-2017),MUBARIZ (08-06-2017),Mujaheed of Hind (04-16-2017),saifullah.ibrahim (05-01-2017),Taalibul ilm (05-01-2017),Talhah Bin Ubaidullah (04-16-2017),tariq (08-08-2017),unknown (08-25-2017)

  3. #2
    Senior Member গাযওয়াতুল হিন্দ's Avatar
    Join Date
    Feb 2016
    Location
    হিন্দুস্তান
    Posts
    301
    جزاك الله خيرا
    460
    579 Times جزاك الله خيرا in 196 Posts
    জাযাকাল্লাহ ।

  4. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to গাযওয়াতুল হিন্দ For This Useful Post:


  5. #3
    Member
    Join Date
    Mar 2017
    Posts
    35
    جزاك الله خيرا
    1
    40 Times جزاك الله خيرا in 19 Posts
    জনতার পক্ষ থেকে আপনাকে মোবারকবাদ। আপনার সময় উপযোগী ক্ষুরধার লিখনীর বিনিময় হোক শুধুই জান্নাত।

  6. The Following User Says جزاك الله خيرا to জনতার কন্ঠ For This Useful Post:

    Abu Zannah (10-23-2018)

  7. #4
    Junior Member
    Join Date
    May 2016
    Posts
    227
    جزاك الله خيرا
    184
    345 Times جزاك الله خيرا in 118 Posts
    চমৎকার লেখা।অনেক তথ্য বিশ্লেষন।
    আমি সেই ভাইকে ভাই মনে করি না,যে নিজ ধর্মের শত্রুকে বন্ধু মনে করে।

  8. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to আল জিহাদ For This Useful Post:

    Abu Zannah (10-23-2018),bokhtiar (08-05-2017)

  9. #5
    Senior Member bokhtiar's Avatar
    Join Date
    Oct 2016
    Location
    asia
    Posts
    1,523
    جزاك الله خيرا
    4,702
    3,354 Times جزاك الله خيرا in 1,332 Posts
    আখি জাযাকাল্লাহু খাইরান, এটি এমন একটি পোস্ট, যাতে প্রচুর পরিমাণে দ্বীনি ইলম রয়েছে।
    শুকরিয়া।

  10. The Following User Says جزاك الله خيرا to bokhtiar For This Useful Post:

    Abu Zannah (10-23-2018)

  11. #6
    Senior Member Shirajoddola's Avatar
    Join Date
    Jul 2017
    Posts
    380
    جزاك الله خيرا
    552
    669 Times جزاك الله خيرا in 250 Posts
    মাশাআল্লাহ, অনেক সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি আর্টকেল।

  12. The Following User Says جزاك الله خيرا to Shirajoddola For This Useful Post:

    Abu Zannah (10-23-2018)

  13. #7
    Member
    Join Date
    Aug 2017
    Posts
    74
    جزاك الله خيرا
    31
    100 Times جزاك الله خيرا in 47 Posts
    মাশাআল্লাহ, অনেক ভাল ও সময়োপযোগী পোস্ট......!
    বাস্তবেইঃ এই সমস্ত আত্মপরিচয়হীন তাগুতদের থেকে মানবতা ও উদারতা পাওয়ার আশা করা বৃথা। এরা কেবল তরবারির ভাষাই বুঝে। তাই সেটাই ব্যবহার করা সময়ের দাবি।

    আল্লাহ তায়ালা তাহরীদ মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ভাইদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

  14. The Following User Says جزاك الله خيرا to MUBARIZ For This Useful Post:

    Abu Zannah (10-23-2018)

  15. #8
    Senior Member মুরাবিত's Avatar
    Join Date
    Aug 2017
    Posts
    206
    جزاك الله خيرا
    3
    311 Times جزاك الله خيرا in 122 Posts
    Quote Originally Posted by তাহরীদ মিডিয়া View Post
    আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী এবং শয়তানের পথে যুদ্ধকারীর মধ্যকার গুরুত্বপূর্ন পার্থক্য

    আল্লাহর প্রশংসা এবং রাসূল সাঃ এর প্রতি সালাত ও সালামা আদায়ের পর।
    একদিকে মুজাহিদীনে কেরাম যারা ইলায়ে কালিমাতিল্লাহ এবং ইসলামী বিধান বাস্তবায়নের জন্য যুদ্ধ করছে। আল্লাহর জমীনে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা বা করা তাদের মিশন। এরাই يقاتلون في سبيل الله (আল্লাহর পথে তারা যুদ্ধ করে।) এর মেসদাক। এরাই মূর্তি চূর্ণ - বিচূর্ণকারী। এরা আওলাদে ইব্রাহীম আঃ।
    অপর দিকে নামধারী মুসলিম শাসকশ্রেণী এবং তাদের গোয়েন্দা ও সেনাবাহিনী যারা কুফরের ফ্রণ্ট লাইনে যুদ্ধ করছে। তাদের মিশন হচ্ছে মুসলিমদের পবিত্র ভুখন্ডে আমেরিকার সংবিধান কায়েম করা এবং এর প্রভাব প্রতিপত্তি বজায় রাখা। এরাই يُقاتِلُوْنَ في سبيل الطاغوت (যারা তাগুতের পথে যুদ্ধ করে) এর মেসদাকের অন্তর্ভূক্ত। এরা মূর্তির পূজারী এবং তার রক্ষক। এরা নমরুদের বংশধর।
    একদিকে মুজাহিদীনদের বিজয় বা গাজী হওয়া অথবা শহীদ হয়ে যাওয়া। যদিও মুজাহিদীনদের নিজেদের সাথীদের বিচ্ছেদ সহ্য করতে হয়। কিন্তু তারা সাথী ভাইদের শাহাদাত নিয়ে সর্বদা গর্ব অনুভব করে।কারণ সে তো কামিয়াব। যেমনটা মুয়াজ বিন জাবাল রাঃ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাঃ ইরশাদ করেনঃ
    শুনো! ইসলামের চাকা ঘুরতে থাকে। সুতরাং যেদিকে কুরআনের রোখ সেদিকে ঘুরে যাও! মনে রেখ! কুরআন এবং তার অনুসারীরা অচিরেই পৃথক হয়ে যাবে। খবরদার! তোমরা কুরআনের সঙ্গ ছাড়বে না। ভবিষ্যতে এমন শাসক আসবে যারা তোমাদের ব্যাপারে ফয়সালা করবে। যদি তোমরা তাদের অনুসরণ করো তাহলে তোমাদেরকে গোমরাহ করে ছাড়বে। আর যদি তোমরা তার অবাধ্য হও তাহলে তোমাদেরকে মৃত্যু দোয়ারে পৌঁছে দিবে।
    মুয়াজ বিন জাবাল রাঃ প্রশ্ন করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমরা তখন কী করবো? রাসূল সাঃ উত্তর দিলেন, তোমরা তাই করবে যা হযরত ঈসা আঃ এর সাথী হাওয়ারিয়্যীনরা করেছিল। তাদেরকে করাত দিয়ে ফাড়া হয়েছিল এবং শুলে চড়ানো হয়েছিল। (তাবরানী)
    হে আল্লাহর পথে যুদ্ধকারীরা! তোমরাইতো ঐ সকল মুজাহিদীন যারা নবী আঃ এবং সাহাবা রাঃ এর ইতিহাসকে যিন্দা করেছো। তাদের নারা সব সময়ই فزتُ و رب الكعبة ( কাবার রবের শপথ! আমি সফল হয়েছি।) ছিল।
    অপর দিকে এই শাসক শ্রেণী এবং তাদের বাহিনী নিজেদের উপর নমরুদ ও তার বাহিনীর মহর মেরে রেখেছে। যারা ইসলামের সাথে মহব্বত রাখার কারণে ইব্রাহীম আ: এর বংশধরদের আগুনে নিক্ষেপ করছে। ফেরআউনের মতো আল্লাহর নাম জপে এমন ব্যক্তিদের শুলে চড়াচ্ছে। এরা ঐ সকল নাপাক লোক যারা সামান্য ডলারের বিনিময় মুসলমানদের ইজ্জত আব্রুকে পদদলিত করছে। কিন্তু এরা যেহেতু বাতিল তাই এদের পরাজয় নির্ধারিত এবং লাঞ্ছনা অবধারিত। ইনশাআল্লাহ
    কিছুদিন পূর্বে পাকিস্তান সরকার কয়েকজন মুজাহিদের সাথে হাজার হাজার নিরিহ মুসলিমকে হত্যা করেছে। এইতো কয়েকদিন আগেও ২২ জন মুজাহিদকে ফাঁসির রায় শুনিয়েছে। যা সরকারের দূর্বলতার পরিচায়ক। আপনি যদি পাকিস্তানের কয়েকদিন আগের খবরগুলো পড়ে থাকেন তাহলে জানতে পারবেন যে, তালেবানরা হাজারও পাকিস্তানী সৈন্য বন্দী করে এবং পরবর্তীতে ছেড়ে দিয়েছে। যেমন পাকিস্তানের ওয়াজিরিস্তানের কমান্ডার বাইতুল্লাহ মেহসুদ আনুমানিক ৩০০ এবং সোয়াতে ফজলুল্লাহ খুরাসানীসহ অন্যান্য এলাকার মুজাহিদীনরা হাজারো সৈন্যকে গ্রেফতার করে সম্মানের সাথে মুক্তি দিয়েছে।
    কিন্তু বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের শাসকশ্রেণী মুজাহিদীনদের ক্ষমা করাতো দূরের কথা, এরাতো সাধারণ মানুষকেই ক্ষমা করে না। আর এটা কিভাবেই সম্ভব যখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিজেদের বোন আফিয়া সিদ্দিকাকে সামান্য ডলারের বিনিময় কুফ্ফারদের কাছে বিক্রি করে দেয়। তালেবান দূত মোল্লা আব্দুস সালাম যাঈফকে গ্রেফতার করে আমেরিকার হাওলা করে দেয়। শত শত মেহমান এবং মেজবান মুজাহিদকে জেলে ঢুকিয়েছে। আর এদের কতককে কাফেরদের হাওলা করেছে। পাকিস্তান সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপর বোমা হামলা করার মতো ইতিহাস তৈরী করেছে। সর্বপ্রথম বাজোড়ে এক দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে। তারপর ইসলামাবাদের লাল মসজিদ এবং জামেয়া হাফসা ও জামিয়া ফরিদিয়ার উপর বিষাক্ত বোমা নিক্ষেপ করে। আমাদের সম্মানিত বোনদের শুধু ইসলামের সাথে মহব্বত করার কারণে শহীদ করা হয়, বন্দী করে কুফফারদের কাছে বিক্রি করা হয়।
    পাকিস্তানের তালেবানদের মুখপাত্র হাজী মুসলিম খানকে তার সকল সাথীকে সহ গায়েব করা হয়েছিল। কিন্তু এব্যাপারে কেউ একটু টু শব্দও করেনি। তাদের আইন কি দূত হত্যার বৈধতা দেয়? তাদের আকল কি এটা সমর্থন করে?
    এই হলো আমাদের মুসলিম দেশের শাসকদের অবস্থা। যারা শুধু শরীয়ত প্রতিষ্ঠার দাবী তোলার কারণে মুসলিমদের হত্যা করছে কিংবা বিক্রি করছে। তারা অস্ত্রের ভাষা ব্যতীত কিছুই বুঝেনা। তারা নিজেদের আকলকে ভারত এবং আমেরিকার কাছে সঁপে দিয়েছে।
    আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তাগুতদের বাস্তবতা বুঝার তাওফীক দিন। আমীন!

    ( উমার মিডিয়া)
    zajakomollah allah vaider k aro khedmot korar taofik da korun ameen

  16. The Following User Says جزاك الله خيرا to মুরাবিত For This Useful Post:

    Abu Zannah (10-23-2018)

  17. #9
    Senior Member
    Join Date
    Jul 2015
    Location
    طاعون خوارج
    Posts
    753
    جزاك الله خيرا
    611
    599 Times جزاك الله خيرا in 308 Posts
    যাজাকুমুল্লাহ খাইরান।

  18. The Following User Says جزاك الله خيرا to কাল পতাকা For This Useful Post:

    Abu Zannah (10-23-2018)

Similar Threads

  1. Replies: 12
    Last Post: 03-10-2019, 09:21 AM
  2. Replies: 3
    Last Post: 04-16-2017, 07:54 AM
  3. সাহাবা এবং আমাদের মধ্যে পার্থক্য কি?
    By s_forayeji in forum তাযকিয়াতুন নাফস
    Replies: 5
    Last Post: 10-08-2016, 12:25 PM
  4. Replies: 3
    Last Post: 09-25-2016, 07:25 PM

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •