কে আমি? আর কেনইবা দুনিয়ায় আমার এত লাফালাফি! এত ফালাফালি! এত ছোটাছুটি?
আমি কি এভাবেই সারাটা জীবন বেঁচে থাকব নাকি যে-কোন সময় আমার জীবনের ইতি ঘটে যাবে এটাই সুনিশ্চিত!
মৃত্যুর ক্ষণ সম্মুখে আসলে গাফলতি দূর করার জন্য সামান্য কিছু সময়ের জন্য কি আমাকে সুযোগ দেয়া হবে; যাতে করে তাওবা করে পূর্ণ আত্মসমর্পণের সাথে রবের দরবারে হাজিরা দিতে পারি!
নাকি দিবারাত্রির কোন ক্ষণে চঞ্চল বা গাফলত যেকোন অবস্থাতেই বিনা নোটিশে আমাকে নিয়ে যাওয়া হবে!
আচ্ছা! আমার ঈমান কি পরিপূর্ণ বিশুদ্ধ; যেভাবে ঈমান আনার জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বারবার তাকিদ দিয়ে গিয়েছেন, নাকি এই বিষয়ে মনোযোগ দেয়ার সময়টা এখনও পাচ্ছি না!
আমার ইবাদাতে ইখলাস এসেছে কী? এখন মারা গেলে আমি কী নিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়াবো?
আমার উপর অর্পিত সকল ফরজ দায়িত্ব সাধ্যের সবটুকু দিয়ে আদায় করে যাচ্ছি! নাকি অলীক আশায় বসে আছি, আর ক'দিন পরে গুরুত্বের সাথে সব পালন করব!
নফস এমনই আরামপ্রিয় ও ধোঁকাবাজ যে, এরকম 'কদিন পর', ' কদিন পর' বলতে বলতে মৃত্যুর ফেরেশতা দেখার আগ পর্যন্ত সে বলতেই থাকে; কদিন পরে, এই কদিন পরে , অমুক কাজটি হয়ে গেলেই তমুক কাজে এই এই মনোযোগ দিব! এই ঝামেলাগুলোর জন্য হয়ত ইবাদাতে গুরুত্ব দিচ্ছি না এগুলো বেরিয়ে যাক, তারপর এক্কেবারে পুরোদমে নিজেকে দ্বীনি কাজে আত্মনিয়োগ করব, কিন্তু দেখা যায়, কাজের পরে কাজ ফুরোয় , মাসের পরে বছর কেটে যায় , দ্বীনি হালত যেই সেই রয়ে যায়!!
এজন্য আল্লাহ বলেননি: বান্দারা তোমরা কালকের মধ্যেই ভালো যাও! বরং তিনি তার পাক কালামে ইরশাদ করে বলছেন:
اَلَمۡ یَاۡنِ لِلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَنۡ تَخۡشَعَ قُلُوۡبُہُمۡ لِذِکۡرِ اللّٰہِ
যারা ঈমান এনেছে, তাদের জন্য কি এখনও সেই সময় আসেনি যে, আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর বিগলিত হবে?
(সূরা: আল হাদীদ - ১৬)
আপনি কি আল্লাহকে রব বলে বিশ্বাস করেন? যদি বিশ্বাস করে থাকেন তো আপনার কাছে সেই মহান আল্লাহ জানতে চেয়েছেন: তাঁর স্মরণে আপনার অন্তর বিনীত করার সময় কি এসেছে এখন?
আর না আসলে আল্লাহকে জানান যে কবে ফিরবেন, আর সেই সময় পর্যন্ত যে আপনি বেঁচে থাকবেন তার নিশ্চয়তা বা আল্লাহর পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট আছে তো আপনার হাতে, নয়ত আহকামুল হাকিমীনের কথায় এখন, এই মুহূর্তে ফিরে আসাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!
ওযু করে নামাজের ওয়াক্তে বা রাতের নীরব প্রহর আসার পরে তাওবার কথা ভাবছেন! না ভাই, আপনার মালিক চাচ্ছেন, আপনি এখনই আন্তরিকভাবে তাওবা করুন, পরে তো ইবাদাত করবেনই, যতদিন শ্বাস চলবে ততদিনই লেগে থাকবেন ইনশাআল্লাহ, কিন্তু এখন, আপনার মনটাকে এখনই ঝুঁকিয়ে দিন, আত্মসমর্পণ করুন এখনই! জীবনের কোনই গ্যারান্টি নেই।
আচ্ছা! বলুন তো, এমন কোন কথা কোথাও আছে, যারা বড় কোন কাজে লিপ্ত থাকবে বা যাদের মাঝে বড় কোন কাজের সম্ভাবনা থাকবে তাদের সবাইকেই দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সুযোগ দেয়া হবে!
ওমর ইবনু আব্দুল আযিয র. মাত্র দুই বছর খেলাফত চালানো শুরু করল তখনই কেন মারা গেল তার বয়সও তো ছিল তখন খুব সম্ভব ৩১ বছর, জান্নাতি যুবকদের সরদার হুসাইন রাযি. যুবক বয়সেই এভাবে তার খেলাফত না পেয়েই কেন মাঝপথে কারবালার প্রান্তরে শহীদ হয়ে গেলেন, মুহাম্মদ বিন কাসিম, হঠাৎই থেমে যেতে হলো তাকে! এগুলো তো প্রসিদ্ধ কিছু উদাহরণ, বাস্তবতা তো আরও বিস্তৃত। মূল বিষয় তো আপনি নিজেও জানেন যে, যেকোন সময় যে কারো মরণ আসবে তাহলে যা জানেন তা কেন বিশ্বাস করেন না!!!
আরেকটি বিষয় খেয়াল করি, আমি নিজে তো তাওবা করলাম কিন্তু আমি কি আমার পরিবার ও কাছের মানুষদের খোঁজ নিয়েছি! শুধু আমাকেই মরতে হবে, না তাদেরও যে-কোন সময় চলে যাওয়ার ডাক আসতে পারে!
তাহলে তাদের ঈমান আকিদা ঠিক করা, ও রবের সামনে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করানোর ফিকির ও সে অনুযায়ী প্রচেষ্টা ব্যায় কি জরুরী নয়!
আর শুধু আমার নিজ পরিবারের জন্য মেহনত করলেই কি যথেষ্ট হবে অন্য মুসলমানেরা কি আমার জন্য রক্তের সম্পর্কের চেয়ে কোন অংশে কম! তারাও কি মরবে না? উম্মাহ যে আজ বড়ই গাফলতিতে নিমজ্জিত, দিকভ্রান্ত হয়ে সত্যের তালাশে নানা গিরিখাদে পাগলের মত ছোটাছুটি করছে, অনেকে এমন আছে যে, তাকে বলার কেউ না থাকায় বা সত্য তার কাছে না পৌঁছায়, সে মনের মত চলছে, ভবিষ্যতের কোন শঙ্কা বা চিন্তা না করেই। তো, তাদেরকে মরার আগে কে সৎ পথে আহ্বান করবে!
আল্লাহকে ভালবাসলে আল্লাহর বান্দাদের জন্য এই কাজগুলি করা এখন খুবই জরুরী!
আল্লাহর জন্য যদি নিজেকে বিলিয়ে দিতে পারি এটাই সফলতা। আর, ভোগবিলাস ও আয়েশী জীবনের কোন ভবিষ্যত নেই। আয়েশে দিন কাটিয়ে দেওয়া ও বালির প্রাসাদ বানানোতে শ্রম দেয়া একই কথা। আর রবের পথে ফিরে আসার প্রতিটা কদমেই রয়েছে অপার্থিব এক প্রশান্তি, চিরস্থায়ী প্রাপ্তি!
কাজেই, আর দেরী নয় এখনই সময় আল্লাহর প্রতিজ্ঞাসহ বলি:
হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন, এই নফসটাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচিয়ে দিন, আপনার কাছে এখনই তাওবা করছি, ফিরে এসেছি হে রব সব ধোঁকার সামগ্রী ছেড়ে, আপনি আমাদের কবুল করে নিন, আমরা সবকিছু ছেড়ে দিয়েছি, আপনি বিনে আমাদের যাওয়ার মত আর কোন জায়গা নেই, সারাটা জীবন আপনার বিধান আঁকড়ে ধরেই পড়ে থাকব, এই অন্তর রাজ্যে শুধু আপনার শাসনই চলবে সেই প্রত্যয়েই আপনার পথে পা বাড়িয়েছি, কিন্তু আমরা তো দূর্বল হে রব! গাফলতি ও শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে আমাদের হেফাজত করুন, অন্তরের যাবতীয় ব্যাধি দূর করে দিন, শত্রুর মোকাবেলায় আমাদের বিজয়ী করুন, আপনার নুসরাত ও সাকিনাহ নাযিল করুন, আমাদের কোনই শক্তি নেই আপনি ছাড়া, আপনার দ্বীনের জন্য শাহাদাতের আগ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার এবং মানুষের দ্বারে দ্বারে আপনার একত্ববাদের বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার তাওফিক দিন, এবং উম্মতের অন্তর হক্ব কবুলের উপযুক্ত বানিয়ে দিন, আমাদেরকে আপনার দ্বীনের জন্য লড়াই করার ও শাহাদাতের সৌভাগ্য অর্জনের তাওফিক দিন, সকল মুসলিমকে আপনি সেভাবে গঠিত হওয়ার তাওফিক দিন যেমনটি আপনি আমাদেরকে দেখতে চান।
আমীন, ইয়া রব্বানা! ইয়া আরহামার-রাহিমীন!
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ঈমানদারদের ডাক দিয়ে বলেন :
وَتُوۡبُوۡۤا اِلَی اللّٰہِ جَمِیۡعًا اَیُّہَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ لَعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ
হে মু’মিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহ্ র দিকে প্রত্যাবর্তন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।
সূরা—আন নূর, আয়াত - ৩১
আমি কি এভাবেই সারাটা জীবন বেঁচে থাকব নাকি যে-কোন সময় আমার জীবনের ইতি ঘটে যাবে এটাই সুনিশ্চিত!
মৃত্যুর ক্ষণ সম্মুখে আসলে গাফলতি দূর করার জন্য সামান্য কিছু সময়ের জন্য কি আমাকে সুযোগ দেয়া হবে; যাতে করে তাওবা করে পূর্ণ আত্মসমর্পণের সাথে রবের দরবারে হাজিরা দিতে পারি!
নাকি দিবারাত্রির কোন ক্ষণে চঞ্চল বা গাফলত যেকোন অবস্থাতেই বিনা নোটিশে আমাকে নিয়ে যাওয়া হবে!
আচ্ছা! আমার ঈমান কি পরিপূর্ণ বিশুদ্ধ; যেভাবে ঈমান আনার জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বারবার তাকিদ দিয়ে গিয়েছেন, নাকি এই বিষয়ে মনোযোগ দেয়ার সময়টা এখনও পাচ্ছি না!
আমার ইবাদাতে ইখলাস এসেছে কী? এখন মারা গেলে আমি কী নিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়াবো?
আমার উপর অর্পিত সকল ফরজ দায়িত্ব সাধ্যের সবটুকু দিয়ে আদায় করে যাচ্ছি! নাকি অলীক আশায় বসে আছি, আর ক'দিন পরে গুরুত্বের সাথে সব পালন করব!
নফস এমনই আরামপ্রিয় ও ধোঁকাবাজ যে, এরকম 'কদিন পর', ' কদিন পর' বলতে বলতে মৃত্যুর ফেরেশতা দেখার আগ পর্যন্ত সে বলতেই থাকে; কদিন পরে, এই কদিন পরে , অমুক কাজটি হয়ে গেলেই তমুক কাজে এই এই মনোযোগ দিব! এই ঝামেলাগুলোর জন্য হয়ত ইবাদাতে গুরুত্ব দিচ্ছি না এগুলো বেরিয়ে যাক, তারপর এক্কেবারে পুরোদমে নিজেকে দ্বীনি কাজে আত্মনিয়োগ করব, কিন্তু দেখা যায়, কাজের পরে কাজ ফুরোয় , মাসের পরে বছর কেটে যায় , দ্বীনি হালত যেই সেই রয়ে যায়!!
এজন্য আল্লাহ বলেননি: বান্দারা তোমরা কালকের মধ্যেই ভালো যাও! বরং তিনি তার পাক কালামে ইরশাদ করে বলছেন:
اَلَمۡ یَاۡنِ لِلَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَنۡ تَخۡشَعَ قُلُوۡبُہُمۡ لِذِکۡرِ اللّٰہِ
যারা ঈমান এনেছে, তাদের জন্য কি এখনও সেই সময় আসেনি যে, আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর বিগলিত হবে?
(সূরা: আল হাদীদ - ১৬)
আপনি কি আল্লাহকে রব বলে বিশ্বাস করেন? যদি বিশ্বাস করে থাকেন তো আপনার কাছে সেই মহান আল্লাহ জানতে চেয়েছেন: তাঁর স্মরণে আপনার অন্তর বিনীত করার সময় কি এসেছে এখন?
আর না আসলে আল্লাহকে জানান যে কবে ফিরবেন, আর সেই সময় পর্যন্ত যে আপনি বেঁচে থাকবেন তার নিশ্চয়তা বা আল্লাহর পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট আছে তো আপনার হাতে, নয়ত আহকামুল হাকিমীনের কথায় এখন, এই মুহূর্তে ফিরে আসাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!
ওযু করে নামাজের ওয়াক্তে বা রাতের নীরব প্রহর আসার পরে তাওবার কথা ভাবছেন! না ভাই, আপনার মালিক চাচ্ছেন, আপনি এখনই আন্তরিকভাবে তাওবা করুন, পরে তো ইবাদাত করবেনই, যতদিন শ্বাস চলবে ততদিনই লেগে থাকবেন ইনশাআল্লাহ, কিন্তু এখন, আপনার মনটাকে এখনই ঝুঁকিয়ে দিন, আত্মসমর্পণ করুন এখনই! জীবনের কোনই গ্যারান্টি নেই।
আচ্ছা! বলুন তো, এমন কোন কথা কোথাও আছে, যারা বড় কোন কাজে লিপ্ত থাকবে বা যাদের মাঝে বড় কোন কাজের সম্ভাবনা থাকবে তাদের সবাইকেই দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সুযোগ দেয়া হবে!
ওমর ইবনু আব্দুল আযিয র. মাত্র দুই বছর খেলাফত চালানো শুরু করল তখনই কেন মারা গেল তার বয়সও তো ছিল তখন খুব সম্ভব ৩১ বছর, জান্নাতি যুবকদের সরদার হুসাইন রাযি. যুবক বয়সেই এভাবে তার খেলাফত না পেয়েই কেন মাঝপথে কারবালার প্রান্তরে শহীদ হয়ে গেলেন, মুহাম্মদ বিন কাসিম, হঠাৎই থেমে যেতে হলো তাকে! এগুলো তো প্রসিদ্ধ কিছু উদাহরণ, বাস্তবতা তো আরও বিস্তৃত। মূল বিষয় তো আপনি নিজেও জানেন যে, যেকোন সময় যে কারো মরণ আসবে তাহলে যা জানেন তা কেন বিশ্বাস করেন না!!!
আরেকটি বিষয় খেয়াল করি, আমি নিজে তো তাওবা করলাম কিন্তু আমি কি আমার পরিবার ও কাছের মানুষদের খোঁজ নিয়েছি! শুধু আমাকেই মরতে হবে, না তাদেরও যে-কোন সময় চলে যাওয়ার ডাক আসতে পারে!
তাহলে তাদের ঈমান আকিদা ঠিক করা, ও রবের সামনে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করানোর ফিকির ও সে অনুযায়ী প্রচেষ্টা ব্যায় কি জরুরী নয়!
আর শুধু আমার নিজ পরিবারের জন্য মেহনত করলেই কি যথেষ্ট হবে অন্য মুসলমানেরা কি আমার জন্য রক্তের সম্পর্কের চেয়ে কোন অংশে কম! তারাও কি মরবে না? উম্মাহ যে আজ বড়ই গাফলতিতে নিমজ্জিত, দিকভ্রান্ত হয়ে সত্যের তালাশে নানা গিরিখাদে পাগলের মত ছোটাছুটি করছে, অনেকে এমন আছে যে, তাকে বলার কেউ না থাকায় বা সত্য তার কাছে না পৌঁছায়, সে মনের মত চলছে, ভবিষ্যতের কোন শঙ্কা বা চিন্তা না করেই। তো, তাদেরকে মরার আগে কে সৎ পথে আহ্বান করবে!
আল্লাহকে ভালবাসলে আল্লাহর বান্দাদের জন্য এই কাজগুলি করা এখন খুবই জরুরী!
আল্লাহর জন্য যদি নিজেকে বিলিয়ে দিতে পারি এটাই সফলতা। আর, ভোগবিলাস ও আয়েশী জীবনের কোন ভবিষ্যত নেই। আয়েশে দিন কাটিয়ে দেওয়া ও বালির প্রাসাদ বানানোতে শ্রম দেয়া একই কথা। আর রবের পথে ফিরে আসার প্রতিটা কদমেই রয়েছে অপার্থিব এক প্রশান্তি, চিরস্থায়ী প্রাপ্তি!
কাজেই, আর দেরী নয় এখনই সময় আল্লাহর প্রতিজ্ঞাসহ বলি:
হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনি ক্ষমা করে দিন, এই নফসটাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচিয়ে দিন, আপনার কাছে এখনই তাওবা করছি, ফিরে এসেছি হে রব সব ধোঁকার সামগ্রী ছেড়ে, আপনি আমাদের কবুল করে নিন, আমরা সবকিছু ছেড়ে দিয়েছি, আপনি বিনে আমাদের যাওয়ার মত আর কোন জায়গা নেই, সারাটা জীবন আপনার বিধান আঁকড়ে ধরেই পড়ে থাকব, এই অন্তর রাজ্যে শুধু আপনার শাসনই চলবে সেই প্রত্যয়েই আপনার পথে পা বাড়িয়েছি, কিন্তু আমরা তো দূর্বল হে রব! গাফলতি ও শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে আমাদের হেফাজত করুন, অন্তরের যাবতীয় ব্যাধি দূর করে দিন, শত্রুর মোকাবেলায় আমাদের বিজয়ী করুন, আপনার নুসরাত ও সাকিনাহ নাযিল করুন, আমাদের কোনই শক্তি নেই আপনি ছাড়া, আপনার দ্বীনের জন্য শাহাদাতের আগ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার এবং মানুষের দ্বারে দ্বারে আপনার একত্ববাদের বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার তাওফিক দিন, এবং উম্মতের অন্তর হক্ব কবুলের উপযুক্ত বানিয়ে দিন, আমাদেরকে আপনার দ্বীনের জন্য লড়াই করার ও শাহাদাতের সৌভাগ্য অর্জনের তাওফিক দিন, সকল মুসলিমকে আপনি সেভাবে গঠিত হওয়ার তাওফিক দিন যেমনটি আপনি আমাদেরকে দেখতে চান।
আমীন, ইয়া রব্বানা! ইয়া আরহামার-রাহিমীন!
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ঈমানদারদের ডাক দিয়ে বলেন :
وَتُوۡبُوۡۤا اِلَی اللّٰہِ جَمِیۡعًا اَیُّہَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ لَعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ
হে মু’মিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহ্ র দিকে প্রত্যাবর্তন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।
সূরা—আন নূর, আয়াত - ৩১
Comment