PDA

View Full Version : কাফিরের রক্ত হালাল না হারাম? জুমহুরের মাযহাব কী??



Anjem Chowdhury
07-15-2016, 09:47 PM
কাফিরের রক্ত হালাল: জুমহুর কর্তৃক প্রত্যাখাত মত

কাফিরের রক্তের মূলনীতি হল তা হালাল- এটা জুমহুরের (অধিকাংশ 'উলামা`দের) বক্তব্য নয়। জুমহুরের মতে কাফিরের রক্ত যুদ্ধে লিপ্ত হবার আগ পর্যন্ত হালাল হয় না।

জুমহুরের মাযহাবঃ

الكافر الأصلي الذي ليس هو من أهل القتال، فإنه لا يقتل عند أكثر العلماء كأبي حنيفة ومالك وأحمد.

অধিকাংশ উলামা` যেমনঃ আবু হানীফা (রহঃ), মালিক (রহঃ), আহমাদ (রহঃ) এর মতে- মুরতাদ নয় এমন কাফির (কাফির আসলি) যদি যুদ্ধে সম্পৃক্ত (আহলুল ক্বিতাল) না হয়, তবে তাদের হত্যা করা যাবে না।

সুত্রঃ islamqa.info/ar/107105

জুমহুরের মাযহাব উল্লেখ করে শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়্যাহ (রহঃ) তার মাজমু' আল ফাতাওয়া [২০/১০১-১০২] গ্রন্থে লিখেন-

فَأَبُو حَنِيفَةَ رَأَى أَنَّ الْكُفْرَ مُطْلَقًا إنَّمَا يُقَاتَلُ صَاحِبُهُ لِمُحَارَبَتِهِ فَمَنْ لَا حِرَابَ فِيهِ لَا يُقَاتَلُ وَلِهَذَا يَأْخُذُ الْجِزْيَةَ مِنْ غَيْرِ أَهْلِ الْكِتَابِ الْعَرَبِ وَإِنْ كَانُوا وَثَنِيِّينَ. وَقَدْ وَافَقَهُ عَلَى ذَلِكَ مَالِكٌ وَأَحْمَد فِي أَحَدِ قَوْلَيْهِ وَمَعَ هَذَا يَجُوزُ الْقَتْلُ تَعْزِيرًا وَسِيَاسَةً فِي مَوَاضِعَ. وَأَمَّا الشَّافِعِيُّ فَعِنْدَهُ نَفْسُ الْكُفْرِ هُوَ الْمُبِيحُ لِلدَّمِ إلَّا أَنَّ النِّسَاءَ وَالصِّبْيَانَ تُرِكُوا لِكَوْنِهِمْ مَالًا لِلْمُسْلِمِينَ

ইমাম আবু হানীফার (রহঃ) সিদ্ধান্ত হচ্ছে: কুফরের কারণে তার ধারকের (কাফের) সাথে লড়াই কেবল তখনই হতে পারে, যখন সে লড়াই করবে। আর যে লড়াইয়ে অংশ নিবে না, তার বিরূদ্ধে লড়াই করা যাবে না। আর একারণেই আহলে কিতাব না হয়ে মূর্তিপূজক হওয়া সত্ত্বেও আরবদের কাছ [যুদ্ধ না করে] থেকে জিযিয়া নেয়া হয়েছিল এবং এ বিষয়ে ইমাম মালিক (রহঃ), আহমদ (রহঃ) তার সাথে একমত পোষণ করেছেন (তার দুইমতের একটি অনুযায়ী)। তবে এটা সত্ত্বেও শাস্তি হিসেবে কিংবা রাজনৈতিক কারণে কাফেরকে হত্যা করা কিছু ক্ষেত্রে জায়েয আছে। আর ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) এর মতে স্বয়ং কুফরই রক্ত মুবাহ (হালাল) হওয়ার কারণ। তবে নারী-শিশুদের হত্যা করা হয় না, কারণ তারা মুসলিমদের সম্পত্তিতে পরিণত হয়ে থাকে।

শায়খুল ইসলাম (রহঃ) অন্যত্র জুমহুরের মাযহাবকেই সঠিক প্রমাণ করে লিখেনঃ

فإن الأصل أن دم الآدمي معصوم لا يقتل إلا بالحق وليس القتل للكفر من الأمر الذي اتفقت عليه الشرائع ولا أوقات الشريعة الواحدة كالقتل قودا فإنه مما لا تختلف فيه الشرائع ولا العقول

মূলনীতি হচ্ছে যেকোন আদম সন্তানের রক্ত মা'সুম (অর্থাৎ রক্ত ঝরানো থেকে বিরত থাকতে হবে)। কোন ন্যায় সঙ্গত কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করা যাবে না। শুধু কুফরের কারণে তাকে হত্যা করা এমন একটি বিষয়, যার ব্যাপারে শরীয়াহর বিধানসমূহ কোন একটি সময়ের জন্যও একমত হয় নি, যেমনটি কিসাস (القَوَدُ القِصاصُ - লিসানুল 'আরব) হিসেবে হত্যা করার ব্যাপারে হয়েছে, এমনকি বিবেকও (আক্বল) এতে একমত হয় না।

[আস সারিম আল মাসলুল, পৃ. ১০৪]

ইমাম আস সারাখসী আল হানাফী (রহঃ) (৪৮৩ হি.) লিখেন:

إن الآدمي في الأصل محقون الدم والإباحة بعارض القتال فإذا زال ذلك بعقد الذمة عاد الحقن الأصلي
"মৌলিকভাবে একজন মানুষের রক্ত ঝরানো নিষেধ এবং (রক্ত ঝরানোর) বৈধতা কেবল তার যুদ্ধে সম্পৃক্ততার কারণেই হয়। আর যখন এটি (যুদ্ধে সম্পৃক্ততা) যিম্মাহর চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়ে যায়, তার (রক্ত ঝরানোর) নিষেধাজ্ঞা পুনরায় ফিরে আসে।

["আল-মাবসুত", ১০/৮১]

শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) কাফির নারীদের ব্যাপারে বলেন:

قتل المرأة لمجرد الكفر لا يجوز ولا نعلم قتل المرأة الكافرة الممسكة عن القتال أبيح في وقت من الأوقات

"একজন নারীকে কেবল কুফরের কারণে হত্যা করা জায়েয নয়, এবং আমরা এমন কোন সময়ের কথা জানি না যখন যুদ্ধ থেকে বিরত নারী হত্যার বৈধতা দেয়া হয়েছিল"।

["আস সারিম আল মাসলুল", পৃ. ১০১]

হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ কিতাব আল হিদায়াহ-তে ৩/২৮০-২৮১ আল্লামা মারগিনানী (রহঃ) লিখেন-

ولا يقتلوا امرأة ولا صبيا ولا شيخا فانيا ولا مقعدا ولا أعمى لأن المبيح للقتل عندنا هو الحراب ولا يتحقق منهم ولهذا لا يقتل يابس الشق والمقطوع اليمنى والمقطوع يده ورجله من خلاف والشافعي رحمه الله تعالى يخالفنا في الشيخ الفاني والمقعد والأعمى لأن المبيح عنده الكفر والحجة عليه ما بينا وقد صح أن النبي عليه الصلاة والسلام نهى عن قتل الصبيان والذراري

"এবং নারী, শিশু, অতিবৃদ্ধ, পঙ্গু, অন্ধকে হত্যা করা যাবে না কেননা আমাদের (হানাফীদের) কাছে হত্যার বৈধতা দাণকারী হচ্ছে যুদ্ধে অংশগ্রহণ, যা এদের মাঝে পাওয়া যায় না। আর একই কারণে একপাশ অচল, ডানহাত কর্তিত, বিপরীত দিক থেকে হাত-পা কর্তিতদেরও হত্যা করা যাবে না। তবে ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) এর মত ভিন্ন। তিনি অতিবৃদ্ধ, পঙ্গু, অন্ধের ব্যাপারে আমাদের সাথে মতবিরোধ করেছেন কেননা তার নিকট হত্যার বৈধতা দাণকারী হচ্ছে কুফর। আর তার বিরূদ্ধে দলীল হচ্ছে নবী সাঃ থেকে বর্ণিত সহীহ হাদীস যেখানে তিনি নারী-শিশু হত্যা করতে নিষেধ করেছেন।"

জমহুরের বক্তব্য পরিত্যাগ করে কাফিরদের রক্তকে হালাল বলা নিঃসন্দেহে বিপজ্জনক।

হ্যাঁ, তবে কাফির যদি হারবী হয়, নারী-শিশু না হয় তবে সমস্যা নেই। কিন্তু গুলশান হামলায় ৮/৯ জন নারীকে হত্যা করা হয়েছে, যাদের রক্ত হালাল ছিল না। সুতরাং এ কেমন বাছ-বিচার! খারেজীরা তো শরীয়াহর তোয়াক্কা করে না, তারা তাদের সুবিধামত ফতোয়া-শপিং করে, তাই বলে আমরা সহীহ মানহাজের দাবীদার হয়েও এমন কথা বলব?

শায়খ আবু মুহাম্মদ মাকদীসী হাফিযাহুল্লাহ লিখেন,

فمعلوم انه لا يجوز في ديننا أن يعمد إلى قتل الصبيان والنساء غير المقاتلات ونحوهم، فقد فسر أهل العلم - ومنهم حبر القرآن ابن عباس رضي الله عنه - قوله تعالى: {ولا تعتدوا} بقوله: لا تقتلوا النساء والصبيان والشيخ الكبير

وروى مسلم في "باب؛ نساء غازيات... والنهي عن قتل أهل الحرب"، عن ابن عباس رضي الله عنه أيضاً قوله: وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل الصبيان، فلا تقتل الصبيان إلا أن تكون تعلم ما علم الخضر من الصبي الذي قتل

وروى الامام أحمد والحاكم والبيهقي وغيرهم عن الأسود بن سريع أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ما بال قوم جاوزهم القتل حتى قتلوا الذرية؟! ألا لا تقتلوا ذرية، ألا لا تقتلوا ذرية

والأدلة في هذا الباب مشهورة، بل أفتى مالك والأوزاعي بأكثر من هذا فقالوا: (لا يجوز قتل النساء والصبيان بحال، حتى لو تترس أهل الحرب بالنساء والصبيان أو تحصنوا بحصن أو سفينة وجعلوا معهم النساء والصبيان؛ لم يجز رميهم ولا تحريقهم أهـ.

এটা তো জানা কথা যে আমাদের দ্বীনে যোদ্ধা নয় এমন নারী, শিশু এবং তাদের মত অন্যান্যদের আক্রমণের লক্ষ্য বানানো জায়েয নয়। আহলুল ইলম যেমন হিবরুল কুরআন ইবনু আব্বাস রাঃ (এবং সীমালঙ্ঘন করো না ২:১৯০) এর ব্যাখ্যা করেছেন: নারী, শিশু, অতিবৃদ্ধদের হত্যা করো না।

সহীহ মুসলিমে ইবনু আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে- রাসুল সাঃ শিশুদের হত্যা করতেন না, তোমরাও শিশুদের হত্যা করো না। তবে খাযির আঃ এর মত যদি তোমাদের (গায়বের) জ্ঞান থেকে থাকে তবে করতে পার। ইমাম আহমদ, হাকিম, বায়হাক্বী এবং অন্যান্যরা আসওয়াদ বিন সারী' থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেনঃ "লোকেদের কী হল তারা হত্যার ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করছে? সাবধান তোমরা শিশুদের হত্যা করো না। সাবধান তোমরা শিশুদের হত্যা করো না"

আর এ সংক্রান্ত দলীল-প্রমাণগুলোও মশহুর। বরং ইমাম মালিক, আওযায়ী রহঃ ফতোয়া দিয়েছেন, কোন অবস্থাতেই নারী এবং শিশুদের হত্যা করা জায়েয নয়, এমনকি শত্রু যদি নারী-শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আত্মরক্ষা করতে চায়, তবেও নয়। এমনকি যদি তারা নারী এবং শিশু নিয়ে দূর্গে অবস্থান করে কিংবা জাহাজে আরোহণ করে, তবে তাদের উদ্দেশ্যে তীর ছোড়া কিংবা অগ্নিসংযোগ করাও জায়েয নয়।

কিতাবঃ حسن الرفاقة في أجوبة سؤالات سواقة, পৃষ্ঠাঃ ৩৮।

কই? শায়খ মাকদীসী তো কাফির তাই রক্ত হালাল, এই যুক্তি দিয়ে নারীদের হত্যার ফতোয়া দিলেন না????

সমস্ত বিবেচনায় যুদ্ধ ব্যাতিরেকে কাফিরদের রক্ত হালাল গণ্য না করাই শ্রেয়। কারণ ফুকাহাদের নীতি হচ্ছে, কোন বিষয় সম্পর্কে হালাল এবং হারাম দুইটি মতই পাওয়া গেলে, হারামের মতটিই প্রাধাণ্য পাবে, কেননা এটাই নিরাপদ।

Zakaria Abdullah
07-16-2016, 01:04 PM
মাশাআল্লাহ। চিন্তার খোরাক ও গভীর পর্যালোচনার দাবী রাখে।

Ahmad Faruq M
07-16-2016, 02:08 PM
সংশোধনীঃ-
অনেক আগে আমি একটু বিস্তারিত পরেছিলাম যে, কাফিরের রক্ত মূলতঃ হালাল। সেখানে আবু মুহাম্মাদ ভাইয়ের কাউল গুলো ও ছিল।কিন্ত আঞ্জেম চৌধুরির লিখাতে রেফারেন্স থাকায় বিষয়গুলো নিয়ে আবারো যাচাই করার প্রয়োজন বোধ হচ্ছে। দেখি ।

polashi
07-16-2016, 09:20 PM
আন্জেম চৌধুরী লিখেছেন

“এমনকি যদি তারা নারী এবং শিশু নিয়ে দূর্গে অবস্থান করে কিংবা জাহাজে আরোহণ করে, তবে তাদের উদ্দেশ্যে তীর ছোড়া কিংবা অগ্নিসংযোগ করাও জায়েয নয়।”

বাহ !! তাহলে তো তায়েফে মিনজানিক ব্যাবহারও জায়েজ হয়নি

গুলশানে ৮/৯ জন নারী মারা বৈধ হয়নি কিন্তু পুরুষগুলোকে মারা বৈধ হয়েছে। কিন্তু ভাই আন্জেম চৌধুরীর নিকট পুরুষগুলোকে মারাও বৈধ হয়নি।

ওনি যেসব কথা বলতেছেন এগুলো মানলে আর জিহাদ করতে হবে না হাত গুটিয়ে ঘরে বসে থাকতে হবে।

polashi
07-16-2016, 09:27 PM
গুলশান ইস্যুতে আবু আনওয়ার আল হিন্দী ভাই এ পর্যন্ত যা কিছু লিখেছেন সকলকে মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ করব। আল্লাহ তাআলা সকলকে বাড়াবাড়ী ও ছাড়াছাড়ির ফিতনা থেকে হিফাজত করুন। মধ্যপন্থা অবলম্বন করার তাওফিক দান করুন।

আল জিহাদ
07-16-2016, 09:39 PM
মনে হচ্ছে নবী (সাঃ),সাহাবিদের(রাঃ) জিহাদের কোন হাদিস আন্জেম চৌধুরী জানেনা। বা সে সরকারী আলেমের সদস্য। তার প্রোফাইলটা দেখি তো......

আবু মুহাম্মাদ
07-16-2016, 10:55 PM
কাফিরের রক্ত হালাল হওয়ার ব্যপারে ফুকাহাদের মতঃ



قال الكاساني: (والأصل فيه: أن كل من كان من أهل القتال: يحلّ قتله سواء قاتل أو لم يقاتل). [بدائع الصنائع 101/7]

قال الشوكاني: (والمشرك سواء حارب أم لم يحارب: مباح الدم ما دام مشركًا). [السيل الجرار 369/4]

وتأمل قول الفاروق عمر لأبي جندل -رضي الله عنهما-: (فإنما هم مشركون، وإنما دم أحدهم: دم كلب!). رواه أحمد والبيهقي.


قال القرطبي: (والمسلم إذا لقي الكافر ولا عهد له: جاز له قتله).
[تفسير القرطبي 338/5]

قال ابن كثير: (قد حكى ابن جرير الإجماع على أن المشرك يجوز قتله إذا لم يكن له أمان وإن أمّ البيت الحرام أو بيت المقدس) [تفسير ابن كثير 6/2]

(أجمعوا على أن المشرك لو قلد عنقه أو ذراعيه لحاء جميع أشجار الحرم: لم يكن ذلك له أمانا من القتل إذا لم يتقدم له أمان)[تفسير الطبري61/6]بتصرف

قال الإمام النووي: (وأما من لا عهد له، ولا أمان من الكفار: فلا ضمان في قتله على أي دين كان) [روضة الطالبين 259/9]

قال ابن مفلح: (ولا تجب بقتله ديّة ولا كفارة -أي الكافر من لا أمان له- لأنه مباح الدم على الإطلاق كالخنزير) [المبدع263/8]

قال الإمام الشافعي: (الله تبارك وتعالى أباح دم الكافر وماله إلا بأن يؤدي الجزية أو يستأمن إلى مدة). [الأم 264/1]

قال الشوكاني: (أما الكفار فدماؤهم على أصل الإباحة كما في آية السبف؛ فكيف إذا نصبوا الحرب). [السيل الجرار522/4]



শাইখ হারিস আন-নাজ্জারি তার دروسٌ في التوحيدِ والقتال এর তিন নং দরস الكافرُ المعصومُ الدم অর্থাৎ কাফেরের রক্ত হালাল এখানে লিখেনঃ



الكفار المحاربون هم الذين ليس لهم مع المسلمين عهد ولا ذمة، فإذا لم يكن بين الكفار وبين المسلمين عهد فهم أهل حرب؛ وإن لم تكن الحرب قائمة، كل من ليس له عهد مع المسلمين من أمان فهو من أهل الحرب مع المسلمين وهذه مسألة إجماعية وليست مسألة اجتهادية أو قول الجمهور بل انعقد الإجماع على هذا كما قال الإمام الطبري رحمه الله في تفسير جامع البيان، قال رحمه الله: "أجمعوا على أن المشرك لو قلد عنقه أو ذراعيه لحاء جميع أشجار الحرم لم يكن ذلك له أمانًا من القتل إذا لم يكن تقدم له عقد ذمة من المسلمين أو أمان" يقول لو أن الكافر اعتصم بجميع أشجار الحرم التي يحرم قطعها لو اعتصم بها جميعًا لم يكن ذلك أمانًا له حتى يعطيه المسلمون الأمان


আশা করি এখান থেকে নিরেপক্ষ ভাবে আলোচনার খোরাক পাওয়া যাবে।

murabit
07-17-2016, 12:11 AM
ঘটনা এই ভাবে সাজিয়ে নিলে সব মিলে যাবে ইনশাআল্লাহ।
إن الآدمي في الأصل محقون الدم والإباحة بعارض القتال
মানুষের মধ্যে বলতে যদিও মুমিন কাফের উভয়কে বুঝায় কিন্তু উদ্দ্যেশ্য হলো এই সমষ্টির মধ্যে একটি,অর্থাৎ মুসলিম, যেমন
(يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْأِنْسِ أَلَمْ يَأْتِكُمْ رُسُلٌ مِنْكُم )
হে জিন ও ইনসান তোমাদের কাছে কি তোমাদের থেকে রাসূল আগমন করেন নি? তোমাদের বলতে এখানে যদিও জিন ইনসান সবাই কে বুঝায় কিন্তু উদ্দ্যেশ্য সমষ্টির একটি অর্থাৎ মানুষ,
তাহলে অর্থ হলো সাধারন ভাবে মানুষের রক্ত সুরক্ষিত কিন্তু কিতালের দারা এটা অ রক্ষিত হয়ে পড়ে।
আর এই কিতাল /হিরাব কাফেরের একটি অপরিহার্য্য অনুসংগ
ولايزالون يقاتلونكم حتى يردوكم عن دينكم
তারা চিরদিন তোমাদের বিরোদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।অর্থাত কাফের আছে যুদ্ধ আছে,
فَأَبُو حَنِيفَةَ رَأَى أَنَّ الْكُفْرَ مُطْلَقًا إنَّمَا يُقَاتَلُ صَاحِبُهُ لِمُحَارَبَتِهِ فَمَنْ لَا حِرَابَ فِيهِ لَا يُقَاتَلُ
কুফরের সংক্রামক ফিতনা যার মধ্যেই থাকবে সেই আহলে হিরাব হত্যার উপযোগি। তবে নারি শিশু বৃদ্ধের মধ্যে ব্যধিটি সাভাবিক ভাবে সংক্রামক হিসেবে গন্য নহে বিধায় হিরাব নেই। এই কারনেই বনুকুরায়যার বালেগ পুরুষ সবাই কে হত্যা করে দেয়া হয়েছে,যদিও বিশ্বাসঘাতকতার দুষ্কর্মটি সরদার দ্বারাই সঙ্ঘটিত হয়েছিল।সে মুহারিব বিল কুওয়্যাহ অর্থাৎ এখন যুদ্ধে তৎপর না থাকলেও তৎপড়তার সক্ষমতা তার মধ্যে বিদ্যমান,আর এই সক্ষমতাটাকেই বলা হয়েছে حِرَاب ) হিরাব , আর যেখানে কৃষক বা বিভিন্নশ্রেনির পেশাদার দের হত্যা করতে নিষেধ করা হয়েছে সেখানে নিষেধ দ্বারা উদ্দেশ্য হয়েছে কৌশলগত নিষেধ যুদ্ধের প্রয়োজন ছাড়া এদের হত্যা করে লাভ নেই। ওমর রাজিঃ যিনি কৃষক হত্যার ব্যপারে বলেছেন যে তাদের হত্যাকরা অসমিচিন, তিনিই বলেছেন এদের রক্ত কুকুরের রক্তের ন্যয়, যেমন বর্তমানে কৌশলগত কারনে আল কায়েদার উমারা গন বলেন যে ওমুকদের টর্গেট করা উচিত না, কারন এতে ভুল বুঝা বুঝির সৃষ্টি হবে/ শত্রুর সংখ্যা অনর্থক বাড়ানো হবে ,যার ফলে কুফরের ইমাম বড় শত্রু সুযোগ পেয়ে যাবে, তার উপর চাপ কমে যাবে, ইসলামের বিজয় বিলম্বিত হবে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম এমন কৌশল্গত কারনেই মুনাফিকদের হত্যা করেন নি। হুযায়ফা রাঃ কে যখন আবুসুফিয়ানের খবর নিয়ে আসার জন্য পাঠিয়েছেন তাকে হত্যা করতে নিষেধ করে দিয়েছেন।এর অর্থ এটা নয় যে জাসুস হয়ে কাফেরদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে তাদের বড় কাহাকেউ হত্যা করা যাবেনা। বরং সেই সময় তার দ্বারা আবুসুফিয়ান কে বধ করা তখনের জন্য রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুনাসিব মনে করেন নি।নারি শিশুর বৃদ্ধের মধ্যে হিরাব বিল কুওয়্যা নেই, এখন যদি বিল ফেয়েল অর্থাৎ যুদ্ধের কোন প্রকার কার্য্যক্রম যেমন সত্রুর পক্ষে সংবাদ সংগ্রহ,উস্কানি প্রদান,কৌশলচিন্তা, জনমত তৈরি,মুসলিমদের দুর্বলতার পয়েন্ট খোজা,তাদের বদনাম ছড়িয়ে ফিল্ড নষ্ট করা, এসব যদি এদের দ্বারা সংঘটিত হয় তাহলে হিরাব বিদ্যমান হয়ে গেল হত্যা করা যাবে, এই কারনে যখমি কাফের যুদ্ধাকে হত্যা করা যায় যদিও তার মধ্যে বর্তমানে যুদ্ধের সক্ষমতা কার্যকর নেই, ওয়াল্লাহু আলাম।

Zakaria Abdullah
07-17-2016, 10:33 AM
কাফিরের রক্ত হালাল হওয়ার ব্যপারে ফুকাহাদের মতঃ


মাশাআল্লাহ্*, আবু মুহাম্মদ ভাই, যে ক্বওলগুলো এনেছেন, এগুলো এই ব্যাপারে খুবই উপযোগী। ভাই, এগুলোর অনুবাদ করে দিলে সবার জন্য উপকার হবে ইনশাআল্লাহ্*।

murabit
07-17-2016, 05:35 PM
কাফিরের রক্ত হালাল হওয়ার ব্যপারে ফুকাহাদের মতঃ


قال الكاساني: (والأصل فيه: أن كل من كان من أهل القتال: يحلّ قتله سواء قاتل أو لم يقاتل). [بدائع الصنائع 101/7]

কাছানি বলেন এই ক্ষেত্রে মূলনীতি হলোঃ (কাফের দের থেকে)যারা যুদ্ধকরার উপযোগি তাদের হত্যা করা বৈধ সে যুদ্ধেরত হোক অথবা যুদ্ধে রত না হোক।বাদায়ে ১০১/৭

قال الشوكاني: (والمشرك سواء حارب أم لم يحارب: مباح الدم ما دام مشركًا). [السيل الجرار 369/4]

শাওকানি বলেনঃ মুশরিক চাই যুদ্ধকরুক অথবা যুদ্ধ নাই করুক সে যতক্ষন মুশরিক আছে তার রক্ত ঝরানো বৈধ। আচ্ছআয়লুল জাররার ৩৬৯/৪

وتأمل قول الفاروق عمر لأبي جندل -رضي الله عنهما-: (فإنما هم مشركون، وإنما دم أحدهم: دم كلب!). رواه أحمد والبيهقي.
আর চিন্তা করো উমার রাজিঃ আবু জান্দাল রাজিঃ কে কী বলেছেন (তারা মুশরিক বৈ তো নয়, আর তাদের যে কারো রক্ত সুধু কুকুরেরে রক্ত।) আহমাদ বায়হাকির রিওয়াত।


قال القرطبي: (والمسلم إذا لقي الكافر ولا عهد له: جاز له قتله).
[تفسير القرطبي 338/5]
আর মুসলিমের যদি সামনে কাফের পড়ে যায় যার সাথে কন চুক্তি নেইঃ তার জন্য জায়েয আছে একে হত্যা করে দেয়া।
তাফছীরে কুরতবি ৩৩৮/৫

قال ابن كثير: (قد حكى ابن جرير الإجماع على أن المشرك يجوز قتله إذا لم يكن له أمان وإن أمّ البيت الحرام أو بيت المقدس) [تفسير ابن كثير 6/2]
ইবনে কাছীর বলেনঃ(ইবনে জারীর ইজমা/ঐক্যমত উল্ল্যেখ করেছেন যে, মুশরিক কে হত্যা করা জায়েযঃযদি তার জন্য নিরা পত্তা চুক্তি নাথাকে, যদিও সে হারাম শরীফ বা বায়তুল মাকদাসে হজ্জের উদ্দ্যশ্যে গমন করে, তাফছীরে ইবনে কাছীর ৬/২।

(أجمعوا على أن المشرك لو قلد عنقه أو ذراعيه لحاء جميع أشجار الحرم: لم يكن ذلك له أمانا من القتل إذا لم يتقدم له أمان)[تفسير الطبري61/6]بتصرف
সবাই ঐক্যমত যে মুশরিক যদি হারাম শরিফের সব গাছের বাকল /লতা পাতা দিয়েও নিজের বাহু,গলা জড়িয়ে রাখেঃ এটা তাকে হত্যা থেকে নিরাপদ করবেনা যদি আগে থেকে নিরাপত্ত্বাচুক্তি নাথাকে। তাফছীরে তাবারি ৬১/৬ ইষৎপরিবর্তিত

قال الإمام النووي: (وأما من لا عهد له، ولا أمان من الكفار: فلا ضمان في قتله على أي دين كان) [روضة الطالبين 259/9]
ইমাম নববি বলেনঃ(আর যেসব কাফের দের সাথে সন্ধি বা নিরাপত্ত্বাচুক্তি নেইঃ তাকে হত্যা করলে কোন রক্তমুল্য নেই সে যে ধর্মের অনুসারিই হোক না কেন। রাউজাতুত্তালিবীন ২৫৯/৯

قال ابن مفلح: (ولا تجب بقتله ديّة ولا كفارة -أي الكافر من لا أمان له- لأنه مباح الدم على الإطلاق كالخنزير) [المبدع263/8]

ইবনে মুফলিহ রাহঃ বলেন( তাকে হত্যা করার দ্বারা দিয়াত (রক্তপন) বা কাফফারা ওয়াজিব হবেনা - অর্থাৎ কাফের তার আমান (নিরাপত্তা চুক্তি) নেই- কারন তার সাভাবিক ভাবে রক্তবৈধ যেমন শুকর। আল্মুব্দি ২৬৩/৮

قال الإمام الشافعي: (الله تبارك وتعالى أباح دم الكافر وماله إلا بأن يؤدي الجزية أو يستأمن إلى مدة). [الأم 264/1]
ইমাম শাফেয়ি রাহঃ বলেন মহামহিম আল্লাহ তায়ালা কাফেরের রক্ত ও সম্পদ বৈধ করে দিয়েছেন হ্যাঁ তবে যদি সে জিযয়া দেয় অথবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিরাপত্ত্বা লাভ করে নেয়,(তাহলে সে সেটা পাবে)আলউম্ম ২৬৪/১

قال الشوكاني: (أما الكفار فدماؤهم على أصل الإباحة كما في آية السبف؛ فكيف إذا نصبوا الحرب…). [السيل الجرار522/4]
শাওকানি বলেনঃ কফের দের রক্ত মৌলিক ভাবেই বৈধ যেমন আয়াতুচ্ছায়ফে (নির্দেশ করা হয়েছে), আরযদি তারা যুদ্ধ বাধিয়ে রাখে তাহলে?( আর কী কথা) আচ্ছায়লুল জাররার ৫২২/৪


শাইখ হারিস আন-নাজ্জারি তার دروسٌ في التوحيدِ والقتال এর তিন নং দরস الكافرُ المعصومُ الدم অর্থাৎ কাফেরের রক্ত হালাল এখানে লিখেনঃ


الكفار المحاربون هم الذين ليس لهم مع المسلمين عهد ولا ذمة، فإذا لم يكن بين الكفار وبين المسلمين عهد فهم أهل حرب؛ وإن لم تكن الحرب قائمة، كل من ليس له عهد مع المسلمين من أمان فهو من أهل الحرب مع المسلمين وهذه مسألة إجماعية وليست مسألة اجتهادية أو قول الجمهور بل انعقد الإجماع على هذا كما قال الإمام الطبري رحمه الله في تفسير جامع البيان، قال رحمه الله: "أجمعوا على أن المشرك لو قلد عنقه أو ذراعيه لحاء جميع أشجار الحرم لم يكن ذلك له أمانًا من القتل إذا لم يكن تقدم له عقد ذمة من المسلمين أو أمان" يقول لو أن الكافر اعتصم بجميع أشجار الحرم التي يحرم قطعها لو اعتصم بها جميعًا لم يكن ذلك أمانًا له حتى يعطيه المسلمون الأمان
(মুহারিব) যুদ্ধা কাফের হলো তারা যাদের সাথে মুসলিমদের কোন সন্ধি বা চুক্তি নেই, যদি কাফেরদের মাঝে আর মুসলমানদের মাঝে কোন সন্ধি নাথাকে তাহলে তারা আহলে হারব অর্থাৎ যুদ্ধ উপযোগি যুদ্ধা, যদিও এখন যুদ্ধবেধেগিয়ে না থাকে, যাদের মাঝে আর মুসলিমদের মাঝে কোন নিরা পত্ত্বা সন্ধি নেই তারাই মুসলমানদের জন্য যুদ্ধপোযোগি যুদ্ধা।
এটা একটি ইজমায়ি তথা সর্বসম্মত মাসআলা , কোন মতোবিরোধ যুক্ত বা গবেষনাযোগ্য মাসয়ালা নহে ,অথবা জুমহুর তথা বেশি সংখ্যকের অভিমত এমন ও নহে,বরং এর উপর ঐকমত্য সম্পন্ন হয়েছে যেমন ইমাম তাবারি রাহিঃ তাফছীরে জামিউল বায়ানে বলেনঃ সকলেই ঐকমত যে মুশরিক যদি হারাম শরিফের সব গাছের বাকল /লতা পাতা দিয়েও নিজের বাহু,গলা জড়িয়ে রাখেঃ এটা তাকে হত্যা থেকে নিরাপদ করবেনা , আগে থেকে যদি মুসলমানদের পক্ষ থেকে নিরাপত্ত্বাচুক্তি অথবা করারোপের মাধ্যমে নিরাপত্ত্বা না দেয়া থাকে। তিনি বলেন যে কাফের যদি হরমের তাবতঐসব বাকল দ্বারাও নিজেকে জড়িয়ে রাখে যে গুলো কাটা হারাম/ নিষীদ্ধ এই সব গুলোধরেও যদি আশ্রয়ি হয় তবো এটা তার জন্য নিরাপত্ত্বা বিধান করবেনা, যতক্ষন মুসলিমগন তাকে নিরাপত্ত্বা না দিবে।
বর্তমান পৃথীবিতে মুজাহিদ দের সাথে কাফের গুষ্ঠির যুদ্ধ উভয় পক্ষ থেকে প্রকাশ্য স্পষ্টঘোষিত ভাবে বিদ্যমান এমন কেহ আছে যে এই যুদ্ধের ব্যপারে বেখবর? এর বেনিফিটের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই?
এখন পুরা দুনিয়া দুই ভাগে বিভক্ত ফুস্তাতু ইমান ফুস্তাতু নিফাক্ব , এক পক্ষ মুসলিম মুকাতিল মুজাহিদীন অপর পক্ষ তাদের কে জংগিবাদি আখ্যায়িত করে এদের দমনে সচেষ্ট,এই মুজাহিদীনের সাথে যেসব কাফের দের সন্ধি বা নিরাপত্ত্বাচুক্তি নেই তাদের বেপারে মুজাহিদীনের কোন দায় দায়িত্ব নেই। আবু বাছীর উৎবা রাজিঃ দুই কাফেরের এক কাফের কে হত্যা করে দিয়েছেন, (বুখারি) অথচ সেই কাফের দের সাথে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাই হি ওয়া ছাল্লামের চুক্তি ছিল, পরবর্তিতে আবুজান্দাল সহ তার বাহিনী রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাই হি ওয়া সাল্লামের সাথে সন্ধিকৃত কুরায়শদের বিরোদ্ধে যুদ্ধ করেছেন, সেই যুদ্ধকে তখন আবুসুফিয়ান ও অন্যান্য কাফের ও অযৌক্তিক বলেনাই।আর এখন কিছু নাম ধারি ... তাগুত মুরতাদ মুজাহিদের শত্রুদের আশ্রিত কাফের দের হত্যার উপর প্রশ্ন তোলে । এটা কি মুর্খতা, অজ্ঞতা না মুনাফেকির কোন প্রকার? আল্লাহ তায়ালাই ভাল জানেন, বিশ্বময় এই ইমান কুফরের জিহাদে মুজাহীদ গবেষক উলামায়ে কিরাম যাদের হাতে মুসহাফ-সাইফ, কিতাব-কিতাল, হাদীস-হাদীদ এক সাথে রয়েছে সেই আহলে সুগুর উলামাদের থেকে মাসয়ালা নিতেহবে। যেমনটি বলেছেন ইমাম আহমাদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক ,আর যেটি সব ফুকাহায়ে কিরামের ঐকমত্য সিদ্ধান্ত যে যারা যুগের ঘটনা বলির নেপথ্য জ্ঞান রাখেনা তারা আর মুর্খ সমান। ইবনুল কায়্যিম বলেন তারা মানূষদের বিভ্রান্ত কারি ইমাম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম বলেছেন আমার উম্মতের জন্য দাজ্জালের পরে সবচেয়ে ভয় করি বিভ্রান্ত কারি ইমামদের।কবি ইকবাল বলেন যে তুমাদের কাফেরদের গুলামি শিখায় সে ইমাম নহে।
আশা করি এখান থেকে নিরেপক্ষ ভাবে আলোচনার খোরাক পাওয়া যাবে।

MuslimBrother
07-17-2016, 05:50 PM
ভাই আপনার কথাগুলো ভাবনা জোগায় ...!!! কিন্তু ভাই নিচের বক্তব্য এর ব্যপারে কি মতামত আপনার...??
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন
.
সম্মানিত মাসই সম্মানিত মাসের বদলা। আর সকল সীমালঙ্ঘনের (হুরুমাত) জন্য রয়েছে ক্বিসাসের নীতি। বস্তুতঃ যারা তোমাদের উপর সীমালঙ্ঘন করেছে, তোমরা তাদের উপর সীমালঙ্ঘন কর, যেমন সীমালঙ্ঘন তারা করেছে তোমাদের উপর। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং জেনে রাখ, যারা মুত্তাক্বী, আল্লাহ তাদের সাথে রয়েছেন। [আল-বাকারা, ১৯৪]

যদি কাফিররা আমাদের জনগণকে কোন বাছবিচার ছাড়া হত্যা করা নিজেদের জন্য বৈধ পরিগনিত করে নেয়, যদি তারা আমাদের নারী ও শিশুদের হত্যা করে, যদি তারা যুদ্ধের ব্যাপারে সীমালঙ্ঘন করে তবে তাদেরকে একই ভাবে হামলা করা হবে, যেভাবে তারা হত্যা করে, সেভাবে তাদের হত্যা করা হবে, যেভাবে তারা বন্দী করে সেভাবে তাদের বন্দী করা হবে এবং আমরা সীমালঙ্ঘনকারী হবো না। কারন আগ্রাসনকারীর আগ্রাসনের জবাব দেয়া সীমালঙ্ঘন না।
এ ব্যাপারে বিখ্যাত আলিম শায়েখ সালেহ আল উসাইমীনের বক্তব্য দেখুন
https://www.youtube.com/watch?v=bPVpv_afBHA
.
অতএব প্রথমত শারীয়াহগত অবস্থান থেকে সীমালঙ্ঘনকারী কাফির ক্বওমকে তাদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়াহ বৈধ।
Reference : জংগীর সাথে কথোপকথন

লক্ষ্য করবেন, শত্রুরা আমাদের সাথে যে আচরণ করবে আমরাও সে আচরন করব, এই ব্যাপারে এখনো আমি কোন দালিল উপস্থাপন করিনি। পশ্চিমা বিশ্ব মুসলিমদের উপর যে হামলা চালিয়েছে এই দালিল নিয়ে আসলে তাদের জনসাধারনের পক্ষে যারা আজ তর্ক করছে তাদের কথা বলার কোনো সুযোগই থাকবে না।
Reference : মুসলিমদের সাথে যুদ্ধরত দেশসমূহের জনসাধারণকে হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানো: শাইখ আনোয়ার আল-আওলাকি (রাহিমাহুল্লাহ)

কালিমার পতাকা
07-18-2016, 05:23 AM
মাশাআল্লাহ্*, আবু মুহাম্মদ ভাই, যে ক্বওলগুলো এনেছেন, এগুলো এই ব্যাপারে খুবই উপযোগী। ভাই, এগুলোর অনুবাদ করে দিলে সবার জন্য উপকার হবে ইনশাআল্লাহ্*।

জি ভাই ! অনুবাদ করে দেওয়ার অনুরোধ রইল.............

Anjem Chowdhury
07-18-2016, 12:07 PM
قال الكاساني: (والأصل فيه: أن كل من كان من أهل القتال: يحلّ قتله سواء قاتل أو لم يقاتل). [بدائع الصنائع
101/7]

কাছানি বলেন এই ক্ষেত্রে মূলনীতি হলোঃ (কাফের দের থেকে)যারা যুদ্ধকরার উপযোগি তাদের হত্যা করা বৈধ সে যুদ্ধেরত হোক অথবা যুদ্ধে রত না হোক।বাদায়ে ৭/১০১


আল্লামা কাসানী রহঃ হানাফী মাযহাবের বিখ্যাত আলেম। তার লিখিত বাদাই’উস সনাই’ কিতাবটি ফিক্বহে হানাফীর প্রখ্যাত রেফারেন্স বই। তিনি তার বইয়ে ইমাম আবু হানীফার মাযহাব ব্যাখ্যা ও দলীলসহ প্রমান করেছেন। আমার মূল পোস্টের শুরুই হয়েছে আবু হানীফার বক্তব্য দিয়ে যে – একজন কাফিরের রক্ত বৈধ হওয়ার জন্য তার ক্বওমের মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে সংশ্লিষ্ট হওয়া জরুরী। কারণ তখন তাকে হারবী গণ্য করা হবে এবং বালেগ পুরুষ হারবী কাফেরের রক্ত হালাল।

এখন, আল্লামা আল-কাসানীর উপরের যে বক্তব্য আমাদের এই ভাই ইলমের খিয়ানত করে উল্লেখ করলেন, সেটা কি আল্লামা আল-কাসানী সাধারণভাবে সমস্ত কাফেরদের ব্যাপারে বলেছেন নাকি কেবল হারবী কাফেরদের ব্যাপারে বলেছেন?


আসুন দেখা যাক, আল্লামা আল-কাসানী প্রকৃতপক্ষে কী লিখেছিলেন। তিনি তার কিতাবের ৭/১০১ এ তিনি লিখেছেন -

فَنَقُولُ: الْحَالُ لَا يَخْلُو إمَّا أَنْ يَكُونَ حَالَ الْقِتَالِ، أَوْ حَالَ مَا بَعْدَ الْفَرَاغِ مِنْ الْقِتَالِ، وَهِيَ مَا بَعْدَ الْأَخْذِ وَالْأَسْرِ، أَمَّا حَالَ الْقِتَالِ فَلَا يَحِلُّ فِيهَا قَتْلُ امْرَأَةٍ وَلَا صَبِيٍّ، وَلَا شَيْخٍ فَانٍ، وَلَا مُقْعَدٍ وَلَا يَابِسِ الشِّقِّ، وَلَا أَعْمَى، وَلَا مَقْطُوعِ الْيَدِ وَالرِّجْلِ مِنْ خِلَافٍ، وَلَا مَقْطُوعِ الْيَدِ الْيُمْنَى، وَلَا مَعْتُوهٍ، وَلَا رَاهِبٍ فِي صَوْمَعَةٍ، وَلَا سَائِحٍ فِي الْجِبَالِ لَا يُخَالِطُ النَّاسَ، وَقَوْمٍ فِي دَارٍ أَوْ كَنِيسَةٍ تَرَهَّبُوا وَطَبَقَ عَلَيْهِمْ الْبَابُ ... وَلِأَنَّ هَؤُلَاءِ لَيْسُوا مِنْ أَهْلِ الْقِتَالِ ... وَالْأَصْلُ فِيهِ أَنَّ كُلَّ مَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْقِتَالِ يَحِلُّ قَتْلُهُ، سَوَاءٌ قَاتَلَ أَوْ لَمْ يُقَاتِلْ، وَكُلُّ مَنْ لَمْ يَكُنْ مِنْ أَهْلِ الْقِتَالِ لَا يَحِلُّ قَتْلُهُ

আমরা বলিঃ পরিস্থিতি হয়ত যুদ্ধকালীন হবে অথবা আটক ও বন্দীর পর যুদ্ধপরবর্তী পরিস্থিতি হবে, এর বাইরে পরিস্থিতি হতে পারে না। যদি পরিস্থিতি যুদ্ধকালীন হয়, তবে এ পরিস্থিতে (১) নারী, (২) শিশু, (৩) অতিবৃদ্ধ, (৪) পঙ্গু, (৫) পক্ষাঘাতগ্রস্ত, (৬) অন্ধ, (৭) বিপরীত দিক থেকে হাত-পা কর্তিত, (৮) ডানহাত কর্তিত, (৯) পাগল, (১০) গীর্জাতে অবস্থানরত সন্ন্যাসী, (১১) মানুষ থেকে বিচ্ছিন হয়ে পাহাড়ে ভ্রমণকারী পর্যটক, (১২) কোন ঘর কিংবা উপসনালয়ে দরজা বন্ধ করে অবস্থানরত দুনিয়াত্যাগীদের হত্যা করা বৈধ নয়। কেননা তারা আহলে ক্বিতাল (যুদ্ধক্ষম) নয় ... আর এক্ষেত্রে মূলনীতি হচ্ছে যারাই আহলে ক্বিতাল তাদের হত্যা করা বৈধ, চাই সে যুদ্ধ করুক কিংবা না করুক।

আমাদের এই ভাই উনার পুরো বক্তব্য না দিয়ে, সুবিধামত শেষ বাক্যটুকু উল্লেখ করে বাকিগুলো গায়েব করে দিয়েছেন! আল্লামা আল কাসানী (রহঃ) এর বক্তব্যের প্রথম বাক্য থেকেই বোঝা যাচ্ছে উনি যুদ্ধরত কাফেরদের ব্যাপারে এই মূলনীতি উল্লেখ করেছেন।

আচ্ছা, কেবলমাত্র কুফরের কারণে কাফেরের রক্ত যদি হালাল হয়, তাহলে উপরে উল্লিখিত ১২ ক্যাটাগরির লোকদের হত্যা হারাম কেন বলা হয়েছে?

এখন নিশ্চয়ই আপনাদের কাছে পরিষ্কার হয়েছে, কেবলমাত্র ঐসমস্ত হারবী কাফের যারা উপরের ১২ ক্যাটাগরিতে নেই, কেবল তাদেরই রক্ত বৈধ। আর বাকীদের রক্ত বিনা কারণে ঝরানো কবীরা গুনাহ।



وتأمل قول الفاروق عمر لأبي جندل -رضي الله عنهما-: (فإنما هم مشركون، وإنما دم أحدهم: دم كلب!). رواه أحمد والبيهقي.
আর চিন্তা করো উমার রাজিঃ আবু জান্দাল রাজিঃ কে কী বলেছেন (তারা মুশরিক বৈ তো নয়, আর তাদের যে কারো রক্ত সুধু কুকুরেরে রক্ত।) আহমাদ বায়হাকির রিওয়াত।


আপনি মুসনাদ আহমাদের ১৮৯১১ নং এবং সুনান আল বায়হাক্বীর ১৮৮৩১ নং হাদীস উল্লেখ করেছেন। এই হাদীস দলীলযোগ্য নয়, কারণ এর সনদে মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক আছেন, যিনি মুদাল্লিস। যদি তর্কের খাতিরে এই হাদীস সহীহ মেনে নেওয়াও হয়, তারপরেও এই হাদীস দ্বারা কেবল হারবী কাফের হত্যা বৈধ হওয়া বোঝা যায়। কারণ আবু জান্দাল রাঃ মক্কার মুশরিকদের হত্যা করেছিলেন, যারা হারবী কুফফার। তাই এই হাদীস দ্বারা সাধারণভাবে কাফেরের রক্ত হালাল হওয়া প্রমাণিত হয় না।

এরপর আপনি যেই ফুকাহাদের বক্তব্য উল্লেখ করেছেন, সেগুলো আমিও অস্বীকার করি না। আমি তো বলেছিই অনেক আলেম জমহুরের মতের বিরোধিতা করেছেন। যেমনঃ ইমাম শাফেয়ী। আপনি যেই ফুকাহাদের মত নকল করলেন, তাদের বেশীরভাগই শাফেয়ী মাযহাবের অনুসারী। যেমনঃ ইমাম নববী, ইমাম আত-তাবারী। কিন্তু আপনি শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়্যাহর রহঃ বক্তব্য উপেক্ষা করেছেন। তিনি বলেছেন,

وليس القتل للكفر من الأمر الذي اتفقت عليه الشرائع ولا أوقات الشريعة الواحدة

শুধু কুফরের কারণে তাকে হত্যা করা এমন একটি বিষয়, যার ব্যাপারে শরীয়াহর বিধানসমূহ কোন একটি সময়ের জন্যও একমত হয় নি। (আস সরিম আল মাসলুল পৃ. ১০৪)

Anjem Chowdhury
07-18-2016, 12:17 PM
আন্জেম চৌধুরী লিখেছেন

“এমনকি যদি তারা নারী এবং শিশু নিয়ে দূর্গে অবস্থান করে কিংবা জাহাজে আরোহণ করে, তবে তাদের উদ্দেশ্যে তীর ছোড়া কিংবা অগ্নিসংযোগ করাও জায়েয নয়।”

বাহ !! তাহলে তো তায়েফে মিনজানিক ব্যাবহারও জায়েজ হয়নি

=
জনাব। এটা আঞ্জেম চৌধুরীর কথা না। ইনসাফ বজায় রেখে কথা বলুন। ডাকাত সেজে বসবেন না। এটি শায়খ মাকদিসী হাঃ এর “হুসনুর রিফাক্বাহ” ৩৮ পৃষ্ঠা থেকে অনুবাদ করেছি কেবল। তার উপর এটা শায়খ মাকদিসীর বক্তব্যও নয়। এটা ইমাম মালিক এবং ইমাম আওযা’য়ী রহঃ এরও ফাতওয়া। আপনি শায়খ মাকদিসীকে চেনেন না, সেটা মানা যায়। কিন্তু ইমাম মালিকের নামও শোনেন নি, এটা তো বড় আশ্চর্য কথা! আর শায়খ মাকদিসীর এই বক্তব্য পড়ার আগ পর্যন্ত আমার এই ফাতওয়ার কথা জানা ছিল না।


গুলশানে ৮/৯ জন নারী মারা বৈধ হয়নি কিন্তু পুরুষগুলোকে মারা বৈধ হয়েছে। কিন্তু ভাই আন্জেম চৌধুরীর নিকট পুরুষগুলোকে মারাও বৈধ হয়নি।
=
গুলশানে পুরুষগুলোর হত্যা বৈধ বলেই আঞ্জেম চৌধুরী মত দিয়েছেন। তাদের হত্যা বৈধ হওয়াত কারণ কেবল কুফর নয়। বরং কুফরের সাথে দারুল হারবের যুদ্ধক্ষম পুরুষ নাগরিক হওয়ার কারণেই তাদের হত্যা বৈধ। তবে শর্ত হচ্ছে, তাদের কোন আমান না থাকতে হবে।


ওনি যেসব কথা বলতেছেন এগুলো মানলে আর জিহাদ করতে হবে না হাত গুটিয়ে ঘরে বসে থাকতে হবে।

=
সাহাবায়ে কেরাম কি শরীয়ত মেনে জিহাদ করতেন না? আপনি কি তাদের চাইতে বড় মুজাহিদ সাঁজতে চান। দয়া করে, তানযীম আল ক্বায়েদার আমীরদের বক্তব্য শুনুন। আপনাদের জন্য ভাইয়েরা এত্ত কষ্ট করে বাংলা অনুবাদ করেন, আর আপনারা পড়েও দেখেন না। মাওলানা আসেম ওমর এর “শরীয়ত ব্যাতিরেকে যুদ্ধ ফিতনা ব্যাতীত কিছু নয়” বিবৃতিটি মনোযোগ পড়ার অনুরোধ করব।

Anjem Chowdhury
07-18-2016, 12:43 PM
ঘটনা এই ভাবে সাজিয়ে নিলে সব মিলে যাবে ইনশাআল্লাহ।
إن الآدمي في الأصل محقون الدم والإباحة بعارض القتال
মানুষের মধ্যে বলতে যদিও মুমিন কাফের উভয়কে বুঝায় কিন্তু উদ্দ্যেশ্য হলো এই সমষ্টির মধ্যে একটি, অর্থাৎ মুসলিম, যেমন
(يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْأِنْسِ أَلَمْ يَأْتِكُمْ رُسُلٌ مِنْكُم )
হে জিন ও ইনসান তোমাদের কাছে কি তোমাদের থেকে রাসূল আগমন করেন নি? তোমাদের বলতে এখানে যদিও জিন ইনসান সবাই কে বুঝায় কিন্তু উদ্দ্যেশ্য সমষ্টির একটি অর্থাৎ মানুষ,
তাহলে অর্থ হলো সাধারন ভাবে মানুষের রক্ত সুরক্ষিত কিন্তু কিতালের দারা এটা অ রক্ষিত হয়ে পড়ে।

হা হা হা!!!!

আপনি ভাই কী দলিল দিলেন?


হে জিন ও ইনসান তোমাদের কাছে কি তোমাদের থেকে রাসূল আগমন করেন নি? তোমাদের বলতে এখানে যদিও জিন ইনসান সবাই কে বুঝায় কিন্তু উদ্দ্যেশ্য সমষ্টির একটি অর্থাৎ মানুষ। হা হা।

আচ্ছা, ভাই!! উদ্দেশ্য যদি শুধু মানুষই হয়, তাহলে আল্লাহ হে জ্বিন বলছেন কেন?? নাউযুবিল্লাহ। আপনার কথা মানতে গেলে ধরে নিতে হবে, আল্লাহ উদ্দেশ্য ছাড়াই হে জ্বিন বলেছেন। নাউযুবিল্লাহ। আপনার ধারণা জিনদের কাছে কোন রাসুল আসে নি? দয়া করে "সুরা জিন" এর তাফসীর পড়ে নিবেন।

আল্লামা সারখসী স্পষ্ট বলেছেন
والأصل إن الآدمي في الأصل محقون الدم والإباحة بعارض القتال فإذا زال ذلك بعقد الذمة عاد الحقن الأصلي

"মৌলিকভাবে একজন মানুষের রক্ত ঝরানো নিষেধ এবং বৈধতা কেবল তার যুদ্ধে সম্পৃক্ততার কারণেই হয়। আর যখন এটি যিম্মাহর চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়ে যায়, মৌলিক নিষেধাজ্ঞা পুনরায় ফিরে আসে।

["আল-মাবসুত", ১০/৮১]

এখানে উদ্দেশ্য যদি কাফির না হলে যিম্মাহর চুক্তি কীভাবে হবে? যিম্মাহর চুক্তি কি মুসলিমদের সাথে হয়??? আজীব।

banglar omor
07-18-2016, 02:26 PM
আন্জেম চৌধুরী যে, একজন আলেম তা তার পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে।সুতরাং ভাইয়েরা আমরা সবাই আদব বজায় রেখে তার কমেন্টের উত্তর দিব।
এখানে একটি বিষয় নিয়ে মুনাজারা চলতেছে।আপনারা পক্ষে বিপক্ষে কুরআন হাদীস অনুযায়ী দলীল পেশ করুন ।ইনশাআল্লাহ একটি ফল বের হয়ে আসবে।
আমি আবারও বলছি দয়া করে কোন ভাই আবেগ তাড়িত হয়ে কোন বাজে কথা বলবেননা।এখানে কুরআন হাদীস এবং ওলামাদের ক্বওল দ্বারা মতবিনিময় চলতেছে।এটা কোন ঝগড়ার আসর নয়।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আদব বজায় রাখার তৌফিক দান করুন।

আবু মুহাম্মাদ
07-19-2016, 06:56 AM
anjem ভাইয়ের কথাঃ-


আমাদের এই ভাই ইলমের খিয়ানত করে উল্লেখ করলেন

আস্তাগফিরুল্লাহ, আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে খেয়ানত থেকে রক্ষা করুন।

ভাই, আপনার আগের পোস্টগুলো লক্ষ করলে সবাই বুঝতে পারবে যে যুদ্ধ্যে সক্ষম সমস্ত পুরুষকে আপনি হত্যার যোগ্য মনে করছেন না। বরং হারবী নামের আরেক কি শর্ত যোগ করতে চেয়েছেন। যদি হারবী বলতে আপনি এই ১২ প্রকারের না হওয়া বুঝিয়ে থাকেন তাহলে তো আমাদের কথা ও আপনার কথা মিলেই যায়। কারণ আমিও কিন্তু নারী-শিশু হত্যার বৈধতার জন্য দলীলগুলো আনিনি। এই স্বাধারণ জিনিস আপনার তো না বুঝার কথা নয়।
আর যদি সক্ষম সমস্ত পুরুষকে আপনি হত্যার যোগ্য মনে না করেন তাহলে আপনার কথার সাথে আমরা দ্বীমত পোষন করছি। এখানে বুঝা যাচ্ছে যে, আমাদের সবার বক্তব্যের মধ্যেই কিছু মুত্বলাক্ব থেকে যাওয়ার কারণে ভূল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে। সামনে থেকে স্পষ্ট করে দিতে হবে।
আর আঞ্জেম ভাই, মুত্বলাক্ব বিষয়ের উপর কাউকে তোহমাত দেওয়াও তো মনে ঠিক নয়।


শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়্যাহর রহঃ বক্তব্য উপেক্ষা করেছেন। তিনি বলেছেন,

وليس القتل للكفر من الأمر الذي اتفقت عليه الشرائع ولا أوقات الشريعة الواحدة

শুধু কুফরের কারণে তাকে হত্যা করা এমন একটি বিষয়, যার ব্যাপারে শরীয়াহর বিধানসমূহ কোন একটি সময়ের জন্যও একমত হয় নি। (আস সরিম আল মাসলুল পৃ. ১০৪)

ভাই আপনি এটা দিয়ে কি বুঝাচ্ছেন বা শাইখ কি বুঝিয়েছেন বলে দাবি করছেন ?!!!
আমার দলীল ও আপনার দলিল মিলিয়ে ব্যক্ষ্যা করলে তো এটাই বুঝে আসে যে, হত্যা করা হবে কুফুরের কারণেই কিন্তু শুধু কুফুরী করলেই হবে না বরং ১২ প্রকারের না হতে হবে। যেমনঃ- "শুধু ইরতিদাদের কারণেই হত্যা করা হয় না" মানে হচ্ছে হত্যা করা হয় ইরতিদাদের কারণেই কিন্তু শর্ত হচ্ছে মহিলা না হতে হবে।

এখন আপনি যদি এটা বুঝিয়ে থাকেন যে, কুফুরীর কারণে হত্যা না বরং যোধ্যা হওয়ার কারণে তাহলে হযরত আপনার কথার সাথে একমত নই। দালীল আমরা যা দিয়েছি।

ঈমাম সারাখসীর বক্তব্যেও বলা হয়েছে যে,
যখন এটি যিম্মাহর চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়ে যায় আমাদের কথার বৈপরীত্য দেখি না তো !!! সবাই তো বলছেন আমান বা জিম্মাহ ছাড়া সমস্ত কুফফার ( ১২ প্রকার ছাড়া ) হত্যা যায়েজ।
এখন এই বক্তব্যে আপনার মূল মহল্লে ইস্তেষাদ যদি হয়
বৈধতা কেবল তার যুদ্ধে সম্পৃক্ততার কারণেই হয়। এটা !!! তাহলে বলব " সম্পৃক্ততা " দ্বারা আপনি কি বুঝাচ্ছেন বলুন ?

ভাই আপনার কথার মধ্যে রাগ পাচ্ছি, যা থাকা ঠিক নয়।

আবু মুহাম্মাদ
07-19-2016, 09:48 AM
তাদেরকে হত্যা করা হবে একমাত্র কুফুরির কারণেঃ-


কুফফারদেরকে যে একমাত্র কুফুরীর কারণেই হত্যা করা হবে এবং নারী শিশুদের কি বিধান তা নিয়ে সুন্দর অনেক গুলো মতামত । সময় সল্পতার কারণে তরজমা করতে পারি নি।



اقتلوا المشركين - قاتلوا الكفار - حتى لا تكون فتنة ويكون الدين كله لله



جاء في الموسوعة الفقهية 138-139
والعصمة اذا ثبتت يجب القصاص أو الدية على من هتكها ‏,‏ فهذه تثبت للإنسان بالنطق بالشهادتين فمن نطق بهما عصم دمه وماله

لقوله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏{‏ فإذا قالوا ‏‏ لا إله إلا الله عصموا مني دماءهم وأموالهم ‏}‏ ‏,‏ وقوله ‏:‏ ‏{‏ كل المسلم على المسلم حرام ‏:‏ دمه وماله وعرضه ‏}

‏ وقد اتفق الفقهاء على أنه لا دية للحربي ‏;‏ لأنه لا عصمة له ويشمل الحربي الرجال والنساء والاطفال وكل كافر ليس له ذمة او عهد او امان.

ومقصود الجهاد هو دعوة الناس وادخالهم الى الاسلام من غير اكراه واخضاعهم لحكم الاسلام .

وسبب القتال هو الكفر وهذا لا خلاف فيه ،، فالمسلم لا يقاتل .

واختلف الفقهاء في سبب القتل هل هو مجرد الكفر وهو رأي الشافعي وابن حزم أو هو الكفر بشرط اطاقة القتال هو رأي الجمهور .......

واتفقوا على عدم قتل النساء والذراري واختلفوا في غيرهم من الذي لا يطيق القتال

وحتى لو تم قتل الاصناف المستثناة فلا دية ولا كفارة


মাসুয়া ফিক্বহিঃ- (১৩৮-১৩৯)
নিরাপ্ততা বাস্তবায়নের পর যে এটাকে ভংগ করবে তার উপর কিসাস বা দিয়্যাহ আসবে।আর এই ইসমাত কার্যকরী হবে শাহাদাতাইন পাঠ করলেই।
আল্লাহর নবী বলেনঃ- যখন তারা শাহাদাতাইন পাঠ করবে আমার থেকে তাদের রক্ত ও মাল মুক্ত হয়ে যাবে। ............
ফুকাহারা একমত যে হারবীর কোন রক্তপন বা দিয়্যাহ নেই। কেননা (কুফুরীর কারণে ) তার রক্ত নিরাপদ নয়। এহার মধ্যে পুরুষ , মহিলা, বাচ্চা সমস্ত কাফের দাখেল।
জিহাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে দাওয়াহ দেয়া ও এবং বাধ্য করা ছারাই তাদেরকে ইসলামে প্রবেশ করানো ও এবং তাদেরকে ইসলামের হুকুমের সামনে মাথা নত করানো।
আর ক্বিতালের কারণ হচ্ছে একমাত্র কুফুর, এতে কোন ইখতিলাফ নেই। ... কোন মুসল্মানের সাথে ক্বিতাল নেই।
হত্যার কারণ শুধুই কুফুর কিনা তাতে ফুক্বাহারা দ্বিমত করেছেন। শাফী ও ইবনে হাজাম বলেন শুধুই কুফুর আর জামহুরের মতঃ- কুফুর কিন্তু ক্বিতালের সামরথ থাকা লাগবে।
মহিলা ও শিশু হত্যা না করার ব্যপারে তারা একমত, কিন্তু অন্যদের ব্যপারে ইখতিলাফ আছে।
তারপরও যদি তাদের ( যাদেরকে হত্যার না করার কথা বলা হয়েছে ) হত্যা করা হয় তাহলে কোন দিয়্যাত বা কাফফারা নেই।



يقول الامام ابو بكر السرخسي في شرح السير الكبير (4/50 وما بعدها )

قال‏:‏ لا ينبغي أن يقتل النساء من أهل الحرب ولا الصبيان ولا المجانين ولا الشيخ الفاني .... ثم قال : بل منفعة المسلمين في إبقائهم ليكونوا أرقاء للمسلمين فإن قاتل واحد من هؤلاء فلا بأس بقتله .....

وقال : ومن قتل أحداً من هؤلاء قبل وجود القتال منه فلا كفارة عليه ولا دية لأن وجوبهما باعتبار العصمة والتقوم في المحل وذلك بالدين أو بالدار ولم يوجد واحد منهما
......
وإنما حرم قتلهم لتوفير المنفعة على المسلمين أو لانعدام العلة الموجبة للقتل وهي المحاربة لا لوجود عاصم أو مقوم في نفسه
. ......... ........... ...

فلهذا لا يجب على القاتل الكفارة والدية وإلى هذا أشار رسول الله صلى الله عليه وسلم في حديث بقوله‏:‏

هم منهم يعني أن ذراري المشركين منهم في أنه لا عصمة لهم ولا قيمة لذمتهم‏.‏

وبذا يقول ابن العربي في احكام القرآن (1/154) في مسألة استثناء الذي لا يطيق القتال من القتل .

الجواب : أنا إنما تركناهم مع قيام المبيح بهم لأجل ما عارض الأمر من منفعة أو مصلحة ‏:‏

أما المنفعة فالاسترقاق فيمن يسترق ‏;‏ فيكون مالا وخدما ‏,‏ وهي الغنيمة التي أحلها الله تعالى لنا من بين الأمم ‏.‏


الكفار إما أهل حرب وإما أهل عهد ، وأهل العهد ثلاثة أصناف: أهل ذمة وأهل هدنة وأهل أمان


ويقول الامام ابن القيم في زاد المعاد 3/158

فصار اهل الارض : مسلم مؤمن به ( اي بالرسول عليه الصلاة والسلام )

ومسالم له آمن ( يقصد اهل الذمة والعهد

وخائف محارب ( يقصد ما تبقى من الكفار بكل انواعهم واصنافهم ) أ هـ

ولا شك ان سبب قتال الكفر هو كفرهم ،، اما اهل الذمة ،، فقبولهم لحكم الاسلام يستثنيهم من هذا الامر ،،،،،،،

يقول ابن العربي في أحكام القرآن (1/154) .. في تفسير قوله تعالى وقاتلوهم حتى لا تكون فتنة : . قال يعني كفر ،،

وقال رحمه الله وأبان فيها أن سبب القتل المبيح للقتال : الكفر .... ثم بين ان ترك من لا يطيق القتال للمنفعة والمصلحة


وبمثل هذا قال القرطبي في أحكام القرآن (2/231-234)
وقال : فدلت الاية والحديث ان سبب القتال هو الكفر لأنه قال حتى لا تكون فتنة اي كفر : فجعل الغاية عدم الكفر ا هـ


وقال ابن رشد في بداية المجتهد (1/279-282)
فأما الذين يحاربون ( اي الذين يتم محاربتهم ) فاتفقوا على أنهم جميع المشركين


ثم تكلم عن القتل وذكر انه لا خلاف في انه لايجوز قتل الصبيان والنساء ثم ذكر الخلاف في البقية التي لا تطيق القتال


وايضا في المغتي لابن قدامة (8/348-352) ذكر شروط الجهاد ومنها بلوغ الدعوة للكفار ولم يذكر علة المقاتلة والممانعة !!


وفي شرح القدير لابن الهمام (5/441-458) قتال الكفار واجب وإن لم يبدؤا


والاقوال بمثل هذا بالعشرات وقال فيها الاجماع الجصاص في احكام القرآن و الشوكاني في السيل الجرار واكد على اتفاق المسلمين على عدم ترك قتالهم حتى لو ترك الكفار المقاتلة

يقول شيخ الاسلام ابن تيمية في الصارم المسلول 3/937

وذلك ان الكافر قد ثبت المبيح لدمه وهو الكفر وانما عصمه العهد

وقال رحمه الله وقد تقدم عن عمر وغيره من الصحابة مثل ابن بكر وعمر وابن عباس وخالد بن الوليد وغيرهم رضوان الله عليهم

انهم قتلوا وامروا بقتل ناقض العهد ولم يبلغوه مامنه ولئن دمه كان مباحا وان عصمته الذمة فمتى ارتفعت الذمة

بقي على الاباحه ولان الكافر لو دخل دار الاسلام بغير امان وحصل في ايدينا جاز قتله


وقال رحمه الله في ص 514 :

وذلك لان المقصود بالقتال ان تكون كلمة الله هي العليا وان يكون الدين كله لله وان لا تكون فتنة اي لا يكون احد يفتن احدا عن دين الله


فانما يقاتل من كان ممانعا عن ذلك وهم اهل القتال فاما من لا يقاتل عن ذلك فلا وجه لقتله كالمراة والشيخ الكبير والراهب ونحو ذلك


ولان المراة تصير رقيقة للمسلمين ومالا لهم ففي قتلها تفويت لذلك عليهم من غير حاجة واضاعة المال لغير حاجة لايجوز - ا هـ

الرسول صلى الله عليه وسلم يقول

(أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله، ويقيموا الصلاة، ويؤتوا الزكاة، فإذا فعلوا ذلك عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحق الإسلام، وحسابهم على الله).

الله تعالى يقول

قَاتِلُواْ الَّذِينَ لاَ يُؤْمِنُونَ بِاللّهِ وَلاَ بِالْيَوْمِ الآخِرِ وَلاَ يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللّهُ وَرَسُولُهُ وَلاَ يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُواْ الْكِتَابَ حَتَّى يُعْطُواْ الْجِزْيَةَ عَن يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ


ويقول شيخ الإسلام في الجواب الصحيح لمن بدل دين المسيح (1/234 وما بعدها )

ثم أنزل في براءة الأمر بنبذ العهود وأمرهم بقتال المشركين كافة وأمرهم بقتال أهل الكتاب إذا لم يسلموا حتى يعطوا الجزية عن يد وهم صاغرون

ولم يبح لهم ترك قتالهم وإن سالموهم وهادنوهم هدنة مطلقة مع إمكان جهادهم

وقال رحمه الله :

فلما فتح الله مكة وانقطع قتال قريش ملوك العرب ووفدت إليه وفود العرب بالإسلام أمره الله تعالى بقتال الكفار كلهم

إلا من كان له عهد مؤقت وأمره بنبذ العهود المطلقة فكان الذي رفعه ونسخه ترك القتال

وأما مجاهدة الكفار باللسان فما زال مشروعا من أول الأمر إلى آخره

قال شيخ الإسلام ابن تيمية : (( إذا دخل المسلم إلى دار الحرب بغير أمان فاشترى منهم أولادهم و خرج بهم إلى دار الاسلام كانوا ملكا له باتفاق الأئمة و له أن يبيعهم للمسلمين، و يجوزأن يشتروا منه و يستحق على المشترى جميع الثمن، و كذلك إذا باع الحربي نفسه للمسلم و خرج به فانه يكون ملكه بطريق الأولى، و الأحرى بل لو أعطوه أولادهم بغير ثمن و خرج بهم ملكهم فكيف إذا باعوه ذلك، و كذلك لو سرق أنفسهم أو أولادهم أو قهرهم بوجه من الوجوه

( فإن نفوس الكفار المحاربين و أموالهم مباحة للمسلمين ) فإذا استولوا عليها بطريق مشروع ملكوها .. )) اهـ. من (مجموع الفتاوى 29/224) .


والاتفاق ان الكافر لا يعصم دمه الا العهد او الامان

جاء في الموسوعة الفقهية
حرف الدال
ديات‏
‏دية الكافر ‏

‏32 ‏-‏ اتفق الفقهاء على أنه لا دية للحربي ‏;‏ لأنه لا عصمة له ‏.‏
‏‏أما الذمي والمستأمن فقد اختلفوا في مقدار الدية فيهما

الموسوعة الفقهية ص 104 / حرف الألف / أهل
أهل الحرب
‏‏1‏ ‏-‏ أهل الحرب أو الحربيون ‏:‏ هم غير المسلمين الذين لم يدخلوا في عقد الذمة ‏,‏
ولا يتمتعون بأمان المسلمين ولا عهدهم ‏.‏ ‏

الموسوعة الفقهية ص 108
الحربي غير المعاهد مهدر الدم والمال

‏كشاف القناع عن متن الإقناع ص 107 / المغني لابن قدامة
الأصل إباحة دم الحربي

قال الامام ابن حزم في المحلى

وروينا من طريق وكيع نا سفيان نا عبد الملك بن عمير القرظي نا عطية القرظي قال عرضت يوم قريظة على رسول الله صلى الله عليه وسلم فكان من أنبت قتل ومن لم ينبت خلى سبيله فكانت فيمن لم ينبت

فهذا عموم من النبي صلى الله عليه وسلم لم يستبق منهم عسيفا ولا تاجرا ولا فلاحا ولا شيخا كبيرا وهذا إجماع صحيح منهم رضي الله عنهم متيقن لأنهم في عرض من أعراض المدينة لم يخف ذلك على أحد من أهلها


ومن طريق حماد بن سلمة أخبرنا أيوب السختياني وعبيد الله بن عمر كلاهما عن نافع عن أسلم مولى عمر بن الخطاب قال
كتب عمر بن الخطاب إلى أمراء الأجناد أن لا يجلبوا إلينا من العلوج أحدا اقتلوهم ولا تقتلوا الا من جرت عليهم المواسي ولا تقتلوا صبيا ولا امرأة


ومن طريق ابن أبي شيبة عن ابن نمير نا عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر قال كتب عمر إلى الأجناد لا تقتلوا امرأة ولا صبيا وأن يقتلوا كل من جرت عليه المواسي


فهذا عمر رضي الله عنه لم يستثن شيخا ولا راهبا ولا عسيفا ولا أحدا إلا النساء والصبيان فقط ولا يصح عن أحد من الصحابة خلافه


وقد قتل دريد بن الصمة وهو شيخ هرم قد أهتر عقله فلم ينكر النبي صلى الله عليه وسلم


فقالوا لأنه كان ذا رأي

فقلنا لهم ومن ذا الذي قسم لكم ذا الرأي من غيره فلا سمعا له ولا طاعة


ومثل هذه التقاسيم لا تؤخذ إلا من القرآن أو عن النبي صلى الله عليه وسلم وبالله تعالى نتأيد - انتهى كلام الامام ابو محمد

قال ابن القيم عن الذمي الذي لا يلتزم الصغار


فإن قيل فالمأمور به القتال إلى هذه الغاية [ الصغار ] فمن أين لكم قتل المقدور عليه ؟

فالجواب من وجوه : أحدها : أن كل من أمرنا بقتاله من الكفار فإنه يقتل إذا قدرنا عليه

الثاني : أنا إذا كنا مأمورين أن نقاتلهم إلى هذه الغاية لم يجز أن نعقد لهم عهد الذمة بدونها ولو عقد لهم كان عقدا فاسدا .

الثالث : أن الأصل إباحة دمائهم
يمسك عصمتها الحبلان

حبل من الله بالأمر بالكف عنهم

وحبل من الناس بالعهد والعقد ولم يوجد واحد من الحبلين .

أما حبل الله سبحانه فإنه إنما اقتضى الأمر بالكف عنهم إذا كانوا صاغرين فمتى لم يوجد وصف الصغار المقتضي للكف منهم وعنهم فالقتل المقدور عليه منهم والقتال للطائفة الممتنعة واجب .

وأما حبل الناس فلم يعاهدهم الإمام والمسلمون إلا على الكف عما فيه إدخال ضرر على المسلمين وغضاضة في الإسلام فإذا لم يوجد فلا عهد لهم من الإمام ولا من الله

وهذا ظاهر لا خفاء به .

[أحكام أهل الذمة 2/215-216]



ان الأمر بالدعوة قبل القتال قد كانت في بداية الدعوة وهو امر منسوخ بعد ان بلغت الدعوة اصقاع الارض

والدليل ما كان عليه الرسول عليه الصلاة والسلام واصحابه

حيث روى البخاري ومسلم وأحمد وغيرهم واللفظ لاحمد

‏حدثنا ‏ ‏معاذ ‏ ‏حدثنا ‏ ‏ابن عون ‏ ‏قال كتبت إلى ‏ ‏نافع ‏

‏أسأله هل كانت ((الدعوة قبل القتال )) قال فكتب إلي إن ذاك (( كان في أول الإسلام ))

وإن رسول الله ‏ ‏صلى الله عليه وسلم ‏ ‏قد ‏ ‏أغار ‏ ‏على ‏ ‏بني المصطلق ‏ ‏وهم ‏‏ غارون ‏ ‏وأنعامهم تسقى على الماء فقتل مقاتلتهم ‏ ‏وسبى ‏ ‏سبيهم ‏

‏وأصاب يومئذ ‏ ‏جويرية ابنة الحارث ‏ ،،
‏وحدثني ‏ ‏بهذا الحديث ‏ ‏عبد الله بن عمر ‏ ‏وكان في ذلك الجيش ،، ا -هـ

وقال ابن حجر في فتح الباري : وقد روى مسلم هذا الحديث من وجه آخر عن ابن عون وبين فيه أن نافعا استدل بهذا الحديث على نسخ الأمر بالدعاء إلى الإسلام قبل القتال

وقول جمهور الفقهاء انه لا يعرف قوم لم تبلغهم الدعوة

وقد خالف مالك فأوجب الانذار مطلقا وهو قول ضعيف لا يؤيده دليل وقال بضعفه النووي والمازري والقاضي عياض

فأصبح الأصل في عصمة المرء دمه وماله ،، هو في قول رسول الله - صلى الله عليه وسلم - :

( أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأن محمداً رسول الله ،

ويقيموا الصلاة ، ويؤتوا الزكاة ،

فإذا فعلوا ذلك عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحق الإسلام ، وحسابهم على الله ) .

او الجزية لأهل الكتاب بنص الاية

أما قتال من لم يدعو لقتالنا وكان مسالما لنا من الكفار فهذا جائز بالاتفاق ،،

ونقل الاجماع على ذلك ابن رشد القرطبي والامام الشوكاني وغيرهما وهو قول شيخ الاسلام ابن تيمية

وخلاصة ما عليه جمهور الفقهاء هو قتال وقتل كل من كان من اهل القتال والمشورة ، اي كل من عرف عنه انه من اهل القتال او قادر عليه أو مهيء له ،، او متدرب او معينا لاهل القتال في قتالهم

قال الفقيه الشيخ الدكتور عبدالكريم زيدان

(وأهل دار الحرب هم الحربيون

والحربي لاعصمة له في نفسه ولافي ماله بالنسبة لأهل دار الاسلام

لان العصمة في الشريعة الاسلامية تكون باحد امرين
الايمان أو الامان وليس للحربي واحد منهما )

انتهى

أما الجهاد فهو الحياة ولا شك ،، وهو العاصم من العذاب والفتن

كما اخبر الله عز وجل فانه ما ارتد عن الاسلام طائفة الا اتى الله بقوم يحبهم يجاهدون عنه وهم الطائفة المنصورة الى قيام الساعة


يبين ذلك أنه ذكر هذا فى سياق النهى عن موالاة الكفار فقال تعالى

( يا أيها الذين آمنوا لا تتخذوا اليهود والنصارى أولياء بعضهم اولياء بعض ومن يتولهم منكم فإنه منهم إن الله لا يهدى القوم الظالمين

فترى الذين فى قلوبهم مرض يسارعون فيهم يقولون نخشى أن تصيبنا دائرة فعسى الله ان يأتى بالفتح أو أمر من عنده فيصبحوا على ما أسروا فى انفسهم نادمين ......

إلى قوله ....... يا أيها الذين آمنوا من يرتد منكم عن دينه فسوف ياتى الله بقوم يحبهم ويحبونه )


فالمخاطبون بالنهى عن موالاة اليهود والنصارى هم المخاطبون بآية الردة ومعلوم ان هذا يتناول جميع قرون الأمة


وهو لما نهى عن موالاة الكفار وبين ان من تولاهم من المخاطبين فإنه منهم بين أن من تولاهم وإرتد عن دين الإسلام لا يضر الإسلام شيئا


بل سيأتى الله بقوم يحبهم ويحبونه فيتولون المؤمنين دون الكفار ويجاهدون فى سبيل الله لا يخافون لومة لائم


كما قال فى أول الأمر ( فإن يكفر بها هؤلاء فقد وكلنا بها قوما ليسوا بها كافرين )


فهؤلاء الذين لم يدخلوا فى الإسلام واولئك الذين خرجوا منه بعد الدخول فيه لا يضرون الإسلام شيئا

بل يقيم الله من يؤمن بما جاء به رسوله وينصر دينه إلى قيام الساعة

واهل اليمن هم ممن جاء الله بهم لما إرتد من إرتد إذ ذاك وليست الآية مختصة بهم ولا فى الحديث ما يوجب تخصيصهم

بل قد أخبر الله أنه يأتى بغير أهل اليمن كابناء فارس لا يختص الوعد بهم

بل قد قال تعالى ( يا ايها الذين آمنوا ما لكم إذا قيل لكم إنفروا فى سبيل الله أثاقلتم إلى الأرض

ارضيتم بالحياة الدنيا من الآخرة فما متاع الحياة الدنيا فى الآخرة إلا قليل

ألا تنفروا يعذبكم عذابا أليما ويستبدل قوما غيركم ولا تضروه شيئا والله على كل شىء قدير )


وهذا ايضا خطاب لكل قرن وقد أخبر فيه أنه من نكل عن الجهاد المأمور به عذبه وإستبدل به من يقوم بالجهاد وهذا هو الواقع

وكذلك قوله فى الآية الآخرى

( ها أنتم هؤلاء تدعون لتنفقوا فى سبيل الله فمنكم من يبخل ومن يبخل فإنما يبخل عن نفسه

والله الغنى وانتم الفقراء وإن تتولوا يستبدل قوما غيركم ثم لا يكونوا أمثالكم )


فقد أخبر تعالى أنه من يتول عن الجهاد بنفسه أو عن الإنفاق فى سبيل الله إستبدل به


فهذه حال البخيل يستبدل الله به من ينصر الإسلام وينفق فيه


فكيف تكون حال أصل الإسلام من إرتد عنه أتى الله بقوم يحبهم ويحبونه


أذلة على المؤمنين أعزة على الكافرين يجاهدون فى سبيل الله ولا يخافون لومة لائم

وهذا موجود فى أهل العلم والعبادة والقتال والمال مع الطوائف الأربعة مؤمنون مجاهدون منصورون إلى قيام الساعة

كما منهم من يرتد أو من ينكل عن الجهاد والإنفاق

مجموع الفتاوي لشيخ الاسلام [ 18/300-302 ] .......................


تأمل كيف أن العذاب والاستبدال يلحق بالذي ينكل عن الجهاد والانفاق مثلما يلحق بمن يرتد عن دين الله

فتأمل أيها القاعد المخذل عن الجهاد وتأمل أيها البخيل الذي لا ينفق في سبيل الله ولا يجهز غازيا


ويقول عليه الصلاة والسلام في الحديث الصحيح المشهور :

( إذا تبايعتم بالعينة، و أخذتم أذناب البقر و رضيتم بالزرع، و تركتم الجهاد ، سلط الله عليكم ذلا لا ينزعه حتى ترجعوا إلى دينكم .. )




اللهم ارزقنا الشهادة في سبيلك عاجلا غير آجل

اللهم ألحقنا بالطائفة المنصورة

والحمد لله رب العالمين

ابو علي عمر

banglar omor
07-19-2016, 10:01 AM
মাশাআল্লাহ !আবু মুহাম্মাদ ভাই !খুব সুন্দর হয়েছে।
এখন আন্জেম চৌধরীর পোস্টের অপেক্ষায় আছি দেখি উনি কি বলেন।
সত্যিই আমি আপনাদের এই মুনাজারা খুব উপভোগ করছি।আপনারা চালিয়ে যান ।আমি আশা করি এগুলো মুজাহিদ আলেমদের কাছে পৌছানো হবে ।তারপর তারা যে রায় দেয় আমরা সেটাই মেনে নিব ইনশাআল্লাহ।

আবুল ফিদা
07-19-2016, 11:06 AM
ভাইরা ! আঞ্জেম ও আবু মুহাম্মদ ২ জনই আলেম , আমরা আসা রাখি তারা কথার্বাতায় পরস্পরের সম্মান বজায় রাখবেন,

Abu Khubaib
07-19-2016, 11:34 AM
ভাই, আপনার আগের পোস্টগুলো লক্ষ করলে সবাই বুঝতে পারবে যে যুদ্ধে সক্ষম সমস্ত পুরুষকে আপনি হত্যার যোগ্য মনে করছেন না। বরং হারবী নামের আরেক কি শর্ত যোগ করতে চেয়েছেন। যদি হারবী বলতে আপনি এই ১২ প্রকারের না হওয়া বুঝিয়ে থাকেন তাহলে তো আমাদের কথা ও আপনার কথা মিলেই যায়। কারণ আমিও কিন্তু নারী-শিশু হত্যার বৈধতার জন্য দলীলগুলো আনিনি। এই স্বাধারণ জিনিস আপনার তো না বুঝার কথা নয়।

মুহতারাম আঞ্জেম চৌধুরী ! ঠিক এই বিষয়টিই তো মাওলানা আবু মুহাম্মাদ (দা বা) বুঝিয়েছেন... ঐ ১২ ক্যটাগরি তো এক্সক্লুসিভ... তাই তিনি আল্লামা কাসানি (রহ)'র বক্তব্যের শেষ অংশ উদ্ধৃত করে ইলমের খিয়ানত করেছেন একথা বলার সুযোগ আছে কি? আল্লাহ তা'আলা সহজ করুন। আমীন।

শায়খ মাকদিসির বক্তব্যের ব্যাপারে একটু বিস্তারিত আলোচনা হলে মনে হয় ভালো হবে।

Anjem Chowdhury
07-19-2016, 11:03 PM
আপনারা সব গুলিয়ে ফেলছেন। এই লেখা ২টি পড়ুন।
১. https://dawahilallah.in/showthread.php?3687-রক্ত-ঝরানোর-নিষেধাজ্ঞা-(حقن-الدم)-এবং-রক্তের-নিরাপত্তা-(العصمة)-সম্পর্কে-মূলনীতি
২. https://dawahilallah.in/showthread.php?3688--সংশয়-অপনোদন-জিহাদের-উদ্দেশ্য-কি-কাফিরদের-হত্যা-করা