Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২০ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২০ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    জম্মু ও কাশ্মীরে আরও এক নাগরিকের সম্পদ জব্দ করল দখলদার ভারতীয় পুলিশ


    ​হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকার কর্তৃক অবৈধভাবে দখলকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে আরও একজন কাশ্মীরীর সম্পত্তি জব্দ করেছে দখলদার ভারতীয় পুলিশ। কাশ্মীরের বুদগাম জেলার হুমহামা এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) এই বিষয়ক সংবাদ প্রকাশ করেছে কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিস।

    কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের বরাতে জানা যায়, জব্দকৃত ওই সম্পত্তির মালিক ইরফান আহমেদ দার নামক কাশ্মীরি। এসময় দ্বিতল বিশিষ্ট একটি বাড়ীও জব্দ করা হয়।

    ২০১৯ সালের পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকার এই অঞ্চলে ঔপনিবেশিক এজেন্ডাকে আরও তীব্র করেছে। বিভিন্ন অজুহাতে বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জমি বাজেয়াপ্ত করাকে একটি পদ্ধতিগত দমনমূলক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। ইতোমধ্যেই শত শত এমন সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় জনগণকে আতঙ্কিত করা, তাদের অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া। এসব সম্পদ অস্থানীয় হিন্দুদের কাছে পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে জনসংখ্যার পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. Indian police seize property of another Kashmiri in IIOJK
    https://tinyurl.com/5328y8m7
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আরও দুই ফিলিস্তিনি সহ একদিনেই শহীদ ০৩ জন



    ফিলিস্তিনের গাজায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় শহীদ হয়েছেন নারী ও পুরুষসহ আরও দুই জন ফিলিস্তিনি নাগরিক। রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) এই সংবাদ প্রকাশ করেছেন ফিলিস্তিন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়াফা এজেন্সি। এই দুজন সহ রবিবার মোট তিন জন শহীদ হয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে।

    স্থানীয় হাসপাতালের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলো জানায়, শহীদ ওই ফিলিস্তিনি যুবকের নাম নাসিম আবু আল আজিন (২০)। উপত্যকার দেইর আল-বালাহ এলাকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন।

    গণমাধ্যম সূত্রে আরও জানা যায়, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের সময় গুরুতর আহত অবস্থায় ডালিয়া খালেদ আসফোর নামক একজন ফিলিস্তিনি তরুণী নিহত হয়েছেন। এর আগে রাফাহর আল-দাখিলিয়া এলাকায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী তারা বাসায় হামলা চালায়। সেসময় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিনি। ওই হামলায় তার সন্তানকেও হত্যা করেছিল বর্বর ইসরায়েলি বাহিনী।

    এছাড়াও রবিবার সকালে উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় এক ফিলিস্তিনি যুবককে গুলি করে হত্যা করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।

    গত বছরের ১১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে মোট ৫৭৯ জন সাধারণ ফিলিস্তিনিকে শহীদ করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এছাড়াও আহত হয়েছেন ১,৫৪৪ জন সাধারণ ফিলিস্তিনি মুসলিম।


    তথ্যসূত্র:
    1. Three Palestinians killed in ongoing Israeli attacks in Gaza
    https://tinyurl.com/yc4fewdr
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ময়মনসিংহের ভালুকায় গৃহবধূকে জবাই করে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা


      ভালুকায় গৃহবধূকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের গাংগাটিয়া মধ্যপাড়া এলাকায় নিজ বসতঘরে রাহিমা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে জবাই করে হত্যা করা হয়।

      গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, রহিমা আক্তারের ব্যবসায়ী স্বামী বিল্লাল হোসেন দেরি করে বাসায় ফিরে। তাই ঘরের দরজা খোলা রেখে পাশের রুমে মেয়ে সুমাইয়া ও ছেলে রাহাত এবং সে তার নিজের রুমে ঘুমাতে যায়। রাত ১১টার দিকে বাসায় চিৎকার ও কান্নাকাটির শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। এসে দেখে ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ পড়ে রয়েছে। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়।

      পুলিশ জানায়, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রহিমাকে হত্যা করে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমাইয়া আক্তার (১৭)কে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত চলছে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। ভালুকায় গৃহবধূকে জবাই করে হত্যা
      https://tinyurl.com/2z3u69ht
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ঝিনাইদহে যৌথবাহিনীর অভিযানে ২৪ ককটেল, রাম দা ও লাঠি উদ্ধার



        ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ ককটেল, দা ও লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে। গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া গ্রামের মধু বিশ্বাসের চাতালের পশ্চিম পাশে একটি ব্রিজের নিচ থেকে এসব দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

        গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, অভিযানকালে একটি ব্যাগের ভেতরে সংরক্ষিত অবস্থায় ২৪টি ককটেল, ৬টি লোহার তৈরি রাম দা ও ১৮টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস কর্মকাণ্ড চালানোর উদ্দেশ্যে এসব অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল।

        কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানা যায়, কালীগঞ্জ শহরের গ্রামের মধু বিশ্বাসের চাতালের পশ্চিম পাশে একটি ব্রিজের নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় ককটেল, দা ও লাঠি রাখা হয়েছে।

        এমন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে।


        তথ্যসূত্র:
        ১। কালীগঞ্জে ২৪ ককটেল, দা ও লাঠি উদ্ধার
        https://tinyurl.com/4rceezkf
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ফরিদপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় সেনাবাহিনীর লোগো সংবলিত ৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার




          ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪০ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রোববার (৮ফেব্রুয়ারি) আনুমানিক রাত সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালিয়ান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

          গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, কালিয়ান্ড কওমি মাদ্রাসার সামনে মানিক শেখ (৫০) নামের এক ব্যক্তির চায়ের দোকানের সামনে রাখা একটি টুলের ওপর দুটি সন্দেহজনক প্যাকেট দেখতে পান। এশার নামাজ আদায় শেষে দোকানে ফিরে প্যাকেট দুটি চোখে পড়লে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়। পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বোয়ালমারী থানায় খবর দেন।

          সংবাদ পেয়ে বোয়ালমারী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জব্দ তালিকার মাধ্যমে প্যাকেট দুটি উদ্ধার করে। পরে প্যাকেট খুলে দেখা যায়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লোগো সংবলিত ‘7.62×39 mm Ball Ammo’ লেখা দুটি প্যাকেটের ভেতরে মোট ৪০ রাউন্ড গুলি রয়েছে। উদ্ধারকৃত গুলিগুলো থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

          এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, উদ্ধার হওয়া গুলিগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। বোয়ালমারীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
          https://tinyurl.com/4mv7b9kn
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            নেকাবধারী নারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে মুখ দেখাতে হবে ভোটকেন্দ্রে



            ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে হলে পরিচয় যাচাইয়ের স্বার্থে নারী ভোটারকে অবশ্যই মুখ দেখাতে হবে। ভুয়া ভোটার ঠেকাতে এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নারী ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিতে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিয়োগ করা হবে মহিলা পোলিং অফিসার ও নারী আনসার।

            ‎ইসি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, পর্দানশিন নারীদের ক্ষেত্রে পুরুষ কর্মকর্তার সামনে নেকাব বা বোরকা খুলতে বাধ্য করা যাবে না।

            ‎ এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আমার দেশকে বলেন, আইন অনুযায়ী ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে থাকবে। ভোট দেওয়ার আগে ভোটারের চেহারার সঙ্গে তালিকাভুক্ত ছবির মিল করতেই হবে। এটি ভোট পরিচালনা বিধির বাধ্যতামূলক অংশ।

            ‎তিনি আরো বলেন, কেউ যদি মুখ না দেখান, তাহলে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ব্যালট পেপার দেওয়া যাবে না। তবে পর্দানশিন নারীদের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করছে কমিশন। তিনি বলেন, নারী ভোটার যদি পুরুষ কর্মকর্তার সামনে নেকাব খুলতে না চান, তাহলে মহিলা পোলিং অফিসারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। নারী ভোটার নারীর কাছে মুখ খুললে পর্দা ভঙ্গ হবে না বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।

            ‎ ইসিসংশ্লিষ্টরা জানান, ভোটের স্বচ্ছতা ও ভুয়া ভোট রোধে প্রতিটি কেন্দ্রে ছবিসহ ভোটার তালিকার সঙ্গে ভোটারের চেহারা মিলিয়ে ব্যালট পেপার দিতে হবে। তবে কোনো নারী যদি মহিলা কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে মুখ দেখাতে অনিচ্ছুক হন, সেক্ষেত্রে তাকে জোর করে ভোট দিতে বাধ্য করা যাবে না এবং ভোট না দিলে তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।

            ‎নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আসন্ন নির্বাচনে ব্যালট পেপারে ভোট হবে। ফলে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মতো আঙুলের ছাপ মিলিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ নেই। তাই এবার ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করা হবে চেহারা ও ছবি মিলিয়েই।

            ‎গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও) অনুযায়ী, ভোটাধিকার প্রয়োগের সময় ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নির্বাচন কর্মকর্তার আইনগত দায়িত্ব। তবে একই সঙ্গে আরপিও ও ভোট পরিচালনা বিধিমালায় ভোটারের মর্যাদা, সম্মান ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়টি আমলে নিচ্ছে ইসি।

            ‎আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরপিওতে সরাসরি ‘পর্দা’ শব্দটি উল্লেখ নেই। তবুও নারী ভোটারের সম্মানহানি বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে, এমন কোনো আচরণ আইনসম্মত নয়। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী ভোটারের জন্য পৃথক নির্দেশনা ও ব্যবস্থা ইসি নিতে পারে। যার কারণেই নির্বাচন কমিশন দীর্ঘদিন ধরেই নারী ভোটারদের জন্য নারী পোলিং অফিসার ও নারী আনসার নিয়োগের নির্দেশ দিয়ে আসছে।

            ‎এ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হোসাইন আমার দেশকে বলেন, মুখ না দেখালে কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভুয়া ভোটার বলা যাবে না। তবে ভোট দিতে চাইলে পরিচয় যাচাই মানতেই হবে। কারণ আপনার এনআইডির ছবির সঙ্গে মুখ মিলিয়ে দেখার মাধ্যমেই পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এটি শুধু আইনগত নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার স্বার্থেও জরুরি।


            ‎তথ্যসূত্র:

            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে লেবাননে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের হামলা; নিহত ৩



              লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে দখলদার ইসরায়েলের বর্বর বিমান হামলায় এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে এই হামলা চালায় সন্ত্রাসী ইসরায়েল।

              লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানায়, টাইর জেলার ইয়ানুহ শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন প্রাণ হারান।

              প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও ইসরায়েলের বিভিন্ন হামলায় শতাধিক লেবাননি নিহত ও আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে সর্বশেষ যুদ্ধে দখল করা পাঁচটি পাহাড়চূড়া ছাড়াও আরও কিছু লেবাননি অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছে সন্ত্রাসী ইসরায়েল।

              দখলদার ইসরায়েল ২০২৩ সালের অক্টোবরে লেবাননের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হলেও একের পর এক চুক্তি ভঙ্গ করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সন্ত্রাসী ইসরায়েলের এই আগ্রাসনে চার হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১৭ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।


              তথ্যসূত্র:
              1.Israeli strike in southern Lebanon kills 3 people, including a child
              https://tinyurl.com/bdf6susd
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                জবানবন্দিতে ইকবাল করিম ভূঁইয়া: ডিজিএফআইয়ের অফিসে আলাদা কক্ষে কার্যক্রম চালাত ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’



                সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেছেন, তিনি সেনাপ্রধান থাকাকালে জানতে পারেন—মেজর জেনারেল (অব) তারিক সিদ্দিকীর ছত্রছায়ার ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর কিছু ব্যক্তি নিয়মিত ডিজিএফআইয়ের অফিস ভিজিট করত এবং সেখানে যে সাতটি মিটিং রুম ছিল তার একটিতে তাদেরকে কাজ করতে দেওয়া হতো। তারা বিভিন্ন সময়ে কিছু ব্যক্তিকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করে তার তালিকা ডিজিএফআইয়ের কাছে দিত।

                ‎৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে জবানবন্দিতে তিনি এ কথা বলেন।

                ‎ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, সেনাপ্রধানের তথ্য পাওয়ার জন্য অনেক সূত্র রয়েছে। আমার অধীনে আর্মি সিকিউরিটি ইউনিট এবং ডাইরেক্টর মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স নামে দুটি ব্যক্তি বা সংস্থা রয়েছে। এছাড়া র‍্যাবের অফিসার এবং অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপের মাধ্যমে আমি অনেক তথ্য জানতে পারতাম। এসব তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারি, সেনাবাহিনীর জুনিয়র অফিসারদের মিসগাইড করা হচ্ছে এবং ভুল পথে পরিচালিত করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তিনি তিনটি ঘটনা উল্লেখ করেন।

                ‎প্রথমত, একজন কনিষ্ঠ অফিসার র‍্যাব থেকে প্রত্যাবর্তনের পরে তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অফিসে আসেন। র‍্যাব থেকে যারা ফিরে আসত, তাদেরকে তিনি প্রথম প্রশ্ন করতেন—তারা কতজন মানুষ হত্যা করেছে? এই অফিসারকে একই প্রশ্ন করা হয়। সে উত্তরে বলল, ছয়জন। তখন তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ছয়জনকে কি সে সরাসরি হত্যা করেছে? উত্তরে সে বলল, দুইজনকে সে সরাসরি হত্যা করেছে এবং বাকি চারজনকে হত্যার সময় সে সেখানে উপস্থিত ছিল। তারপর সেনাপ্রধান জিজ্ঞেস করেন, প্রতিটি হত্যার জন্য কত টাকা করে পেয়েছে? উত্তরে সে বলল, ১০ হাজার। তখন জিজ্ঞাসা করা হয়, টাকা নিয়ে কী করেছো? উত্তরে সে বলল, টাকাগুলো গ্রামের মসজিদে অনুদান হিসেবে দিয়েছে। তখন ইকবাল করিম বুঝে নেন এই কাজগুলো সে ইচ্ছার বিরুদ্ধে করেছে এবং অপরাধবোধ থেকে সে টাকাগুলো মসজিদে দান করেছে।

                ‎দ্বিতীয় ঘটনাতে, একজন লে. কর্নেল তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অফিসে আসেন। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন, কয়জনকে হত্যা করেছো? সে বলল, ছয়জন। এরপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কেন করেছো? উত্তরে সে বলল, ঊর্ধ্বতন অফিসারের আদেশ পালন করেছি। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন, আমি তোমার ঊর্ধ্বতন অফিসার কি না? সে বলল, হ্যাঁ। আমি জিজ্ঞাস করলাম, আমি যদি আমার হাগু তোমাকে খেতে বলি, খাবে কি না? সে বলল, না। আমি তাকে জিজ্ঞাস করলাম, নিরস্ত্র বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করা এবং হাগু খাওয়ার মধ্যে কোনটা নিকৃষ্ট? সে বলল, নিরস্ত্র বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করা। আমি তাকে বললাম, তাহলে কেন করেছো? উত্তরে সে নিশ্চুপ থেকেছে।

                ‎তৃতীয় ঘটনাতে, একজন মেজর যিনি আগে আমার সঙ্গে চাকরি করেছেন। র‍্যাবে পোস্টিং হওয়ার কিছুদিন পর তিনি আমার সঙ্গে সেনাভবনে দেখা করেন। তার আগের একটি ঘটনা আমার কর্ণপাত হওয়ার কারণে আমি তাকে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করি। ঘটনাটি ছিল হোটেল রেডিসনে চাকরিরত একটি মেয়েকে কিছু দুর্বৃত্ত রাতে বাড়ি ফেরার সময় ধর্ষণ ও হত্যা করে। সে ওই ব্যক্তিদেরকে হত্যা করে। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করি, তুমি আইন নিজের হাতে কেন তুলে নিয়েছো? সে বলল, এই ব্যক্তিগুলো সমাজবিরোধী ব্যক্তি এবং তাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই। আমি তাকে বললাম, তুমি যে আইন ভঙ্গ করে তাদেরকে হত্যা করেছো, তুমিওতো সমাজবিরোধী ব্যক্তি। সে এরপর নিশ্চুপ হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমি তাকে প্রতিজ্ঞা করাই, সে র‍্যাবে আর এই ধরনের কাজ করবে না। কিন্তু হতাশার সঙ্গে দেখি কিছুদিন পর সে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছে। যেখানে দেখা যায়, শাপলা চত্বরের ধোঁয়াটে পটভূমিতে সে এবং কর্নেল জিয়াউল একে অপরের কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছে। অসংখ্য ইন্টারভিউয়ের মধ্যে এগুলো ছিলো অল্প কয়েকটি উদাহরণ।



                ‎তথ্যসূত্র:
                https://tinyurl.com/mwjzxa7v
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment

                Working...
                X