Announcement

Collapse
No announcement yet.

সুদান আপডেটঃ

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • সুদান আপডেটঃ


    🔺সুদানের বর্তমান পরিস্থিতি হলো, রাজধানী খার্তুম সহ আরও কয়েকটি শহর সেনাবাহিনী পুনুরুদ্ধার করে নিয়েছে। যার প্রেক্ষিতে ফেইসবুক,হোয়াট্সআপ,টুইটার সহ বিভিন্ন গ্রুপ/প্লাটফর্ম থেকে সুদানী প্রবাসীদের দেশে আসার আহ্বান করা হচ্ছে।
    আর সীমান্তবর্তী প্রদেশ দারফুর পুরোটায় রয়েছে সন্ত্রাসী আরএসএফ ও তাদের মিত্র জোট বাহিনির দখলে। উভয় দখলকৃত অঞ্চলে প্রত্যেকদিন হামলা পাল্টা হামলা চলছে। সুদান সেনাবাহিনী ও তাদের মিত্র জোট বাহিনিগুলো আরএসএফ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল ফিরিয়ে নিতে পুরোদমে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

    🔺আখবারুস সুদান নামক এক আরবী নিউজে বলা হয়েছে যে,উত্তর দারফুরে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন: করনয় ও আমব্রো এখন আধাসামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে
    ​উত্তর দারফুরের সাম্প্রতিক সামরিক অগ্রগতি যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে একটি দ্রুত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর ফলে দ্রুত বিভিন্ন এলাকা ‘সন্ত্রাস র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস’ (RSF)-এর দখলে চলে যাচ্ছে।
    ​আল-ফাশির – উত্তর দারফুরের চারটি পৃথক সূত্র বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, ফাশির থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত করনয় (Karnoi) শহরটি এখন পুরোপুরি সন্ত্রাস আরএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে। বুধবার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর যৌথ বাহিনী সেখান থেকে পিছু হটে তিনা (Tine) শহরের দিকে চলে যাওয়ার পর আরএসএফ শহরটি দখল করে নেয়।
    ​বুধবার আরএসএফ ঘোষণা করেছে যে, তারা সামান্য সংঘাতের পর করনয় এলাকার আবু কামরা এবং আমব্রো (Ambro) শহর দুটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ফাশিরে তিনা, করনয় এবং আমব্রো ছিল সুদান সেনাবাহিনী এবং তাদের সহযোগী যৌথ বাহিনীর শেষ শক্ত ঘাঁটি।
    ​বর্তমানে দারফুর অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশই আরএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শুধুমাত্র জাবাল মাররা অঞ্চলের কিছু অংশ এখনো আব্দুল ওয়াহিদ মুহাম্মদ নূরের নেতৃত্বাধীন 'সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট'-এর দখলে আছে।​

    সুদান ট্রিবিউন নামক নিউজে এর উল্টা দাবি হয়েছে, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ (করনয়) – সুদান সেনাবাহিনীর মিত্র যৌথ বাহিনী বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, তারা উত্তর দারফুর রাজ্যের উম বারু (Um Baru) এবং করনয় (Karnoi) এলাকায় র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)-এর একটি হামলা প্রতিহত করেছে।
    ​এর আগে বুধবার, আরএসএফ ঘোষণা করেছিল যে তারা আবু কামরা (Abu Gamra) এবং উম বারু এলাকা দুটির নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে। মূলত দারফুর অঞ্চলে সেনাবাহিনীর মিত্র শক্তিদের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটিগুলো কবজ করার যে বৃহত্তর সামরিক অভিযান তারা চালাচ্ছে, এটি তারই অংশ ছিল।

    ​বিষয়টি সহজভাবে বুঝে নিন:
    ​যৌথ বাহিনীর দাবি: তারা আরএসএফ-এর আক্রমণ প্রতিহত করেছে।
    ​আরএসএফ-এর দাবি: তারা এলাকাগুলো দখল করে নিয়েছে।
    ​যুদ্ধক্ষেত্রে প্রায়ই উভয় পক্ষ থেকে এমন পরস্পরবিরোধী দাবি করা হয়।​

    🔺তারা আরও জানায় গতকাল ২৫ ডিসেম্বর নিয়ালার জ্বালানি বাজারে ড্রোন হামলা করেছে।তাতে দক্ষিণ দারফুরে জনজীবনে প্রভাব বাড়ছে
    ​নিয়ালার জ্বালানি বাজারকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলা চলমান সংঘাতের ক্ষেত্রে ড্রোনের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এবং দক্ষিণ দারফুরের বেসামরিক জীবনে এর ব্যাপক প্রভাবের বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছে।
    ​নিয়ালা – প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় সূত্রগুলো বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, সুদান সেনাবাহিনীর বলে ধারণা করা একটি ড্রোন নিয়লা শহরের জ্বালানি বাজারে আছড়ে পড়েছে। এর ফলে বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
    ​শহরটির প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা ড্রোনটিকে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসতে দেখেন। এরপর এটি সেনাসদর দপ্তরের পূর্ব দিকে এবং সরকারি সচিবালয়ের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত বাজারে আছড়ে পড়ে। তারা আরও জানান, বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটের দিকে তারা আকাশে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান এবং জ্বালানির ড্রামগুলো বিস্ফোরণে চারদিকে উড়তে দেখেন।​

    🔺উভয় বাহিনির হামলা পাল্টা হামলায় জনজীবন দূর্বিষহ হওয়া সত্ত্বেও ইতিমধ্যে আল জাজিরার প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে,সুদানের সার্বভৌম পরিষদ স্পষ্ট জানিয়ে দিল যে, আরএসএফ-এর সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি বা আলোচনা নয়
    ​সুদানের অন্তর্বর্তীকালীন সার্বভৌম পরিষদের (TSC) একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশটির চলমান বিধ্বংসী যুদ্ধের মধ্যে আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)-এর সাথে যেকোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন।
    ​সার্বভৌম পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান মালিক আগার আইয়ির বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, “কোনো দখলদারের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি বা আলোচনা হবে না। সুদান যে ন্যায়সঙ্গত শান্তি প্রত্যাশা করে, তা অর্জিত হবে এদেশের জনগণ ও সরকারের তৈরি করা রোডম্যাপ ও ভিশনের মাধ্যমে।”
    ​সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত এই বিবৃতিতে তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, দখলদার শক্তির সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই।
    ​বিশ্লেষণ ও প্রেক্ষাপট:
    ​কঠোর অবস্থান: মালিক আগারের এই মন্তব্যটি সুদান সেনাবাহিনীর অনড় অবস্থানের প্রতিফলন। তারা আরএসএফ-কে একটি বিদ্রোহী এবং দখলদার শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে।
    ​শান্তি প্রক্রিয়া: তিনি আন্তর্জাতিক চাপের পরিবর্তে সুদানের নিজস্ব সরকারি পরিকল্পনার (রোডম্যাপ) ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
    ​সংঘাতের মাত্রা: একদিকে আরএসএফ যখন বিভিন্ন এলাকা দখলের দাবি করছে (আগের সংবাদ অনুযায়ী), অন্যদিকে সরকার পক্ষ আলোচনার পথ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছে। এর মানে হলো সুদান যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।​

    🔺মুকাওয়ামাতে সুদান ওয়া ফিলিস্থিন নিউজ জানিয়েছে,সন্ত্রাস সুদানের দক্ষিণ কর্দোফানের কাদুগলিতে ড্রোন হামলা করেছে। তাতে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছে।
    ​কাদুগলি – স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) ‘র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস’ (RSF) দক্ষিণ কর্দোফানের কাদুগলি শহরে অবস্থিত জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা গোয়েন্দা সংস্থার সদর দপ্তর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
    ​আল-মায়াদিন নেটওয়ার্কের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা মেহের জানিয়েছে, একজন সামরিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে এই বিমান হামলায় গোয়েন্দা সংস্থার ভবনের ‘সামান্য’ ক্ষতি হয়েছে।
    ​তবে গণমাধ্যমের অন্যান্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ড্রোনগুলো একটি বেসামরিক গাড়িকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে, যার ফলে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।
    ​গত কয়েক দিন ধরে কর্দোফান রাজ্য সুদান সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ-এর মধ্যে তীব্র সশস্ত্র সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    🔺আবার ডাবাঙ্গা নামক নিউজে সন্ত্রাস আরএসএফ দাবি করেছে যে,তাদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে সাধারণ জনগনের মাঝে তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে ও ত্রান সরবরাহ রুট খুলে দিয়েছে।

    (বিঃদ্রঃ সুদানের মুসলিম ভাইয়েরা তাদের রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনি (SAF) এর থেকেই আশাবাদী। কারণ তারা অনেকটা ইসলামিক চেতনাধারী।)
    আল্লাহ তায়ালা আমাদের ভাইদের হেফাজত করুন।​

  • #2
    আল্লাহ, মুমিনদের শক্তিশালী করুন আমিন।

    Comment


    • #3
      সুদান আপডেটঃ

      🔺​ নিউজ ফ্রম সুদান জানিয়েছে দক্ষিণ কর্ডোফান রাজ্যের কাদুগলির পশ্চিমে উম্ম আদারা এলাকার ফুটেজে দক্ষিণ সুদানি ভাড়াটে সৈন্যদের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে, যারা আল-হিলু মিলিশিয়া জোট এবং সন্ত্রাস র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (RSF) হয়ে কাজ করছে।

      🔺তারা আরও জানায় পশ্চিম কর্ডোফানের গবেশ (Gbeish) এলাকায় র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (RSF) হাতে ব্যবসায়ী ও বেসামরিক নাগরিকরা বারবার হামলা ও অপহরণের শিকার হচ্ছেন। অপহৃতদের মুক্তির বিনিময়ে তাদের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ হিসেবে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে ব্ল্যাকমেইল বা চাঁদাবাজি করা হচ্ছে।

      🔺আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কর্ডোফান অঞ্চলের রাজ্যগুলোতে র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF) মিলিশিয়াদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে মাত্র দুই দিনে ২,৬১৫ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

      🔺পশ্চিম দারফুর রাজ্যের জেনেইনা (Geneina) শহরে দুটি ড্রোন হামলার ফলে নারী ও শিশুসহ অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

      🔺নভেম্বরের শেষের দিকে বিহাচের (Bihać) কাছে বেশ কয়েকজন সুদানি অভিবাসীকে গুরুতর ফ্রস্টবাইটে (তীব্র ঠান্ডায় শরীরের টিস্যু জমে যাওয়া) আক্রান্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, যাদের মধ্যে পরবর্তীতে তিনজনের পা কেটে ফেলতে হয়েছে। তাদের শরীরে পর্যাপ্ত পোশাক ছিল না। উদ্ধারের পর তাদের বিহাচ থেকে তুজলার ইউনিভার্সিটি ক্লিনিক্যাল সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, ক্রোয়েশীয় পুলিশ ওই অভিবাসীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের জামাকাপড় ও জুতো খুলে নিয়েছে এবং শীতের মধ্যে জোরপূর্বক বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে।

      🔺সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে এ পর্যন্ত ১,৩০০-এরও বেশি হাম (measles) আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর, ‘ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স’ (MSF) দারফুর অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে সতর্কবার্তা জারি করেছে। তারা জানিয়েছে, "জরুরি ও কার্যকর টিকাদান কর্মসূচির অভাবেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।"
      ​"সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, বারবার টিকাদান অভিযান শুরু করা এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি পুনরায় চালু করার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও, তাদের পরিচালিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ১,৩০০-এর বেশি কেস নথিভুক্ত হয়েছে।"
      ​"তারা আরও যোগ করেছে যে, 'টিকা সরবরাহে বিলম্ব এবং বারবার টিকাদান কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার ফলে শিশুরা অসুরক্ষিত থেকে যাচ্ছে, আর এরই মধ্যে এই প্রাদুর্ভাব ক্রমাগত ছড়িয়ে পড়ছে।'"

      🔺সুদানি সশস্ত্র বাহিনী (SAF)-এর ইউনিটগুলো দক্ষিণ সুদান এবং পশ্চিম ও দক্ষিণ কর্ডোফান রাজ্যের সীমান্তবর্তী আল-নাম (Al-Naam) এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে জ্বালানি ডিপোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। হতাহতের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি, কারণ মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে বড় ধরনের তারতম্য দেখা যাচ্ছে।

      আল্লাহ তায়ালা আমাদের ভাই বোনদের হেফাজত করুন।

      Comment


      • #4
        সুদানে সে অঞ্চলগুলোতে কি কোন মুজাহিদ বাহিনী আছে??

        Comment


        • #5
          Originally posted by খালেদ নেওয়াজ View Post
          সুদানে সে অঞ্চলগুলোতে কি কোন মুজাহিদ বাহিনী আছে??
          এটাই সবচেয়ে কষ্টদায়ক বিষয় যে ওখানে কোন মুজাহিদ গ্রুপ নেই। তবে দেশের সেনাবাহিনীর সাথে ইখওয়ানী ঘিরানার বিভিন্ন ইসলামপন্থী গ্রুপ সহযোগিতা করছে।
          Last edited by Munshi Abdur Rahman; 8 hours ago.

          Comment


          • #6
            সুদান আপডেটঃ

            🔺একটি কৌশলগত সামরিক অগ্রগতির খবর হিসেবে, এসএএফ (SAF) বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে যে তাদের ইউনিটগুলো উত্তর কর্দোফান রাজ্যের রাজধানী এল ওবেইদ (El Obeid) শহরের দিকে যাওয়া পূর্বদিকের রাস্তাটি সফলভাবে উন্মুক্ত করেছে। এর মাধ্যমে আরএসএফ (RSF)-এর দীর্ঘদিনের অবরোধের অবসান ঘটল এবং শহরটি পুনরায় জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হলো।

            🔺আরএসএফ (RSF) এবং তাদের সহযোগী মিলিশিয়া বাহিনীর হামলার খবরের মধ্যে মাত্র দুই দিনে—২৫ থেকে ২৬ ডিসেম্বর—উত্তর দারফুরের উম বারু (Um Baru) এবং কারনোই (Karnoi) থেকে ৭,০০০-এরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

            🔺আরএসএফ (RSF) শহরটি দখল করে নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো সুদানের আল ফাশিরে (Al Fashir) প্রবেশ করা আন্তর্জাতিক ত্রাণ কর্মীরা শহরটিকে জনশূন্য এবং প্রাণের চিহ্নহীন অবস্থায় দেখতে পেয়েছেন। জাতিসংঘের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর ভেতরে বা প্লাস্টিকের চাদরের নিচে মাত্র অল্প কিছু মানুষকে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে।
            ​একটি সাক্ষাৎকারে, সুদানে জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারী ডেনিস ব্রাউন আল ফাশিরকে মূলত একটি 'অপরাধস্থলের' (crime scene) সাথে তুলনা করেছেন।

            🔺একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে আল-ফাশির এলাকার একটি শিশু চরম ক্ষুধায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে; একটি ক্ষুদ্র ক্লান্ত দেহ আর নিষ্পাপ চোখগুলো এক লোকমা খাবারের সন্ধান করছে, অথচ বিশ্ব নিরবে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে...দৃশ্যগুলো হৃদয়ের গভীরে আঘাত করে। ভিতর থেকে হু হু করে ক্রন্দন চলে আসে। জানিনা বিশ্ব কবে সোচ্চার হবে?

            ইয়া আল্লাহ! নিষ্পাপ শিশু,অবলা নারীদের প্রতিও যাদের দয়া নেই তাদের থেকে তুমি এই ভূপৃষ্টকে নাজাত নসিব কর।​

            Comment


            • #7
              আমাদের এই দাওয়াইলাল্লাহ ফোরামটা কেমন যেন আনইজি হয়ে গেছে। ঢুকতে সমস্যা হওয়ার সাথে এখন আবার বারবার লগইন পাসওয়ার্ড চাই।

              Comment


              • #8
                Originally posted by umayer mussab View Post
                আমাদের এই দাওয়াইলাল্লাহ ফোরামটা কেমন যেন আনইজি হয়ে গেছে। ঢুকতে সমস্যা হওয়ার সাথে এখন আবার বারবার লগইন পাসওয়ার্ড চাই।
                ভাই- আপনি লগিনের সময় রিমেম্বার মি অপশনের টিক দিয়ে দিলে ব্রাউজার ক্লোজ করা পর্যন্ত একবার লগিন করাই যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ্‌
                বছর ফুরিয়ে যাবে এতো রিসোর্স আছে https://gazwah.net সাইটে

                Comment


                • #9
                  🔺নিউজ ফ্রম সুদান জানিয়েছে যে, সন্ত্রাস র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)-এর বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক স্থল অভিযান শুরু করার পর, অবরুদ্ধ ডিলিং (Dilling) শহরের অবরোধ ভাঙার ক্ষেত্রে সুদান সশস্ত্র (SAF) বাহিনী উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
                  ডিলিংয়ের গভর্নর একটি অডিও বার্তায় ডিলিং শহরে সুদান সশস্ত্র বাহিনীর প্রবেশের কথা ঘোষণা করেছেন।


                  🔺পশ্চিম কর্ডোফান রাজ্যের নাহুদ শহরের পশ্চিমে র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF) একজন চিকিৎসককে হত্যা করেছে এবং অন্য একজনকে অপহরণ করেছে।
                  ​দার হামার জরুরি বিভাগের (Emergency Room) তথ্য অনুযায়ী, ওই দুই চিকিৎসকই ওই এলাকার বেসামরিক মানুষের সেবা দিচ্ছিলেন। খবর পাওয়া গেছে যে, অপহৃত চিকিৎসককে অজানা কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়ার আগে নির্যাতন করা হয়েছে।

                  🔺সুদানের একজন লেখক এক্টিভিস্ট রাজধানী খার্তুম সম্পর্কে জানিয়েছেন,
                  জেগে উঠছে খার্তুম...
                  ​আল্লাহর ইচ্ছা ও শক্তিতে ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে উঠছে খার্তুম। ইনশাআল্লাহ, খুব শীঘ্রই খার্তুম আগের চেয়ে আরও সুন্দর এবং উন্নত রূপে ফিরে আসবে। পুরুষ ও যুবকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ইতিমধ্যেই রাস্তাঘাট পরিষ্কার ও মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে এবং পুরো রাজ্যজুড়ে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার কাজ চলছে।
                  ​খার্তুম পুনর্গঠন কমিটির সদস্য এবং অন্তর্বর্তীকালীন সার্বভৌম পরিষদের সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইব্রাহিম জাবের ইব্রাহিম-এর সাথে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান।
                  ​সম্প্রচার: (সুদান টাইম)বৃহস্পতিবার, ১/১/২০২৬, রাত ৯:৩০ মিনিটে আল-বালাদ (Al-Balad) টিভি চ্যানেলের পর্দায়।

                  আল্লাহ তায়ালা আমাদের ভাইবোনদের হেফাজত করুন।

                  Comment

                  Working...
                  X