Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২১শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি|| ৭ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২১শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি|| ৭ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    পশ্চিমবঙ্গে ১২ বছর বয়সী মুসলিম বালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত হিন্দুদের আটকে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা



    ​ভারতে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্গত বারুইপুর অঞ্চলে এক মুসলিম বালিকাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করেছে এক দল হিন্দু। নৃশংস এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    পরিবারের অভিযোগ, ৪-৫ জন হিন্দু তাদের মেয়েকে অপহরণ করেছে। মেয়েটি একাধিক ব্যক্তি দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে, এরপর তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় বালিকা টি খাবার কিনতে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানায়, ঘটনার দিন রাত ৮ টার পর থেকে মেয়েটির আর খবর পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতে প্রায় সাড়ে আটটা নাগাদ তারা থানায় যোগাযোগ করে, কিন্তু পুলিশ তাদের অভিযোগে গুরুত্ব দেয়নি।

    পরবর্তীতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তারা দোষীকে চিহ্নিত করে। পরদিন (৫ জুলাই) সকালে সূর্যপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে মেয়েটির বস্তাভর্তি লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

    স্থানীয় ঐ বাসিন্দা আরও জানায়, এক অভিযুক্ত নিজেই থানায় তার দোষ স্বীকার করেছে। তাকে সাথে নিয়েই স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে লাশ উদ্ধার করেছে। কিন্তু পুলিশ তখনও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এমনকি শান্তনু মণ্ডল নামে এক স্থানীয় বিজেপি নেতা অপরাধীকে নিয়ে পালিয়ে যায়। অপরাধীদের পলায়নের পেছনে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করেছে বাসিন্দারা।

    অপর এক স্থানীয় বাসিন্দা জানায়, ‘শান্তনু মণ্ডল প্রথমে স্থানীয়দের ঐ পুকুরের নিকটে যেতে বাধা দিচ্ছিল, এছাড়া সে আসামিকে আড়াল করার চেষ্টা করছিল। এতে করে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। তখন রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল স্থানীয়রা।’

    তদন্ত প্রতিবেদনের পর ধর্ষণ ও খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে । তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধর্ষণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেনি। জনরোষের মুখে পুলিশ কর্মকর্তারা প্রাথমিক রিপোর্ট সম্পর্কে আর কোনও মন্তব্য করে নি।

    বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে এক অভিযুক্ত নিহত হয়েছে বলেও জানা গেছে। এছাড়া বাসিন্দাদের বিক্ষোভের পর ৩ অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। ক্রমবর্ধমান জনবিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলের আশেপাশে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করেছে প্রশাসন।

    এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বাসিন্দাগণ। তারা বলেছেন, উগ্র হিন্দুত্ববাদী শুভেন্দু অধিকারী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুসলিমদের ক্রমশ দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে ট্রিট করছে সরকার। হিন্দু যুবকরা মুসলিম নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করেছে। আর এই নৃশংসতার ন্যায় বিচার চাইতে সংঘবদ্ধ হলে উল্টো মুসলিমদের বাধাগ্রস্ত করছে পুলিশ।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/3wwm4vd2
    2. https://tinyurl.com/4vkr7szt
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    উত্তর প্রদেশে এক মুসলিম যুবককে গরুর সামনে জোরপূর্বক সিজদা অবনত হতে বাধ্য করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা


    ভারতে উত্তর প্রদেশের বারাবাঁকি জেলায় এক মুসলিম যুবককে একটি বাছুরের সামনে সিজদা অবনত হতে বাধ্য করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোরক্ষক কর্মীরা।

    উগ্রপন্থীদের দাবি, মুসলিম যুবক গরু সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে। এর প্রতিবাদে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন উগ্র হিন্দুত্ববাদী লোক মুসলিম যুবকের উপর হামলা চালায় ও মারধর করে। ৫ জুলাই এই সংক্রান্ত ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

    উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা ভুক্তভোগী মুসলিম যুবকের পিতাকে ফোন দিয়ে নানা অবমাননাকর ভাষায় হুমকি দেয়। অতঃপর ভুক্তভোগীকে একটি শেডে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে একটি বাছুরের পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া বাছুরের সামনে হাঁটু গেড়ে সিজদা করতে এবং ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান বলতে বাধ্য করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা। এসময় গরুর প্রস্রাব পান করতেও মুসলিম যুবকটিকে বারবার চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।

    হামলাকারীরা মুসলিমদের ‘জিহাদি’ বলে সম্বোধন করে রক্তের হোলি (রক্তবন্যা) বইয়ে দিবে বলে হুমকি দিয়েছে।

    এই ধরনের কর্মকাণ্ড ব্যক্তির ধর্মীয় অধিকার ও মানবিক মর্যাদার চরম লঙ্ঘন বলে তুলে ধরেছেন বিশ্লেষকগণ।

    ভিডিও: https://archive.org/details/he-was-f...ont-of-the-cow



    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/3taacvvu
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      সাভারে এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলা


      ​সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’-পরবর্তী সমাবেশ চলাকালে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টার দিকে সাভার পৌর এলাকার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে চারজন আহত হয়।

      আহতরা হল শাহীন খন্দকার (৩০), জসিম (২৬), শাহাদাত হোসেন (৪০) ও ইমরান (৩৫)। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

      এ হামলার জন্য প্রশাসনকে দায়ী করেছে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি জানায়, এই বোমা বিস্ফোরণ প্রশাসনের সহায়তায় হয়েছে। কেন বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? আমাদেরকে খুন করার পরিকল্পনায় এখানে বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছে।

      দৈনিক আমার দেশ জানায়, সোমবার রাতে সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

      এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত সাংবাদিকদের জানায়, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য প্রদানকালে সমাবেশস্থলে ককটেল হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ সময় মঞ্চে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত ছিল।

      এ ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সাভার থানার সামনে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ হামলার পেছনে সরকার ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা জড়িত। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করলেও সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। এছাড়া মামলা থেকে আওয়ামী সংশ্লিষ্টদের অব্যাহতি দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

      নাহিদ ইসলাম বলেন, এই সাভার থেকে আমরা আগস্টে কর্মসূচি সমাপ্ত করেছিলাম। তারা বিদ্যুৎ বন্ধ করে এখানে বোমা ফাটিয়েছে। আমরা মনে করি প্রশাসনের সহায়তায় আজকের এই পদযাত্রাকে বন্ধ করার জন্য এখানে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। সরকারকে ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুঁশিয়ার দিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারার জন্য আপনাদের জবাব দিতে হবে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। সাভারে এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল হামলা, আহত ৪
      https://tinyurl.com/58635avz
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ভারি বর্ষণে চট্রগ্রামের বাঁশখালীতে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, হাজারো চুলোয় জ্বলেনি আগুন



        কয়েক দিনের টানা বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢল ও ভাঙা বেড়ি বাঁধ দিয়ে সমুদ্রের জোয়ারের পানি ডুকে চট্রগামের বাঁশখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ছনুয়া, শেখেরখীল, নাপোড়া, চাম্বল, শীলকুপ, জলদী পৌরসভা এলাকা, প্রেমাশিয়া, কদমরসুল ও পুকুরিয়ায় অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

        দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, ছনুয়া উপকূলের পূর্বাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কয়েক হাজার বসতঘরে পানি ঢুকে পড়ায় চুলায় আগুন জ্বলেনি ওই সব ঘরে। এতে অনাহারে দিন কাটছে অনেকের। এছাড়া ডুবে গেছে মাছের প্রজেক্ট ও গ্রামীণ রাস্তাঘাট।

        ফলে গ্রামীণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ছনুয়া ইউনিয়নের সমাজকর্মী মোহাম্মদ বি. হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, ছনুয়ার মধুখালীর পুরো এলাকার অন্তত ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

        কারো চুলায় আগুন জ্বলেনি। মধুখালী-ছেলবন এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম বাঁশের সাঁকোটি ডুবে থাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তিনি দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

        পুঁইছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তারেকুর রহমান জানান, পাহাড়ি ঢলে নাপোড়া ও শেখেরখীলের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে, ছড়ার দুই পাশের বাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

        এদিকে গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে বাহারছড়া ইউনিয়নের রত্নপুর এলাকার বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, বুদাগাজী তালুকদার বাড়ির সড়ক দিয়ে খ্যানারো বাড়ি, ফকির মোহাম্মদের বাড়ি, মল্লার বাড়ি, মল্লার নতুন বাড়ি, মাঝির বাড়ি এবং হায়দার আলীর বাড়িসহ বহু মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সড়ক।

        বর্ষাকালে রাস্তাটি কাদা ও জলাবদ্ধতায় অচল হয়ে পড়ায় শিশু, শিক্ষার্থী, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়।

        স্থানীয় বাসিন্দা মারুফ তালুকদার বলেন, ‘প্রতি বছর বর্ষা এলেই আমাদের দুর্ভোগ শুরু হয়। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো রাস্তা কাদায় ভরে যায়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। জনপ্রতিনিধিদের কাছে একাধিকবার বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। আমরা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।’

        খানখানাবাদ ইউনিয়নের সমাজকর্মী জাহেদুল হক বলেন, উপকূলীয় ভাঙ্গা বেড়ীবাঁধ দিয়ে সমুদ্রের জোয়ারের পানি ঢুকে ফসিল জমি ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কাও করেন তিনি।

        বাঁশখালী পৌরসভার দক্ষিণ জলদী ও উত্তর জলদী পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। মহাজনপাড়ার কয়েকশ ঘরে ঢলের পানি ঢুকে পড়ায় তাদের রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে।


        তথ্যসূত্র:
        ১। বাঁশখালীতে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, ভারি বর্ষণ
        https://tinyurl.com/4p3xm8ra
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X