Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৩ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ৩১ মে, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৩ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ৩১ মে, ২০২৬ ঈসায়ী

    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের হেরাতে চলতি বছরে গম উৎপাদন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি




    ​ইমারাতে ইসলামিয়ার হেরাত প্রদেশে চলতি বছরে গম উৎপাদন গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং ফসলের রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকায় কৃষি খাতে এ ইতিবাচক অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    হেরাত কৃষি ও প্রাণিসম্পদ চেম্বারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে প্রদেশটিতে গম উৎপাদন প্রায় ৬ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছাতে পারে।

    হেরাত কৃষি ও প্রাণিসম্পদ চেম্বারের প্রধান বশির আহমদ বাহাদুরি বলেন, এ বছর কৃষির জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করেছে। গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃষ্টিপাত হওয়ায় বৃষ্টিনির্ভর ও সেচনির্ভর উভয় ধরনের গমের ক্ষেতই ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

    এদিকে কৃষকরাও চলতি মৌসুমে গমের উৎপাদন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। হেরাতের ৭০ বছর বয়সী কৃষক খোদাইদাদ জানান, পর্যাপ্ত বৃষ্টি ও পানির প্রাপ্যতার কারণে এ বছর কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শুধু গমই নয়, বাগান ও অন্যান্য কৃষিজমিতেও ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে।

    হেরাত কৃষি ও সেচ বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে প্রদেশজুড়ে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ হেক্টরেরও বেশি জমি বৃষ্টিনির্ভর কৃষিজমি।

    কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে হেরাতে প্রত্যাশিত গম উৎপাদন শুধু স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তাই জোরদার করবে না, বরং প্রদেশটির কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


    তথ্যসূত্র
    1. Herat Wheat Harvest Expected to Rise 50 Percent This Year
    https://tinyurl.com/mt6ktxue
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক-কারিগরি সহযোগিতা চুক্তি ইমারাতে ইসলামিয়ার



    ​আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার এবং বিদ্যমান সামরিক সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত সামরিক-কারিগরি সহযোগিতা চুক্তির বাস্তবায়ন কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। মস্কোয় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরে এ তথ্য জানিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মৌলভী মুহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ।

    ৩০ মে, শনিবার কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, রাশিয়ার সরকারি আমন্ত্রণে আফগান প্রতিনিধিদল মস্কোর নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নেয়। তিনি উল্লেখ করেন, সম্মেলনে সীমিত সংখ্যক দেশকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং আফগানিস্তানও সেই দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল।

    রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি প্রসঙ্গে মৌলভী মুহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, এটি কোনো প্রতিরক্ষা বা নিরাপত্তা জোট নয়; বরং একটি সামরিক-কারিগরি সহযোগিতা চুক্তি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নত করা এবং বিদ্যমান সামরিক সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও আধুনিকায়নে সহায়তা করা।

    তিনি বলেন, আফগানিস্তানের ব্যবহৃত বহু সামরিক সরঞ্জাম, যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রাশিয়ায় নির্মিত। এসব সরঞ্জামের কার্যকারিতা বজায় রাখতে নিয়মিত কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। নতুন চুক্তির মাধ্যমে সেই প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার পথ আরও সুগম হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার নীতি নিরপেক্ষতা ও অন্য রাষ্ট্রের প্রতি আগ্রাসনবিরোধী অবস্থানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সামরিক খাতে যেকোনো অগ্রগতি কেবল দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, আফগানিস্তানের কাছে অন্যান্য দেশের তৈরি সামরিক সরঞ্জামও রয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের তৈরি সামরিক সরঞ্জাম অন্যতম। পারস্পরিক আগ্রহ ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে এসব দেশের সঙ্গেও অনুরূপ কারিগরি সহযোগিতা চুক্তির সম্ভাবনা বিবেচনা করা হতে পারে বলে তিনি জানান।

    মৌলভী মুহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্পাদিত প্রতিটি চুক্তিতে আফগানিস্তানের জাতীয় স্বার্থই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কোনো চুক্তি ইমারাতে ইসলামিয়া কখনোই সম্পাদন করবে না।

    চুক্তিটি নিয়ে কিছু দেশের উদ্বেগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, আফগানিস্তান কোনো দেশের জন্য হুমকি নয়। ফলে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিকে উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। বিশেষভাবে পাকিস্তানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসলামাবাদের কিছু আপত্তি থাকতে পারে, তবে আফগানিস্তান তার আত্মরক্ষার সক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, কয়েক মাস আগেও পাকিস্তান আফগানিস্তানের কিছু অঞ্চলে বিমান হামলা চালানোর ক্ষেত্রে নিজেদের যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী মনে করত। তবে ভবিষ্যতে যেন কোনো পক্ষ এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের সাহস বা আত্মবিশ্বাস না পায়, সে লক্ষ্যেই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আরও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। এ লক্ষ্য অর্জনে ভবিষ্যতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং সামরিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা ও উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।


    তথ্যসূত্র
    1. Defense minister: Russia military-technical cooperation deal aims to strengthen Afghanistan’s defense capabilities
    https://tinyurl.com/yad3ex67
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment

    Working...
    X