Announcement

Collapse
No announcement yet.

পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ - দ্বাত্রিংশ পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ - দ্বাত্রিংশ পর্ব

    আল হিকমাহ মিডিয়া পরিবেশিত
    ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১
    বিজয়ের সোপান
    ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি ।।
    [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ– ।।
    –।।থেকে- দ্বাত্রিংশ পর্ব



    বর্তমান জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ'র প্রশ্নে ইসলামী দলগুলোর অবস্থান


    এই দ্বীনের সর্বোচ্চ শিখর জিহাদ ও বর্তমান সময়ে ইসলামের জন্য কাজ করা দলগুলো মধ্যকার ফাটল বেশ গভীর! ইসলামী দলসমূহ,তাদের অর্জন ও ব্যর্থতা নিয়ে পর্যালোচনা করলে খুব সহজেই এটি বোঝা যায়।

    বিষয়টিকে আরও সুস্পষ্ট করার লক্ষ্যে অতি সংক্ষেপে আমরা কয়েকটি বিষয় তুলে ধরতে চাই। বর্তমান সময়ে ইসলামের জন্য কাজ করা এ সমস্ত দলগুলো বিভিন্ন প্রকৃতির কোনো কোনো জামাত জিহাদের একটি বিরাট অংশকে পুরোপুরি রহিত ও অকার্যকর করে দিয়েছে। জিহাদকে কেবল আগ্রাসী শত্রুকে প্রতিহত করার মাঝেই একেই সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে। সাইকস-পিকটসসহ অন্যান্য ক্রুসেডার প্রাচ্যবিদেরা তাদেরকে যে সীমানা বেঁধে দিয়েছে, তাঁরা সেটার ভেতরেই ঘুরপাক খাচ্ছে। যেমন: ইখওয়ানুল মুসলিমিনতারা জিহাদকে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে। এক দেশ, এক জাতি অথবা এক গোত্রের সীমারেখার ভেতর তারা একে আটকে ফেলেছে। আর তারা কেবল আগ্রাসী মূলগত কাফেরের বিরুদ্ধেই প্রতিরক্ষা যুদ্ধের বৈধতা দেখছে।

    হামাস আন্দোলনের কথা বলা যেতে পারে। এর নেতৃবৃন্দ ফিলিস্তিনের রক্ত আর ফিলিস্তিনি জাতীয়তাকে রক্ষা করার প্রবক্তা। ফিলিস্তিনিদের রক্ত এমনই পবিত্র রক্ত কোন অবস্থাতে যা ঝরানো বৈধ নয়। এমনকি যদি এই ‘নীল রক্তের’ মানুষ মুরতাদও হয়ে যায়তবুও না।

    এবার ইরাকের ইখওয়ানুল মুসলিমিনের প্রসঙ্গে আসা যাক। তাদের জন্য আফসোস হয়। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তারা যদি অন্তত ফিলিস্তিনের ইখওয়ানকে অনুসরণ করত, তাহলেও ভালো ছিল। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, তারা ক্রুসেডারদের আগ্রাসনকে মেনে নিয়েছে। ক্রুসেডারদের হাতে হাত রেখে অব্যাহত রক্তক্ষরণে সতেজতা ও উর্বরতা হারানো শুষ্ক এই ভূমিতে তারা শিরকী গণতন্ত্রের ধারক-বাহকদের একটি পক্ষে পরিণত হয়েছে

    সাধারণভাবে আমরা বলতে পারি, ইখওয়ানুল মুসলিমিনের অধীনে পরিচালিত ইসলামী আন্দোলন ও প্রতিষ্ঠিত জিহাদী আন্দোলনগুলো একটি জাতীয়তাবাদী স্বদেশ ভিত্তিক জিহাদে পরিণত হয়েছে যেখানে একমাত্র প্রতিপক্ষ বহিরাগত আগ্রাসী কাফের। আর স্থানীয় শাসকগোষ্ঠী যারা তাদের ও তাওহীদবাদীদের বুকের ওপর চেপে বসে আছে, তাদের ব্যাপারে অবস্থান হলো, তারা পরস্পরে ভাই ভাই তারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত। এ সমস্ত মুরতাদরা ইখওয়ানের মতে বৈধ শাসক, কোনো অবস্থাতেই যাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা জায়েজ নয়। বরং উচিত হলো: তাদের নির্যাতনে ধৈর্যধারণ করা, উত্তম কথার মাধ্যমে তাদেরকে উপদেশ দেয়া, তাদের প্রতি বিনয় প্রদর্শন করা, তাদের সামনে নত হয়ে থাকা। এক্ষেত্রে তাদের পেছনে কাজ করে মুরতাদ গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে দেয়া ‘নারীর’ টোপএকমাত্র আল্লাহর কাছেই আমরা সমস্ত অভিযোগ দায়ের করি...

    সেসব জামাতের মধ্যে কোনো কোনোটি এমন রয়েছে, যারা জিহাদকে পুরোপুরি রহিত করে দেয়। তারা শরীয়তের দ্ব্যর্থহীন বক্তব্যকে মূল অর্থ থেকে সরিয়ে আনেনিজেদের খেয়ালখুশি মতো তারা সেগুলো বিকৃত করে। তারা উত্তম কথা, উত্তম উপদেশ, হেকমত, ধীরস্থিরতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে দাওয়াত ও তাবলীগের কাজের ভেতর জিহাদকে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। তাদের কথা হচ্ছে, মানুষের আল্লাহবিমুখ দিলকে পরিশুদ্ধ করা এবং আল্লাহমুখী করা আল্লাহর নৈকট্য প্রাপ্তির সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থাগুলোর মাঝে একটি। এই দ্বীনের সর্বোচ্চ চূড়া এটি। তারা অন্যায়ভাবে, মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ও অজ্ঞতাবশত দাবি করে, মুসলিমরা বর্তমানে মক্কী যুগে রয়েছে। তাদের মতে, তাওহীদ রক্ষার জন্য তরবারি কোষমুক্ত করে লড়াইয়ের ময়দানে অবতীর্ণ হওয়া এখন মুসলিমদের জন্য উচিত নয়। কষ্ট সহ্য করা, নির্যাতন-নিপীড়ন ও সম্ভ্রমহানি মেনে নেয়া ছাড়া তাওহীদবাদীদের এখন আর কোনো কাজ নেই। এখন তাদের কাজ হচ্ছে প্রতিশ্রুত মাহদির অপেক্ষা করতে থাকা, যিনি নির্যাতিত উম্মাহর হাল ধরবেন, মুসলিমদের হৃতগৌরব ফিরিয়ে আনবেন এবং আল্লাহর শাসন প্রতিষ্ঠা করবেন!

    সেসব জামাতের মাঝে কোনোটি আছে, যারা ন্যায়পরায়ণ শাসকের অস্তিত্বকে শর্ত ধরে নিয়েছে। তাদের মতে শিক্ষা-দীক্ষা, শরয়ী ইলম অর্জন, অতঃপর এর মধ্য দিয়ে উম্মাহর প্রতিটি সদস্যের জন্য আবু বকরের মতো ঈমান, ওমরের মত ন্যায়নিষ্ঠা ও ইনসাফ, ওসমানের মত লজ্জা, আলীর মত বীরত্ব, ইবনে মাসউদ ও ইবনে আব্বাসের মত ফিকহ্ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) এগুলো অর্জন করা সর্বাগ্রে জরুরিবর্তমানে মানব সমাজের ভেতর পূরণ হওয়া অসম্ভব এসব শর্ত তারা এতটাই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে যে, কোনো অবস্থায়ই যেন এগুলোর ব্যাপারে অবহেলা করা চলবে না এমনকি অবহেলিত ফরজ জিহাদের কাজ আরম্ভ করা যাবে না; এ শর্তাবলী পূরণ হওয়ার আগ পর্যন্ত! দুঃখে কষ্টে যে বিষয়টি অন্তরকে ক্ষতবিক্ষত করে দেয় তা হলো, এ জাতীয় চিন্তাধারার অধিকাংশ তালিবুল ইলম নিজেদেরকে সালাফী বলে পরিচয় দেয়। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম!


    এসব জামাতের মধ্যে কোনোটি জিহাদকে একেবারে অকার্যকর করে রেখেছে। তারা বিভিন্ন কল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠা, প্রচারমাধ্যম গড়ে তোলার কথা বলে জিহাদকে পাশ কাটিয়ে যায়। যেমন সাহওয়া সালাফী আন্দোলন। তাদের ধারণা অনুযায়ী বর্তমানে ওয়াজিব জিহাদ হচ্ছে- বয়ান বক্তৃতার জিহাদ, উত্তম উপদেশের জিহাদ। অন্যকে বুঝতে পারা, উত্তম কথার মাধ্যমে পারস্পরিক মতবিনিময়, শাসকবর্গের মর্জিমাফিক বিভিন্ন উপায়ে তাদেরকে উপদেশ দেয়া ইত্যাদি হলো বর্তমান সময়ের জিহাদের মূল কথা।

    এসব জামাতের মধ্যে আবার কোনোটি এমন রয়েছে, যারা ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত জিহাদকে পুরোপুরি অকার্যকর মনে করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কর্তৃক নির্ধারিত এই বিধান; যা তিনি সমাজ পরিবর্তনের জন্য, দ্বীনকে সাহায্য করার জন্য, ফিৎনা দমনের জন্য এবং তাওহীদ প্রচারের জন্য আমাদের শরীয়তের অন্তর্ভুক্ত করে দিয়েছেন, শরীয়তসম্মত এই জিহাদী পন্থাকে তারা অন্যের কাছ থেকে নুসরাহ্ তলবের নীতি দ্বারা পরিবর্তন করে ফেলেছে। তাদের আশা, বাইরের ওই শক্তিই তাদেরকে সিংহাসনে বসিয়ে দেবে এবং রাজদন্ডের মালিক বানিয়ে দেবে। অবস্থা এমন, যেন রাজত্ব আর ক্ষমতা কোনো সস্তা পণ্য চাইলেই সেগুলো কেনাবেচা করা যায়! তারা আসলে ভুলে গেছে, রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হয় রক্ত ঝরানোর আর প্রাণ বিসর্জনের।

    এসব জামাতের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করলে, তাদের রুটিন ও কর্মবিধি খতিয়ে দেখলে এবং তাদের নেতৃবৃন্দ ও কর্ণধারদের কথাবার্তা ধারাবাহিকভাবে শুনে দেখলে, পাশাপাশি সত্য প্রাপ্তির আকুতি থাকলে আমাদের উপরোক্ত বক্তব্যের যথার্থতা খুব ভালোভাবে বুঝে আসে। আমরা যা কিছু লিখেছি, যা কিছু বর্ণনা করেছি, সেগুলোর প্রতিটি সূক্ষাতিসূক্ষ বিষয়ে দিব্যদৃষ্টি অর্জিত হয়। তখন এই দ্বীনের গুরাবা দলের প্রথম ব্যক্তি, মুহাম্মাদ -এর নিম্নোক্ত বাণীর সত্যতা অনুধাবন করা সম্ভব হয়-

    بَدَأَ الإِسْلاَمُ غَرِيباً، وَسَيَعُودُ كَمَا بَدَأَ غَرِيباً، فَطُوبى لِلْغُرَبَاءِ" رواه مسلم.

    ইসলাম অপরিচিত অবস্থায় পথ চলতে শুরু করেছে আর অচিরেই তা পূর্বের অপরিচিত অবস্থায় ফিরে যাবে। তাই অপরিচিতদের জন্য সুসংবাদ![1]

    আমাদের শাইখ আইমান আয-যাওয়াহিরি হাফিজাহুল্লাহ এমনই কিছু জামাতের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে খুব সুন্দর কথাই বলেছেন, মুসলিম উম্মাহর মাঝে ঘাপটি মেরে থাকা স্বৈরতান্ত্রিক সরকারগুলো ইসলাম ও মুসলিমদের ক্ষতি সাধনে অব্যাহতভাবে তৎপর রয়েছে। খোলাখুলিভাবে ইসলামের সঙ্গে শত্রুতা করার ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পেরে এখন তারা নতুন নীতি গ্রহণ করেছে। তারা মুসলিমদের ঐক্য বিনষ্ট করা এবং শরীয়তের দৃষ্টিতে ফরজে আইন বিধান থেকে মুসলিমদেরকে দূরে রাখার নীতি অবলম্বন করেছে। মুসলিম ঐক্য বিনষ্টের নানা মাধ্যম তারা গ্রহণ করেছে। তারমধ্যে অতিগুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হচ্ছে, চটকদার ও আকর্ষণীয় বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে বিশেষ পদ্ধতির দাওয়াতে মুসলিমদেরকে উদ্বুদ্ধ করা। প্রকৃতপক্ষে এই সমস্ত দাওয়াতের মাঝে প্রধানত দুটো বিষয় থাকে:

    প্রথমটি হলো: মুসলিমদের আকীদা-বিশ্বাসের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ থেকে তাদেরকে দূরে সরিয়ে আনা। আর তা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার হাকিমিয়্যাহ্ বা বিধান প্রণয়নের একক অধিকারের সামনে আত্মসমর্পণ। এ সমস্ত দাওয়াতে গুরুত্বপূর্ণ এই স্তম্ভটি গুঁড়িয়ে দিয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাহেলী গণতান্ত্রিক নীতি অনুসরণের আবহ তৈরি করা হয় আর এর মূল কথা হলো, স্বতন্ত্রভাবে আইন প্রণয়ন মানব অধিকারভুক্ত; মানুষ নিজের খেয়াল খুশি মতো বিধানাবলী ও নীতিমালা প্রণয়ন করার অধিকার রাখে।

    দ্বিতীয়টি হলো: মুসলিম বিশ্বের ওপর চেপে বসা এ সমস্ত মুরতাদ, শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে ফরজে আইন জিহাদকে ভুলিয়ে দেএমনকি এর পক্ষে কেউ কথা বললে তাদের বিরুদ্ধাচরণ করে তাদেরকে নির্বোধ মনে করে তাদের সাথে শত্রুতায় লিপ্ত হয় তাদেরকে দমন করার জন্য সরকারকে আহ্বান করে। এমনকি এ সমস্ত তাগুত গোষ্ঠীর সামনে তাদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করে

    মুসলিমদের মাঝে ফাটল ধরাতে যে সমস্ত জামাত এজাতীয় দাওয়াতের কাজ করছে, তার মধ্যে রয়েছে ইখওয়ানুল মুসলিমিনবিশেষত ৯/১১ এর ঘটনার পরের সময়ে তারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার, জাহিলি সংবিধানের বিধি-বিধান আঁকড়ে ধরার ঘোষণায় সরব। অথচ এই সংবিধানে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আল্লাহর একক অধিকারকে অস্বীকার করা হয়। তারা মুসলিম যুবকদের আবেগ ব্যবহার করছে তাদেরকে নিজেদের দলে ভেড়ানোর জন্য। শুধু তাই নয়, তারা এ সমস্ত যুবকের চেতনাকে পুঁজি করে নিজেদের স্থবিরতার মাঝে তাদেরকে

    আনছে এবং তাগুত গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জিহাদের ইসলামী চেতনাকে নির্বাচন ও সভা-সেমিনার মুখী করে দিচ্ছে।

    মুজাহিদ শাইখ আবু কাতাদা ফিলিস্তিনি এ সমস্ত জামাতের অবস্থা দেখে কেঁদে কেঁদে বলেন, মুসলিমরা যেহেতু মুরতাদ তাগুতকে অপসারণের ব্যাপারে একমত, তো কোন পন্থায় তাগুতকে সিংহাসনচ্যুত করা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে?

    একশ্রেণীর মানুষ কেবল মানুষকে ইসলাম শিখিয়ে মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেন। এভাবেই নাকি ইসলামের শিকড় মজবুত হবে এবং মুসলিমদের শক্তি বৃদ্ধি হবে। এর জন্য মুসলিমদেরকে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দিতে হবে না। শুধু কি তাই? এই শ্রেণীর লোকদের সর্বোচ্চ চাওয়া-পাওয়া হচ্ছে, তারা পুঁথিগত বিদ্যায় বড় বড় বিদ্বান হবেন, প্রতিভাবান রাজনীতিজ্ঞ হবেন, দিনে সিয়াম পালনকারী হবেন, রাতে সালাত আদায়কারী হবেন, এমনিভাবে কুরআন ও হাদীসের হাফেজ হবেন। এই শ্রেণীর ভেতর এক মেরু সুফি ধারা থেকে বিপরীত মেরু সালাফী ধারা পর্যন্ত সব দিক রয়েছে, যার মাঝামাঝিতে আছে ইখওয়ান ধারা। তাদেরকে আমি প্রশ্ন করতে চাই, ধরুন- তাগুতের তত্ত্বাবধানে অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত, শক্ত-সমর্থ একশ' লোক আছেএই বাহিনী ইলমে দ্বীনের বাহনগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে, বিদ্বান মহলের শাস্ত্রীয় নথিপত্র নষ্ট করে দিচ্ছে, ইবাদাতকারীদের তসবিহ ছিড়ে ফেলছে মসজিদগুলো বিরান করে দিচ্ছেএই অবস্থায় কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিদাতপন্থীদের গোঁয়ার্তুমি ও সংকীর্ণ সুফীবাদী মানসিকতা থেকে মুক্ত কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি কি উক্ত বাহিনীর মোকাবেলায় জিহাদ ভিন্ন অন্য কোনো কিছুর কথা ভাবতে পারেন?”



    [1] সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৩৮৯



    আরও পড়ুন​

  • #2
    আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে সকল ফিতনা থেকে হিফাযত করুন এবং সীরাতে মুসতাকীমের উপর অটল-অবিচল রাখুন,আমীন।

    Comment


    • #3
      অবস্থা এমন, যেন রাজত্ব আর ক্ষমতা কোনো সস্তা পণ্য চাইলেই সেগুলো কেনাবেচা করা যায়! তারা আসলে ভুলে গেছে, রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হয় রক্ত ঝরানোর আর প্রাণ বিসর্জনের।
      ইন শা আল্লাহ ত্বগুতের দখলে প্রত্যেকটা জমিন মুক্ত হবে একমাত্র জিহাদ এবং ক্বিতালের দ্বারাই

      ইন শা আল্লাহ প্রত্যেক ত্বগুতের ক্ষমতার পতন হবে একমাত্র জিহাদ এবং ক্বিতালের দ্বারাই

      ইন শা আল্লাহ প্রত্যেক মাজলুম জালেমের জুলুম থেকে মুক্তি পাবে একমাত্র জিহাদ এবং ক্বিতালের দ্বারাই

      অতএব এই পথ ছাড়া আর কোনো বিকল্প নাই

      গুরাবা হয়ে লড়তে চাই, গুরাবা হয়েই শাহাদাহ চাই

      Comment

      Working...
      X