Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২২ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ১১ এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২২ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ১১ এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

    আফগানিস্তানে নগর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আমীরুল মুমিনীনের নতুন ফরমান



    শহরের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ফুটপাতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম সুশৃঙ্খল করতে ইমারাতে ইসলামিয়ার সর্বোচ্চ নেতা আমীরুল মুমিনীন শাইখুল হাদীস মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ নতুন একটি নির্দেশনা জারি করেছেন। এটি নগর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    এই নির্দেশনায় দেশের সকল পৌর কর্তৃপক্ষকে ফুটপাতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নগর পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ, কার্যক্রমের সীমানা চিহ্নিত করা এবং প্রত্যেক বিক্রেতার জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি এসকল ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ এবং বিনামূল্যে পরিচয়পত্র বিতরণের বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পেয়েছে।

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার তৈরি করে ফুটপাতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিচয়, তাদের ব্যবসার ধরন এবং কর্মস্থলের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি রোধে নিয়মিত তদারকি করাও পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অন্যদিকে হকারদেরও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা, অবৈধ পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকা, নিজ নিজ স্থানে শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ক্রেতা আকর্ষণে উচ্চ শব্দ তথা লাউড স্পিকার ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনায় বিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ রয়েছে। প্রথমে লিখিত সতর্কবার্তা এবং পুনরাবৃত্তি ঘটলে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি বাতিল করার বিধান রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নগর পরিবেশে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং ফুটপাতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও নিয়মতান্ত্রিক হবে।

    তথ্যসূত্র
    1. a new decree emphasizing the regulation of street vendors’ activities
    https://tinyurl.com/3wa3w2px
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    নাইজার নদীতে জান্তা টহলদলের উপর জেএনআইএম মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণ: শীর্ষ কমান্ডার সহ ৩ সেনা নিহত




    পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের টিলাবেরি রাজ্যে নদীতে টহলরত সেনাবাহিনীর একটি স্পিডবোট লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মুজাহিদিনরা। এতে নাইজার সেনাবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার লেফটেন্যান্ট আমাদু মামান (সোলাইমান) ও তার দুইজন সঙ্গী নিহত হয়।

    আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ই এপ্রিল বুধবার বিকালে, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা টিলাবেরি রাজ্যের সাই ও কারকাস এলাকার মধ্যবর্তী নদীতে নাইজার সেনাবাহিনীর টহলরত একটি স্পিডবোট লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছেন। নাইজার সেনাবাহিনীর শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট আমাদু মামান তার ৪ সেনা সদস্য নিয়ে জেএনআইএম এর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের একটি মিশনে উক্ত এলাকায় নদীতে টহল দিচ্ছিল। এসময় বিকাল ৫টার দিকে, নাইজার নদীর তীর থেকে সশস্ত্র জেএনআইএম মুজাহিদিনরা শত্রু সেনাদের স্পিডবোট লক্ষ্য করে অতর্কিত আক্রমণ চালান।

    প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্যাপ্টেন মামান সহ তার সাথে থাকা অন্তত ৩ সেনা সদস্য ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। হামলার পর ক্যাপ্টেনের মরদেহ স্পিডবোটের উপরেই পরে থাকে, আর অন্য দুই সেনা সদস্যের মরদেহ নাইজার নদীতে পড়ে স্রোতের সাথে ভেসে যায়।

    উল্লেখ্য যে, মুজাহিদদের হামলায় নিহত ক্যাপ্টেন পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে সাই এলাকায় জেন্ডারমেরি (সেনাবাহিনীর) দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। কৌশলগত এই সীমান্ত এলাকায় মুজাহিদদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিয়োজিত থাকায় তাকে স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য করা হতো। দূর্ভাগ্যের বিষয় হলো, মুজাহিদদের হামলার ২৪ ঘণ্টা পরেও এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মরদেহ নদীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে, কিন্তু তাকে উদ্ধার করার মতো সাহসও করতে পারেনি নাইজার সেনাবাহিনী। তাই প্রশ্ন উঠছে ইসলাম ও মুজাহিদদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত নাইজার সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার জীবনের মূল্য কী এবং সম্মুখ সমরে লড়াইরত জান্তাদের মৃত্যুর মূল্যই বা কী?


    তথ্যসূত্র
    https://tinyurl.com/4hwbvtv7
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      জাওজান প্রদেশে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া



      আফগানিস্তানের সমৃদ্ধ জ্বালানি সম্পদ ব্যবহারে ধারাবাহিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে জাওজান প্রদেশের ইয়াতিম তাক এলাকায় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। জ্বালানি খাতের এই অগ্রগতি দেশের অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

      পেট্রোলিয়াম ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইয়াতিম তাক অঞ্চলে নতুন গ্যাস কূপের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর দৈনিক গ্যাস উৎপাদন বেড়ে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ঘনমিটারে উন্নীত হবে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুমায়ুন আফগান জানান, হাইড্রোকার্বন বিভাগের মহাপরিচালক মোল্লা মোহাম্মদ ইসরাইল হাফিযাহুল্লাহ কূপগুলো পরিদর্শনকালে প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

      এদিকে ইয়াতিম তাক এলাকায় দুটি গ্যাস কূপ খননের জন্য একটি তুর্কি কোম্পানির সঙ্গে ৭.৫ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিটি এই অঞ্চলে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের পথ আরও সুদৃঢ় হবে।

      তথ্যসূত্র
      1. Gas Production if Yatim Taq Well in Jawzjan to Enhance
      https://tinyurl.com/9dv4fec8
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment

      Working...
      X