Announcement

Collapse
No announcement yet.

পাঠচক্র- ৪৪ || ইসলাম ও গণতন্ত্র ।। মাওলানা আসেম উমর রহিমাহুল্লাহ।। সপ্তবিংশ পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পাঠচক্র- ৪৪ || ইসলাম ও গণতন্ত্র ।। মাওলানা আসেম উমর রহিমাহুল্লাহ।। সপ্তবিংশ পর্ব

    ইসলাম ও গণতন্ত্র
    ।।
    মাওলানা আসেম উমর রহিমাহুল্লাহ।।
    এর থেকে–সপ্তবিংশ পর্ব


    এই উম্মতের নিদর্শন : বক্ষে কুরআন কাঁধে তলোয়ার


    শরহে সিয়ারে কাবীর গ্রন্থে রয়েছে, তাওরাতে এই উম্মতের এই বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে-

    أناجيلهم في صدورهم.وسيوفهم على عوراتهم

    কিতাবুল্লাহ থাকবে তাদের বুকে আর তলোয়ার থাকবে তাদের কাঁধে [1]

    যেই দাওয়াত ও শরীয়তে জিহাদের প্রকৃতি-মানসিকতা সবচেয়ে বেশি এবং উচ্চ মানের পাওয়া যাবে, সেটাই সর্বশ্রেষ্ঠ দাওয়াত এবং সেটাই সর্বশ্রেষ্ঠ শরীয়ত। শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর 'হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা' গ্রন্থে এভাবে বলেছেন-

    সমস্ত শরীয়তের মধ্যে সবচেয়ে পরিপূর্ণ শরীয়ত হল যাতে জিহাদের হুকুম রয়েছে কেননা আল্লাহ তায়ালা, যিনি তাঁর বান্দাদেরকে কিছু কাজ করার আর কিছু কাজ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর দৃষ্টান্ত এমন যে, যেমন এক ব্যক্তির গোলাম অসুস্থ। সে তার কাছের মানুষদের মধ্যে হতে একজনকে ওই গোলামকে ওষুধ খাওয়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এখন সে যদি ওই অসুস্থ গোলামকে জোর করে তার মুখে ওষুধ ঢেলে দেয়, তবে তার এই কাজকে অসৌজন্যমূলক মনে করা হবে না। তবে স্নেহ ও ভালোবাসার দাবি হল, আগে তাকে ওষুধের উপকারিতা বর্ণনা করা, যাতে সে খুশি মনে তা পান করে।

    কিন্তু এমন অনেকই রয়েছে, যাদের ভেতর ক্ষমতার মোহ, নেতৃত্বের লোভ, প্রবৃত্তির তাড়না, অনৈতিক স্বভাব এবং শয়তানি কুমন্ত্রণা প্রবল থাকে। পূর্ব পুরুষের প্রথা- ঐতিহ্য তাদের ভেতর গভীরভাবে বদ্ধমূল থাকে। এই শ্রেণীর লোকেরা এ ধরনের উপকারিতার বাণী কানে তোলে না। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব বিষয়ের নির্দেশ দিয়েছেন, তা নিয়ে চিন্তা করে না এবং তার উপকারিতা নিয়ে ভাবে না।
    এই শ্রেণীর মানুষদের ক্ষেত্রে দয়ার দাবি হল, শুধু উপকারিতার কথা বলেই ক্ষ্যান্ত না হওয়া বরং তাদের সাথে কঠোরতাও করা, তিতা ওষুধ যেমন জোরপূর্বক পান করানো হয়। আর এটাই তাদের প্রতি দয়া। আর পরাজিত করার পথ হল, যে বেশি দুষ্ট হবে, তাকে তেমন শক্তি দিয়েই হত্যা করা। অথবা তাদের ক্ষমতা ও শক্তিকে নির্মূল করা। তাদের সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া, যাতে তারা একদম কাবু হয়ে যায়।

    এই সুরতে তাদের অনুগামী ও বংশধরেরা সন্তুষ্টি ও আনুগত্যের সাথে ঈমান গ্রহণ করবে। (যেমন মক্কা বিজয়ের পর হয়েছিল-লেখক) কারণ নেতারা কেবল তাদের নেতৃত্ব রক্ষার জন্যই তাদের প্রজা ও অনুগামীদেরকে হক ও সত্য থেকে বিরত রাখে। এ বিষয়টিই নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোমের কায়সারের নিকট লিখে পাঠিয়েছিলেন যে তোমার হাতেই (তোমার) সেবকদের বিপদ। এজন্য অনেক সময় মানুষকে পরাজিত করা তার ঈমান গ্রহণের কারণ হয় এদিকেই হাদীসের ভেতর ইঙ্গিত রয়েছে।

    عَجِبَ اللهُ مِنْ قَوْمٍ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ فِي السَّلاسِلِ

    আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হবেন,কিয়ামতের দিন যাদেরকে শিকল পড়িয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে [2]

    তা ছাড়া আল্লাহ তায়ালার হকের দিকে হিদায়াত দেয়া এবং জালেমদের থেকে নিষ্কৃতি দেয়া মানুষের জন্য আল্লাহর পরিপূর্ণ রহমত।

    হযরত শাহ সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি এরপর বলেন-

    কুরাইশ এবং আরবদের থেকে তোমাদের শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত, যারা সত্যের দিক থেকে সবচেয়ে দূরে ছিল। দুর্বলদের প্রতি নির্মম জালেম ছিল এবং নৃশংসভাবে পরস্পরের রক্তপাত ঘটাতনবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে জিহাদ করেন এবং তাদের অবাধ্যদেরকে, যারা ছিল ক্ষমতাবান এবং বজ্জাত, তাদেরকে হত্যা করেন। অবশেষে আল্লাহর হুকুম প্রকাশ হয় এবং সবাই নবীজির ফরমাবরদার হয়ে যায়এদের বিরুদ্ধে যদি শরীয়তে জিহাদের নির্দেশ না থাকত, তবে তারা কিভাবে রহমত (ঈমান গ্রহণ করা-লেখক) লাভ করত? এরপর আল্লাহ তায়ালা যখন আরব-আজমের উপর নারাজ হলেন, তাদের সম্পদ ও রাজত্ব নিশ্চিহ্ন করার নির্দেশ দেন। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যান্য সাহীবদেরকে হুকুম দিলেন, তোমরা এ পথে লড়াই কর, যাতে আল্লাহর উদ্দেশ্য পূরণ হয়। (অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালার দ্বীন বিজয়ী করে খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা।-লেখক) তারা এ বিষয়ে ফেরেশতাদের মত হয়ে গেলেন। তারা আল্লাহর নির্দেশ পুরা করার চেষ্টায় আত্মনিয়োগ করেন।

    কেউ এই প্রশ্ন করতে পারেন যে, মানুষকে হত্যা করা এটা কেমন ভদ্রতা? এর জবাবে শাহ সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

    তাদের এই আমল (কিতাল) সমস্ত আমলের মধ্যে মর্যাদাপূর্ণ । তাদের সাথে হত্যা সম্বন্ধযুক্ত হয় না। বরং এর সম্বন্ধ নির্দেশদাতার সাথে হয়।

    আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন-

    فَلَمْ تَقْتُلُوهُمْ وَلَٰكِنَّ اللَّهَ قَتَلَهُمْ ۚ

    তোমরা তাদেরকে হত্যা করনি, আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে হত্যা করেছেন। [সূরা আনফাল : ১৭]


    এ ছাড়া জিহাদ এবং দাওয়াত বিষয়ে মুহাদ্দিস ও ফুকাহায়ে কেরাম অনেক সবিস্তারে আলোচনা করেছেন। এখানে তার অবকাশ নেই। এখানে কেবল জিহাদের ফজিলতের কারণগুলো আলোচনা করা হচ্ছে।



    জিহাদের ফাযায়েলের কারণসমূহ


    এই আমল উত্তম হওয়ার অসংখ্য কারণ কুরআন এবং হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। এখানে আমরা শুধু জিহাদের ফাযায়েলের কারনগুলো আলোচনা করব। জিহাদের ফাযায়েলের কারণসমূহের দিকে ইঙ্গিত করে শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার ازالة الخفاءগ্রন্থে বলেন- জিহাদের ফাযায়েলের ভিত্তি কয়েকটি উসুলের উপর :

    ১. জিহাদে তাদবীরে ইলাহী (আল্লাহর ব্যবস্থাপনা, পৃথিবীতে আল্লাহর নিযাম ও ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা এবং মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করা) এবং তার ইলহাম (আল্লাহ তায়ালা যখন পৃথিবীতে কোনো কাজ করাতে চান, তা তার কোনো বান্দার অন্তরে উদয় করে দেন যে, তুমি এই কাজ কর) উভয়টি বিদ্যমান রয়েছে। (অর্থাৎ ইবাদতও) এজন্য জিহাদ করা অফুরন্ত রহমত লাভের কারণ । আর এই যুগে (অর্থাৎ শাহ সাহেবের জামানায় যখন খেলাফত প্রতিষ্ঠিত ছিল। তাহলে বর্তমান সময়ের ব্যাপারে কেমন মনে করেন?-লেখক) জিহাদ ত্যাগ করা বড় নেয়ামত থেকে বঞ্চিত থাকা।

    ২. জিহাদ একটি কঠিন এবং ক্লেশজনক আমল । এই আমলে অনেক কঠিন কষ্ট সহ্য করতে হয়। জান-মাল কুরবান করা এবং বাড়ি-ঘর ছাড়তে হয়। এমন কঠিন আমল কেবল সেই ব্যক্তিই করতে পারে, আল্লাহর দ্বীনের উপর যার অকপট ঈমান রয়েছে এবং দুনিয়ার বিপরীতে আখেরাতকে প্রাধান্য দিয়েছেআর আল্লাহর উপর রয়েছে পরিপূর্ণ ভরসা এবং আস্থা।

    ৩. এমন ইচ্ছা (জিহাদ) অন্তরে ঠাই তখনই নেয়, যখন ফেরেশতাদের সাথে তাদের সাদৃশ্যতা অর্জিত হয়(শাহ সাহেব এটাকে মুজাহিদদের মর্যাদার কথা বর্ণনা করেছেন, শর্ত বলেননি)।

    ৪. জিহাদ শাআয়িরে ইলাহী (নামায, যাকাত, মসজিদ ইত্যাদি) দ্বীন এবং আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির সমস্ত কাজ হেফাজতের মাধ্যম ।

    শাহ সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি এগুলোকে জিহাদকারীদের ফাযায়েলের কারণ বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ তায়ালা তার এই বান্দাদের এত ফযিলত ও মর্যাদার কথা কেনো বলেছেন? যারা জিহাদ করেন, আল্লাহর নিকট তাদের এত বেশি ফযিলত যে, ফেরেশতাদের সাথে তাদের সাদৃশ্যতা হয়। শাহ সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি এগুলোকে মুজাহিদদের ফযিলতের কারণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, শর্ত হিসেবে নয়।

    আফসোস, মুসলমানরা শাহ সাহবের বর্ণনাকৃত ফাযায়েলকে জিহাদের শর্ত মনে করে বসে আছে।



    হিন্দুস্তানের মুসলমানদের উপরও জিহাদ ফরযে আইন


    দিল্লির জমিনের উদর থেকে কি আর কোনো শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী পয়দা হয় না, যিনি হিন্দুদেরকে খেলাফতের ‍বিস্মৃত সবক স্মরণ করিয়ে ‍দিয়ে জিহাদের জন্য প্রস্তুত করবেন?

    দিল্লি থেকে উঠে বালাকোটে রক্ত-মাটিতে একাকার হয়ে যাওয়া জামাতের কোনো ওয়ারিশ কি আর বেঁচে নেই, যে নাকি কুফরি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আল্লাহর রাস্তায় জীবন কুরবান করার চেতনা লালন করে?

    ইউপির মাটিতে কি এমন কোনো মা নেই, যিনি তার সন্তানদেরকে সেই ঘুম পাড়ানি গান শোনাবেন, যা শুনে যুবকেরা পর্যটনকেন্দ্র ও খেলার মাঠ ছেড়ে শামেলীর ময়দান প্রস্তুত করবে?... (শামেলীতে হক্কানী ওলামায়ে কেরাম ইংরেজদের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন)

    বিহারের মাটি কি এতই অনুর্বর হয়ে গিয়েছে যে, আজিমাবাদের মুজাহিদদের মত আরেকটি জামাত তৈরি করার যোগ্যতা নেই?

    বাংলার মাটির উপর কোন কাফেরের নজর লেগেছে যে, আরেকজন সিরাজুদ্দৌলার দর্শন থেকে বঞ্চিত?

    দক্ষিণ হিন্দুস্তানের মুসলমানরা শেরে মাইসুরের সেই বাক্যকে ভুলিয়েই দিয়েছে, যা শুনলে আজো কাফেরদের আত্মা কেঁপে ওঠে...!

    গুজরাটের মাটি, যেখানে মুসলমানদের প্রথম পা পড়েছে, যেখানে কুফর ও শিরকের শ্লোগানের বিপরীতে তাকবিরের ধ্বনি প্রথম গুঞ্জরিত হয়েছে। সেখানকার কি হল যে, তাকবির তো এখনও হচ্ছে কিন্ত সোমনাথ কেঁপে উঠছে না কেন...???

    এই প্রশ্নগুলো এমন, যা ইতিহাসের একজন ছাত্রের হিন্দুস্তানের মুসলমানদেরকে জিজ্ঞাসা করার অধিকার রয়েছে। আজ যখন পৃথিবীর সর্বত্র জিহাদের আওয়াজ বুলন্দ হচ্ছে, প্রতিটি দেশের মুজাহিদ আফগানিস্তানে জিহাদে শরিক হওয়ার পর নিজ নিজ দেশে আল্লাহর দ্বীনকে বুলন্দ করার জন্য জিহাদ চালিয়ে যাচ্ছে। তখন বিশ্ব জিহাদী নেতৃত্ব হিন্দুস্তানের ওলামায়ে কেরাম এবং সাধারণ মুসলমানদেরকে এ কথা জিজ্ঞাস করার অধিকার রাখে যে, হিন্দুস্তানের মুসলমান, প্রত্যেক যুগে ইসলামের দুশমন শক্তির বিরুদ্ধে জিহাদের ঝাঁণ্ডা বুলন্দ করেছে। ওলামায়ে হিন্দ ইসলামের দুশমনদের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, পৈশাচিক নির্যাতন নিপীড়ন সত্বেও জিহাদ ছাড়েনি। কিন্ত আজ কি হল যে, জিহাদের ময়দান হিন্দুস্তানের মুসলমান শূন্য। অথচ হিন্দুস্তানে জিহাদের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষ ফযিলত বর্ণনা করেছেন। ইরশাদ করেন-


    عِصَابَتَانِ مِنْ أُمَّتِي أَحْرَزَهُمَا اللهُ مِنْ النَّارِ عِصَابَةٌ تَغْزُ الْهنْدَ وَعِصَبَةٌ تَكُونُ مَعَ عِسَى ابْنِ مَرْيَمَ عَلَيْهِمَا السَّلاَم

    আমার উম্মতের দুটি জামাতের উপর আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামের আগুনকে হারাম করেছেন। একটা হল সেই জামাত, যারা হিন্দুস্তান থেকে জিহাদ করবে। আরেকটি হল সেই জামাত যারা হযরত ঈসা বিন মারয়াম আলাইহিমা সালামের সঙ্গী হবে।[3]

    অন্য হাদীসে ইরশাদ করেন-

    وَعَدَنَا رَسُولُ اللهِ صلَّ اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزْوَةَ الْهِنْدِ فَإنْ أَدْرَكْتُهَا أُنْفِقْ فِيهَا نَفْسِي ومَالي فَإنْ أُقْتَلْ كُنْتُ مِنْ أَفْضَلِ الشُّهَدَاءِ وَإِنْ أَرْجِعْ فَأَنَاأَبُوهُرَيْرَةَ الْمُحَرْرَّرُ

    (হযরত আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন-) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের থেকে গাযওয়ায়ে হিন্দের প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন। আমি (অর্থাৎ আবু হুরায়রা রাযি.) যদি সেই জিহাদ পাই, তবে এই জিহাদে আমার জান-মাল সব ব্যয় করব। যদি শহিদ হই তবে ‘আফজালুশ শুহাদা’ বা উত্তম শহীদদের অন্তর্ভুক্ত হব। আর যদি ফিরে আসি, জাহান্নাম মুক্ত আবু হুরায়রা হব।[4]


    [1] شرح الكبير : الجزءالأول. باب فضيلةالرباط. للامام الأئمة أبوبكر محمد بن أبي سهل السرخسي شمس الأئمة
    [2] صحيح البخاري: الجزء 10 .كتاب الجهاد و السير.باب الأساري في السلاسل
    [3] سنن النسائي : 10 . كتاب الجهاد. باب تمني القتل في سبيل الله تعالي غزوة الهند
    [4] প্রাগুক্ত




    আরও পড়ুন​

  • #2
    হিন্দুস্তানের মুসলমানদের উপরও জিহাদ ফরযে আইন
    আল্লাহ উপমহাদেশের মুসলিমদেরকে এই ফরয আদায়ের তাওফিক দান করুন। আমীন
    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

    Comment

    Working...
    X