Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৭ রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ০৭ মার্চ, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৭ রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ০৭ মার্চ, ২০২৬ ঈসায়ী

    ভারতের উত্তরপ্রদেশে হোলি উদযাপনকালে একটি মুসলিম বাড়ির দরজা ভাঙচুর ও হত্যার হুমকি



    ভারতের উত্তরপ্রদেশে হিন্দুদের হোলি উৎসব উদযাপনকালে মুসলিমদের একটি বাড়িতে হামলা চালায় একদল উগ্র হিন্দুত্ববাদী। তারা মুসলিম ঘরটির দরজা ভেঙে ফেলে এবং ঘরে অবস্থানরত মুসলিমদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ৪ মার্চ রাজ্যের পিলিভিটে ধরমগড়পুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    উৎসবের দিন গ্রামে রঙ নিয়ে মেতে উঠা কয়েকজন উগ্র হিন্দুত্ববাদী একটি মুসলিম পরিবারের বাড়িতে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে শুরু করে। তারা গায়ের জোরে ঘরের দরজা ভাঙচুর করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। ফলে গৃহে অবস্থানরত নারীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শায়েস্তা বেগম থানায় অভিযোগ দায়ের করে নিরাপত্তা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    উগ্রবাদীদের বাড়িতে প্রবেশ ও দরজা ভাঙার মুহূর্তগুলো একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে উঠে আসে।

    এই ঘটনায় গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, স্থানীয় মুসলিমগণ এতে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রশাসনকে দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছে পিলিভিটের বাসিন্দাগণ।

    বাসিন্দাদের দাবি, নিজ বাড়িতে একটি পরিবারকে এভাবে টার্গেট করার অধিকার কারও নেই। উক্ত ঘটনাটির কারণে উৎসবের সময় বিশেষত স্পর্শকাতর অঞ্চলগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। “আমরা নিরাপদ বোধ করছি না। আমরা চাই পুলিশ দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করুক”।

    অপরদিকে পুলিশ জানিয়েছে, উক্ত ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
    উল্লেখ্য, মুসলিমদের উপর এরকম নির্যাতনের ক্ষেত্রে পুলিশ বরাবরই সময়ক্ষেপণের মাধ্যমে অন্যায় পাশ কাটিয়ে যায়


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/yj2xp3zx
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ‎থানায় ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে হিন্দু পুলিশ কর্তৃক রক্তাক্ত মা-মেয়ে, ধামাচাপা দিতে পুলিশ তাদেরকেই জেলে পাঠালো



    কক্সবাজারের পেকুয়া থানায় ‘ঘুষের টাকা ফেরত’ চাইতে গিয়ে থানার ভেতরে পল্লব কুমার ঘোষ নামে এক পুলিশের এসআই কলেজছাত্রী ও তার মাকে পিঠিয়ে রক্তাক্ত করেছে। এ সময় থানায় তাদের আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করে এসআই ও তার সহযোগীরা। ঘটনা এখানেই শেষ নয়, ঘটনাটি আড়াল করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) ডেকে এনে দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে মা-মেয়েকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    ‎দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পেকুয়া থানায় চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

    ‎মারধরের শিকার ওই দুই নারী হলেন রেহেনা মোস্তফা রানু (৪২) ও তার মেয়ে জুবাইদা বেগম (২১)। জুবাইদা চকরিয়া সরকারি কলেজের অর্থনীতির অনার্স দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের বাড়ি পেকুয়া সদর ইউনিয়নের সরকারি ঘোনা এলাকায়।

    ‎তবে পেকুয়া থানা পুলিশ দাবি করছে, থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে জুবাইদা বেগম (২১) ও তার মা রেহেনা মোস্তফা রানুকে (৪২)) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পেকুয়ার ইউএনও মোবাইল কোর্টে তাদের এক মাসের সাজা দেয়। পুলিশের মতে, আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন নিপা মুর্শেদি (৩৪), নাসরিন সুলতানা রিনা (৩০) ও তছলিমা বেগম (৩১)।

    ‎পেকুয়া থানার ভেতরে এ ঘটনার সময় মা-মেয়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মনজিলা বেগম নামে এক নারী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, আমি জুবাইদা ও তার মায়ের সঙ্গে থানায় গিয়েছিলাম। মামলার তদন্ত নিয়ে তাদের কথা বলতে শুনছিলাম। তখন শুনি, মামলার পক্ষে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে এসআই পল্লব কুমার ঘোষ ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু পরে উল্টো রিপোর্ট দিয়েছে। তাই জুবাইদা টাকা ফেরত চাইছিল।

    ‎প্রত্যক্ষদর্শী এই মহিলা জানায়, হঠাৎ পল্লব খুব রেগে গিয়ে মা-মেয়েকে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করে। পরে মহিলা পুলিশ এসে তাদের মারতে মারতে থানার গেট পর্যন্ত নিয়ে যায়। এরপর থানার ভেতর থেকে অন্য সবাইকে বের করে দেয়া হয় এবং তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়।

    ‎প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কলেজছাত্রী জুবাইদার আচরণও কিছুটা আক্রমণাত্মক ছিল। দীর্ঘদিনের হতাশায় ন্যায়বিচার চাওয়ার সময়ে তার আচরণ উগ্র হয়ে উঠেছিল মনে করা হচ্ছে।

    ‎ওই পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ থেকেই মূলত ঘটনার সূত্রপাত। জুবাইদার বাবা নুরুল আবছার মারা যান ২০১৩ সালের ২৩ মে। আইন অনুযায়ী, জুবাইদা তার বাবার স্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী। সম্পত্তির অংশ চাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে জুবাইদার দাদার বাড়ির লোকজন তার পিতৃপরিচয় অস্বীকার করে আসছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও তাকে ওয়ারিশ সনদ দেয়া হয়নি।

    ‎পরিবারের দাবি, স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য বিজু (জুবাইদার ফুফু) এক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করেছে। সম্পত্তির অধিকার ফিরে পেতে আইনের আশ্রয় নেন জুবাইদা। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান পেকুয়া থানার এসআই পল্লব কুমার ঘোষ। তাদের অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের পক্ষে রিপোর্ট দিতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয় পল্লব কুমার ঘোষ। কিন্তু পরে প্রতিবেদন জমা দেয় জুবাইদার বিপক্ষে।

    ‎ভুক্তভোগী জুবাইদার খালা আমেনা বেগম জানায়, সোনার গয়না বন্ধক রেখে ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। তারপরও উল্টো রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানায়, টাকা ফেরত চাইতে আমার বোন ও ভাগনি থানায় গিয়েছিল। থানার এসআই পল্লব ক্ষিপ্ত হয়ে মা–মেয়েকে মারধর করে। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে বিষয়টি আড়াল করতে ইউএনওকে ডেকে এনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    ‎বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজার জেলা কারাগারে বোন ও ভাগনির সঙ্গে দেখা করেন আমেনা বেগম। তিনি জানান, রেহেনা মোস্তফার মুখ ও চোখে গভীর জখমের চিহ্ন রয়েছে। জুবাইদার বাহু, থুতনি ও বুকেও স্পষ্ট আঘাতের দাগ দেখা গেছে।

    ‎জেলা কারাগারের একটি সূত্র জানায়, পুলিশ মা–মেয়েকে কারাগারে আনার সময় তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রথমে গ্রহণ না করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়, পরে ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য ও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্রের ভিত্তিতে কারাগারে গ্রহণ করা হয়।

    ‎পেকুয়া থানার ওসি খাইরুল আলমের দাবি, মা-মেয়ে থানায় এসে পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছে। ঘুষের বিষয়টি সঠিক নয়।

    ‎কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল সাকিব সাংবাদিকদের জানায়, মা–মেয়েসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে মারধর করেছে বলে থানা থেকে জানানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

    ‎পেকুয়ার ইউএনও মাহবুবুল আলম গণমাধ্যমকে জানায়, তখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মা–মেয়েকে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।


    ‎তথ্যসূত্র:
    ‎১। থানায় ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে রক্তাক্ত মা-মেয়ে
    ‎- https://tinyurl.com/3fudhb2s
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      লেবাননে বর্বর ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত, নিহত অন্তত ১৭



      লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্বর ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬ মার্চ, শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশটির বিভিন্ন স্থানে চালানো হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও ৩৫ জন আহত হয়েছেন।

      প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেকা উপত্যকার নবি চিত শহরে চালানো হামলায় চারজন নিহত হন। একই সময়ে দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল সেলম শহরে একটি বসতবাড়িকে লক্ষ্য করে চালানো হামলাসহ একাধিক আক্রমণে আরও নয়জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এসব হামলায় বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

      এদিকে লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাইদা শহরে তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে চালানো বিমান হামলায় আরও একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

      দখলদার ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরগুলোতে দশটিরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বেশ কয়েকটি ভবন ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সঙ্গে সাইদা ও টাইর শহরেও হামলা চালানো হয়েছে।

      এছাড়া দক্ষিণ লেবাননের হান্নিয়েহ, বিনত জবেইল, ওয়াজ্জানি, আল-খাদার, স্রিফা, তাইর ফলসাই, হারুফ, তুল, দেইর আল-জাহরানি, তিবনিন, আল-সুলতানিয়া, আল-তাইয়্যেবাহ এবং কাউসারিয়্যাত আল-রিজ শহরগুলোতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। ক্রমাগত এই হামলার ফলে লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে আতঙ্ক ও মানবিক সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে।


      তথ্যসূত্র:
      1.Hezbollah, Israeli troops clash on the ground in eastern Lebanon’s Bekaa
      https://tinyurl.com/de4ujucu
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        জামালপুরের বকশীগঞ্জে দিনদুপুরে বৃদ্ধের অটোভ্যান ছিনতাই



        জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরের নামাপাড়া এলাকা থেকে আকালু মিয়া (৬০) নামে এক বৃদ্ধের অটোভ্যান ছিনতাই করেছে অজ্ঞাত ছিনতাইকারী।

        দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার নামাপাড়া থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি যাত্রী সেজে অটোভ্যানে ওঠে। পরে মাঝপথে নামাপাড়া এলাকায় ছিনতাইকারী অটোভ্যান চালক আকালু মিয়াকে গাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দিয়ে অটোভ্যানটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

        ভুক্তভোগী জানায়, ‘আমি এই অটোভ্যান চালিয়েই আমার সংসার চালাতাম। এখন আমি কীভাবে খাব, সমিতির কিস্তি দেব কী দিয়ে? আমি এখন অসহায়।’

        তথ্যসূত্র:
        ১। বকশীগঞ্জে দিনের বেলায় বৃদ্ধের অটোভ্যান ছিনতাই
        https://tinyurl.com/37k68y9f
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          সিলেটে ধারাবাহিক ছিনতাইয়ে আতঙ্ক, অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ পুলিশ



          সিলেটে হঠাৎ করে ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গত কয়েকদিনে দুই স্থানে নারীদের ওপর ছিনতাইয়ের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ ও ছবি ছড়িয়ে পড়লেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

          গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে নগরের সাগরদিঘিরপার এলাকায় হাঁটতে বের হয়ে এক নারী ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি নির্জন স্থানে তার পথরোধ করে মোবাইল ফোন ও ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। নারীটি ব্যাগ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে একজন ছিনতাইকারী হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত ও ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। তবে আশপাশে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে মোবাইল ও ব্যাগ না নিয়েই তারা পালিয়ে যায়।

          এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল তিনটার দিকে নগরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় এক নারী কর কর্মকর্তা ছিনতাইয়ের শিকার হন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তিনটি মোটরসাইকেলে করে আসা ছিনতাইকারীরা তার বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার গতিরোধ করে এবং জোরপূর্বক ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

          দুটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ওই ঘটনার পর সিলেট মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মোবাশ্বিরকে প্রত্যাহার করা হলেও এখনো ছিনতাইকারীদের শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

          সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির আইনজীবী রনেন সরকার রণি জানায়, দিনদুপুরে এমন ঘটনা জনমনে আতঙ্ক তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার না হওয়া দুঃখজনক বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

          তথ্যসূত্র:
          ১। সিলেটে ছিনতাই আতঙ্ক, নয় দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ
          https://tinyurl.com/fjxj4s
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            সুনামগঞ্জে কালভার্টের মুখ বন্ধ করে যুবদল নেতার ঘর নির্মাণের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন



            সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার-নরসিংপুর সড়কের শ্যামারগাঁও এলাকায় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ কালভার্টের পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণ করেছে স্থানীয় এক যুবদল নেতা। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখার দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এ ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

            গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গত শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শ্যামারগাঁও গ্রামের নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা জানায়, দোয়ারাবাজার উপজেলা যুবদলের সদস্য আমির উদ্দিন ও তার সহযোগী তাজ উদ্দিন এবং জমির উদ্দিন কালভার্টের মুখ ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করছে।

            স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কৃষি সেচ ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি বন্ধ হয়ে গেলে বর্ষা মৌসুমে কয়েকশ একর কৃষিজমি তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে।

            তবে অভিযুক্ত যুবদল নেতা আমির উদ্দিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করে, ওই জায়গাটি তাদের পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত রেকর্ডভুক্ত জমি এবং সেখানে ঘর তুললে কালভার্টের পানি প্রবাহে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।


            তথ্যসূত্র:
            ১। দোয়ারাবাজারে কালভার্টের মুখ বন্ধ করে যুবদল নেতার ঘর নির্মাণের অভিযোগ: এলাকাবাসীর মানববন্ধন
            https://tinyurl.com/thndvtyh
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              গাজীপুরে গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় হত্যা করা হয় মাদ্রাসার ছাত্রকে



              গাজীপুরে গাঁজা সেবনের দৃশ্য দেখে তা অন্যকে বলে দেওয়ার কথা বলায় মাদ্রাসা ছাত্র মাহাবুব ইসলাম রনিকে (১৩) শ্বাসরোধে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় এক যুবক। এ ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এমনটাই দাবি করেছে পিবিআই।

              এই ঘটনায় গ্রেপ্তার ছাব্বির আহম্মেদ (১৯) গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর ফকিরা গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকায় হাজী ইকবাল হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার নিজতুলন্দর দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকায়।

              মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মাহাবুব ইসলাম রনি জয়দেবপুর থানার ভবানীপুর পূর্বপাড়া এলাকার খুরশিদিয়া মারকাজুল উলুম কওমী মাদরাসা ও এতিমখানার নাজেরা বিভাগের ছাত্র ছিল। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টার দিকে তারাবির নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে সে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান পাননি।

              পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে স্থানীয় একটি জঙ্গলের ভেতর আগুনে পোড়া অবস্থায় রনির লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। লাশের কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত অংশ দগ্ধ ছিল। এ ঘটনায় নিহতের দাদা তারা মিয়া বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

              মামলা দায়েরের পর জয়দেবপুর থানা পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই গাজীপুর জেলা ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ৫ মার্চ রাতে ভবানীপুর এলাকা থেকে পিবিআইয়ের একটি দল ছাব্বির আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করে।

              প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিতে ছাব্বির জানায়, ঘটনার রাতে সে নির্জন জঙ্গলে বসে গাঁজা সেবন করছিল। এ সময় রনি তাকে গাঁজা সেবন করতে দেখে ফেললে বিষয়টি লোকজনকে জানিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। ছাব্বির বারবার অনুরোধ করলেও রনি রাজি না হওয়ায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে রনিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। পরে পেছন থেকে গলা টিপে ধরে এবং ঘাড় মটকে দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে লাশে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়।


              তথ্যসূত্র:
              ১। গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় গোপন রাখার অনুরোধ, রাজি না হওয়ায় খুন
              https://tinyurl.com/yc4ek6j7
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment

              Working...
              X