ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
প্রিয় ভাই, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে উত্তম বদলা দান করন।
কালেমা পরনে ওয়ালা কোন মুসলমান চাই সে দীনদার হোক অথবা ফাসেক/ফাজের / গুনাহগার মুসলিমের সম্পদ গনিমাহ হতে পারে না।
গনীমাহ হচ্ছে কাফের মুশরেকদের সাথে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ এর নাম। এটা মুসলিমদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতেই পারে না।
কেননা এক মুসলিমের জান,মাল, ইজ্জত হরন কর আরেক মুসলিমের জন্য হারাম।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজ্জ্বের ভাষণে বলেছিলেন:إِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ بَيْنَكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي شَهْرِكُمْ هَذَا فِي بَلَدِكُمْ هَذَا
নিশ্চয়ই তোমাদের পরস্পরের জান, মাল ও সম্মান ঠিক তেমনি অলংঘনীয় যেমনিভাবে তোমাদের এই নগরীতে [অর্থাৎ মক্কা নগরী] এই মাসের এই দিনটি [অর্থাৎ যিলহজ্জের ১০ তারিখ] পবিত্র৷ [বুখারী, মুসলিম৷]
অপর হাদীসে তিনি বলেন:كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ دَمُهُ وَمَالُهُ وَعِرْضُهُ
প্রত্যেক মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের জীবন, সম্পদ ও সম্মান অলংঘনীয়৷ (মুসলিম৷)
জাযকাল্লাহু খাইরান।
প্রিয় ভাই, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে উত্তম বদলা দান করন।
কালেমা পরনে ওয়ালা কোন মুসলমান চাই সে দীনদার হোক অথবা ফাসেক/ফাজের / গুনাহগার মুসলিমের সম্পদ গনিমাহ হতে পারে না।
গনীমাহ হচ্ছে কাফের মুশরেকদের সাথে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ এর নাম। এটা মুসলিমদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতেই পারে না।
কেননা এক মুসলিমের জান,মাল, ইজ্জত হরন কর আরেক মুসলিমের জন্য হারাম।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজ্জ্বের ভাষণে বলেছিলেন:إِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ بَيْنَكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي شَهْرِكُمْ هَذَا فِي بَلَدِكُمْ هَذَا
নিশ্চয়ই তোমাদের পরস্পরের জান, মাল ও সম্মান ঠিক তেমনি অলংঘনীয় যেমনিভাবে তোমাদের এই নগরীতে [অর্থাৎ মক্কা নগরী] এই মাসের এই দিনটি [অর্থাৎ যিলহজ্জের ১০ তারিখ] পবিত্র৷ [বুখারী, মুসলিম৷]
অপর হাদীসে তিনি বলেন:كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ دَمُهُ وَمَالُهُ وَعِرْضُهُ
প্রত্যেক মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের জীবন, সম্পদ ও সম্মান অলংঘনীয়৷ (মুসলিম৷)
জাযকাল্লাহু খাইরান।