Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১০ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১০ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    ফিলিস্তিনের নাবলুস বিশেষায়িত হাসপাতালে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা, চিকিৎসক-নার্সদের ওপর নির্যাতন



    ২৪ জুলাই, শুক্রবার পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরে অবস্থিত নাবলুস বিশেষায়িত হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। তারা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশ করে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর নির্যাতন চালায় এবং আহত এক রোগীসহ দুই ভাইকে আটক করে।

    হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান দানি আল-মাসরি ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফাকে জানান, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী হাসপাতালটি ঘিরে ফেলে, জরুরি বিভাগে প্রবেশ করে চিকিৎসাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং ডাক্তার ও নার্সদের হাতকড়া পরিয়ে দেয়। তিনি আরও জানান, দখলদার বাহিনী দুই জন কে আটক করেছে। এদের মধ্যে একজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন; তিনি ইসরায়েলি হামলায় কাঁধে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হুওয়ারা সামরিক চেকপয়েন্টের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক ইসরায়েলি সামরিক গাড়ি নাবলুস শহরে প্রবেশ করে এবং হাসপাতাল ঘেরাও করে রাখে। এসময় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করে এবং প্রশাসনিক অফিসের দরজা ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা চালায়।

    হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অভিযানে রোগীদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়েছে এবং হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক আইনে হাসপাতাল ও চিকিৎসাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা থাকলেও ইসরায়েলি বাহিনী বারবার এই আইন লঙ্ঘন করে আসছে।


    তথ্যসূত্র
    1. Israeli forces raid Nablus Specialized Hospital, assault medical staff
    https://tinyurl.com/yy4we7sh
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভারতে ছাত্র জনতার বিক্ষোভের মুখে অবশেষে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ




    ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)’র নেতৃত্বে টানা কয়েক সপ্তাহ ছাত্র জনতার বিক্ষোভের পর অবশেষে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

    ২৫ জুলাই (শনিবার) সে বলেছে, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’

    পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের একাধিক ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিবাদে ভারতজুড়ে আন্দোলন আরম্ভ হয়েছিল। আন্দোলনকারীরা প্রথম থেকেই জোরালোভাবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছিল।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/yw223vfu
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      গাজীপুরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে গরম রড দিয়ে ছ্যাঁকা দিল শ্রমিক দল নেতা



      গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে দোকান থেকে তুলে নিয়ে গরম রড দিয়ে ছ্যাঁকা এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে জেলা শ্রমিক দল নেতা শরীফ। এ ঘটনার পর ব্যবসায়ী সজিব মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

      গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টেপিরবাড়ী (দেওচালা) এলাকার বাসিন্দা ও এমসি বাজারের ফার্নিচার ও ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী সজিব মিয়া (৩০) দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গাজীপুর জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরীফের নেতৃত্বে সঙ্ঘবদ্ধ একটি দল তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।

      সজিব চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দলটি তাকে রড, বাঁশের লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে শরীফ সরকারের বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে গ্যাসের চুলায় লোহার রড গরম করে দুই পা ও বাম হাতে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়। এছাড়া গরম রড ও লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায় এবং গুরুতর জখম হন। নির্যাতনের একপর্যায়ে ব্যবসায়ী সজিব অচেতন হয়ে পড়েন।

      পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার (২২ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সজিবকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় শরীফ সরকার, ড্রাইভার মুন্না, আনোয়ার হোসেন ও সুজন মিয়াসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে শ্রীপুর মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে জেলা শ্রমিক দল নেতা শরীফের নেতৃত্বে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। শ্রীপুরে ব্যবসায়ীকে গরম রড দিয়ে ছ্যাঁকা দিলেন শ্রমিক দল নেতা
      https://tinyurl.com/ys97h8fk
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        যুক্তরাজ্যে প্রতি ৫ দিনে গড়ে একটি মসজিদ চরমপন্থীদের হামলার শিকার, গত ১ বছরে ৭০ এরও অধিক ঘটনা রেকর্ড



        যুক্তরাজ্যে প্রতি ৫ দিনে গড়ে একটি মসজিদ চরমপন্থীদের হামলার শিকার হচ্ছে। বিগত এক বছরে দেশটিতে মসজিদকে টার্গেট করে ৭০ এরও অধিক হামলার ঘটনা রেকর্ড হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ব্রিটিশ মুসলিম ট্রাস্ট (BMT) সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

        সংস্থাটি আরও সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাজ্যে মসজিদে হামলার প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে, এ বিষয়ে সরকারের জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

        BMT-এর তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার মধ্যে রয়েছে ভয়ভীতি প্রদর্শন, সহিংসতা, সম্পত্তির ক্ষতি, হয়রানি, মুসলিম-বিদ্বেষী বক্তব্য, অনলাইন ইসলামবিরোধী প্রচারণা এবং ভাঙচুরের ঘটনা।

        এর আগে ব্রিটিশ মুসলিম ট্রাস্ট ও ব্রিটিশ ফিউচারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের প্রতি ৬ নাগরিকের একজন মনে করে, মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি দেশটির সংস্কৃতির জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি মুসলিমদের প্রতি শত্রুতামূলক মনোভাব স্বাভাবিক হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

        প্রতিবেদনে বলা হয়, মসজিদে হামলার প্রধান কেন্দ্রগুলো হলো লন্ডন, গ্রেটার ম্যানচেস্টার এবং ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস। লন্ডনে গত ১ বছরে পৃথক পৃথক ৯টি মসজিদে হামলার ঘটনা ঘটেছে। অপরদিকে, বার্মিংহামের একটি মসজিদ ৩ বার হামলার শিকার হয়েছে।

        যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে মুসলিমবিদ্বেষী ঘৃণামূলক অপরাধও বেড়েছে। ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত এক বছরে যেখানে এমন অপরাধের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৯০টি, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত তা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ১৯৯টি— অর্থাৎ এই এক বছরে প্রায় ১৯ শতাংশ অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে।

        যুক্তরাজ্য সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মসজিদ, মুসলিম স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টারের নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ ৪ কোটি পাউন্ড অর্থ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই অর্থ সিসিটিভি, অ্যালার্ম ব্যবস্থা, নিরাপত্তা বেড়া ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগে ব্যবহার করা যাবে।

        তবে BMT-এর অভিযোগ, জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও পর্যন্ত প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সহায়তা পাচ্ছে না। কিছু মসজিদ সহায়তার জন্য আবেদন করার পর ১৮ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে। আবার কিছু আবেদন কোনও স্পষ্ট কারণ ছাড়াই প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।

        BMT প্রধান আকিলা আহমেদ বলেন, “শুধু মসজিদ হওয়ার কারণেই একটি ভবন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে। বর্তমানে অনেক মসজিদ মাসের পর মাস সরকারি নিরাপত্তা সহায়তা লাভের জন্য অপেক্ষমান, একই সাথে তারা নতুন হামলার আশঙ্কায় দিনপার করছে। অনেক ক্ষেত্রে ছোটখাটো অপ্রীতিকর ঘটনাতেও যথাযথ সাড়া দিচ্ছে না ব্রিটিশ পুলিশ।


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/4vxc2np8
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          মিরপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, পথচারী গুলিবিদ্ধ



          ঢাকার মিরপুরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে মিরপুর ১৩ নম্বরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও ২জন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় অস্ত্রধারী এক সন্দেহভাজনকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।

          নিহত ব্যক্তির নাম ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজ (৪৫)। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাকরালে। তিনি কাফরুল থানা যুবদলের কর্মী ছিল। আহত দুজন হলেন যুবদলের আরেক কর্মী মনির হোসেন (৩২) ও কাঁচামাল বিক্রেতা সালাম সরদার (৪৫)।

          গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে যুবদলকর্মী ইউসুফ, মনির মিরপুর ১৩ নম্বরে ওপেক্স গার্মেন্টসের সামনে একটি দোকানের সামনে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় চার-পাঁচজন যুবক সেখানে ঘোরাঘুরি করছিল। উপস্থিত লোকেরা ওই যুবকদের কাছে ঘোরাঘুরির কারণ জানতে চান। এই সময়ের মাঝেই তারা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, এতে ইউসুফের বুকে গুলি লাগে, মনিরের বাঁ পায়ে ও সালামের মাথার ডান পাশে গুলি লাগে।

          ইউসুফকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


          তথ্যসূত্র:
          ১। মিরপুরে গুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, আহত ২
          https://tinyurl.com/zjmvtbf5
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            লালমনিরহাটে মাদক উদ্ধারের পর ১০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে মাদকের বড় একটি চালান ছেড়ে দিলো পুলিশ সদস্যরা




            সম্প্রতি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদকের বড় একটি চালান উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার হওয়ার পর মাদকের চালানটি ১০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে সমঝোতা করে প্রাইভেটকারসহ মাদক কারবারিদের হাতে ছেড়ে দেয় পুলিশের অফিসাররা।

            অভিযুক্ত চার পুলিশ কর্মকর্তা হল- হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক তুহিন, উপ-পরিদর্শক রিমন মিয়া এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল হাকিম ও লুৎফর রহমান।

            গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধা উপজেলার বোর্ডের হাট বাজারের পূর্ব পাশে এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় ওই চার পুলিশ কর্মকর্তা। অভিযানে একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল ও বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়।

            তবে জব্দকৃত মাদক থানায় না নিয়ে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যায় তারা। সেখানে মাদক কারবারিদের সাথে ১০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে আটককৃত প্রাইভেটকার ও মাদকের চালানটি ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

            স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনা ধামাচাপা দিতে এএসআই আব্দুল হাকিম এক ইউপি কর্মচারীর মোবাইল ফোন থেকে সিসিটিভি মনিটরিং অ্যাপ ও ফুটেজ মুছে দেয়। এর পরদিন ভবানীপুর গ্রামে অন্য একটি অভিযানে গেলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পুলিশ সদস্যরা ফিরে আসতে বাধ্য হয়। এরপরই বিষয়টি পুরো এলাকায় জানাজানি হয় এবং তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

            ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় চার পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে।


            তথ্যসূত্র:
            ১। মাদক উদ্ধারে গিয়ে ঘুষ গ্রহণ, ৪ পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার
            https://tinyurl.com/mr3dm6a6
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              রাজশাহীতে যাবজ্জীবন দণ্ড নিয়েও থানায় চলাফেরা শীর্ষ মাদক কারবারির





              যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানায় প্রকাশ্যে যাওয়া-আসা করেছে এক শীর্ষ মাদক কারবারি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মনোয়ারুল হাসান রাসেল ওরফে ‘চিট রাসেল’ নামের ওই ব্যক্তিকে চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের একটি আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়।

              দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, আদালতের রায়ের দিন রাসেল উপস্থিত ছিল না। ফলে আদালত তাকে দণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর সে আত্মসমর্পণ করেনি, আদালত থেকেও জামিন নেয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে গত ১৯ জুলাই সে গোদাগাড়ী থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। রাসেলের বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার আঁচুয়া তালতলা গ্রামে।

              আদালতের নথি অনুযায়ী, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় ২০১৯ সালে দায়ের হওয়া মাদক মামলার রায় ঘোষণা করা হয় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি। ওই মামলায় রাসেল ছাড়াও জামাল উদ্দিন নামে আরেক ব্যক্তি আসামি ছিল। রায়ের দিন জামাল আদালতে উপস্থিত থাকলেও রাসেল পলাতক ছিল।

              পুলিশ সূত্র সাংবাদিকদের জানায়, কোনো ব্যক্তি পলাতক অবস্থায় দেশের যেকোনো আদালতে দণ্ডিত হলে তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়। বর্তমানে গোদাগাড়ী থানায় সাজাপ্রাপ্ত মামলার ওয়ারেন্ট তদারকির দায়িত্বে রয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম। আর বিচারাধীন মামলার ওয়ারেন্ট দেখভাল করে এসআই নাজমুল ইসলাম।

              সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, গত ৮ জুলাই আঁচুয়া তালতলা গ্রামে রাসেলের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১১ জুলাই তার ভাতিজা রাকিবুর হাসান বাদী হয়ে গোদাগাড়ী থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। আসামিরা রিমান্ডে থাকা অবস্থায় ১৯ জুলাই থানায় যায় রাসেল। সেখানে সে চুরির মামলার অগ্রগতি নিয়ে ওসি আতিকুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে এবং একই দিনে পল্টন থানার মামলার জামিনের কাগজ জমা দেয়।

              এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, আমার বিষয়টি মনে পড়ছে না।

              ওয়ারেন্ট অফিসার এসআই নাজমুল ইসলাম বলেন, আমি বিচারাধীন মামলার ওয়ারেন্ট দেখি। রাসেলের বিরুদ্ধে পল্টন থানার একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। ১৯ জুলাই ওই মামলার জামিনের কাগজ পেয়েছি। সাজাপ্রাপ্ত মামলার বিষয়টি জানি না। সেটি এসআই নুরুল ইসলাম দেখেন।

              এ বিষয়ে এসআই নুরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, এগুলো অফিসিয়াল বিষয়। আমি এ নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারব না, কথাও বলব না।

              স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করত রাসেল। এলাকায় সে ‘চিট রাসেল’ নামে পরিচিত। চট্টগ্রামের আদালতের রায়ের নথিতেও তার এই নাম উল্লেখ রয়েছে। পরে হেরোইন ও ইয়াবা ব্যাবসার মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয় সে। রাজশাহী শহরে তার বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট, জমিসহ বিভিন্ন স্থাবর সম্পদ রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

              এর আগে একাধিকবার মাদকসহ গ্রেপ্তারও হয়েছে রাসেল। ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর রাতে রাজশাহী নগরের উপশহর এলাকায় তার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ৮৮০ পিস ইয়াবাসহ তাকে ও তার স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরও আগে ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এলাকায় প্রায় ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি ট্রাকসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয় সে।

              স্থানীয়দের দাবি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরও রাসেল প্রকাশ্যে রাজশাহী শহর ও গোদাগাড়ীতে চলাফেরা করছে। বেশিরভাগ সময় সে রাজশাহী শহরের একটি ফ্ল্যাটে থাকে, মাঝে মধ্যে গ্রামের বাড়িতেও যায়।

              গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালাহউদ্দিন বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, গোদাগাড়ীর মাদক ব্যবসায়ীরা অনেক প্রভাবশালী। বিপুল অর্থের প্রভাবে তারা নানা বিষয় ম্যানেজ করে। এ কারণে অনেক সময় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও কার্যকর হয় না।


              তথ্যসূত্র:
              ১। যাবজ্জীবন দণ্ড নিয়েও থানায় চলাফেরা শীর্ষ মাদক কারবারির
              https://tinyurl.com/cskur8wz
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                উত্তর প্রদেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদী কর্মীদের লাঞ্ছনার শিকার হয়ে এক হিন্দু কিশোরীর আত্মহত্যা




                ভারতে উত্তর প্রদেশের বেরেলিতে ‘লাভ জিহাদ’ এর অভিযোগ তুলে ১৭ বছর বয়সী এক হিন্দু কিশোরীকে লাঞ্ছিত করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সমর্থকরা। ফলস্বরূপ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ঐ কিশোরী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আত্মহত্যা করেছে।

                ২১ জুলাই রাতে বেরেলির বিথরি চেইনপুর এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে ওই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

                পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, কিশোরী এবং সালমান ও শোয়েব নামে তার দুই সহকর্মী একটি বেসরকারি হাসপাতালে কাজ করত। ঘটনার দিন তারা চা পান করতে হোটেলে গিয়েছিল।

                কিশোরীর ভাইয়ের অভিযোগে, খবর পেয়ে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কয়েকজন সদস্য হোটেলে উপস্থিত হয়। তারা কিশোরীর বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’-এ জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে।

                এফআইআরে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তারা কিশোরী ও তার মুসলিম সহকর্মীদের ঘিরে ধরে। কিশোরীকে গালিগালাজ করে, ভয়ভীতি দেখায় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এছাড়া মুসলিম সহকর্মী দুইজনকেও মারধর করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা।

                এছাড়া অপমানিত করার দৃশ্য ভিডিওতে ধারণে করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করে দেয় উগ্রপন্থীরা। এতে ভুক্তভোগী কিশোরী মানসিকভাবে অত্যন্ত ভেঙে পড়ে। তার পরিবার পরদিন সকালে পুলিশের নিকট অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু ওই রাতেই ভুক্তভোগ মেয়েটি আত্মহত্যা করে।

                পুলিশের তদন্তে এখনও পর্যন্ত কথিত ‘লাভ জিহাদ’-সংক্রান্ত কোনও বিষয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্য হিমাংশু প্যাটেল, দেবেন্দ্র প্যাটেল ও নির্দোষ রাঠোরের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।


                তথ্যসূত্র:
                1. https://tinyurl.com/23tnzd9a
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment

                Working...
                X